
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দুই প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ ও ভারতে নতুন সরকার গঠন করার পর দিল্লিতে শীর্ষ বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদি।
আগামী শনিবার দিল্লির হায়দারাবাদ হাউসে তারা এই বৈঠক করবেন যেখানে গুরুত্ব পাবে ভবিষ্যত সম্পর্কের রূপরেখা।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ সম্প্রতি এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে বলেন, “দুই নেতা আশা প্রকাশ করেছেন, বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আগামী দিনগুলোতে আরও গভীর হবে।”
তিনি প্রকাশ করেন, “আমাদের বহুমাত্রিক সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও সম্প্রসারিত এবং আরও গভীর হবে।”
নরেন্দ্র মোদি গত ১০ বছর ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। শেখ হাসিনাও ইতোমধ্যে টানা ১৫ বছর ধরে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার সরকারের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, বৈঠকে অর্থনৈতিক সহযোগিতা, যোগাযোগ ও জ্বালানিসহ এক ডজন চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই ও নবায়ন হতে পারে।
এর বাইরে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আলোচনায় গুরুত্ব পাবে তিস্তার পানিবন্টন ও সীমান্ত হত্যা বন্ধের চলমান ইস্যু।
হাসিনা-মোদি শীর্ষ বৈঠকে এবার বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সেতুর বিষয়ে ঘোষণা আসতে পারে। বাংলাদেশের খাগড়াছড়ির রামগড়ের সঙ্গে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সাবরুমের মধ্যে এই সেতু যোগাযোগ স্থাপন করবে।
গুরুত্ব পাবে তিস্তা প্রকল্প
দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অভিন্ন নদী তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তির বিষয়টি তুলবে বাংলাদেশ।
বাংলাদেশের কর্মকর্তারা বলছেন, তিস্তা চুক্তিটি যে পর্যায়ে আছে, তাতে বড় কোনও অগ্রগতি হওয়ার সুযোগ কম। কারণ তিস্তায় বৃহদায়তন উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে বাংলাদেশকে একটি প্রস্তাব দিয়ে রেখেছে চীন। কিন্তু তিস্তা ঘিরে উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে সম্প্রতি ভারত আগ্রহ দেখাচ্ছে।
ভারতের উদ্বেগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বাংলাদেশ তিস্তা উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যাপারে দৃশ্যত ধীরে চলা নীতি অনুসরণ করছে।
গত মে মাসে ভারতের পররাষ্ট্রসচিব বিনয় কোয়াত্রা ঢাকা সফরের সময় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ সাংবাদিকদের বলেন, ভারত তিস্তার প্রকল্পে অর্থায়নে আগ্রহী।
দিল্লির শীর্ষ বৈঠকেও ভারতের পক্ষ থেকে তিস্তার ব্যাপারে প্রস্তাব দেওয়া হতে পারে। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশকে চীন বা ভারত-যে কোনও একটি উন্নয়ন সহযোগীকে তিস্তা প্রকল্পে অন্তর্ভূক্ত করতে হবে, যা বেশ কঠিন কাজ বলে মনে করা হচ্ছে। প্রতিপক্ষ দুই শক্তি ভারত ও চীনের এই আগ্রহ বাংলাদেশের তিস্তা প্রকল্পের কাজ বিলম্বের কারণ হতে পারে।
শীর্ষ বৈঠকে আরও যেসব বিষয় থাকছে
সীমান্ত হত্যার বিষয়টি আলোচনায় গুরুত্ব পাবে। ভারতের পক্ষ থেকে সীমান্ত হত্যা শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনার আশ্বাস দেয়া হলেও বছরের পর বছর তা আলোচনায় বিষয় হয়ে আছে।
দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য এখন ১৪০০ কোটি ডলার ছাড়িয়েছে। বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়লেও দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য অনেকটাই ঝুঁকে আছে ভারতের দিকে।
ভারতের বাজারে বাংলাদেশের পণ্যের প্রবেশাধিকার দেওয়া হলেও শুল্ক ও অশুল্ক বাধা প্রতিবন্ধকতা হিসেবে কাজ করছে।দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে সেপা (সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি) আলোচনা শুরুর ঘোষণা দেওয়ার কথা। সেপা সই হলে দুই দেশের বাণিজ্যে ভারসাম্য আসার পথ সুগম হতে পারে।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং জানিয়েছে, একটি সম্ভাব্য বাণিজ্য চুক্তির বিষয়ে আলোচনা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এবারের আলোচনায় জ্বালানিসহ সংযুক্তির বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে। সড়ক, রেল, নৌসহ সংযুক্তির বিষয়গুলো ২০১০ সাল থেকে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। এরপর জ্বালানি সহযোগিতা এসেছে। ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে বাংলাদেশ জলবিদ্যুৎ আমদানি করছে নেপাল থেকে।
ভারত ২০১০ সাল থেকে বাংলাদেশকে ঋণচুক্তির আওতায় অর্থনৈতিক সহায়তা দিয়ে আসছে। প্রায় সাড়ে সাত শ কোটি ডলারের ঋণচুক্তির বাস্তবায়ন খুব ধীর হচ্ছে। এ বিষয়টি আলোচনা ও রূপরেখায় আসতে পারে।
উল্লেখ্য, বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোট টানা তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠনের পর ভারতে কোনো সরকার প্রধানের এটিই প্রথম দ্বিপাক্ষিক সফর।
প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচি
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে জানানো হয়েছে, সফরের প্রথম দিন শুক্রবার সন্ধ্যায় দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।
শনিবার সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দিল্লির রাষ্ট্রপতি ভবনে আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনাদেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী সশস্ত্র সালাম গ্রহণ ও গার্ড অব অনার পরিদর্শন করবেন।
এরপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজঘাটে অবস্থিত মহাত্মা গান্ধীর সমাধিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করবেন।
এরপর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে শীর্ষ বৈঠকে যোগ দিতে হায়দরাবাদ হাউসে যাবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। হায়দরাবাদ হাউসে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশে রপ্রধানমন্ত্রীর একান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
এ ছাড়া বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সম্মানে রাষ্ট্রীয় মধ্যাহ্নভোজ আয়োজনের কথা রয়েছে। বিকেলে ভারতের উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখরের সঙ্গেতাঁর দপ্তরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেখা করবেন।
উপরাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আবার ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবনে যাবেন। এ সময় ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একান্ত সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হবে।
দুদিনের সফর শেষে শনিবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ বিমানের বিশেষ ফ্লাইটে ঢাকার উদ্দেশে দিল্লির পালাম বিমানবন্দর ত্যাগ করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

দুই প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ ও ভারতে নতুন সরকার গঠন করার পর দিল্লিতে শীর্ষ বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদি।
আগামী শনিবার দিল্লির হায়দারাবাদ হাউসে তারা এই বৈঠক করবেন যেখানে গুরুত্ব পাবে ভবিষ্যত সম্পর্কের রূপরেখা।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ সম্প্রতি এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে বলেন, “দুই নেতা আশা প্রকাশ করেছেন, বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আগামী দিনগুলোতে আরও গভীর হবে।”
তিনি প্রকাশ করেন, “আমাদের বহুমাত্রিক সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও সম্প্রসারিত এবং আরও গভীর হবে।”
নরেন্দ্র মোদি গত ১০ বছর ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। শেখ হাসিনাও ইতোমধ্যে টানা ১৫ বছর ধরে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার সরকারের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, বৈঠকে অর্থনৈতিক সহযোগিতা, যোগাযোগ ও জ্বালানিসহ এক ডজন চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই ও নবায়ন হতে পারে।
এর বাইরে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আলোচনায় গুরুত্ব পাবে তিস্তার পানিবন্টন ও সীমান্ত হত্যা বন্ধের চলমান ইস্যু।
হাসিনা-মোদি শীর্ষ বৈঠকে এবার বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সেতুর বিষয়ে ঘোষণা আসতে পারে। বাংলাদেশের খাগড়াছড়ির রামগড়ের সঙ্গে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সাবরুমের মধ্যে এই সেতু যোগাযোগ স্থাপন করবে।
গুরুত্ব পাবে তিস্তা প্রকল্প
দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অভিন্ন নদী তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তির বিষয়টি তুলবে বাংলাদেশ।
বাংলাদেশের কর্মকর্তারা বলছেন, তিস্তা চুক্তিটি যে পর্যায়ে আছে, তাতে বড় কোনও অগ্রগতি হওয়ার সুযোগ কম। কারণ তিস্তায় বৃহদায়তন উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে বাংলাদেশকে একটি প্রস্তাব দিয়ে রেখেছে চীন। কিন্তু তিস্তা ঘিরে উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে সম্প্রতি ভারত আগ্রহ দেখাচ্ছে।
ভারতের উদ্বেগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বাংলাদেশ তিস্তা উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যাপারে দৃশ্যত ধীরে চলা নীতি অনুসরণ করছে।
গত মে মাসে ভারতের পররাষ্ট্রসচিব বিনয় কোয়াত্রা ঢাকা সফরের সময় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ সাংবাদিকদের বলেন, ভারত তিস্তার প্রকল্পে অর্থায়নে আগ্রহী।
দিল্লির শীর্ষ বৈঠকেও ভারতের পক্ষ থেকে তিস্তার ব্যাপারে প্রস্তাব দেওয়া হতে পারে। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশকে চীন বা ভারত-যে কোনও একটি উন্নয়ন সহযোগীকে তিস্তা প্রকল্পে অন্তর্ভূক্ত করতে হবে, যা বেশ কঠিন কাজ বলে মনে করা হচ্ছে। প্রতিপক্ষ দুই শক্তি ভারত ও চীনের এই আগ্রহ বাংলাদেশের তিস্তা প্রকল্পের কাজ বিলম্বের কারণ হতে পারে।
শীর্ষ বৈঠকে আরও যেসব বিষয় থাকছে
সীমান্ত হত্যার বিষয়টি আলোচনায় গুরুত্ব পাবে। ভারতের পক্ষ থেকে সীমান্ত হত্যা শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনার আশ্বাস দেয়া হলেও বছরের পর বছর তা আলোচনায় বিষয় হয়ে আছে।
দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য এখন ১৪০০ কোটি ডলার ছাড়িয়েছে। বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়লেও দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য অনেকটাই ঝুঁকে আছে ভারতের দিকে।
ভারতের বাজারে বাংলাদেশের পণ্যের প্রবেশাধিকার দেওয়া হলেও শুল্ক ও অশুল্ক বাধা প্রতিবন্ধকতা হিসেবে কাজ করছে।দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে সেপা (সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি) আলোচনা শুরুর ঘোষণা দেওয়ার কথা। সেপা সই হলে দুই দেশের বাণিজ্যে ভারসাম্য আসার পথ সুগম হতে পারে।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং জানিয়েছে, একটি সম্ভাব্য বাণিজ্য চুক্তির বিষয়ে আলোচনা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এবারের আলোচনায় জ্বালানিসহ সংযুক্তির বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে। সড়ক, রেল, নৌসহ সংযুক্তির বিষয়গুলো ২০১০ সাল থেকে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। এরপর জ্বালানি সহযোগিতা এসেছে। ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে বাংলাদেশ জলবিদ্যুৎ আমদানি করছে নেপাল থেকে।
ভারত ২০১০ সাল থেকে বাংলাদেশকে ঋণচুক্তির আওতায় অর্থনৈতিক সহায়তা দিয়ে আসছে। প্রায় সাড়ে সাত শ কোটি ডলারের ঋণচুক্তির বাস্তবায়ন খুব ধীর হচ্ছে। এ বিষয়টি আলোচনা ও রূপরেখায় আসতে পারে।
উল্লেখ্য, বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোট টানা তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠনের পর ভারতে কোনো সরকার প্রধানের এটিই প্রথম দ্বিপাক্ষিক সফর।
প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচি
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে জানানো হয়েছে, সফরের প্রথম দিন শুক্রবার সন্ধ্যায় দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।
শনিবার সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দিল্লির রাষ্ট্রপতি ভবনে আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনাদেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী সশস্ত্র সালাম গ্রহণ ও গার্ড অব অনার পরিদর্শন করবেন।
এরপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজঘাটে অবস্থিত মহাত্মা গান্ধীর সমাধিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করবেন।
এরপর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে শীর্ষ বৈঠকে যোগ দিতে হায়দরাবাদ হাউসে যাবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। হায়দরাবাদ হাউসে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশে রপ্রধানমন্ত্রীর একান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
এ ছাড়া বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সম্মানে রাষ্ট্রীয় মধ্যাহ্নভোজ আয়োজনের কথা রয়েছে। বিকেলে ভারতের উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখরের সঙ্গেতাঁর দপ্তরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেখা করবেন।
উপরাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আবার ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবনে যাবেন। এ সময় ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একান্ত সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হবে।
দুদিনের সফর শেষে শনিবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ বিমানের বিশেষ ফ্লাইটে ঢাকার উদ্দেশে দিল্লির পালাম বিমানবন্দর ত্যাগ করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি আরো বলেন, আমি বলতে চাই আজকে সংসদে আমাদের সম্মানিত বিরোধীদলের সংসদ সদস্যরা যে আচরণ দেখাচ্ছে, এতে মনে হচ্ছে, বাংলাদেশে আগামী দিনে সুষ্ঠু ধারার রাজনীতি তারা করতে দেবে না। এটাই প্রতিয়মান হচ্ছে। বিরোধী দলকে আমি এটাও বলে দিতে চাই, আমাদের যারা ভোট দিয়েছে তারা আঙুল চুষবে না, বসে থাকবে না। তারা প্রতিবাদ
২০ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মনোনীত প্রার্থী ও দলটির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিনের প্রার্থিতা সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামীকাল বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত এ স্থগিতাদেশ বহাল থাকবে।
১ দিন আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংরক্ষিত নারী আসনে নিজেদের ভাগে থাকা ৩৬টি আসনের জন্য চূড়ান্ত মনোনীত প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে বিএনপি। এ তালিকায় দলের দীর্ঘদিনের ত্যাগী ও রাজপথের পরীক্ষিতদের পাশাপাশি স্থান পেয়েছেন বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী নেতার পরিবারের সদস্যরা।
২ দিন আগে
মনোনয়ন পাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে সুবর্ণা বলেন, ‘বিষয়টি পরিষ্কার করা দরকার, আমাকে এক সময় কাশিয়ানী উপজেলা আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ সম্পাদক করা হয়েছিল, কিন্তু এতে আমার সম্মতি ছিল না। আমাকে না জানিয়েই, তাদের ইচ্ছা মতো ওই তালিকায় আমার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়।’
৩ দিন আগে