এক্সিম ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে পাঠানো আদেশে বলা হয়, আমানতকারী ও ব্যাংকের স্বার্থ সংরক্ষণ ও সুশাসন নিশ্চিত করতে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে নতুন পর্ষদ গঠন করা হয়েছে।
এম ফজলুর রহমানের যোগদানের তারিখ থেকে তিন বছরের জন্য তাকে চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। ব্যাংক কোম্পানি আইনের বিধান মোতাবেক এই নিয়োগ দেওয়া হয় বলে জানানো হয় প্রজ্ঞাপনে।
সরকারের পতনের প্রেক্ষাপটে পাচারকারীরা দেশ থেকে বিপুল অর্থ সরিয়ে নিচ্ছে বা নেওয়ার পাঁয়তারা করছে, এমন আশঙ্কায় নগদ টাকা উত্তোলনের সীমা ঠিক করে দিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। গত ৮ আগস্ট ব্যাংক থেকে সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা সীমা আরোপ করে বাংলাদেশ ব্যাংক।
এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম, তার স্ত্রী ফারজানা পারভীন এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের ব্যাংক হিসাব ও অন্যান্য হিসাবের তথ্য চেয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা বিভাগ বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)।
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ব্যাংকটির বেশিরভাগ শেয়ার এস আলমের হাতে থাকায় আপাতত ব্যাংকটিতে সব স্বতন্ত্র পরিচালক দেওয়া হবে। পরবর্তীতে আগের পরিচালকরা ২ শতাংশ করে শেয়ার কিনে আসার পর তাদের পরিচালক নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানা গেছে।
লেনদেন স্থগিত করার এ নির্দেশের ক্ষেত্রে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ বিধিমালার সংশ্লিষ্ট ধারা প্রযোজ্য হবে বলে বিএফআইইউর চিঠিতে বলা হয়েছে।
পদত্যাগে দাবিতে সোমবার তাকে সোনালী ব্যাংকে অবরুদ্ধ করে রাখেন কর্মকর্তা–কর্মচারীরা। এদিন রাতে পদত্যাগে বাধ্য হন তিনি।
অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, এক হাজার টাকার নোট বাতিলের সিদ্ধান্ত সহজে নেওয়া যাবে না।
বরখাস্তরা হলেন অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক জে কিউ এম হাবীবুল্লাহ; উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) মো. আকিজ উদ্দিন, মোহাম্মদ সাব্বির, মিফতাহ উদ্দিন, মো. রেজাউল করিম, ড. মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন; প্রধান অর্থ পাচার প্রতিরোধ কর্মকর্তা (ক্যামেলকো) তাহের আহমেদ চৌধুরী ও ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের প্রিন্সিপাল মো.
শেখ হাসিনা সরকারের আমলে ব্যাংক খাতে ঋণ কেলেঙ্কারি, দখল, লুটপাট ভয়ঙ্কর রূপ নেয়। ইসলামী ব্যাংকসহ প্রায় ৮টি ব্যাংক দখলে নেয় এস আলম গ্রুপ। এসব ব্যাংক দখলে নেওয়ার পর থেকে নামে বেনামে হাজার হাজার কোটি টাকা ঋণ নেয় এস আলম গ্রুপ। শুধু ঋণ নয় এসব ব্যাংকের মালিকানা নিজেদের কব্জায় রাখতে ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানের নামে
করোনা মহামারির সময় নানা অজুহাতে গণহারে ছাঁটাই করে বেশ কয়েকটি বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক। চাকরিচ্যুত বা পদত্যাগে বাধ্য হওয়া ব্যাংকারদের চাকরিতে পুনর্বহালের জন্য নির্দেশ দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। চাকরি ফেরত দিতে ব্যাংকারদের পক্ষে হাইকোর্টও রুল জারি করেছেন। কিন্তু কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনার প্রায় ৩
লুটপাট, টাকাপাচার বা দুর্নীতি নিয়ে আগামী ১০০ দিনের মধ্যে ব্যাংকিং খাতের একটি শ্বেতপত্র প্রকাশ করবে বাংলাদেশ ব্যাংক। ডয়চে ভেলেকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে একথা জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নবনিযুক্ত গর্ভনর ড. আহসান এইচ মনসুর। তার মতে, প্রত্যেকটা মন্ত্রণালয় যদি এই কাজটি করে তাহলে সবগুলো একসঙ্গে নিয়ে সরকারের পক
নিরাপত্তার স্বার্থে ব্যাংক থেকে নগদ টাকা উত্তোলনের সর্বোচ্চ সীমা বেঁধে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে একটি অ্যাকাউন্ট থেকে ৩ লাখ টাকার বেশি নগদ টাকা উত্তোলন করা যাবে না। পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত প্রযোজ্য হবে বলে ব্যাংকগুলোকে খুদে বার্তা দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর হিসেবে বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সাবেক কর্মকর্তা ড. আহসান এইচ মনসুরকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) রাতে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ।
অন্তর্বর্তী সরকারকে সব বিষয়ে সহায়তা দিয়ে পাশে থাকতে চায় বিশ্বব্যাংক। বাংলাদেশের ঋণের কিস্তি পরিশোধ নিয়ে কোনোভাবেই উদ্বিগ্ন নয় সংস্থাটি। বরং বাংলাদেশে কর্মসংস্থান বাড়াতে আরও বেশি বিনিয়োগ করতে চায় তারা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের চার শীর্ষ কর্মকর্তা পদত্যাগ করেছেন। এ চারজন কর্মকর্তা হলেন- ডেপুটি গভর্নর-১ কাজী ছাইদুর রহমান, ডেপুটি গভর্নর-৩ খুরশিদ আলম, বাংলাদেশ ফাইনান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) প্রধান মাসুদ বিশ্বাস ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতি উপদেষ্টা আবু ফারাহ মো. নাসের।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের অবর্তমানে দায়িত্ব পালন করবেন ডেপুটি গভর্নর নূরুন নাহার। অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের উপসচিব আফসানা বিলকিস স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে বাংলাদেশ ব্যাংককে বিষয়টি জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।