
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

গত ৭১ দিনে সারা দেশে ৩০৩টি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় আটজন নিহত হয়েছেন আর আহত হয়েছেন পাঁচজন। অগ্নিকাণ্ডগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি হয়েছে গাজীপুর জেলায়। এ ছাড়া ঢাকা সিটিতে ১৩৭টি, ঢাকা বিভাগে ৫৭টি, চট্টগ্রাম বিভাগে ৩৫টি, রাজশাহী বিভাগে ৩৮টি, বরিশাল বিভাগে ৯টি, রংপুর বিভাগে ১০টি, খুলনা বিভাগে ৫টি, ময়মনসিংহ বিভাগে ৬টি, সিলেট বিভাগে ৬টি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, গত বছরের ২৮ অক্টোবর থেকে চলতি বছরের ৬ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত (মোট ৭১ দিনে) উচ্ছৃঙ্খল জনতা কর্তৃক সারা দেশে মোট ৩০৩টি আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স। এই অগ্নিকাণ্ডে ৩০২টি যানবাহন ও ২৩টি স্থাপনা পুড়ে যায়। এ ঘটনায় সারা দেশে পাঁচজন (ফায়ার সার্ভিস এর দুজন+ ৩ সাধারণ) আহত ও আটজন নিহত হয়েছেন।
সংস্থাটি আরও জানায়, যানবাহনের মধ্যে মোট বাস ১৭৬টি, ট্রাক ৪৯টি, কাভার্ডভ্যান ২৫টি, মোটরসাইকেল ২১টি, পিকআপ ১০টি, ট্রেন ৫টি, সিএনজি ৩টি, প্রাইভেটকার ৩টি, মাইক্রোবাস ৩টি, লেগুনা ৩টি, নছিমন ১টি, ফায়ার সার্ভিসের পানিবাহী গাড়ি ১টি, পুলিশের গাড়ি ১টি, অ্যাম্বুলেন্স ১টি। এ ছাড়া ২৩টি স্থাপনার মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ৯টি, বিএনপি অফিস ৫টি, আওয়ামী লীগ অফিস ১টি, পুলিশ বক্স ১টি, কাউন্সিলর অফিস ১টি, বৌদ্ধ মন্দির ১টি, বিদ্যুৎ অফিস ২টি, বাস কাউন্টার ১টি ও শোরুম ২টি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
পরিসংখ্যানে দেখা যায়, এই ৭১ দিনের মধ্যে ৪৭ দিন অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে, বাকি ২৪ দিন কোনো অগ্নিকাণ্ড ঘটেনি। এর মধ্যে অক্টোবর মাসে ১ দিন, নভেম্বর মাসে ৩ দিন, ডিসেম্বর মাসে ১৭ দিন, জানুয়ারি মাসে ৩ দিন কোনো অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেনি।
২৮ অক্টোবর, ২৩ থেকে ৬ জানুয়ারি, ২৪ তারিখ (সন্ধ্যা ৬) পর্যন্ত (মোট ৭১ দিনে) উচ্ছৃঙ্খল জনতা কর্তৃক সবচেয়ে বেশি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে ঢাকা সিটি করপোরেশন এলাকায়, এ ছাড়া দেশের ৪৩টি জেলায় আগুনের ঘটনা ঘটে বাকি ২১টি জেলায় উচ্ছৃঙ্খল জনতা কর্তৃক কোনো অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ ফায়ার সার্ভিস পায়নি। দেশে ৯০টি উপজেলায় অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস এবং বাকি ৪০৫টি উপজেলায় কোনো আগুনের সংবাদ পাওয়া যায়নি।
ঢাকা সিটি করপোরেশন এর ১৩৭টি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় আগুনের ঘটনা সবচেয়ে বেশি ঘটেছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ৮৯টি, ঢাকা উত্তর সিটিতে ৪৮টি আগুনের ঘটনা ঘটে। এলাকাভিত্তিক পর্যালোচনায় দেখা গেছে, মিরপুরে এলাকায় সবচেয়ে আগুনের ঘটনা বেশি। মিরপুর এলাকায় ১৯টি, গুলিস্তানে ১৪টি, নয়াপল্টন-কাকরাইল এলাকায় ৮টি, খিলগাঁও-মুগদা এলাকায় ১৪টি, পোস্তাগোলা-যাত্রাবাড়ী এলাকায় ১৪টি, মতিঝিল-আরামবাগ এলাকায় ৬টি, মোহাম্মদ ৮টি, বারিধারা ৬টি করে আগুনের ঘটনা ঘটে।
এদিকে, জেলাভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, গাজীপুর জেলায় সবচেয়ে বেশি আগুনের ঘটনা ঘটেছে। গাজীপুরে ৩০টি, চট্টগ্রামে ১৮টি, বগুড়া ১৫টি, নারায়ণগঞ্জ ৭টি, সিরাজগঞ্জ ৬টি, নাটোর ৬টি বরিশাল ৫টি, মানিকগঞ্জ ৪টি, ফরিদপুর ৪টি, লালমনিরহাট ৪টি করে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস।
উপজেলাভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, গাজীপুর সদর উপজেলায় আগুনের ঘটনা সবচেয়ে বেশি। গাজীপুর সদরে ১৪টি, বগুড়া সদরে ১০টি, কালিয়াকৈর উপজেলায় ৮টি, নারায়ণগঞ্জ সদরে ৫টি, ফেনী সদরে ৫টি করে আগুনের ঘটনা ঘটে।

গত ৭১ দিনে সারা দেশে ৩০৩টি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় আটজন নিহত হয়েছেন আর আহত হয়েছেন পাঁচজন। অগ্নিকাণ্ডগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি হয়েছে গাজীপুর জেলায়। এ ছাড়া ঢাকা সিটিতে ১৩৭টি, ঢাকা বিভাগে ৫৭টি, চট্টগ্রাম বিভাগে ৩৫টি, রাজশাহী বিভাগে ৩৮টি, বরিশাল বিভাগে ৯টি, রংপুর বিভাগে ১০টি, খুলনা বিভাগে ৫টি, ময়মনসিংহ বিভাগে ৬টি, সিলেট বিভাগে ৬টি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, গত বছরের ২৮ অক্টোবর থেকে চলতি বছরের ৬ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত (মোট ৭১ দিনে) উচ্ছৃঙ্খল জনতা কর্তৃক সারা দেশে মোট ৩০৩টি আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স। এই অগ্নিকাণ্ডে ৩০২টি যানবাহন ও ২৩টি স্থাপনা পুড়ে যায়। এ ঘটনায় সারা দেশে পাঁচজন (ফায়ার সার্ভিস এর দুজন+ ৩ সাধারণ) আহত ও আটজন নিহত হয়েছেন।
সংস্থাটি আরও জানায়, যানবাহনের মধ্যে মোট বাস ১৭৬টি, ট্রাক ৪৯টি, কাভার্ডভ্যান ২৫টি, মোটরসাইকেল ২১টি, পিকআপ ১০টি, ট্রেন ৫টি, সিএনজি ৩টি, প্রাইভেটকার ৩টি, মাইক্রোবাস ৩টি, লেগুনা ৩টি, নছিমন ১টি, ফায়ার সার্ভিসের পানিবাহী গাড়ি ১টি, পুলিশের গাড়ি ১টি, অ্যাম্বুলেন্স ১টি। এ ছাড়া ২৩টি স্থাপনার মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ৯টি, বিএনপি অফিস ৫টি, আওয়ামী লীগ অফিস ১টি, পুলিশ বক্স ১টি, কাউন্সিলর অফিস ১টি, বৌদ্ধ মন্দির ১টি, বিদ্যুৎ অফিস ২টি, বাস কাউন্টার ১টি ও শোরুম ২টি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
পরিসংখ্যানে দেখা যায়, এই ৭১ দিনের মধ্যে ৪৭ দিন অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে, বাকি ২৪ দিন কোনো অগ্নিকাণ্ড ঘটেনি। এর মধ্যে অক্টোবর মাসে ১ দিন, নভেম্বর মাসে ৩ দিন, ডিসেম্বর মাসে ১৭ দিন, জানুয়ারি মাসে ৩ দিন কোনো অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেনি।
২৮ অক্টোবর, ২৩ থেকে ৬ জানুয়ারি, ২৪ তারিখ (সন্ধ্যা ৬) পর্যন্ত (মোট ৭১ দিনে) উচ্ছৃঙ্খল জনতা কর্তৃক সবচেয়ে বেশি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে ঢাকা সিটি করপোরেশন এলাকায়, এ ছাড়া দেশের ৪৩টি জেলায় আগুনের ঘটনা ঘটে বাকি ২১টি জেলায় উচ্ছৃঙ্খল জনতা কর্তৃক কোনো অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ ফায়ার সার্ভিস পায়নি। দেশে ৯০টি উপজেলায় অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস এবং বাকি ৪০৫টি উপজেলায় কোনো আগুনের সংবাদ পাওয়া যায়নি।
ঢাকা সিটি করপোরেশন এর ১৩৭টি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় আগুনের ঘটনা সবচেয়ে বেশি ঘটেছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ৮৯টি, ঢাকা উত্তর সিটিতে ৪৮টি আগুনের ঘটনা ঘটে। এলাকাভিত্তিক পর্যালোচনায় দেখা গেছে, মিরপুরে এলাকায় সবচেয়ে আগুনের ঘটনা বেশি। মিরপুর এলাকায় ১৯টি, গুলিস্তানে ১৪টি, নয়াপল্টন-কাকরাইল এলাকায় ৮টি, খিলগাঁও-মুগদা এলাকায় ১৪টি, পোস্তাগোলা-যাত্রাবাড়ী এলাকায় ১৪টি, মতিঝিল-আরামবাগ এলাকায় ৬টি, মোহাম্মদ ৮টি, বারিধারা ৬টি করে আগুনের ঘটনা ঘটে।
এদিকে, জেলাভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, গাজীপুর জেলায় সবচেয়ে বেশি আগুনের ঘটনা ঘটেছে। গাজীপুরে ৩০টি, চট্টগ্রামে ১৮টি, বগুড়া ১৫টি, নারায়ণগঞ্জ ৭টি, সিরাজগঞ্জ ৬টি, নাটোর ৬টি বরিশাল ৫টি, মানিকগঞ্জ ৪টি, ফরিদপুর ৪টি, লালমনিরহাট ৪টি করে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস।
উপজেলাভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, গাজীপুর সদর উপজেলায় আগুনের ঘটনা সবচেয়ে বেশি। গাজীপুর সদরে ১৪টি, বগুড়া সদরে ১০টি, কালিয়াকৈর উপজেলায় ৮টি, নারায়ণগঞ্জ সদরে ৫টি, ফেনী সদরে ৫টি করে আগুনের ঘটনা ঘটে।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ওমর ফারুক বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার পরিবারকে নিয়ে যদি কোনো নোংরামি করা হয়, আমরা হয় মারব, না হয় মরব। হয় ফাঁসিতে ঝুলব, না হয় ওই গুপ্ত শিবির সন্ত্রাসীদেরকে নিজেরা আইন হাতে তুলে নিয়ে হত্যা করব।’
১ দিন আগে
ইতিহাসে আর কোনো সরকার দুই মাসের ব্যবধানে এতটা অজনপ্রিয় হয়েছিল কি না—এমন প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
১ দিন আগে
জামায়াতকে উদ্দেশ করে তিনি বলেছেন, ‘দেশকে আবার ভিন্নভাবে তারা স্বৈরাচারের মধ্যে নিতে চায় কি না— আমাদের সেই চিন্তা করতে হবে। তাদের যে অতীত ইতিহাস, আমরা সবাই জানি। দেশবাসী সচেতনভাবে তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। আগামীতে যেন রাজনৈতিকভাবে তাদের পুরোপুরি নির্মূল করা যায়, আমাদের সেভাবে কাজ করতে হবে।’
১ দিন আগে
তিনি বলেন, ‘আমরা কারো ন্যায্য অবদানকে কখনো অস্বীকার করি না। আন্দোলন আমরা সবাই করেছি। কিন্তু আমরা তীরে ফিরতে পারি নাই। আমাদের তরি সমুদ্রে ভাসমান ছিল। জুলাই আন্দোলনের নায়করা এই তরি নিয়ে ঘাটে ভিড়েছে, জাতিকে মুক্তির পথ দেখিয়েছে। তাদের সম্মান করতে, ভালোবাসতে শিখুন। তাদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করবেন না।’
১ দিন আগে