
কূটনৈতিক প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রমজানের আগে বাংলাদেশে ২০ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ এবং ১০ হাজার মেট্রিক টন চিনি রপ্তানির প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ভারত। তবে এটা বাড়িয়ে ৫০ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ এবং চিনি ১ লাখ মেট্রিক টন করার জন্য দিল্লিকে অনুরোধ করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। এ ছাড়া মিয়ানমারে চলমান সংঘাত নিয়ে ভারতের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি।
দিল্লি সফর নিয়ে সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান মন্ত্রী।

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শংকরের আমন্ত্রণে ৭ থেকে ৯ ফেব্রুয়ারি হাছান মাহমুদ দিল্লি সফর করেন। সফরকারে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পাশাপাশি তিনি ভারতের প্রেসিডেন্ট, ভাইস প্রেসিডেন্ট, বাণিজ্যমন্ত্রী ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক করেন।
৯ ফেব্রুয়ারি দিল্লিতে ভারতের বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীযূষ গয়ালের সঙ্গে বৈঠকের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা অনেক ভোগ্যপণ্যের জন্য ভারতের ওপর নির্ভরশীল। বিশেষ করে, পেঁয়াজ, চিনি, ডাল এবং মসলা জাতীয় কিছু পণ্য। আমরা অনেক কিছুর জন্য ভারতের ওপর নির্ভরশীল। ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি।
হাছান মাহমুদ বলেন, আমি তাকে (ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রীকে) বলেছি, এসব ভোগ্য পণ্যে যেন বিশেষ কোটা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। যাতে কমপক্ষে আমরা তাদের থেকে এসব সঠিক মূল্যে এবং আমাদের প্রয়োজনে ইমপোর্ট করতে পারি। কমপক্ষে এটুকু সুবিধা যেন তাদের থেকে নিতে পারি।
তিনি আরও বলেন, রমজানের আগে তারা ইতোমধ্যে আমাদের দেশে ২০ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ এবং ১০ হাজার মেট্রিক টন চিনি রপ্তানির প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। আমি সেটাকে বর্ধিত করে ৫০ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ এবং ১ লাখ মেট্রিক টন চিনিতে উন্নীত করার কথা বলেছি। তিনি (ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী) সেটা ভালোভাবে নিয়েছেন।
মিয়ানমার প্রসঙ্গে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বাংলাদেশ ও ভারত– উভয় দেশেরই মিয়ানমারের সঙ্গে সীমান্ত রয়েছে। মিয়ানমারে যদি কোনো কিছুর উদ্রেক ঘটে, তাহলে সেটি আমাদের যেমন ক্ষতিগ্রস্ত করে, উদ্বিগ্ন করে, তাদেরও উদ্বিগ্ন করে। দুই দেশের উদ্বেগ তাদের প্রতিবেশী নিয়ে। সুতরাং আমাদের একসঙ্গে কাজ করার অনেক বিষয় আছে। আমরা ওই বিষয়গুলো নিয়ে কাজের বিষয়ে আলোচনা করেছি।’
রাখাইনে সংঘাতের কারণে সীমান্তে কিছুটা নিরাপত্তা সমস্যা তৈরি হয়েছে জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন,‘আমাদের অভ্যন্তরে তাদের শেল এসে পড়েছে এবং দুই জন মানুষ নিহত হয়েছে। এটি অগ্রহণযোগ্য।’
মিয়ানমারে চলমান সংঘাত নিয়ে বাংলাদেশ উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে তলব করে আমাদের বক্তব্য জানানো হয়েছে। সুতরাং তাদের অভ্যন্তরীণ সমস্যার কারণে এখানে কোনো কিছু বিঘ্নিত হোক, এটা আমরা চাই না বলেও তিনি জানান।
মিয়ানমার নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য যারা বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে, তাদের সবাইকে মিয়ানমার ফিরিয়ে নিয়ে যাবে এবং এটি খুব সহসা হবে বলেও পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান।

রমজানের আগে বাংলাদেশে ২০ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ এবং ১০ হাজার মেট্রিক টন চিনি রপ্তানির প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ভারত। তবে এটা বাড়িয়ে ৫০ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ এবং চিনি ১ লাখ মেট্রিক টন করার জন্য দিল্লিকে অনুরোধ করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। এ ছাড়া মিয়ানমারে চলমান সংঘাত নিয়ে ভারতের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি।
দিল্লি সফর নিয়ে সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান মন্ত্রী।

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শংকরের আমন্ত্রণে ৭ থেকে ৯ ফেব্রুয়ারি হাছান মাহমুদ দিল্লি সফর করেন। সফরকারে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পাশাপাশি তিনি ভারতের প্রেসিডেন্ট, ভাইস প্রেসিডেন্ট, বাণিজ্যমন্ত্রী ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক করেন।
৯ ফেব্রুয়ারি দিল্লিতে ভারতের বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীযূষ গয়ালের সঙ্গে বৈঠকের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা অনেক ভোগ্যপণ্যের জন্য ভারতের ওপর নির্ভরশীল। বিশেষ করে, পেঁয়াজ, চিনি, ডাল এবং মসলা জাতীয় কিছু পণ্য। আমরা অনেক কিছুর জন্য ভারতের ওপর নির্ভরশীল। ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি।
হাছান মাহমুদ বলেন, আমি তাকে (ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রীকে) বলেছি, এসব ভোগ্য পণ্যে যেন বিশেষ কোটা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। যাতে কমপক্ষে আমরা তাদের থেকে এসব সঠিক মূল্যে এবং আমাদের প্রয়োজনে ইমপোর্ট করতে পারি। কমপক্ষে এটুকু সুবিধা যেন তাদের থেকে নিতে পারি।
তিনি আরও বলেন, রমজানের আগে তারা ইতোমধ্যে আমাদের দেশে ২০ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ এবং ১০ হাজার মেট্রিক টন চিনি রপ্তানির প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। আমি সেটাকে বর্ধিত করে ৫০ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ এবং ১ লাখ মেট্রিক টন চিনিতে উন্নীত করার কথা বলেছি। তিনি (ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী) সেটা ভালোভাবে নিয়েছেন।
মিয়ানমার প্রসঙ্গে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বাংলাদেশ ও ভারত– উভয় দেশেরই মিয়ানমারের সঙ্গে সীমান্ত রয়েছে। মিয়ানমারে যদি কোনো কিছুর উদ্রেক ঘটে, তাহলে সেটি আমাদের যেমন ক্ষতিগ্রস্ত করে, উদ্বিগ্ন করে, তাদেরও উদ্বিগ্ন করে। দুই দেশের উদ্বেগ তাদের প্রতিবেশী নিয়ে। সুতরাং আমাদের একসঙ্গে কাজ করার অনেক বিষয় আছে। আমরা ওই বিষয়গুলো নিয়ে কাজের বিষয়ে আলোচনা করেছি।’
রাখাইনে সংঘাতের কারণে সীমান্তে কিছুটা নিরাপত্তা সমস্যা তৈরি হয়েছে জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন,‘আমাদের অভ্যন্তরে তাদের শেল এসে পড়েছে এবং দুই জন মানুষ নিহত হয়েছে। এটি অগ্রহণযোগ্য।’
মিয়ানমারে চলমান সংঘাত নিয়ে বাংলাদেশ উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে তলব করে আমাদের বক্তব্য জানানো হয়েছে। সুতরাং তাদের অভ্যন্তরীণ সমস্যার কারণে এখানে কোনো কিছু বিঘ্নিত হোক, এটা আমরা চাই না বলেও তিনি জানান।
মিয়ানমার নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য যারা বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে, তাদের সবাইকে মিয়ানমার ফিরিয়ে নিয়ে যাবে এবং এটি খুব সহসা হবে বলেও পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান।

জামায়াতকে উদ্দেশ করে তিনি বলেছেন, ‘দেশকে আবার ভিন্নভাবে তারা স্বৈরাচারের মধ্যে নিতে চায় কি না— আমাদের সেই চিন্তা করতে হবে। তাদের যে অতীত ইতিহাস, আমরা সবাই জানি। দেশবাসী সচেতনভাবে তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। আগামীতে যেন রাজনৈতিকভাবে তাদের পুরোপুরি নির্মূল করা যায়, আমাদের সেভাবে কাজ করতে হবে।’
৮ ঘণ্টা আগে
তিনি বলেন, ‘আমরা কারো ন্যায্য অবদানকে কখনো অস্বীকার করি না। আন্দোলন আমরা সবাই করেছি। কিন্তু আমরা তীরে ফিরতে পারি নাই। আমাদের তরি সমুদ্রে ভাসমান ছিল। জুলাই আন্দোলনের নায়করা এই তরি নিয়ে ঘাটে ভিড়েছে, জাতিকে মুক্তির পথ দেখিয়েছে। তাদের সম্মান করতে, ভালোবাসতে শিখুন। তাদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করবেন না।’
৯ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম বুলবুল বলেছেন, ‘বর্তমান সরকার জুলাইকে পদদলিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিএনপি আগামী দিনে বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিশ্বাসঘাতক হিসেবে জনগণের কাছে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।’
১০ ঘণ্টা আগে
এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক ও কৃষি বিষয়ক উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান বলেন, ঢাকা শহরের যত শ্রমিক আছেন, তাদের মধ্য থেকে একভাগ শ্রমিককেও আমরা সংগঠিত করতে পারিনি। আমরা যদি দুই ভাগ লোককে সংগঠিত করতে পারি, তাহলে আমাদের শ্রমিক সমাবেশ সফল হবে।
১ দিন আগে