
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানে সম্ভাব্য সামরিক হামলার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র ব্রিটিশ বিমানবাহিনীর একটি ঘাঁটি ব্যবহার করতে চাইলেও সে অনুমতি দেয়নি যুক্তরাজ্য। এ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের মধ্যে কূটনৈতিক টানাপোড়েন সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ।
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানে হামলার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে দক্ষিণ-পশ্চিম ইংল্যান্ডের সুইন্ডনের কাছে অবস্থিত রয়্যাল এয়ার ফোর্সের (আরএএফ) একটি ঘাঁটি ব্যবহারের প্রস্তাব দিয়েছিল ওয়াশিংটন। তবে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের আশঙ্কায় সে প্রস্তাবে সায় দেয়নি ব্রিটিশ সরকার।
অনুমতির বিষয়ে অনড় অবস্থান নেওয়ায় ব্রিটিশ সরকারের ওপর ট্রাম্প ক্ষুব্ধ হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে, সুইন্ডনের ওই ঘাঁটি থেকে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের পরিকল্পনা ছিল যুক্তরাষ্ট্রের।
ইরানকে ১০ থেকে ১৫ দিনের সময়সীমা দিয়ে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন, ‘বোঝাপড়ায় আসুন, না হলে খারাপ কিছু ঘটতে চলেছে।’ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, একটি ‘ভয়ংকর রকমের অস্থিতিশীল ও ভয়ংকর শাসনের’ অবসান ঘটাতে ব্রিটেনের ওই বিমানঘাঁটি ব্যবহার প্রয়োজন।
বিশ্লেষকদের ধারণা, এখানে তিনি ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শাসনব্যবস্থার দিকেই ইঙ্গিত করেছেন।
২০০১ সালের ব্রিটিশ আইন অনুযায়ী, কোনো মিত্র দেশ ব্রিটিশ ভূখণ্ড ব্যবহার করে সামরিক অভিযান চালালে ব্রিটেন সেই অভিযানের দায়ভার সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রের সঙ্গে ভাগ করে নেয়। তবে শর্ত হলো— অভিযানের বিষয়ে আগে থেকে বিস্তারিত অবহিত করতে হবে।
কিন্তু সুইন্ডনের ঘাঁটি ব্যবহারের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র ব্রিটেনকে আগাম জানাতে বাধ্য নয়— এমন আশঙ্কা থেকেই লন্ডন সতর্ক অবস্থান নিয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। ফলে নিজেদের অজান্তে কোনো বড় সামরিক সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে চায় না স্টারমার সরকার।
এদিকে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক তৎপরতা বাড়িয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। অঞ্চলটিতে ইতোমধ্যে ৫০টিরও বেশি যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে মার্কিন বাহিনী।
সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস দাবি করেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ইরানের কাছাকাছি মার্কিন যুদ্ধবিমানের আনাগোনা কয়েক গুণ বেড়েছে। অপরদিকে সিএনএন ও সিবিএস নিউজ জানিয়েছে, চলতি সপ্তাহের শেষ নাগাদ ইরানে হামলার জন্য প্রস্তুত রয়েছে মার্কিন সেনারা।
তবে ইরানের সঙ্গে সরাসরি সামরিক সংঘাতে জড়ানোর বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

ইরানে সম্ভাব্য সামরিক হামলার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র ব্রিটিশ বিমানবাহিনীর একটি ঘাঁটি ব্যবহার করতে চাইলেও সে অনুমতি দেয়নি যুক্তরাজ্য। এ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের মধ্যে কূটনৈতিক টানাপোড়েন সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ।
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানে হামলার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে দক্ষিণ-পশ্চিম ইংল্যান্ডের সুইন্ডনের কাছে অবস্থিত রয়্যাল এয়ার ফোর্সের (আরএএফ) একটি ঘাঁটি ব্যবহারের প্রস্তাব দিয়েছিল ওয়াশিংটন। তবে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের আশঙ্কায় সে প্রস্তাবে সায় দেয়নি ব্রিটিশ সরকার।
অনুমতির বিষয়ে অনড় অবস্থান নেওয়ায় ব্রিটিশ সরকারের ওপর ট্রাম্প ক্ষুব্ধ হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে, সুইন্ডনের ওই ঘাঁটি থেকে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের পরিকল্পনা ছিল যুক্তরাষ্ট্রের।
ইরানকে ১০ থেকে ১৫ দিনের সময়সীমা দিয়ে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন, ‘বোঝাপড়ায় আসুন, না হলে খারাপ কিছু ঘটতে চলেছে।’ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, একটি ‘ভয়ংকর রকমের অস্থিতিশীল ও ভয়ংকর শাসনের’ অবসান ঘটাতে ব্রিটেনের ওই বিমানঘাঁটি ব্যবহার প্রয়োজন।
বিশ্লেষকদের ধারণা, এখানে তিনি ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শাসনব্যবস্থার দিকেই ইঙ্গিত করেছেন।
২০০১ সালের ব্রিটিশ আইন অনুযায়ী, কোনো মিত্র দেশ ব্রিটিশ ভূখণ্ড ব্যবহার করে সামরিক অভিযান চালালে ব্রিটেন সেই অভিযানের দায়ভার সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রের সঙ্গে ভাগ করে নেয়। তবে শর্ত হলো— অভিযানের বিষয়ে আগে থেকে বিস্তারিত অবহিত করতে হবে।
কিন্তু সুইন্ডনের ঘাঁটি ব্যবহারের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র ব্রিটেনকে আগাম জানাতে বাধ্য নয়— এমন আশঙ্কা থেকেই লন্ডন সতর্ক অবস্থান নিয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। ফলে নিজেদের অজান্তে কোনো বড় সামরিক সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে চায় না স্টারমার সরকার।
এদিকে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক তৎপরতা বাড়িয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। অঞ্চলটিতে ইতোমধ্যে ৫০টিরও বেশি যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে মার্কিন বাহিনী।
সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস দাবি করেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ইরানের কাছাকাছি মার্কিন যুদ্ধবিমানের আনাগোনা কয়েক গুণ বেড়েছে। অপরদিকে সিএনএন ও সিবিএস নিউজ জানিয়েছে, চলতি সপ্তাহের শেষ নাগাদ ইরানে হামলার জন্য প্রস্তুত রয়েছে মার্কিন সেনারা।
তবে ইরানের সঙ্গে সরাসরি সামরিক সংঘাতে জড়ানোর বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, পাকিস্তান ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে হওয়া সমঝোতাগুলোর বাস্তবায়নে সমর্থন দেওয়া এবং তা এগিয়ে নিতে কাজ চালিয়ে যাবে।
২০ ঘণ্টা আগে
অবজারভার আরও জানিয়েছে, পদত্যাগ করার ক্ষেত্রে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে স্ত্রীর সঙ্গে তিনি আলোচনা করেছেন। কাল সোমবারের মধ্যে তার কাছ থেকে এখন একটি স্পষ্ট বিবৃতি প্রত্যাশা করছেন তার লেবার পার্টির উচ্চ পর্যায়ের নেতারা।
২০ ঘণ্টা আগে
ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, বিধানসভা নির্বাচনে দলটির পরাজয়ের পর প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস এবং বিরোধীদলীয় নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন দুটি শিবিরের মধ্যে সাংগঠনিক ও আর্থিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ক্ষমতা দখলের লড়াই চরম রূপ নিয়েছে। এই দ্বন্দ্বের মাঝেই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুস
১ দিন আগে
ইরানের সঙ্গে একটি কূটনৈতিক চুক্তিতে পৌঁছানোর মার্কিন প্রচেষ্টার মধ্যেই বৈরুতে ইসরাইলি বোমাবর্ষণ এবং নেতানিয়াহুর অনড় সামরিক অবস্থানের কারণে দুই নেতার মধ্যকার সম্পর্কের নজিরবিহীন অবনতি ঘটেছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
১ দিন আগে