বাংলাদেশে নির্বাচন কবে হবে, এখনো সে ব্যাপারে কোনো রোডম্যাপ দেওয়া হয়নি। কিন্তু রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে নানা মেরুকরণ হচ্ছে। দৃশ্যমান হচ্ছে, ছোট ছোট দলগুলোকে ঘিরে বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপির পৃথক পৃথক বলয় তৈরির তৎপরতা।
পাকিস্তানের প্রধান কৃষিভিত্তিক অঞ্চল পাঞ্জাব। এখানকার মাঠ-ঘাট, খেত-খামার বাঁচিয়ে রাখে সিন্ধু ও এর শাখা নদীগুলোর পানি। পুরো দেশের খাদ্য উৎপাদনের বড় অংশ আসে এই এলাকা থেকে। পাঞ্জাবের সেচব্যবস্থার প্রায় ৮০ শতাংশ নির্ভর করে সিন্ধু চুক্তির অধীনে পাওয়া পানির ওপর। ভারত যদি পানি বন্ধ করে দেয়, তাহলে শুকিয়ে যা
ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ ঢাকায় তাদের দলের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য লোক খুঁজছে। দলটি এখন দেশের ভেতরে রাজনীতিতে সক্রিয় অবস্থান তৈরির বিষয়কে অগ্রাধিকার দিচ্ছে বলে জানাচ্ছেন এর নেতারা। কিন্তু বিপর্যস্ত দলটি এখন আকস্মিক ঝটিকা মিছিল এবং সামাজিক মাধ্যমের ওপর ভর করে এগোচ্ছে; এর বাইরে বড় কোনো কর্মসূচি নিয়ে রাজন
‘সরকারের মধ্যেই কোনো গোষ্ঠী নির্বাচন বিলম্বিত করতে সক্রিয় হয়েছে’- এমন আশঙ্কা বিবেচনায় নিয়ে ডিসেম্বরেই নির্বাচনের জন্য ‘সরকারের ওপর চাপ তৈরি’র জন্য সব দলকে এক জায়গায় আনতে কাজ শুরু করেছে বিএনপি।
ঢাকায় বাংলাদেশ-পাকিস্তান পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের বৈঠকের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেখছেন কোনো কোনো বিশ্লেষক। একাত্তরে গণহত্যার জন্য ক্ষমা চাইতে আবারও পাকিস্তানের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। পাকিস্তানের কাছে পাওনা ৪২০ কোটি ডলারও চাওয়া হয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বিএনপি আশা করেছিল প্রধান উপদেষ্টা তাদের নির্বাচনের সম্ভাব্য দিন-তারিখ জানাবেন। এই বৈঠকের মূল লক্ষ্যও ছিল তাই। এতদিন বক্তৃতা-বিবৃতি ও ঘরের আলোচনায় বিএনপি তার এই মনোভাবের কথা প্রকাশ করে আসছিল। নির্বাচনের তারিখ না পেয়ে আজ দলটির ক্ষোভ অনেকটাই প্রকাশ্য হলো। এ অবস্থায় নির্বাচনে
বাংলাদেশে গরম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে লোডশেডিংয়ের আশঙ্কা বাড়ছে। শহরের তুলনায় গ্রামে তুলনামূলক লোডশেডিং বেশি হচ্ছে বলে জানা গেছে। এখনো তীব্রতা না বাড়লেও সামনের সপ্তাহগুলোয় লোডশেডিং আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে।
প্রতিবেশী ভারতকে নিয়ে বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে একটা কথা চালু আছে, যে তারা সে দেশে এতকাল ‘সব ডিম শুধু একটি ঝুড়িতেই রেখেছে’ – মানে শুধু একটি দলের সঙ্গেই তাদের সম্পর্ক ছিল, আর সেটা আওয়ামী লীগ। সে দেশের অপর প্রধান রাজনৈতিক শক্তি, বিএনপি-কে নিয়ে ভারতের যেকোনও কারণেই হোক একটা যে ‘সমস্যা’ ছিল, সে কথাও সুবি
ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলি ‘গণহত্যার’ প্রতিবাদে ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ‘মার্চ ফর গাজা’ কর্মসূচিতে বিপুল সংখ্যক মানুষের সামনে ঘোষণাপত্র পাঠ করা হয়। এতে গাজাবাসীর পাশে থাকার প্রতিশ্রুতিসহ বেশ কিছু ঘোষণা এসেছে।
হঠাৎ করেই আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাণিজ্যযুদ্ধ। বিশ্বব্যাপী সবার বিরুদ্ধে লড়াই করার পরিবর্তে এখন তা অনেকটাই পরিণত হয়েছে পরিচিত রণাঙ্গনে, অর্থাৎ আমেরিকা বনাম চীনে। ডজন খানেক দেশের ওপর আরোপিত ‘প্রতিশোধমূলক’ শুল্কে ৯০ দিনের জন্য বিরতি দেওয়া হলেও তাতে এখনও ১০ শতাংশ সর্বজনীন শুল্ক বহাল
রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে পরিবর্তন বা সংস্কারের প্রশ্নে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীসহ রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বড় রকমের ভিন্নমত বা পাল্টাপাল্টি অবস্থান দেখা যাচ্ছে।
গাজায় ইসরায়েলি হামলার প্রতিবাদে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল থেকে সোমবার বাংলাদেশের সিলেট, চট্টগ্রাম, কক্সবাজারসহ কয়েকটি জেলায় কেএফসি, বাটা, পিৎজা হাটসহ এক ডজনেরও বেশি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে যে হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে, সেটি ঘিরে ব্যবসায়ীদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ ও নিরাপত্তা শঙ্কা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
থাইল্যান্ডের রাজধানীতে বিমস্টেক শীর্ষ সম্মেলনের অবকাশে গত শুক্রবার (৪ এপ্রিল) ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস মিনিট চল্লিশেকের এক বৈঠকে মিলিত হয়েছিলেন – ‘ফ্যাক্ট’ বা ঘটনা বলতে এটুকুই, যা নিয়ে কোনও বিতর্কের অবকাশ নেই। কিন্তু এরপর
এক লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে প্রত্যাবাসনের যোগ্য হিসাবে চিহ্নিত করলেও তারা মিয়ানমারে কবে ফিরে যেতে পারবেন তা নিশ্চিত নয়। শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, ‘রোহিঙ্গাদের ভেরিফিকেশন তাদের মিয়ানমারের নাগরিকত্ব নিশ্চিত করে না। তাদের রেসিডেন্সি নিশ্চিত করে। রোহিঙ্গারা ত
অনিশ্চয়তা কাটিয়ে ব্যাংককে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদী যে প্রথমবারের মতো দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসলেন, এটিকেই দুই দেশের সম্পর্কে একটি ‘ইতিবাচক’ ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। গত বছরের আগস্টে গণঅভ্যুত্থানের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারে পতনের আকস্মিকতায় থমকে গিয়েছিল দুই দেশের সম্পর্কের গতি।
দীর্ঘদিন পর রাজধানী ঢাকায় ঈদুল ফিতর উপলক্ষে এমন একটি আনন্দ মিছিল আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে ফুটিয়ে তোলা হয়েছিল বাংলার সুলতানি-মোগল আমলের নানা ঐতিহ্যকে। আনন্দ মিছিলে গাধার পিঠে বসে থাকা লোককথার চরিত্র নাসিরুদ্দিন হোজ্জার একটি পাপেট বা প্রতিকৃতিও স্থান পায়।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের চীনে প্রথম দ্বিপাক্ষিক সফরে দুই দেশের মধ্যে বেশ কয়েকটি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে, এবং সম্পর্ক ‘নতুন উচ্চতায়’ নিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে যৌথ বিবৃতিতে।