
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আজ দুপুরের মধ্যে সব রাজনৈতিক দলকে ডেকে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়েছেন জামায়াতের ঢাকা দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ। শুক্রবার (৯ মে) সকাল ৮টার দিকে এতে অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন ড. শফিকুল ইসলাম।
শফিকুল ইসলাম বলেন, আমরা আজ দুপুর পার করতে চাই না। অবিলম্বে সকল রাজনৈতিক দলমতকে নির্বিশেষে ডেকে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে হবে। আমিরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান আপনাদের সালাম দিয়েছেন। আমরা আশা করি এই সরকার ছাত্র-জনতার দাবি পূরণ করবে।
বৃহস্পতিবার রাতে আওয়ামী লীগের বিচার নিশ্চিত করা ও দলটি নিষিদ্ধের দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনে অবস্থান নিয়েছে ছাত্র-জনতা। সমাবেশে জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য মো. দেলোয়ার হোসেনসহ ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা এখানে উপস্থিত আছেন।
ড. মাসুদ বলেন, ‘ওয়ামী লীগ শুধু ৫ আগস্ট গণহত্যা করেনি, তারা ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর গণহত্যা করেছে, ২০১৩ সালের ৫ ও ৬ মে শাপলা চত্বরে গণহত্যা করেছে, ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি আমাদের চৌকস ৫৭ সেনা অফিসারকে হত্যা করেছে। ২০১৩ সালে মাওলানা দেলাওয়ার হোসেন সাঈদীর রায়কে কেন্দ্র করে ২৫০ এর বেশি মানুষকে হত্যা করেছে। ২০২১ সালে নরেন্দ্র মোদীকে আনার জন্য ২৫ জনকে হত্যা করেছিল আওয়ামী লীগ।’
তিনি বলেন, ‘হাজার-হাজার ভাইকে হত্যাকারী আওয়ামী লীগকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পতনের পর জনমানুষের দাবি ছিল তাদের নিষিদ্ধ করা। এই দাবি শুধু কোনো রাজনৈতিক দল বা ছাত্রদের নয়, এটি সারাদেশের সকল দেশপ্রেমিক মানুষের দাবি।’
ড. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আজ বাংলাদেশ দাবি করেছে আওয়ামী লীগের নিষিদ্ধের। দেশ যখন দাবি তুলেছিল আওয়ামী লীগের পতন হতে হবে, এতে শুধু পতন হয়নি তারা দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। এমনকি গতকাল ও এর আগের দিনও তারা পালানো অব্যাহত রয়েছে। কেউ কেউ তাদের পালিয়ে যাওয়ার সহযোগিতা করছে এবং আজ যখন আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবি উঠেছে এই গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে থামাতে ডানে-বামে থেকে আমাদের আটকানোর চেষ্টা করছে।’

আজ দুপুরের মধ্যে সব রাজনৈতিক দলকে ডেকে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়েছেন জামায়াতের ঢাকা দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ। শুক্রবার (৯ মে) সকাল ৮টার দিকে এতে অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন ড. শফিকুল ইসলাম।
শফিকুল ইসলাম বলেন, আমরা আজ দুপুর পার করতে চাই না। অবিলম্বে সকল রাজনৈতিক দলমতকে নির্বিশেষে ডেকে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে হবে। আমিরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান আপনাদের সালাম দিয়েছেন। আমরা আশা করি এই সরকার ছাত্র-জনতার দাবি পূরণ করবে।
বৃহস্পতিবার রাতে আওয়ামী লীগের বিচার নিশ্চিত করা ও দলটি নিষিদ্ধের দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনে অবস্থান নিয়েছে ছাত্র-জনতা। সমাবেশে জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য মো. দেলোয়ার হোসেনসহ ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা এখানে উপস্থিত আছেন।
ড. মাসুদ বলেন, ‘ওয়ামী লীগ শুধু ৫ আগস্ট গণহত্যা করেনি, তারা ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর গণহত্যা করেছে, ২০১৩ সালের ৫ ও ৬ মে শাপলা চত্বরে গণহত্যা করেছে, ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি আমাদের চৌকস ৫৭ সেনা অফিসারকে হত্যা করেছে। ২০১৩ সালে মাওলানা দেলাওয়ার হোসেন সাঈদীর রায়কে কেন্দ্র করে ২৫০ এর বেশি মানুষকে হত্যা করেছে। ২০২১ সালে নরেন্দ্র মোদীকে আনার জন্য ২৫ জনকে হত্যা করেছিল আওয়ামী লীগ।’
তিনি বলেন, ‘হাজার-হাজার ভাইকে হত্যাকারী আওয়ামী লীগকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পতনের পর জনমানুষের দাবি ছিল তাদের নিষিদ্ধ করা। এই দাবি শুধু কোনো রাজনৈতিক দল বা ছাত্রদের নয়, এটি সারাদেশের সকল দেশপ্রেমিক মানুষের দাবি।’
ড. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আজ বাংলাদেশ দাবি করেছে আওয়ামী লীগের নিষিদ্ধের। দেশ যখন দাবি তুলেছিল আওয়ামী লীগের পতন হতে হবে, এতে শুধু পতন হয়নি তারা দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। এমনকি গতকাল ও এর আগের দিনও তারা পালানো অব্যাহত রয়েছে। কেউ কেউ তাদের পালিয়ে যাওয়ার সহযোগিতা করছে এবং আজ যখন আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবি উঠেছে এই গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে থামাতে ডানে-বামে থেকে আমাদের আটকানোর চেষ্টা করছে।’

শনিবার (১০ জানুয়ারি) বিকেলে চট্টগ্রাম নগরের আগ্রাবাদ সিডিএ বালুর মাঠে বিএনপি চেয়ারপারসন প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার শান্তি কামনায় দোয়া মাহফিল ও আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। দক্ষিণ আগ্রাবাদ ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে এই সভা আয়োজন করা হয়েছে।
১ দিন আগে
নেতৃবৃন্দ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে প্রতিকূল রাজনৈতিক পরিস্থিতিতেও অত্যন্ত দক্ষতা ও দূরদর্শিতার সাথে দলকে সুসংগঠিত রাখতে তারেক রহমান যে নেতৃত্বের পরিচয় দিয়েছেন, তা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে এক অবিস্মরণীয় ভূমিকা পালন করছে। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হাত ধরেই দেশে গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার পুনরুদ
১ দিন আগে
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বাক্ষরিত এক পত্রে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে। আইনি সহায়তা সাব-কমিটির অন্য সদস্যদের নাম শিগগিরই ঘোষণা করা হবে বলে পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
১ দিন আগে
নোটিশে ফয়জুল হকের বিরুদ্ধে নির্বাচনী প্রচারণায় ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানে বা ধর্মকে ব্যবহার করে ভোট প্রার্থনার অভিযোগ করা হয়েছে। এ বিষয়ে ১২ জানুয়ারি সোমবার সশরীরে নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির প্রধানের কার্যালয়ে হাজির হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।
১ দিন আগে