মার্কিন রণতরী যাচ্ছে ইরানের দিকে

ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম
ভূমধ্যসাগরের দিকে যাচ্ছে মার্কিন রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড ফোর্ড। ছবি: সংগৃহীত

বিমানবাহী রণতরী ইরানের দিকে পাঠাতে শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এরই মধ্যে ইউএসএস জেরাল্ড ফোর্ড ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ রওয়ানা দিয়েছে ভূমধ্যসাগরের দিকে।

বুধবার (১৮ জুন) রাতে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এ খবর দিয়েছে। একজন মার্কিন সরকারি কর্মকর্তাসহ অন্তত তিনজন সিএনএনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

খবরে বলা হয়েছে, গত বছরই সিদ্ধান্ত হয়েছিল, ইউএসএস ফোর্ড জুনের শেষ ভাগে ইউরোপীয় কমান্ড থিয়েটারে মোতায়েন করা হবে। তবে সূত্রগুলো বলছে, এখন মার্কিন নৌ বাহিনীর এ রণতরীকে ভূমধ্যসাগরের দিকে ইসরায়েলের কাছে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

সামরিক সূত্রগুলো বলছে, এ ছাড়া বিমানবাহী আরও একটি রণতরী পাঠানো হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যে। সেখানে অবস্থানরত ইউএসএস কার্ল ভিনসনের সঙ্গে এটি যোগ দিতে পারে। অথবা ভিনসেনকে ফেরত পাঠিয়ে সেখানেই মোতায়েন করে রাখা হতে পারে নতুন রণতরী।

এ নিয়ে তিনটি রণতরী ইরানের কাছাকাছি নেওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, যুদ্ধবিমান ও রণতরী নেওয়ার মাধ্যমে ইরানে আক্রমণের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অবশ্য এখনো ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেননি বলেই জানিয়েছেন। বলেছেন, এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সময় লাগতে পারে।

তবে ইরানের আকাশসীমা সম্পূর্ণভাবে নিজেদের দখলে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ট্রাম্প। বলেছেন, ইরানের আকাশ এখন তাদের দখলে। ইরানের বিভিন্ন স্থাপনা ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় ইরান আগামী সপ্তাহ পর্যন্ত সংঘাত অব্যাহত রাখতে পারবে কি না, সে প্রশ্নও তোলেন ট্রাম্প।

ad
ad

বিশ্ব রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

ভেনেজুয়েলার ‘ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট’ ট্রাম্প!

ছবিটি দেখতে অনলাইন বিশ্বকোষ উইকিপিডিয়ার একটি সম্পাদিত বা বিকৃত অংশ বলে মনে হচ্ছে। সেখানে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে রয়েছেন।

১২ ঘণ্টা আগে

ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর সামরিক পদক্ষেপের হুমকি ট্রাম্পের

ট্রাম্প বলেন, পরিস্থিতি যুক্তরাষ্ট্র অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে। আমাদের সামরিক বাহিনীও বিষয়টি নজরে রাখছে। আমরা খুব কঠিন কয়েকটি বিকল্প বিবেচনায় রেখেছি। সময়মতো একটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

১২ ঘণ্টা আগে

ইরানে বিক্ষোভে নিহত ৫০০ ছাড়াল, গ্রেপ্তার ১০ হাজারের বেশি

ইরান সরকার এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিহতের কোনো সংখ্যা প্রকাশ করেনি। তবে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সম্প্রচারিত ফুটেজে তেহরানের বিভিন্ন মর্গে একের পর এক লাশের ব্যাগ পড়ে থাকতে দেখা গেছে। কর্তৃপক্ষ এসব নিহত ব্যক্তিকে ‘সন্ত্রাসী’ হিসেবে অভিহিত করছে। তবে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, তারা স্বাধীন সূত্রে নিহতের এই

১৩ ঘণ্টা আগে

খামেনির দেশত্যাগের গুঞ্জন, যা জানাল ইরানি দূতাবাস

এনডিটিভিকে দেওয়া বক্তব্যে কয়েকজন ইরানি নাগরিক জানান, মূল্যস্ফীতি সত্যিই বড় সমস্যা এবং তারা চান এটি নিয়ন্ত্রণে আসুক। তবে তারা খামেনির বিরোধী নন। তাদের মতে, যারা খামেনির বিরোধিতা করছে তারা মূলত সাবেক শাহ রেজা পাহলভির সমর্থক ও বিদেশি শক্তির সঙ্গে যুক্ত।

১ দিন আগে