
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

‘জুলাই পুনর্জাগরণ’ অনুষ্ঠান ঘিরে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে যখন বিশাল প্রস্তুতি চলছে, তখন ছাত্র-জনতার আন্দোলনে প্রথম সারির অন্তত পাঁচ নেতা কক্সবাজারে সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বলে ঢাকার প্রায় সব গণমাধ্যম সংবাদ প্রকাশ করেছে।
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) কক্সবাজারে অবস্থানরত নেতাদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন গণমাধ্যমের কাছে স্বীকার করা হয়েছে, এনসিপির উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের দুই মুখ্য সংগঠক সারজিস আল ও হাসনাত আব্দুল্লাহ, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, যুগ্ম আহ্বায়ক খালেদ সাইফুল্লাহ ও সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব তাসনিম জারা কক্সবাজারে ‘ঘুরতে গেছেন’। তবে পিটার হাসের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়টি তারা স্বীকার করেননি।
এ বিষয়ে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে জানানো হয়, সাবেক রাষ্ট্রদূত পিটার হাস একজন স্বাধীন নাগরিক, যার সঙ্গে দূতাবাসের কোনো যোগাযোগ নেই। তিনি কোনো বৈঠক করছেন নাকি করছেন না, এ ধরনের কোনো তথ্যও নেই।
এটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল দুপুর ১টার দিকে খবর দেয়, এনসিপির চার নেতা সারজিস, হাসনাত, নাসীর ও তাসনিম জারা সকালের একটি ফ্লাইটে কক্সবাজার গেছেন। তারা ইনানী এলাকার একটি হোটেলে অবস্থান করছেন। সেখানে সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের সঙ্গে বৈঠক করছেন তারা।
কিছুক্ষণ পর দুপুর ১টা ২০ মিনিটে প্রবাসী সাংবাদিক নাজমুস সাকিব এক ফেসবুক পোস্টে বলেন, এ মুহূর্তে কক্সবাজারের একটি হোটেলের কক্ষে গোপন বৈঠকে বসেছেন এনসিপির হাসনাত আব্দুল্লাহ, সারজিস আলম, নাসিরুদ্দিন পাটওয়ারী ও তাসনিম জারা। তাদের এ গোপন বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে বাংলাদেশের রাজনীতির রহস্য পুরুষ, সাবেক মার্কিন অ্যাম্বাসেডর পিটার হাসের সঙ্গে। কোন ষড়যন্ত্রের জাল বুনছেন তারা?— প্রশ্ন রাখেন নাজমুস সাকিব।
পরে ফেসবুকের পোস্টটি আপডেটও করেন নাজমুস সাকিব। তিনি বলেন, এনসিপি নেতারা পিটার হাসকে অনুরোধ করছেন যেন তিনি ড. ইউনূসকে আজ (মঙ্গলবার) নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা থেকে বিরত রাখার ব্যবস্থা করেন।
পরে জানা যায় এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক খালেদ সাইফুল্লাহও রয়েছেন কক্সবাজারে বাকি চার নেতার সঙ্গে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ নিয়ে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়লে এনসিপি জানায়, এটি নেতাদের ব্যক্তিগত সফর, দলীয় কোনো সফর নয়।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী অন্তত দুটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলকে জানান, হাসনাত আবদুল্লাহ কয়েকদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। তিনি সুস্থ হওয়ার পর সোমবার রাতে তারা কক্সবাজার ঘুরতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। পরে তাকে নিয়ে তারা পাঁচজন কক্সবাজার সফরে এসেছেন।
পিটার হাসের সঙ্গে দেখা হওয়া বা বৈঠকের তথ্যকে গুজব হিসেবে উড়িয়ে দিয়েছেন সারজিস আলম ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। নাসীর পালটা অভিযোগ করে বলেন, একটি গণমাধ্যম থেকে গুজব ছড়ানো হয়েছে। এ বিষয়ে তাদের কিছু জানা নেই।
পাঁচ এনসিপি নেতার কক্সবাজারে ‘ঘুরতে যাওয়া’র এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ছড়িয়েছে। অনেকেই বলছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস তথা জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে সহস্র প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত বিজয়ের বর্ষপূর্তির দিনে তাদের কক্সবাজারে এমন ঘোরাঘুরি খুব স্বাভাবিক কিছু না।
সাংবাদিক মাসুদ কামাল ফেসবুকে লিখেছেন, ‘জুলাই আন্দোলনের কৃতিত্ব ও নেতৃত্বের দাবিদারদের কয়েকজন— হাসনাত আবদুল্লাহ, সারজিস আলম, তাসনিম জারা, নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী এই অনুষ্ঠান ফেলে গেছেন কক্সবাজারে। সেখানে নাকি ওনারা বৈঠক করবেন সদ্যসাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের সঙ্গে! বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ, সন্দেহ নেই। কতটা গুরুত্বপূর্ণ? নিশ্চয়ই রাষ্ট্রীয় এই অনুষ্ঠানের চেয়েও গুরত্বপূর্ণ! আসলে কী হতে যাচ্ছে?’
আরেক সাংবাদিক শাহেদ আলম কিছুটা ব্যাঙ্গাত্মক ভঙ্গিতে লিখেছেন, পোলাপানগুলোর কাছে ঢাকার বাতাস দুষিত মনে হচ্ছিল! ৪/৫ ঘণ্টার জন্য সাগরের নির্মল বাতাস খেয়ে আবার ঢাকার পথে তারা! জীবনকে এতটুকু উপভোগ না করতে পারলে তো হাসিনাই ভালো ছিল!

‘জুলাই পুনর্জাগরণ’ অনুষ্ঠান ঘিরে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে যখন বিশাল প্রস্তুতি চলছে, তখন ছাত্র-জনতার আন্দোলনে প্রথম সারির অন্তত পাঁচ নেতা কক্সবাজারে সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বলে ঢাকার প্রায় সব গণমাধ্যম সংবাদ প্রকাশ করেছে।
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) কক্সবাজারে অবস্থানরত নেতাদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন গণমাধ্যমের কাছে স্বীকার করা হয়েছে, এনসিপির উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের দুই মুখ্য সংগঠক সারজিস আল ও হাসনাত আব্দুল্লাহ, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, যুগ্ম আহ্বায়ক খালেদ সাইফুল্লাহ ও সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব তাসনিম জারা কক্সবাজারে ‘ঘুরতে গেছেন’। তবে পিটার হাসের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়টি তারা স্বীকার করেননি।
এ বিষয়ে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে জানানো হয়, সাবেক রাষ্ট্রদূত পিটার হাস একজন স্বাধীন নাগরিক, যার সঙ্গে দূতাবাসের কোনো যোগাযোগ নেই। তিনি কোনো বৈঠক করছেন নাকি করছেন না, এ ধরনের কোনো তথ্যও নেই।
এটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল দুপুর ১টার দিকে খবর দেয়, এনসিপির চার নেতা সারজিস, হাসনাত, নাসীর ও তাসনিম জারা সকালের একটি ফ্লাইটে কক্সবাজার গেছেন। তারা ইনানী এলাকার একটি হোটেলে অবস্থান করছেন। সেখানে সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের সঙ্গে বৈঠক করছেন তারা।
কিছুক্ষণ পর দুপুর ১টা ২০ মিনিটে প্রবাসী সাংবাদিক নাজমুস সাকিব এক ফেসবুক পোস্টে বলেন, এ মুহূর্তে কক্সবাজারের একটি হোটেলের কক্ষে গোপন বৈঠকে বসেছেন এনসিপির হাসনাত আব্দুল্লাহ, সারজিস আলম, নাসিরুদ্দিন পাটওয়ারী ও তাসনিম জারা। তাদের এ গোপন বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে বাংলাদেশের রাজনীতির রহস্য পুরুষ, সাবেক মার্কিন অ্যাম্বাসেডর পিটার হাসের সঙ্গে। কোন ষড়যন্ত্রের জাল বুনছেন তারা?— প্রশ্ন রাখেন নাজমুস সাকিব।
পরে ফেসবুকের পোস্টটি আপডেটও করেন নাজমুস সাকিব। তিনি বলেন, এনসিপি নেতারা পিটার হাসকে অনুরোধ করছেন যেন তিনি ড. ইউনূসকে আজ (মঙ্গলবার) নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা থেকে বিরত রাখার ব্যবস্থা করেন।
পরে জানা যায় এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক খালেদ সাইফুল্লাহও রয়েছেন কক্সবাজারে বাকি চার নেতার সঙ্গে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ নিয়ে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়লে এনসিপি জানায়, এটি নেতাদের ব্যক্তিগত সফর, দলীয় কোনো সফর নয়।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী অন্তত দুটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলকে জানান, হাসনাত আবদুল্লাহ কয়েকদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। তিনি সুস্থ হওয়ার পর সোমবার রাতে তারা কক্সবাজার ঘুরতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। পরে তাকে নিয়ে তারা পাঁচজন কক্সবাজার সফরে এসেছেন।
পিটার হাসের সঙ্গে দেখা হওয়া বা বৈঠকের তথ্যকে গুজব হিসেবে উড়িয়ে দিয়েছেন সারজিস আলম ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। নাসীর পালটা অভিযোগ করে বলেন, একটি গণমাধ্যম থেকে গুজব ছড়ানো হয়েছে। এ বিষয়ে তাদের কিছু জানা নেই।
পাঁচ এনসিপি নেতার কক্সবাজারে ‘ঘুরতে যাওয়া’র এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ছড়িয়েছে। অনেকেই বলছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস তথা জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে সহস্র প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত বিজয়ের বর্ষপূর্তির দিনে তাদের কক্সবাজারে এমন ঘোরাঘুরি খুব স্বাভাবিক কিছু না।
সাংবাদিক মাসুদ কামাল ফেসবুকে লিখেছেন, ‘জুলাই আন্দোলনের কৃতিত্ব ও নেতৃত্বের দাবিদারদের কয়েকজন— হাসনাত আবদুল্লাহ, সারজিস আলম, তাসনিম জারা, নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী এই অনুষ্ঠান ফেলে গেছেন কক্সবাজারে। সেখানে নাকি ওনারা বৈঠক করবেন সদ্যসাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের সঙ্গে! বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ, সন্দেহ নেই। কতটা গুরুত্বপূর্ণ? নিশ্চয়ই রাষ্ট্রীয় এই অনুষ্ঠানের চেয়েও গুরত্বপূর্ণ! আসলে কী হতে যাচ্ছে?’
আরেক সাংবাদিক শাহেদ আলম কিছুটা ব্যাঙ্গাত্মক ভঙ্গিতে লিখেছেন, পোলাপানগুলোর কাছে ঢাকার বাতাস দুষিত মনে হচ্ছিল! ৪/৫ ঘণ্টার জন্য সাগরের নির্মল বাতাস খেয়ে আবার ঢাকার পথে তারা! জীবনকে এতটুকু উপভোগ না করতে পারলে তো হাসিনাই ভালো ছিল!

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সংসদের এলডি হলে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে জামায়াত আমির বলেন, জনগণ তাদের প্রতিনিধি হিসেবে সংসদে পাঠিয়েছে। তাই তারা যুক্তি ও বাস্তবতার ভিত্তিতে বিরোধী দলের দায়িত্ব পালন করবেন।
৬ দিন আগে
বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৬ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৬ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৮ দিন আগে