
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

তুরস্কের দক্ষিণাঞ্চলে একটি স্কুলে বন্দুকধারীর গুলিতে অন্তত আট শিক্ষার্থী ও একজন শিক্ষক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও অন্তত ১৩ জন আহত হয়েছেন।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) কাহরামানমারাস প্রদেশের ওনিকিসুবাত জেলার আইসার ক্যালিক মাধ্যমিক স্কুলে এ ঘটনা ঘটে। বিবিসির খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
তুরস্কের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মুস্তাফা চিফতচি জানান, হামলায় আরও ১৩ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ছয়জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
দেশটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ১৪ বছর বয়সী হামলাকারীও ঘটনাস্থলে নিহত হয়েছে। হামলার উদ্দেশ্য এখনো স্পষ্ট নয়; এ ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ।
এর আগে, মঙ্গলবার দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত আহমেত কয়ুনজু ভোকেশনাল অ্যান্ড টেকনিক্যাল আনাতোলিয়ান উচ্চ বিদ্যালয়ে এক সাবেক শিক্ষার্থীর গুলিতে ১৬ জন আহত হন। পরে ওই হামলাকারী আত্মহত্যা করেন।
তুর্কি গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, বুধবারের হামলায় হামলাকারীকে স্কুলটিরই এক শিক্ষার্থী বলে ধারণা করা হচ্ছে। তিনি দুটি শ্রেণিকক্ষে ঢুকে এলোপাতাড়ি গুলি চালান। তার কাছে পাঁচটি আগ্নেয়াস্ত্র ও সাতটি ম্যাগাজিন ছিল।
স্থানীয় গভর্নর মুকেররেম উনলুয়ের দাবি, অস্ত্রগুলো হামলাকারীর সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা বাবার। এ ঘটনায় তার বাবাকে আটক করেছে পুলিশ।

ঘটনার সময় সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এবং আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে যাচাইকৃত ভিডিওতে দেখা যায়, আতঙ্কিত শিক্ষার্থীরা স্কুল ভবনের প্রথম তলার জানালা দিয়ে লাফিয়ে বেরিয়ে আসছে এবং প্রাণ বাঁচাতে দৌড়ে পালাচ্ছে।
তুর্কি সম্প্রচারমাধ্যম এনটিভির এক প্রতিবেদক বলেন, গুলির শব্দ ছিল খুবই তীব্র। তিনি জানান, স্কুলের সামনে আতঙ্ক ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর অতঙ্কিত অভিভাবকরা স্কুলের বাইরে জড়ো হন। ওমের এরদাগ নামের একজন বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, “আমার সন্তান পুরো ঘটনা দেখেছে। সে আমাকে বলেছে, ‘বাবা, আমার বন্ধু আহত হয়েছে’।”
তিনি প্রশ্ন রাখেন, ‘এখন আমি কীভাবে আবার আমার সন্তানদের এই স্কুলে পাঠাব?’
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (আগে টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে হতাহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে আহত শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন।

তুরস্কের দক্ষিণাঞ্চলে একটি স্কুলে বন্দুকধারীর গুলিতে অন্তত আট শিক্ষার্থী ও একজন শিক্ষক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও অন্তত ১৩ জন আহত হয়েছেন।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) কাহরামানমারাস প্রদেশের ওনিকিসুবাত জেলার আইসার ক্যালিক মাধ্যমিক স্কুলে এ ঘটনা ঘটে। বিবিসির খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
তুরস্কের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মুস্তাফা চিফতচি জানান, হামলায় আরও ১৩ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ছয়জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
দেশটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ১৪ বছর বয়সী হামলাকারীও ঘটনাস্থলে নিহত হয়েছে। হামলার উদ্দেশ্য এখনো স্পষ্ট নয়; এ ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ।
এর আগে, মঙ্গলবার দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত আহমেত কয়ুনজু ভোকেশনাল অ্যান্ড টেকনিক্যাল আনাতোলিয়ান উচ্চ বিদ্যালয়ে এক সাবেক শিক্ষার্থীর গুলিতে ১৬ জন আহত হন। পরে ওই হামলাকারী আত্মহত্যা করেন।
তুর্কি গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, বুধবারের হামলায় হামলাকারীকে স্কুলটিরই এক শিক্ষার্থী বলে ধারণা করা হচ্ছে। তিনি দুটি শ্রেণিকক্ষে ঢুকে এলোপাতাড়ি গুলি চালান। তার কাছে পাঁচটি আগ্নেয়াস্ত্র ও সাতটি ম্যাগাজিন ছিল।
স্থানীয় গভর্নর মুকেররেম উনলুয়ের দাবি, অস্ত্রগুলো হামলাকারীর সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা বাবার। এ ঘটনায় তার বাবাকে আটক করেছে পুলিশ।

ঘটনার সময় সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এবং আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে যাচাইকৃত ভিডিওতে দেখা যায়, আতঙ্কিত শিক্ষার্থীরা স্কুল ভবনের প্রথম তলার জানালা দিয়ে লাফিয়ে বেরিয়ে আসছে এবং প্রাণ বাঁচাতে দৌড়ে পালাচ্ছে।
তুর্কি সম্প্রচারমাধ্যম এনটিভির এক প্রতিবেদক বলেন, গুলির শব্দ ছিল খুবই তীব্র। তিনি জানান, স্কুলের সামনে আতঙ্ক ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর অতঙ্কিত অভিভাবকরা স্কুলের বাইরে জড়ো হন। ওমের এরদাগ নামের একজন বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, “আমার সন্তান পুরো ঘটনা দেখেছে। সে আমাকে বলেছে, ‘বাবা, আমার বন্ধু আহত হয়েছে’।”
তিনি প্রশ্ন রাখেন, ‘এখন আমি কীভাবে আবার আমার সন্তানদের এই স্কুলে পাঠাব?’
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (আগে টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে হতাহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে আহত শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন।

ইরান যুদ্ধ ও মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা নিরসনের লক্ষ্যে সৌদি আরব সফর করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। বুধবার (১৫ এপ্রিল) জেদ্দায় তিনি সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে এক বৈঠকে মিলিত হন।
৩ ঘণ্টা আগে
বিশেষজ্ঞদের মতে, তেলের দাম বৃদ্ধি ও সরবরাহ শৃঙ্খলে বিঘ্ন খাদ্যপণ্যের উৎপাদন ও পরিবহন ব্যয় বাড়িয়ে দেবে, যা শেষ পর্যন্ত খাদ্যের দাম বাড়াবে এবং নিম্ন আয়ের দেশগুলোর ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করবে। যেসব দেশ খাদ্য আমদানির ওপর নির্ভরশীল, তারা এই ধাক্কা সবচেয়ে বেশি অনুভব করবে।
৫ ঘণ্টা আগে
র্যাচেল রিভস বলেন, ‘প্রশ্নটি হলো না আপনি ইরান সরকারকে পছন্দ করেন কি না। ব্যক্তিগতভাবে আমি তাদের একেবারেই পছন্দ করি না। কিন্তু মূল প্রশ্ন হলো, আপনি যে পরিবর্তন চান তা কীভাবে অর্জন করবেন।’
৫ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়ার সচল থাকা মাত্র দুটি তেল শোধনাগারের মধ্যে জিলং শোধনাগারটি অন্যতম। দৈনিক ১ লাখ ২০ হাজার ব্যারেল উৎপাদন সক্ষমতাসম্পন্ন এই শোধনাগারটি ভিক্টোরিয়া রাজ্যের অর্ধেকেরও বেশি জ্বালানি চাহিদা পূরণ করে থাকে। জাতীয়ভাবে এটি মোট চাহিদার প্রায় ১০ শতাংশ সরবরাহ করে।
৬ ঘণ্টা আগে