
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

কংগ্রেসের কোনো তোয়াক্কা না করে একক কর্তৃত্বেই ইরান যুদ্ধ শুরু করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়াই যুদ্ধ ৬০ দিন চালিয়ে যাওয়ার যে সময়সীমা, তা শেষ হচ্ছে আজ শুক্রবার (১ মে)। এরপরও ট্রাম্পকে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে হলে নিতে হবে কংগ্রেসের অনুমতি, নিদেনপক্ষে ‘অনিবার্য সামরিক প্রয়োজন’ দেখিয়ে আরও ৩০ দিন যুদ্ধের মেয়াদ বাড়ানোর অনুরোধ করতে হবে।
এ অবস্থায় কী করবেন ট্রাম্প? তিনি কি কংগ্রেসে ৩০ দিন যুদ্ধের মেয়াদ বাড়ানোর অনুরোধ করবেন? নাকি নানা চেষ্টাতেও ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কোনো ধরনের চুক্তি বা সমঝোতা না হলেও যুদ্ধবিরতিতে থমকে থাকা এ সংঘাতকে এভাবেই বহাল রাখবেন?
ট্রাম্প প্রশাসনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, এপ্রিলের শুরুতে শুরু হওয়া যুদ্ধবিরতি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ‘শত্রুতার সমাপ্তি ঘটিয়েছে’।
তিন সপ্তাহের বেশি সময় ধরে যুদ্ধবিরতি চলাকালে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সরাসরি কোনো গোলাগুলি না হওয়ায় সংঘাত কার্যত থেমে আছে— এমন চুক্তি দেখিয়ে ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘ওয়ার পাওয়ারস রেজ্যুলেশনের দৃষ্টিকোণ থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া শত্রুতা এখন শেষ হয়েছে।’
‘ওয়ার পাওয়ারস রেজ্যুলেশন’ হলো সেই মার্কিন আইন, যা ব্যবহার করে দেশটির প্রেসিডেন্ট কারও কোনো অনুমতি ছাড়াই একক কর্তৃত্বে কোনো দেশের বিপক্ষে যুদ্ধ বা সামরিক অভিযান শুরু করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্টকে সময় দেওয়া হয়েছে ৬০ দিন। এই সময়সীমায়, তথা শুক্রবারের মধ্যে ট্রাম্পের সামনে খোলা ছিল দুটি বিকল্প— ইরান যুদ্ধ শেষ করা অথবা কংগ্রেসকে বোঝানো যে কেন তা বাড়ানো প্রয়োজন।
ইরান যুদ্ধে এই ৬০ দিনের ডেডলাইন পেরিয়ে যাওয়ার মুখে ওই কর্মকর্তার বক্তব্যকে ট্রাম্প প্রশাসনের আইনি অবস্থান বিবেচনা করা হচ্ছে। ইরানের সঙ্গে ‘শত্রুতা’র অবসান নিয়ে তার বক্তব্য ইঙ্গিত দিচ্ছে, বাস্তবে এই সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও যুদ্ধের গতিপথে বড় কোনো পরিবর্তন নাও আসতে পারে।
কংগ্রেসকে পাশ কাটানোর চেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানে যুদ্ধ ঘোষণা করার ক্ষমতা রয়েছে কেবল কংগ্রেসের হাতে। তবে বাস্তবে স্বল্পমেয়াদি বা ‘তাৎক্ষণিক হুমকি প্রতিরোধ’ হিসেবে কোনো অভিযান দেখিয়ে প্রেসিডেন্টরা প্রায়ই কংগ্রেসকে পাশ কাটিয়ে যুদ্ধ শুরু করে দিতে পারেন। প্রেসিডেন্টকে এ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে ১৯৭৩ সালের ‘মার্কিন ওয়ার পাওয়ারস রেজ্যুলেশন’ শীর্ষক আইনে।
এই আইনে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়াই ৬০ দিন পর্যন্ত সামরিক অভিযান চালাতে পারেন। এরপর তাকে হয় অভিযান শেষ করতে হবে, নয়তো কংগ্রেসের অনুমোদন নিতে হবে, অথবা ‘অনিবার্য সামরিক প্রয়োজনে’র ভিত্তিতে আরও ৩০ দিনের সময় চাইতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় এবারের ইরান যুদ্ধ শুরু হয় গত ২৮ ফেব্রুয়ারি। এর ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ট্রাম্প কংগ্রেসকে আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধের খবর অবহিত করেন। ওই সময় থেকে ৬০ দিনের সময়সীমা শুরু হয়। ১ মে সেই মেয়াদ শেষ হচ্ছে, যেখানে ট্রাম্পকে ইরান যুদ্ধ নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
বিশ্লেষক ও কংগ্রেসের সহযোগীরা ধারণা করেছিলেন, ট্রাম্প হয়তো ৩০ দিনের সময় বাড়ানোর অনুরোধ করবেন অথবা ডেডলাইন উপেক্ষা করবেন। কিন্তু ট্রাম্প প্রশাসনের যুক্তি— যুদ্ধবিরতি থাকায় সংঘাত কার্যত শেষ, তাই আইনি সময়সীমা প্রযোজ্য নয়।
ডেমোক্র্যাটরা অবশ্য শুরু থেকেই বিভিন্ন প্রস্তাব এনে ট্রাম্পকে সেনা প্রত্যাহার বা কংগ্রেসের অনুমোদন নিতে বাধ্য করতে চেষ্টা করেছে। কংগ্রেসে এ নিয়ে দীর্ঘ বিতর্কও হয়েছে। কিন্তু ট্রাম্পের দল রিপাবলিকান পার্টি বর্তমানে সামান্য ব্যবধানে হলেও মার্কিন কংগ্রেসের উভয় কক্ষেই সংখ্যাগরিষ্ঠ হওয়ায় সেসব প্রস্তাব আর পাস হয়নি।
প্রতিরক্ষামন্ত্রীর মন্তব্য ও ডেমোক্র্যাটদের আপত্তি
এর মধ্যে বৃহস্পতিবার সিনেটে এক শুনানিতে ট্রাম্পের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বলেন, যুদ্ধবিরতির সময় ৬০ দিনের ‘ঘড়ি’ কার্যত থেমে ছিল বলে তিনি মনে করেন।
তার বক্তব্যের অর্থ— গত ৮ এপ্রিল যখন যুদ্ধবিরতি ঘোষণা হয়, তখন যুদ্ধের বয়স ৪০ দিন। হেগসেথ বলছেন, এরপর তিন সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও যুদ্ধ মূলত ৪০ দিনই হয়েছে। ফলে ট্রাম্পকে কোনো ‘ডেডলাইনে’র মুখে পড়তে হচ্ছে না।
তবে বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা এই ব্যাখ্যা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন। তারা বলছেন, যুদ্ধবিরতি চলমান থাকার সময়কে যুদ্ধের বাইরে রেখে হিসাব করার বিষয়টি আইনে নেই। যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই যুদ্ধের সময় গণনা করা হবে, যুদ্ধবিরতি থাকলে সেটি সহ-ই।
সার্বিক পরিস্থিতি বলছে, ট্রাম্প প্রশাসন যুদ্ধবিরতিকে ‘শত্রুতা সমাপ্ত’ হিসেবে দেখিয়ে আইনি সময়সীমা এড়ানোর চেষ্টা করছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আইনি পরিকাঠামোতে তাদের এ অবস্থান টিকবে কি না, সেটি এখনই বলা যাচ্ছে না। কংগ্রেস যদি ট্রাম্প প্রশাসনের এ যুক্তি না মানে, তাহলে ভবিষ্যতে প্রেসিডেন্টের যুদ্ধ পরিচালনার ক্ষমতা নিয়েও সাংবিধানিক সংঘাত তৈরি হতে পারে।

কংগ্রেসের কোনো তোয়াক্কা না করে একক কর্তৃত্বেই ইরান যুদ্ধ শুরু করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়াই যুদ্ধ ৬০ দিন চালিয়ে যাওয়ার যে সময়সীমা, তা শেষ হচ্ছে আজ শুক্রবার (১ মে)। এরপরও ট্রাম্পকে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে হলে নিতে হবে কংগ্রেসের অনুমতি, নিদেনপক্ষে ‘অনিবার্য সামরিক প্রয়োজন’ দেখিয়ে আরও ৩০ দিন যুদ্ধের মেয়াদ বাড়ানোর অনুরোধ করতে হবে।
এ অবস্থায় কী করবেন ট্রাম্প? তিনি কি কংগ্রেসে ৩০ দিন যুদ্ধের মেয়াদ বাড়ানোর অনুরোধ করবেন? নাকি নানা চেষ্টাতেও ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কোনো ধরনের চুক্তি বা সমঝোতা না হলেও যুদ্ধবিরতিতে থমকে থাকা এ সংঘাতকে এভাবেই বহাল রাখবেন?
ট্রাম্প প্রশাসনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, এপ্রিলের শুরুতে শুরু হওয়া যুদ্ধবিরতি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ‘শত্রুতার সমাপ্তি ঘটিয়েছে’।
তিন সপ্তাহের বেশি সময় ধরে যুদ্ধবিরতি চলাকালে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সরাসরি কোনো গোলাগুলি না হওয়ায় সংঘাত কার্যত থেমে আছে— এমন চুক্তি দেখিয়ে ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘ওয়ার পাওয়ারস রেজ্যুলেশনের দৃষ্টিকোণ থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া শত্রুতা এখন শেষ হয়েছে।’
‘ওয়ার পাওয়ারস রেজ্যুলেশন’ হলো সেই মার্কিন আইন, যা ব্যবহার করে দেশটির প্রেসিডেন্ট কারও কোনো অনুমতি ছাড়াই একক কর্তৃত্বে কোনো দেশের বিপক্ষে যুদ্ধ বা সামরিক অভিযান শুরু করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্টকে সময় দেওয়া হয়েছে ৬০ দিন। এই সময়সীমায়, তথা শুক্রবারের মধ্যে ট্রাম্পের সামনে খোলা ছিল দুটি বিকল্প— ইরান যুদ্ধ শেষ করা অথবা কংগ্রেসকে বোঝানো যে কেন তা বাড়ানো প্রয়োজন।
ইরান যুদ্ধে এই ৬০ দিনের ডেডলাইন পেরিয়ে যাওয়ার মুখে ওই কর্মকর্তার বক্তব্যকে ট্রাম্প প্রশাসনের আইনি অবস্থান বিবেচনা করা হচ্ছে। ইরানের সঙ্গে ‘শত্রুতা’র অবসান নিয়ে তার বক্তব্য ইঙ্গিত দিচ্ছে, বাস্তবে এই সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও যুদ্ধের গতিপথে বড় কোনো পরিবর্তন নাও আসতে পারে।
কংগ্রেসকে পাশ কাটানোর চেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানে যুদ্ধ ঘোষণা করার ক্ষমতা রয়েছে কেবল কংগ্রেসের হাতে। তবে বাস্তবে স্বল্পমেয়াদি বা ‘তাৎক্ষণিক হুমকি প্রতিরোধ’ হিসেবে কোনো অভিযান দেখিয়ে প্রেসিডেন্টরা প্রায়ই কংগ্রেসকে পাশ কাটিয়ে যুদ্ধ শুরু করে দিতে পারেন। প্রেসিডেন্টকে এ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে ১৯৭৩ সালের ‘মার্কিন ওয়ার পাওয়ারস রেজ্যুলেশন’ শীর্ষক আইনে।
এই আইনে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়াই ৬০ দিন পর্যন্ত সামরিক অভিযান চালাতে পারেন। এরপর তাকে হয় অভিযান শেষ করতে হবে, নয়তো কংগ্রেসের অনুমোদন নিতে হবে, অথবা ‘অনিবার্য সামরিক প্রয়োজনে’র ভিত্তিতে আরও ৩০ দিনের সময় চাইতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় এবারের ইরান যুদ্ধ শুরু হয় গত ২৮ ফেব্রুয়ারি। এর ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ট্রাম্প কংগ্রেসকে আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধের খবর অবহিত করেন। ওই সময় থেকে ৬০ দিনের সময়সীমা শুরু হয়। ১ মে সেই মেয়াদ শেষ হচ্ছে, যেখানে ট্রাম্পকে ইরান যুদ্ধ নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
বিশ্লেষক ও কংগ্রেসের সহযোগীরা ধারণা করেছিলেন, ট্রাম্প হয়তো ৩০ দিনের সময় বাড়ানোর অনুরোধ করবেন অথবা ডেডলাইন উপেক্ষা করবেন। কিন্তু ট্রাম্প প্রশাসনের যুক্তি— যুদ্ধবিরতি থাকায় সংঘাত কার্যত শেষ, তাই আইনি সময়সীমা প্রযোজ্য নয়।
ডেমোক্র্যাটরা অবশ্য শুরু থেকেই বিভিন্ন প্রস্তাব এনে ট্রাম্পকে সেনা প্রত্যাহার বা কংগ্রেসের অনুমোদন নিতে বাধ্য করতে চেষ্টা করেছে। কংগ্রেসে এ নিয়ে দীর্ঘ বিতর্কও হয়েছে। কিন্তু ট্রাম্পের দল রিপাবলিকান পার্টি বর্তমানে সামান্য ব্যবধানে হলেও মার্কিন কংগ্রেসের উভয় কক্ষেই সংখ্যাগরিষ্ঠ হওয়ায় সেসব প্রস্তাব আর পাস হয়নি।
প্রতিরক্ষামন্ত্রীর মন্তব্য ও ডেমোক্র্যাটদের আপত্তি
এর মধ্যে বৃহস্পতিবার সিনেটে এক শুনানিতে ট্রাম্পের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বলেন, যুদ্ধবিরতির সময় ৬০ দিনের ‘ঘড়ি’ কার্যত থেমে ছিল বলে তিনি মনে করেন।
তার বক্তব্যের অর্থ— গত ৮ এপ্রিল যখন যুদ্ধবিরতি ঘোষণা হয়, তখন যুদ্ধের বয়স ৪০ দিন। হেগসেথ বলছেন, এরপর তিন সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও যুদ্ধ মূলত ৪০ দিনই হয়েছে। ফলে ট্রাম্পকে কোনো ‘ডেডলাইনে’র মুখে পড়তে হচ্ছে না।
তবে বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা এই ব্যাখ্যা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন। তারা বলছেন, যুদ্ধবিরতি চলমান থাকার সময়কে যুদ্ধের বাইরে রেখে হিসাব করার বিষয়টি আইনে নেই। যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই যুদ্ধের সময় গণনা করা হবে, যুদ্ধবিরতি থাকলে সেটি সহ-ই।
সার্বিক পরিস্থিতি বলছে, ট্রাম্প প্রশাসন যুদ্ধবিরতিকে ‘শত্রুতা সমাপ্ত’ হিসেবে দেখিয়ে আইনি সময়সীমা এড়ানোর চেষ্টা করছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আইনি পরিকাঠামোতে তাদের এ অবস্থান টিকবে কি না, সেটি এখনই বলা যাচ্ছে না। কংগ্রেস যদি ট্রাম্প প্রশাসনের এ যুক্তি না মানে, তাহলে ভবিষ্যতে প্রেসিডেন্টের যুদ্ধ পরিচালনার ক্ষমতা নিয়েও সাংবিধানিক সংঘাত তৈরি হতে পারে।

ইরানে ‘স্বল্পমেয়াদি কিন্তু শক্তিশালী’ একগুচ্ছ হামলার পরিকল্পনা তৈরি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। শান্তি আলোচনায় অচলাবস্থা তৈরি এবং হরমুজ প্রণালি আংশিক খুলে দেওয়ার বিষয়ে ইরানের তিন স্তরের শান্তি প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্র প্রত্যাখ্যান করার পর এ হামলার পরিকল্পনাটি সামনে এনেছে সেন্টকম।
১৮ ঘণ্টা আগে
ইরানের সঙ্গে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালিতে একটি নতুন অধ্যায় রচিত হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি।
১৮ ঘণ্টা আগে
গত ২৬ মার্চ ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) তাদের পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় সদর দপ্তরগুলোকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ নদীভিত্তিক ফাঁকফোকরে সরীসৃপ ব্যবহারের সম্ভাব্যতা যাচাই’ করতে নির্দেশ দেয়। এই নতুন উদ্যোগ ভারতেই মানবাধিকারকর্মী ও বন্যপ্রাণ সংরক্ষণবাদীদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
১ দিন আগে
হরমুজ প্রণালি খুলতে যুক্তরাষ্ট্র আরও কিছু দেশকে সঙ্গে নিয়ে একটি আন্তর্জাতিক জোট গঠনের চেষ্টা করছে। এই প্রণালিতে অবাধে নৌ চলাচলের স্বাধীনতা পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই এই জোটের কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র। বার্তা সংস্থা রয়টার্স মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের নথির বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে। বিষয়টি এমন এক সময়ে স
১ দিন আগে