
বাসস

নির্বাচন কমিশন ও সরকার দেশে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচনের জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। এমপি।
বুধবার সিলেটে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে সিলেট-১ আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দাখিলের পর গণমাধ্যমকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।
এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সারা দেশে এখন নির্বাচনী জোয়ার বইছে। নির্বাচন কমিশন ও সরকার একটি সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচনের জন্য অঙ্গীকার নিয়ে কাজ করছে। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলমত নির্বিশেষে সবাই স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এ সময় বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জ্বালাও-পোড়াও না করে, দেশের সম্পদ ধ্বংস না করে নির্বাচনে আসুন, জনসমর্থন প্রমাণ করুন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমাদের শ্লোগান হচ্ছে 'আমার ভোট আমি দেব যাকে ইচ্ছা তাকে দেব।
তাই তিনি নির্বাচনের দিন ভোট কেন্দ্রে গিয়ে নির্বিঘ্নে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে দেশবাসীর প্রতি আহবান জানান।
বিগত ১৫ বছরে আওয়ামী লীগ সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ডের অভাবনীয় অর্জনের জন্য তিনি দেশবাসীকে আবার নৌকা প্রতীকে ভোট দেবার আহবান জানিয়ে বলেন, এতে দেশের উন্নয়ন, শান্তি ও স্থিতিশীলতা অব্যাহত থাকবে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগের যারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছেন বা দিচ্ছেন- দলের জন্য তারা ত্যাগ স্বীকার করে তাদের সেই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করবেন বলেই আমি মনে করি। তারা নৌকার প্রার্থীদের জয় নিশ্চিতে নির্বাচনী মাঠে কাজ করবেন।
আরেক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিচ্ছিন্ন দু-একটি ঘটনা ছাড়া সারা দেশে দারুণ নির্বাচনী পরিবেশ বিরাজ করছে। কোথাও কোনো সমস্যা নেই। যারা নির্বাচন বয়কটের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছেন- তাদের প্রতি আমার আহ্বান, সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে নির্বাচনে আসুন। একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করতে আওয়ামী লীগ বদ্ধপরিকর। আপনারা নির্বাচনে এসে নিজেদের গ্রহণযোগ্যতা প্রমাণ করুন।
এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার ওপর আস্থা রেখে আবারও দলীয় মনোনয়ন প্রদানের জন্য দলীয় সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

নির্বাচন কমিশন ও সরকার দেশে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচনের জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। এমপি।
বুধবার সিলেটে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে সিলেট-১ আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দাখিলের পর গণমাধ্যমকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।
এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সারা দেশে এখন নির্বাচনী জোয়ার বইছে। নির্বাচন কমিশন ও সরকার একটি সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচনের জন্য অঙ্গীকার নিয়ে কাজ করছে। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলমত নির্বিশেষে সবাই স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এ সময় বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জ্বালাও-পোড়াও না করে, দেশের সম্পদ ধ্বংস না করে নির্বাচনে আসুন, জনসমর্থন প্রমাণ করুন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমাদের শ্লোগান হচ্ছে 'আমার ভোট আমি দেব যাকে ইচ্ছা তাকে দেব।
তাই তিনি নির্বাচনের দিন ভোট কেন্দ্রে গিয়ে নির্বিঘ্নে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে দেশবাসীর প্রতি আহবান জানান।
বিগত ১৫ বছরে আওয়ামী লীগ সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ডের অভাবনীয় অর্জনের জন্য তিনি দেশবাসীকে আবার নৌকা প্রতীকে ভোট দেবার আহবান জানিয়ে বলেন, এতে দেশের উন্নয়ন, শান্তি ও স্থিতিশীলতা অব্যাহত থাকবে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগের যারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছেন বা দিচ্ছেন- দলের জন্য তারা ত্যাগ স্বীকার করে তাদের সেই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করবেন বলেই আমি মনে করি। তারা নৌকার প্রার্থীদের জয় নিশ্চিতে নির্বাচনী মাঠে কাজ করবেন।
আরেক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিচ্ছিন্ন দু-একটি ঘটনা ছাড়া সারা দেশে দারুণ নির্বাচনী পরিবেশ বিরাজ করছে। কোথাও কোনো সমস্যা নেই। যারা নির্বাচন বয়কটের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছেন- তাদের প্রতি আমার আহ্বান, সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে নির্বাচনে আসুন। একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করতে আওয়ামী লীগ বদ্ধপরিকর। আপনারা নির্বাচনে এসে নিজেদের গ্রহণযোগ্যতা প্রমাণ করুন।
এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার ওপর আস্থা রেখে আবারও দলীয় মনোনয়ন প্রদানের জন্য দলীয় সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ওমর ফারুক বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার পরিবারকে নিয়ে যদি কোনো নোংরামি করা হয়, আমরা হয় মারব, না হয় মরব। হয় ফাঁসিতে ঝুলব, না হয় ওই গুপ্ত শিবির সন্ত্রাসীদেরকে নিজেরা আইন হাতে তুলে নিয়ে হত্যা করব।’
১ দিন আগে
ইতিহাসে আর কোনো সরকার দুই মাসের ব্যবধানে এতটা অজনপ্রিয় হয়েছিল কি না—এমন প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
১ দিন আগে
জামায়াতকে উদ্দেশ করে তিনি বলেছেন, ‘দেশকে আবার ভিন্নভাবে তারা স্বৈরাচারের মধ্যে নিতে চায় কি না— আমাদের সেই চিন্তা করতে হবে। তাদের যে অতীত ইতিহাস, আমরা সবাই জানি। দেশবাসী সচেতনভাবে তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। আগামীতে যেন রাজনৈতিকভাবে তাদের পুরোপুরি নির্মূল করা যায়, আমাদের সেভাবে কাজ করতে হবে।’
১ দিন আগে
তিনি বলেন, ‘আমরা কারো ন্যায্য অবদানকে কখনো অস্বীকার করি না। আন্দোলন আমরা সবাই করেছি। কিন্তু আমরা তীরে ফিরতে পারি নাই। আমাদের তরি সমুদ্রে ভাসমান ছিল। জুলাই আন্দোলনের নায়করা এই তরি নিয়ে ঘাটে ভিড়েছে, জাতিকে মুক্তির পথ দেখিয়েছে। তাদের সম্মান করতে, ভালোবাসতে শিখুন। তাদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করবেন না।’
১ দিন আগে