গাজার ধ্বংসস্তূপ থেকে আরও ৯৪ ফিলিস্তিনির মরদেহ উদ্ধার

ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম
ছবি: সংগৃহীত

গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনের ক্ষত যে কতটা গভীর, তা ধ্বংসস্তূপ সরানোর সাথে সাথে আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে। দীর্ঘ সময় ধরে চলা সংঘাতের রেশ কাটতে না কাটতেই মধ্য গাজা সিটির ধ্বংসাবশেষ থেকে আরও ৯৪ জন ফিলিস্তিনির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

শনিবার (২০ ডিসেম্বর) গাজা সিভিল ডিফেন্সের পক্ষ থেকে এই ভয়াবহ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, উদ্ধার করা মরদেহগুলো ময়নাতদন্ত ও দাফনের প্রস্তুতির জন্য গাজা সিটির আল-শিফা মেডিকেল কমপ্লেক্সের ফরেনসিক বিভাগে পাঠানো হয়েছে। পরে সেগুলো মধ্যাঞ্চলীয় শহর দেইর আল-বালাহর শহীদ কবরস্থানে দাফন করা হবে।

২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসন শুরু হওয়ার পর ধ্বংস হয়ে যাওয়া ভবনের নিচে এখনও হাজার হাজার ফিলিস্তিনি চাপা পড়ে আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

গাজার সিভিল ডিফেন্স জানায়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও ধর্মীয় বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় তারা ইতোমধ্যে বিভিন্ন স্থানে অস্থায়ীভাবে সমাহিত হাজারও মরদেহ গাজার বিভিন্ন কবরস্থানে স্থানান্তর করতে সক্ষম হয়েছে।

গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত প্রায় ৭০ হাজার ৭০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নিহতদের অধিকাংশই নারী ও শিশু।

একই সময় আহত হন আরও অন্তত ১ লাখ ৭১ হাজার ১০০ জন। গত ১০ অক্টোবর কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তির মাধ্যমে ইসরায়েলি এই আগ্রাসন আপাতত থেমে গেলেও এখনও প্রায় প্রতিদিনই হামলার শিকার হচ্ছেন ফিলিস্তিনিরা।

ad
ad

বিশ্ব রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

যুক্তরাষ্ট্র কীভাবে ইরানের খারগ দ্বীপ দখল করার চেষ্টা করতে পারে?

এই দ্বীপটি উপকূল থেকে কিছুটা দূরে এমন এক গভীর জলসীমায় অবস্থিত, যেখানে ভেরি লার্জ ক্রুড ক্যারিয়ার (ভিএলসিসি) নামক বিশাল তেলের ট্যাঙ্কারগুলো সহজেই ভিড়তে পারে।

১০ ঘণ্টা আগে

যুদ্ধ কবে শেষ, নির্দিষ্ট সময়সীমা দিতে নারাজ নেতানিয়াহু

ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা চলছে। তবে সতর্ক করে দিয়ে তিনি বলেন, যুদ্ধবিরতি না হলে যুক্তরাষ্ট্র এমন সব স্থাপনায় হামলা চালাবে, যেগুলো এখনো ইচ্ছাকৃতভাবে স্পর্শ করা হয়নি।

১১ ঘণ্টা আগে

হরমুজ প্রণালি বন্ধ রেখেই ইরান যুদ্ধ শেষ করতে চান ট্রাম্প

কর্মকর্তাদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে ট্রাম্প সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত ইরানের নৌবাহিনী ও ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত ধ্বংস করা। এরপর বর্তমান সংঘাত কমিয়ে আনা ও কূটনৈতিকভাবে তেহরানের ওপর চাপ সৃষ্টি করা, যাতে তারা অবাধ অবাধ বাণিজ্যের সুযোগ দেয়।

১১ ঘণ্টা আগে

ট্রাম্পের পদক্ষেপে জল্পনা— ইরানে স্থল হামলার পথে যুক্তরাষ্ট্র?

শনিবার দ্য ওয়াশিংটন পোস্টকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে দুজন মার্কিন কর্মকর্তা জানান, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর ইরানের খার্গ দ্বীপে অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এ দ্বীপ থেকেই ইরানের প্রায় ৯০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল রপ্তানি প্রক্রিয়াজাত হয়। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালির নিকটবর্তী উপকূলীয় এলাকাগুলোকেও সম্ভাব্

১১ ঘণ্টা আগে