
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

পুলিশের অধস্তন ফোর্সের থাকা ও খাওয়ার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.)।
আজ শনিবার দুপুরে রাজধানীর উত্তরাঞ্চলের তিনটি থানা (বিমানবন্দর, উত্তরা পশ্চিম ও তুরাগ) পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এ কথা জানান তিনি।
উপদেষ্টা বলেন, আজকের পরিদর্শনের মূল উদ্দেশ্য ছিলো পুলিশের অধস্তন ফোর্সের থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করা।
তিনি বলেন, পরিদর্শনকালে আমি দেখেছি- তাদের থাকার ব্যবস্থা খুবই খারাপ। কিভাবে এটিকে উন্নত করা যায়, সে বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টা আমাদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন। সেজন্য বিভিন্ন থানা সরেজমিন পরিদর্শন করে দেখছি।
লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.) বলেন, জনদুর্ভোগ নিরসন ও থানার সেবার মান আরও উন্নত করার লক্ষ্যে রাজধানীর প্রতিটি থানা নিজস্ব জায়গা ও ভবনে স্থানান্তর করা হবে। সেজন্য প্রয়োজনীয় অর্থ সংস্থানের চেষ্টা চলছে।
তিনি আরও বলেন, আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে নয়টি থানা নতুন/নিজস্ব জায়গায় স্থানান্তর করা হবে। পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে অন্যান্য থানাও নিজস্ব জায়গা ও ভবনে স্থানান্তর করা হবে।
ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে দায়ের করা মিথ্যা মামলায় হয়রানি প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, মিথ্যা মামলায় যাতে কাউকে হয়রানি না করা হয় সেজন্য পুলিশকে অনেক আগে থেকেই নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তিনি এসময় গণমাধ্যমের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা ও সঠিক তথ্য প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট ওসিদের নির্দেশ দেন।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে উপদেষ্টা বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ধীরে ধীরে উন্নতি ঘটছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এটি আরও উন্নত হবে।
১৮ কোটি মানুষের দেশে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ অত সহজ নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, থানার সামনে প্রেস ব্রিফিংয়ের জন্য সুশৃঙ্খলভাবে জড়ো ও সংগঠিত হওয়ার জন্য সাংবাদিকদের কিন্তু সময় লেগেছে। একইভাবে আমাদের সময় দিন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরো উন্নতি ঘটবে। তিনি এসময় আওয়ামী লীগের কার্যক্রম ও ঝটিকা মিছিলের বিরুদ্ধে পুলিশের কোন রকম নিষ্ক্রিয়তা পেলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানান।
পরে উপদেষ্টা পল্লবী থানা আকস্মিক পরিদর্শন করেন।

পুলিশের অধস্তন ফোর্সের থাকা ও খাওয়ার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.)।
আজ শনিবার দুপুরে রাজধানীর উত্তরাঞ্চলের তিনটি থানা (বিমানবন্দর, উত্তরা পশ্চিম ও তুরাগ) পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এ কথা জানান তিনি।
উপদেষ্টা বলেন, আজকের পরিদর্শনের মূল উদ্দেশ্য ছিলো পুলিশের অধস্তন ফোর্সের থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করা।
তিনি বলেন, পরিদর্শনকালে আমি দেখেছি- তাদের থাকার ব্যবস্থা খুবই খারাপ। কিভাবে এটিকে উন্নত করা যায়, সে বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টা আমাদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন। সেজন্য বিভিন্ন থানা সরেজমিন পরিদর্শন করে দেখছি।
লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.) বলেন, জনদুর্ভোগ নিরসন ও থানার সেবার মান আরও উন্নত করার লক্ষ্যে রাজধানীর প্রতিটি থানা নিজস্ব জায়গা ও ভবনে স্থানান্তর করা হবে। সেজন্য প্রয়োজনীয় অর্থ সংস্থানের চেষ্টা চলছে।
তিনি আরও বলেন, আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে নয়টি থানা নতুন/নিজস্ব জায়গায় স্থানান্তর করা হবে। পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে অন্যান্য থানাও নিজস্ব জায়গা ও ভবনে স্থানান্তর করা হবে।
ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে দায়ের করা মিথ্যা মামলায় হয়রানি প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, মিথ্যা মামলায় যাতে কাউকে হয়রানি না করা হয় সেজন্য পুলিশকে অনেক আগে থেকেই নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তিনি এসময় গণমাধ্যমের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা ও সঠিক তথ্য প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট ওসিদের নির্দেশ দেন।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে উপদেষ্টা বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ধীরে ধীরে উন্নতি ঘটছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এটি আরও উন্নত হবে।
১৮ কোটি মানুষের দেশে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ অত সহজ নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, থানার সামনে প্রেস ব্রিফিংয়ের জন্য সুশৃঙ্খলভাবে জড়ো ও সংগঠিত হওয়ার জন্য সাংবাদিকদের কিন্তু সময় লেগেছে। একইভাবে আমাদের সময় দিন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরো উন্নতি ঘটবে। তিনি এসময় আওয়ামী লীগের কার্যক্রম ও ঝটিকা মিছিলের বিরুদ্ধে পুলিশের কোন রকম নিষ্ক্রিয়তা পেলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানান।
পরে উপদেষ্টা পল্লবী থানা আকস্মিক পরিদর্শন করেন।

‘‘উনাদের ওই বক্তব্যটা টোটালি পলিটিক্যাল স্ট্যান্টবাজি, রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত। তারা যদি সরকারের বিরুদ্ধে আচরণই করত, তারা যদি সরকারের সুযোগ-সুবিধাই না নিত, তাহলে সরকার গঠন হওয়ার পরদিনই তাদের পদত্যাগ করে চলে যাওয়ার কথা’’
৬ দিন আগে
শফিকুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের দ্বারা যত গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে, তার প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। কারও প্রতি কোনো প্রতিশোধ নয়, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। ন্যায়বিচার নিশ্চিত না করা অন্যায়। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি— আপনারা বিচার নিশ্চিত করুন, না হয় আপনারা যাওয়ার রাস্তা খুঁজে বের করুন।
৭ দিন আগে
ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৭ দিন আগে
রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ‘জামায়াত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা এবং লাঞ্ছনা’ অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তা
৭ দিন আগে