
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দেশে আবারও ওয়ান-ইলেভেনের পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে বলে আশঙ্কা করে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছিলেন, পোস্টটি হয়তো তিনি ডিলিট করে দিতে পারেন।
কয়েক ঘণ্টা পর বিএনপি নেতার কথা আংশিক ফলল। ফেসবুক পোস্টটি কারা দেখতে পাবেন, সেটি পরিবর্তন করেছেন মাহফুজ আলম। ‘পাবলিক’ পোস্টটিকে তিনি ‘ফ্রেন্ডস ওনলি’ করে দিয়েছেন। ফলে পোস্টটি আর সর্বসাধারণের জন্য দৃশ্যমান নেই।
সোমবার (৪ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটের দিকে ফেসবুকে ওই পোস্ট করেছিলেন মাহফুজ আলম।
মাহফুজ তার পোস্টে লিখেছিল, ‘১/১১-এর পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে। তবে জুলাই জয়ী হবে। জনগণের লড়াই পরাজিত হবে না।’
এদিকে সোমবার গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। এ সময় সাংবাদিকরা তথ্য উপদেষ্টার ওই পোস্ট সম্পর্কে তার কাছে মন্তব্য জানতে চান। প্রশ্ন করেন, বিএনপি এ রকম কোনো আভাস পেয়েছে কি না।
এ প্রশ্নের জবাবে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আমি মনে করি মাহফুজ আলম সাহেব হয়তো ঘণ্টাখানেক পরে পোস্টটি ডিলিট করে দেবেন। এ বিষয়ে আর কোনো বক্তব্য নেই।’
সালাহউদ্দিন আহমদের এ ধারণা পুরোপুরি না হলেও কিছুটা সত্য হয়েছে। সোমবার রাত ১০টার পর আর তথ্য উপদেষ্টার ফেসবুক প্রোফাইলে ওই পোস্টটি দেখা যায়নি। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তার প্রোফাইলে বন্ধু তালিকায় যারা রয়েছেন, কেবল তাদের জন্যই তিনি পোস্টটি উন্মুক্ত রেখেছেন। অর্থাৎ তার বন্ধু তালিকায় যারা নেই তারা আর পোস্টটি
এর আগে মাহফুজ আলমের ওই পোস্ট ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা কৌতূহল তৈরি হয়। বিভিন্নজন তার পোস্টে নানা ধরনের মন্তব্য করেন। রাজনৈতিক অঙ্গনেও নানা জল্পনা শুরু হয়।
ওই পোস্টে মাহফুজ আলম মূলত ২০০৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান কে হবেন, এ নিয়ে সৃষ্ট রাজনৈতিক মতানৈক্যের জের ধরে দুই বছর মেয়াদে অনির্বাচিত সেনা সমর্থিত শাসনামলের প্রতি ইঙ্গিত করেছিলেন।
ওই সময় রাজনৈতিক অচলাবস্থা ও সহিংসতার জের ধরে ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি জরুরি অবস্থা জারি করা হয়। সে দিন আওয়ামী লীগসহ সমমনা দলগুলোর দাবি অনুযায়ী তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহমেদ প্রধান উপদেষ্টার পদ থেকে সরে দাঁড়িয়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে তিনি ২২ জানুয়ারি অনুষ্ঠেয় নির্বাচন বাতিল করেন।
এর সূত্র ধরে ক্ষমতায় আসে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার, যার প্রধান হন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. ফখরুদ্দীন আহমেদ। সে সময় সেনাপ্রধান ছিলেন জেনারেল মঈন উদ্দিন আহমেদ। এ ঘটনা দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ‘ওয়ান ইলেভেন’ হিসেবে পরিচিতি।

দেশে আবারও ওয়ান-ইলেভেনের পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে বলে আশঙ্কা করে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছিলেন, পোস্টটি হয়তো তিনি ডিলিট করে দিতে পারেন।
কয়েক ঘণ্টা পর বিএনপি নেতার কথা আংশিক ফলল। ফেসবুক পোস্টটি কারা দেখতে পাবেন, সেটি পরিবর্তন করেছেন মাহফুজ আলম। ‘পাবলিক’ পোস্টটিকে তিনি ‘ফ্রেন্ডস ওনলি’ করে দিয়েছেন। ফলে পোস্টটি আর সর্বসাধারণের জন্য দৃশ্যমান নেই।
সোমবার (৪ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটের দিকে ফেসবুকে ওই পোস্ট করেছিলেন মাহফুজ আলম।
মাহফুজ তার পোস্টে লিখেছিল, ‘১/১১-এর পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে। তবে জুলাই জয়ী হবে। জনগণের লড়াই পরাজিত হবে না।’
এদিকে সোমবার গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। এ সময় সাংবাদিকরা তথ্য উপদেষ্টার ওই পোস্ট সম্পর্কে তার কাছে মন্তব্য জানতে চান। প্রশ্ন করেন, বিএনপি এ রকম কোনো আভাস পেয়েছে কি না।
এ প্রশ্নের জবাবে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আমি মনে করি মাহফুজ আলম সাহেব হয়তো ঘণ্টাখানেক পরে পোস্টটি ডিলিট করে দেবেন। এ বিষয়ে আর কোনো বক্তব্য নেই।’
সালাহউদ্দিন আহমদের এ ধারণা পুরোপুরি না হলেও কিছুটা সত্য হয়েছে। সোমবার রাত ১০টার পর আর তথ্য উপদেষ্টার ফেসবুক প্রোফাইলে ওই পোস্টটি দেখা যায়নি। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তার প্রোফাইলে বন্ধু তালিকায় যারা রয়েছেন, কেবল তাদের জন্যই তিনি পোস্টটি উন্মুক্ত রেখেছেন। অর্থাৎ তার বন্ধু তালিকায় যারা নেই তারা আর পোস্টটি
এর আগে মাহফুজ আলমের ওই পোস্ট ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা কৌতূহল তৈরি হয়। বিভিন্নজন তার পোস্টে নানা ধরনের মন্তব্য করেন। রাজনৈতিক অঙ্গনেও নানা জল্পনা শুরু হয়।
ওই পোস্টে মাহফুজ আলম মূলত ২০০৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান কে হবেন, এ নিয়ে সৃষ্ট রাজনৈতিক মতানৈক্যের জের ধরে দুই বছর মেয়াদে অনির্বাচিত সেনা সমর্থিত শাসনামলের প্রতি ইঙ্গিত করেছিলেন।
ওই সময় রাজনৈতিক অচলাবস্থা ও সহিংসতার জের ধরে ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি জরুরি অবস্থা জারি করা হয়। সে দিন আওয়ামী লীগসহ সমমনা দলগুলোর দাবি অনুযায়ী তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহমেদ প্রধান উপদেষ্টার পদ থেকে সরে দাঁড়িয়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে তিনি ২২ জানুয়ারি অনুষ্ঠেয় নির্বাচন বাতিল করেন।
এর সূত্র ধরে ক্ষমতায় আসে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার, যার প্রধান হন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. ফখরুদ্দীন আহমেদ। সে সময় সেনাপ্রধান ছিলেন জেনারেল মঈন উদ্দিন আহমেদ। এ ঘটনা দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ‘ওয়ান ইলেভেন’ হিসেবে পরিচিতি।

সম্প্রতি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে এক বৈঠকের পর জামায়াতের আমির শফিকুর রহমানের বক্তব্য ঘিরে জাতীয় সরকার গঠনের প্রশ্ন নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহর মনোনয়ন বাতিল চেয়ে আবেদন করেছেন বিএনপি প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী।
১৪ ঘণ্টা আগে
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার।
১৫ ঘণ্টা আগে
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি রক্ষায় সরকারকে আরও সক্রিয় ও কৌশলী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন অত্যন্ত জরুরি, আর এটি সরকারেরই দায়িত্ব। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সরকারকে বিএনপি বারবার আহ্বান জানিয়ে
১৫ ঘণ্টা আগে