বিএনপিতে যোগ দিলেন গণঅধিকারের রাশেদ খান

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপিতে যোগ দিলেন গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন।

শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) দুপুরে বিএনপির গুলশান কার্যালয়ে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ ফুল দিয়ে তাকে স্বাগত জানান।

এ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল বলেন, “মো. রাশেদ খান, তিনি বিএনপিতে যোগ দিচ্ছেন এবং বিএনপি সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, ঝিনাইদাহ-৪ আসন যেটা ঝিনাইদাহ সদর এবং কালীগঞ্জ থানা নিয়ে। এ আসনে মো. রাশেদ খানকে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করার জন্য মনোনয়ন দেয়া হচ্ছে।”

তিনি ঝিনাইদহ-৪ আসনে বিএনপির সব নেতাকর্মীকে রাশেদ খানের জন্য কাজ করে তাকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান।

ব্রিফিংয়ে রাশেদ খান বলেন, “জিয়াউর রহমানকে আমি আদর্শ মনে করি এবং তারেক রহমান আমাকে স্নেহ করেন, ভালোবাসেন। নতুন বাংলাদেশ গঠনে তার নেতৃত্ব দেশ ও জনগনের জন্য প্রয়োজন। তারেক রহমানের নেতৃত্বে কাজ করে যাব।”

এদিকে, ঝিনাইদহ-৪ (কালীগঞ্জ ও সদরের আংশিক) আসনে ভোটার হস্তান্তর করেছেন মো. রাশেদ খান। শনিবার বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব বরাবর তিনি এই আবেদন করলে নির্বাচন কমিশন থেকে তা অনুমোদন করা হয়।

ad
ad

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মুছাব্বীর হত্যার ঘটনায় মামলা

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে ৩-৪ জন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিকে আসামি করে এই মামলা করেন।

১ দিন আগে

জকসুতেও ভিপি-জিএস-এজিএসের জয় শিবির-সমর্থিত প্যানেল থেকে

ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, ভিপি পদে ছাত্রশিবির-সমর্থিত প্যানেলের প্রার্থী মো. রিয়াজুল ইসলাম পাঁচ হাজার ৫৬৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল ও ছাত্রঅধিকার পরিষদ-সমর্থিত প্যানেলের এ কে এম রাকিব পেয়েছেন চার হাজার ৬৮৮ ভোট।

২ দিন আগে

জকসুর ৩৩ কেন্দ্রে শীর্ষ ৩ পদেই এগিয়ে শিবিরের প্যানেল

ফলাফলে দেখা যায়, ভিপি পদে ছাত্রশিবির-সমর্থিত প্যানেলের রিয়াজুল ইসলাম চার হাজার ৪৩২ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন। ছাত্রদল ও ছাত্রঅধিকার পরিষদ-সমর্থিত প্যানেলের প্রার্থী এ কে এম রাকিব পেয়েছেন তিন হাজার ৭৭৭ ভোট। সে হিসাবে রাকিবের চেয়ে ৬৫৫ ভোটে এগিয়ে আছেন রিয়াজুল।

২ দিন আগে

হলফনামায় আয় নিয়ে ‘বিভ্রান্তি’, ব্যাখায় যা বললেন নাহিদ ইসলাম

বাস্তবতা হলো, এই ১৬ লক্ষ টাকার মধ্যে প্রায় ১১ লক্ষ টাকাই উপদেষ্টা হিসেবে প্রাপ্ত বেতন-ভাতা, যা ব্যাংক চ্যানেলের মাধ্যমে পরিশোধিত, আয়করযোগ্য এবং সম্পূর্ণভাবে নথিভুক্ত। বাকি অংশ এসেছে উপদেষ্টা পদ থেকে পদত্যাগের পর একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কনসালটেন্ট (পরামর্শক) হিসেবে বৈধ পেশাগত কাজের সম্মানী থেকে, যা

২ দিন আগে