ভোটে ভরাডুবি, অস্তিত্বের সংকটে জাতীয় পার্টি

নাজমুল ইসলাম হৃদয়
জাতীয় পার্টির লোগো।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চার দশকের পুরোনো দল জাতীয় পার্টি নজিরবিহীন পরাজয়ের মুখে পড়েছে। দীর্ঘ সময় রাষ্ট্রক্ষমতাসীন থাকা এবং গত এক দশকেরও বেশি সময় সংসদের প্রধান বিরোধী দলের আসনে বসা দলটি এবার আক্ষরিক অর্থেই ‘শূন্য’ হয়ে গেছে। ১৯৬টি আসনে লাঙ্গল প্রতীকে প্রার্থী দিয়েও একটিতেও জয়লাভ করতে পারেনি তারা।

জাতীয় পার্টি গত এক-দেড় দশকে নিজেদের রাজনীতির তুলনায় তখনকার ক্ষমতাসীন ও বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের লেজুরবৃত্তিই বেশি করেছে। তারা রীতিমতো মানুষের কাছে ‘গৃহপালিত বিরোধী দল’ হিসেবে পরিচিত ছিল। সাংগঠনিকভাবেও দলটি ছল বহু পক্ষে বিভক্ত। ফলে দলটির গ্রহণযোগ্যতা কমতে কমতে শূন্যে নেমে এসেছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ফলাফল আকস্মিক নয়। বরং দীর্ঘদিনের আদর্শিক অস্পষ্টতা, সাংগঠনিক দুর্বলতা ও কৌশলগত ভুলের পরিণতি। এ ফলাফল শুধু একটি নির্বাচনি পরাজয় নয়; এটি জাতীয় পার্টির অস্তিত্ব সংকটের ইঙ্গিত।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. সাব্বির আহমেদ রাজনীতি ডটকমকে বলেন, ‘জাতীয় পার্টির যে অতীত, এই অতীতই জাতীয় পার্টির এমন ভরাডুবির মূল কারণ। শেখ হাসিনার সময় তারা ওই সরকারের সেবাদাস, মানে বিরোধী দল হিসেবে যে ভূমিকা রেখেছে, সেটা জনগণের কাছে খুবই পরিষ্কার। জনগণ এটাকে কখনোই ভালোভাবে নেয়নি।’

গত দেড় বছর ধরে আওয়ামী লীগের সহযোগী হিসেবে জুলাই আন্দোলনে যুক্তদের জাতীয় পার্টিকে নিষিদ্ধ করার দাবির মুখে জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে জাতীয় পার্টি রাজনীতিই করতে পারেনি বলে জানাচ্ছেন দলটির নেতারা। বলছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে প্রতিকূল পরিস্থিতিতে রাজনীতি করতে হয়েছে। নির্বাচনের সময়ও পুলিশ-প্রশাসন কারওই সহায়তা তারা পায়নি বলে অভিযোগ করেছে।

রংপুরে ‘দুর্গ’ পতন, নেতৃত্বে ধাক্কা

ঐতিহ্যগত শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত রংপুরে এবার বড় ধাক্কা খেয়েছে জাতীয় পার্টি। সব পরিস্থিতির মধ্যেও উত্তরবঙ্গের ২২ জেলায় ভালো করে আসা জাপার এবার ভরাডুবি হয়েছে এ অঞ্চলে।

এসব জেলার মধ্যে জাতীয় পার্টির দুর্গ বলে পরিচিত রংপুর, যেটি দলের প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত এইচ এম এরশাদের জন্মস্থান। এর মধ্যে সবশেষ ২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও রংপুর-৩ আসন থেকে জি এম কাদের জয় নিয়ে সংসদে বিরোধী দলীয় নেতা হয়েছিলেন।

এবার রংপুর-৩ আসনে দলীয় চেয়ারম্যান জি এম কাদের ভোটের হিসাবে হয়েছেন তৃতীয়। ১৯৯১ সালের পর এই প্রথম আসনটি হাতছাড়া হলো জাপার।

এ আসনে জামায়াত প্রার্থী মাহবুবার রহমান বেলাল দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে এক লাখ ৭৫ হাজার ৮২৭ ভোট পেয়ে জয়ী হন। বিএনপির শামসুজ্জামান সামু পান ৮৪ হাজার ৫৭৮ ভোট। আর জি এম কাদের পান ৪৩ হাজার ৩৮৫ ভোট।

একই চিত্র দেখা গেছে গাইবান্ধা-১ আসনেও। দলটির মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী সেখানে তৃতীয় হয়েছেন ভোটের সংখ্যায়। জামায়াত প্রার্থী মাজেদুর রহমান এক লাখ ৪০ হাজার ৭২৬ ভোট পেয়ে জয়ী হন, বিএনপির প্রার্থী পান ৩৭ হাজার ৯৯৭ ভোট। আর পাটওয়ারীর ভোটের সংখ্যা ৩৩ হাজার ৯৭৬।

শীর্ষ নেতৃত্বের এই পরাজয় নিয়ে ড. সাব্বির আহমেদ বলেন, ‘জনগণের চোখে জাতীয় পার্টি সেবাদাস, আ স্লেভ পার্টি, যার নিজস্ব কোনো সক্রিয়তা বা স্বতন্ত্রতা নেই। তারা কেবল ক্ষমতার আশপাশে থাকতে চায়, সুবিধা নিতে চায়। তাদের এজেন্ডা বা বক্তব্য কিছুই পরিষ্কার না। সুতরাং জাতীয় পার্টির অতীত এরশাদ পর্যন্তই শেষ।’

জাপার আসন হিসেবে পরিচিত উত্তরের জেলাগুলোর বাকি সব আসনের চিত্রও একই। বেশির ভাগে আসনেই দলটির প্রার্থীদের ভোটের পরিমাণ নগণ্য।

ক্ষমতার কেন্দ্র থেকে প্রান্তিকতায়

১৯৮৬ সালে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের হাত ধরে জাতীয় পার্টির যাত্রা শুরু হয়। সামরিক শাসনের রাজনৈতিক রূপান্তর হিসেবে গড়ে ওঠা এই দলটি শুরু থেকেই ক্ষমতাকেন্দ্রিক রাজনীতির ওপর দাঁড়িয়ে ছিল। ১৯৯০-এর গণঅভ্যুত্থানের পরও দলটি টিকে যায় এবং ১৯৯১ সালে ৩৫টি আসন পেয়ে বড় শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। ১৯৯৬ সালে ৩২টি আসন নিয়ে ‘কিংমেকার’ হিসেবে ভূমিকা রাখে।

কিন্তু ২০০৮ সালের পর থেকে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সমঝোতা ও জোট রাজনীতির ওপর নির্ভরতা বাড়তে থাকে। বিশ্লেষকদের মতে, এই নির্ভরশীল রাজনীতিই দলটির সাংগঠনিক শক্তিকে ধীরে ধীরে ক্ষয় করে।

২০১৪ সালের নির্বাচন থেকে শুরু করে পরবর্তী সময়ে জাতীয় পার্টি সরকারে অংশগ্রহণের পাশাপাশি সংসদে বিরোধী দলের আসনে বসে। এই দ্বৈত অবস্থান নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ও বিরক্তি তৈরি হয়।

একদিকে মন্ত্রিত্ব ভোগ, অন্যদিকে সংসদে বিরোধী দল— এই অবস্থানকে অনেকেই ‘নিয়ন্ত্রিত বিরোধিতা’ হিসেবে দেখেছেন, যা তাদের ‘গৃহপালিত বিরোধী দলে’র তকমা এনে দেয়। বিশ্লেষকদের মতে, এই ভূমিকা দলটির স্বাধীন রাজনৈতিক পরিচয়কে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।

নেতৃত্ব সংকট ও দলীয় ভাঙন

জাতীয় পার্টির ইতিহাসে বিভক্তি নতুন নয়। ১৯৯১ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে দলটি অন্তত আটবার ভেঙেছে। এরশাদের জীবদ্দশায় বিভিন্ন শীর্ষ নেতার বেরিয়ে যাওয়া দলটিকে দুর্বল করে। এরশাদের মৃত্যুর পর রওশন এরশাদ ও জি এম কাদেরের ক্ষমতার দ্বন্দ্ব দলটিকে আরও দুর্বল করে তোলে। এর মধ্যে একাধিকবার দলটি রওশন এরশাদ ও জি এম কাদেরের নেতৃত্বে বিভক্ত হয়ে আলাদা আলাদা অংশে রাজনীতি করতে থাকে।

সবশেষ গত বছরের আগস্টে জাপা চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের বিরুদ্ধে একক কর্তৃত্বের অভিযোগ তুলে সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ও রুহুল আমিন হাওলাদার এবং মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নুসহ প্রভাবশালী কয়েকজন নেতা আলাদা হয়ে যান। ওই সময় থেকে জি এম কাদের-ব্যারিস্টার শামীম পাটওয়ারীর নেতৃত্বে একটি অংশ ও আনিসুল ইসলাম মাহমুদ-রুহুল আমিন হাওলাদারের নেতৃত্বে আরেকটি অংশ রাজনীতি চালিয়ে যেতে থাকেন। এতে দলের কাঠামো আরও নড়বড়ে হয়ে পড়ে।

দলের শীর্ষ নেতৃত্বের এই বিভক্তি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে দলটির নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক প্রভাব ফেলে। বিভিন্ন জেলায় শত শত নেতাকর্মী দলত্যাগ করেন। গাইবান্ধা, বরিশাল, গাজীপুর, বগুড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় নেতাকর্মীরা দল ছেড়ে অন্য দলে যোগ দেন। এই গণপ্রস্থান নির্বাচনি মাঠে জাপার সাংগঠনিক উপস্থিতি প্রায় অদৃশ্য করে দেয়। অনেক এলাকায় দলীয় প্রার্থীরা কার্যকর প্রচার চালাতেও ব্যর্থ হন।

দেশের বিভিন্ন এলাকায় হামলা ও মামলার মুখে পড়েন জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা। কাকরাইলের দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ বিভিন্ন আঞ্চলিক কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর করা হয়। ৫ আগস্টের পর রাজনীতিতে শক্তিশালী হয়ে ওঠা জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি ও গণঅধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন সংগঠন জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবি জানিয়ে আসছিল।

ভবিষ্যৎ ও অস্তিত্বের লড়াই

২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর দেশের রাজনীতিতে যে পরিবর্তনের স্রোত তৈরি হয়, সেটি ধরতে পারেনি জাতীয় পার্টি। একদিকে তারা আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে নির্বাচন অগ্রহণযোগ্য বলেছে, অন্যদিকে গণভোটে ‘না’ ভোটের আহ্বান জানিয়ে সংস্কার প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছে।

এ সময়ে আওয়ামী লীগের সহযোগী হিসেবে জাতীয় পার্টিকেও নিষিদ্ধের দাবি উঠেছে বারবার। জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) বিভিন্ন দল এ দাবিতে মাঠে আন্দোলনও করেছে। এমন পরিস্থিতির মধ্যে নিজেদের মধ্যে বৈঠক ও গণমাধ্যমে বিবৃতি প্রদান ছাড়া খুব বেশি রাজনীতি করার সুযোগ পায়নি দলটি।

রাষ্ট্র সংস্কারের রূপরেখা চূড়ান্ত করতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের কার্যক্রমে ৩০টির বেশি রাজনৈতিক দল অংশ নিলেও সেখানে ডাক পায়নি জাতীয় পার্টি। প্রধান উপদেষ্টা বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক দলগুলোকে আমন্ত্রণ জানিয়ে তাদের সঙ্গে আলোচনা করলেও সেখানে জায়গা হয়নি জাতীয় পার্টির।

নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর জাতীয় পার্টি বিভিন্ন আসনে প্রার্থী দিলেও ভোটের মাঠে নানামুখী অসহযোগিতার অভিযোগ রয়েছে দলটির। নির্বাচনে ভরাডুবির পেছনে জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ের এমন বৈরী রাজনৈতিক পরিবেশকে বড় দায় দিচ্ছেন দলটির নেতারা।

জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য আলমগীর সিকদার লোটন রাজনীতি ডটকমকে বলেন, ‘জাতীয় পার্টি নির্বাচনমুখী দল। তাই প্রতিকূল অবস্থার মধ্যেও আমরা নির্বাচনে অংশ নিয়েছি। কিন্তু শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সরকারের পক্ষ থেকে জাতীয় পার্টি কোনো সহযোগিতা পায়নি। সরকার ছাড়াও কিছু রাজনৈতিক দল আমাদের ওপর যে ধরনের চাপ তৈরি করে আসছিল, তা সবাই অবগত।’

নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে আলমগীর সিকদার লোটন বলেন, ‘অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য নির্বাচনে যে ধরনের পরিবেশ ছিল, জাতীয় পার্টির জন্য ছিল সম্পূর্ণ আলাদা। এমনকি বিভিন্ন কেন্দ্রে পোলিং এজেন্ট ঢুকতে দেওয়া হয়নি। আমরা কথা বললেও পুলিশ বা প্রশাসন থেকে যথেষ্ট সহযোগিতা পাইনি।’

সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে খুব শিগগির দলের পক্ষ থেকে বিষয়টি জাতির সামনে তুলে ধরা হবে বলে জানান জাতীয় পার্টির এই নেতা। তারা আশা করছেন, নতুন নির্বাচিত সরকার গণতন্ত্রের স্বার্থে সব দলের জন্য অনুকূল রাজনৈতিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে।

তবে বিশ্লেষকরা জাতীয় পার্টির ভবিষ্যৎ নিয়ে খুব একটা আশাবাদী নন। ড. সাব্বির রাজনীতি ডটকমকে বলেন, ‘আমি অন্ততপক্ষে দলটির কোনো ভবিষ্যৎ দেখছি না। ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, উনি একজন ভালো মানুষ, সজ্জন ব্যক্তি। উনি যদি এই পার্টিকে একটু তুলতে পারেন, ভবিষ্যতে সেটি হবে জাতীয় পার্টির বেঁচে থাকার ক্ষেত্রে একটি বড় অবলম্বন। এ ছাড়া জাতীয় পার্টির কোনো ভবিষ্যৎ আমি দেখি না।’

ad
ad

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

সবার জন্য আইনের শাসন সমান হতে হবে : জামায়াত আমির

বিএনপির প্রায় ৫৪ শতাংশ ভোটের বিপরীতে প্রায় ৪০ শতাংশ ভোট পেয়ে জামায়াত-নেতৃত্বাধীন জোট একটি শক্তিশালী জাতীয় শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। আমাদের বর্তমান ‘ফার্স্ট-পাস্ট-দ্য-পোস্ট’ পদ্ধতিতে লক্ষ লক্ষ ভোট কাঠামোগতভাবে তাদের যথাযথ মূল্যায়ন পায় না। ৫৩টি আসনে বিএনপি মাত্র কয়েক শত থেকে কয়েক হাজার

৩ ঘণ্টা আগে

৩০ আসনে শপথ স্থগিত রাখতে জামায়াতের আবেদন

নির্বাচনে কারচুপি ও অনিয়মের অভিযোগ তুলে ৩০ আসনে পুনরায় ফল গণনার আবেদন করেছে জামায়াতে ইসলামী বলে জানিয়েছেন দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।

৩ ঘণ্টা আগে

বিজয়ের পর খালেদা জিয়াকে স্মরণ করে কাঁদলেন ডা. জাহিদ

ডা. জাহিদ বলেন, শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি বিএনপির চেয়ারপারসন, গণতন্ত্রের মা, সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে। দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের পথে আমাদের শতশত সহকর্মী শহীদ হয়েছেন, গুম হয়েছেন প্রায় আটশোর অধিক নেতাকর্মী। অনেকে পঙ্গুত্ব বরণ করে এখনো দুর্বিষহ জীবনযাপন করছেন।

৪ ঘণ্টা আগে

জনগণ সুস্থ গণতান্ত্রিক ধারার আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটিয়েছে: ওয়ার্কার্স পার্টি

দলের পলিটব্যুরো নেতারা বলেন, একটি অগণতান্ত্রিক সাম্রাজ্যবাদী-মৌলবাদী-মবতান্ত্রিক অস্থির অন্তবর্তী সরকারের অপশাসন থেকে বেরিয়ে আসার আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেছে জনগণ। শত সীমাবদ্ধতায়ও একতরফা কৌশলের নির্বাচনে জনগণ যে রায় দিয়েছে তা স্বস্তিকর ও সুস্থ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার ধারা তৈরির মনোভাবকেই প্রকাশ করেছে।

৪ ঘণ্টা আগে