
বাসস

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা জনগণকে আবারও তাদের সেবা করার সুযোগ দিতে নৌকায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আরেকবার সেবা করার সুযোগ দেবেন, সেই আহ্বান জানাই।’
আগামীর নির্বাচনে তার নির্বাচনী প্রতীক নৌকায় ভোট প্রত্যাশা করে ওয়াদা চাইলে উপস্থিত জনতা দুই হাত তুলে সমম্বরে সাড়া দেন।
সোমবার বিকেলে খুলনা সার্কিট হাউস মাঠে খুলনা মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক মহাসমাবেশে প্রধান অতিথির ভাষণে এ কথা বলেন আওয়ামী লীগ সভাপতি।
সমাবেশের আগে তিনি সেখানে মোট ২৫৯৩ কোটি ব্যয়ে ২৯টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। যার মধ্যে সমাপ্ত ২৪টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন এবং বাকি পাঁচটি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। যেগুলোকে তিনি খুলনাবাসীর জন্য তার উপহার হিসেবে উল্লেখ করেন।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘নৌকা স্বাধীনতা দিয়েছে, নৌকা উন্নয়ন দিয়েছে। আপনারা নৌকায় ভোট দিয়েছিলেন বলেই আজকে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছি। এই নৌকাই দেবে ২০৪১ সালের স্মার্ট বাংলাদেশ।
আমাদের স্মার্ট জনগোষ্ঠী হবে, স্মার্ট সরকার হবে, স্মার্ট অর্থনীতি হবে, স্মার্ট সমাজ হবে। জাতির পিতার স্বপ্ন পূরণ করে আধুনিক প্রযুক্তি জ্ঞান সম্পন্ন উন্নত সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ আমরা তৈরি করে দিয়ে যাব।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আগামীতে নির্বাচনের সময় একটা বিষয়ে সকলকে নজর রাখতে হবে-বিএনপি জানে যে ২০০৮ সালের নির্বাচনে তারা মাত্র ৩০টি সিট পেয়েছিল এবং তাদের নেতা নেই মুন্ডুহীন একটা দল। একজন পলাতক আসামি আর একজন সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কারাগারে। সেই দল এ দেশে নির্বাচন হতে দিতে চায় না। দেশে একটি অস্বাভাবিক পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে চায় ‘
তিনি আরও বলেন, ‘কেউ যদি এভাবে গাড়িতে আগুন আর মানুষকে আগুন দিয়ে পোড়াতে চেষ্টা করে ঐ হাত সেই আগুনে পুড়িয়ে দেবেন। আর উপযুক্ত শিক্ষা দিয়ে দেবেন যাতে এদেশের মানুষের কোনো ক্ষতি করতে আর কেউ সাহস না পায়।’
‘আমি দেখেছি সেই পোড়া মানুষগুলোর দুরাবস্থা, চোখে পানি রাখা যায় না,’ বলেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওদের মধ্যে মনুষত্ববোধ নেই। দেখেছি একজন পুলিশ সদস্যকে কীভাবে পিটিয়ে হত্যা করেছে। যে গরিব মানুষ, চাকরি করত। কীভাবে সাংবাদিকদের বেদম পিটিয়েছে। কাজেই ওই ধরনের ঘটনা যেন আর ঘটাতে না পারে।’
তিনি বলেন, ‘প্রত্যেক এলাকায় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা মানুষের নিরাপত্তা দেবেন। আইনশৃংখলা রক্ষাকারি সংস্থার পাশে থেকে আপনারাও মানুষের নিরাপত্তা দেবেন, সেটাই আমি আহ্বান জানাচ্ছি।’
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন। এতে আরো বক্তৃতা করেন, শেখ হেলাল উদ্দিন এমপি, শেখ সালাউদ্দিন জুয়েল এমপি, শেখ সারহান নাসের তন্ময় প্রমুখ।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও খুলনার মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক।
সমাবেশে যোগদানের আগে প্রধানমন্ত্রী খুলনা বিভাগের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় যোগ দেন।
জনসভাকে কেন্দ্র করে সমগ্র খুলনা মহানগরী যেন উৎসবের নগরী হয়ে ওঠে এবং প্রধানমন্ত্রীর আগমনে স্থানীয় জনগণের পাশাপাশি ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উৎসবমুখর পরিবেশে দলে দলে সমাবেশে যোগ দেয়।
সকাল থেকে বিভিন্ন ব্যানার, প্লাকার্ড, ফেস্টুন হাতে নানা রঙের পোশাক পরে স্লোগানে স্লোগানে চারদিক মুখরিত করে দলে দলে লোক সমাবেশস্থল সার্কিট হাউজ মাঠে আসতে থাকে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সমগ্র এলাকাটি এক বিশাল জনসমুদ্রে পরিণত হয়।

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা জনগণকে আবারও তাদের সেবা করার সুযোগ দিতে নৌকায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আরেকবার সেবা করার সুযোগ দেবেন, সেই আহ্বান জানাই।’
আগামীর নির্বাচনে তার নির্বাচনী প্রতীক নৌকায় ভোট প্রত্যাশা করে ওয়াদা চাইলে উপস্থিত জনতা দুই হাত তুলে সমম্বরে সাড়া দেন।
সোমবার বিকেলে খুলনা সার্কিট হাউস মাঠে খুলনা মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক মহাসমাবেশে প্রধান অতিথির ভাষণে এ কথা বলেন আওয়ামী লীগ সভাপতি।
সমাবেশের আগে তিনি সেখানে মোট ২৫৯৩ কোটি ব্যয়ে ২৯টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। যার মধ্যে সমাপ্ত ২৪টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন এবং বাকি পাঁচটি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। যেগুলোকে তিনি খুলনাবাসীর জন্য তার উপহার হিসেবে উল্লেখ করেন।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘নৌকা স্বাধীনতা দিয়েছে, নৌকা উন্নয়ন দিয়েছে। আপনারা নৌকায় ভোট দিয়েছিলেন বলেই আজকে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছি। এই নৌকাই দেবে ২০৪১ সালের স্মার্ট বাংলাদেশ।
আমাদের স্মার্ট জনগোষ্ঠী হবে, স্মার্ট সরকার হবে, স্মার্ট অর্থনীতি হবে, স্মার্ট সমাজ হবে। জাতির পিতার স্বপ্ন পূরণ করে আধুনিক প্রযুক্তি জ্ঞান সম্পন্ন উন্নত সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ আমরা তৈরি করে দিয়ে যাব।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আগামীতে নির্বাচনের সময় একটা বিষয়ে সকলকে নজর রাখতে হবে-বিএনপি জানে যে ২০০৮ সালের নির্বাচনে তারা মাত্র ৩০টি সিট পেয়েছিল এবং তাদের নেতা নেই মুন্ডুহীন একটা দল। একজন পলাতক আসামি আর একজন সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কারাগারে। সেই দল এ দেশে নির্বাচন হতে দিতে চায় না। দেশে একটি অস্বাভাবিক পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে চায় ‘
তিনি আরও বলেন, ‘কেউ যদি এভাবে গাড়িতে আগুন আর মানুষকে আগুন দিয়ে পোড়াতে চেষ্টা করে ঐ হাত সেই আগুনে পুড়িয়ে দেবেন। আর উপযুক্ত শিক্ষা দিয়ে দেবেন যাতে এদেশের মানুষের কোনো ক্ষতি করতে আর কেউ সাহস না পায়।’
‘আমি দেখেছি সেই পোড়া মানুষগুলোর দুরাবস্থা, চোখে পানি রাখা যায় না,’ বলেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওদের মধ্যে মনুষত্ববোধ নেই। দেখেছি একজন পুলিশ সদস্যকে কীভাবে পিটিয়ে হত্যা করেছে। যে গরিব মানুষ, চাকরি করত। কীভাবে সাংবাদিকদের বেদম পিটিয়েছে। কাজেই ওই ধরনের ঘটনা যেন আর ঘটাতে না পারে।’
তিনি বলেন, ‘প্রত্যেক এলাকায় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা মানুষের নিরাপত্তা দেবেন। আইনশৃংখলা রক্ষাকারি সংস্থার পাশে থেকে আপনারাও মানুষের নিরাপত্তা দেবেন, সেটাই আমি আহ্বান জানাচ্ছি।’
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন। এতে আরো বক্তৃতা করেন, শেখ হেলাল উদ্দিন এমপি, শেখ সালাউদ্দিন জুয়েল এমপি, শেখ সারহান নাসের তন্ময় প্রমুখ।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও খুলনার মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক।
সমাবেশে যোগদানের আগে প্রধানমন্ত্রী খুলনা বিভাগের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় যোগ দেন।
জনসভাকে কেন্দ্র করে সমগ্র খুলনা মহানগরী যেন উৎসবের নগরী হয়ে ওঠে এবং প্রধানমন্ত্রীর আগমনে স্থানীয় জনগণের পাশাপাশি ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উৎসবমুখর পরিবেশে দলে দলে সমাবেশে যোগ দেয়।
সকাল থেকে বিভিন্ন ব্যানার, প্লাকার্ড, ফেস্টুন হাতে নানা রঙের পোশাক পরে স্লোগানে স্লোগানে চারদিক মুখরিত করে দলে দলে লোক সমাবেশস্থল সার্কিট হাউজ মাঠে আসতে থাকে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সমগ্র এলাকাটি এক বিশাল জনসমুদ্রে পরিণত হয়।

রোববার (২৬ জুলাই) বিকেল ৪টায় রাজধানীর তোপখানা রোডে কালের দাবি প্রকাশনার কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, শিক্ষাবিদ, গবেষক, লেখক, সাংবাদিক, কবি, সংস্কৃতিকর্মী, বুদ্ধিজীবী, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সহযোদ্ধাসহ প্রায় তিন শতাধিক অতিথি অংশ নেন।
৩ দিন আগে
বিএনপিও ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের পথে হাঁটা শুরু করেছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, এখন যারা সরকারে আছে, তারাও (বিএনপি) মজলুম ছিল। কিন্তু তারাও ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের পথে হাঁটা শুরু করেছে। সমাজের সব ক্ষেত্রে বেপরোয়া নির্লজ্জ দলীয়করণ করে দুর্নীতিকে তারা জাতীয়করণ
৪ দিন আগে
সরকার জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করলে আগামী পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ করে যেতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন না করলে বিএনপি সরকারকে আর সহযোগিতা করা হবে না।
৪ দিন আগে
শনিবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার তৃতীয় সাধারণ অধিবেশনে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।
৪ দিন আগে