
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ভেনেজুয়েলার সীমান্তে কোকেন পাচারকারী গেরিলাদের বিরুদ্ধে ‘যৌথ কার্যক্রম’ গ্রহণে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে একমত হয়েছেন কলম্বিয়ার বামপন্থি প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো। ট্রাম্প ও পেত্রোর মধ্যে টেলিফোনে কথা হলে তখন তারা এ বিষয়ে ঐকমত্য পোষণ করেন।
বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়েছে, কলম্বিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরমান্ডো বেনেদেত্তি বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) এ তথ্য জানিয়েছেন।
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে মার্কিন সামরিক বাহিনী নজিরবিহীন অভিযান চালিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর কলম্বিয়ার বিরুদ্ধেও সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন ট্রাম্প। একসময়কার গেরিলা যোদ্ধা পেত্রো সে হুমকির জবাবে ট্রাম্পকে পালটা চ্যালেঞ্জও জানিয়েছিলেন।
দুই দেশের মধ্যে চলমান এমন উত্তেজনার মধ্যে ট্রাম্প ও পেত্রোর মধ্যে এ ফোনালাপ হয়। আশা করা হচ্ছে, এর মধ্য দিয়ে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা প্রশমন হবে।
ব্লু রেডিওকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কলম্বিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরমান্ডো বেনেদেত্তি বলেন, কলম্বিয়ার অবশিষ্ট বড় সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মির (ইএলএন) বিরুদ্ধে ট্রাম্প ও পেত্রো ‘যৌথ পদক্ষেপ’ নিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছেন।
কলম্বিয়া অভিযোগ করে বলেছে, ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি (ইএলএন) কলম্বিয়ান সেনাদের বিরুদ্ধে হামলা ও অপহরণ চালাচ্ছে এবং সেই হামলার পর ভেনেজুয়েলায় তাদের নিরাপদ স্থানে ফিরে যাচ্ছে, যেখানে তারা নিজেকে নিরাপদ মনে করে।
বেনেদেত্তি বলেন, পেত্রো ট্রাম্পকে ভেনেজুয়েলার সীমান্তে ইএলএ লিবারেশন আর্মির কঠোর আক্রমণে ‘সহায়তা করতে’ অনুরোধ করেছেন।
কলম্বিয়া ও ভেনেজুয়েলার মধ্যে ২২০০ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে, যেখানে বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠী মাদক পাচার, অবৈধ খনিজ খনন ও চোরাচালান থেকে প্রাপ্ত লাভের নিয়ন্ত্রণের জন্য লড়াই করে থাকে।
ট্রাম্প-পেত্রোর এই ‘যৌথ অভিযানে’ সম্মত হওয়ার খবরে এসব বিদ্রোহী গোষ্ঠীতে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। বিলুপ্ত এফএআরসি সশস্ত্র আন্দোলনের অবশিষ্টাংশের নেতা ইভান মর্ডিসকো বলেছেন, ‘আমরা জানি, অতীতে আমাদের মধ্যে মতপার্থক্য ছিল। কিন্তু আজ আমরা ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র উভয়েই অভিন্ন শত্রুর মুখোমুখি।’
অন্যান্য বিদ্রোহী গোষ্ঠীর প্রতি ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে মর্ডিসকো বলেন, প্রতিদ্বন্দ্বী বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোরও উচিত সব ধরনের সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসনের বিরুদ্ধে একসঙ্গে কাজ করা। আসুন, আমরা আমাদের শত্রুদের তাড়িয়ে দেওয়ার জন্য একটি মহান বিদ্রোহী ফ্রন্ট গঠন করি।
এর আগে সাম্প্রতিক সময়ে পেত্রোকে মাদক পাচারকারী হিসেবে আখ্যা দিয়ে আসছিলেন ট্রাম্প। ভেনেজুয়েলায় আক্রমণের পর ট্রাম্পের সুর আরও কঠোর হয়ে ওঠে। পেট্রোও জবাবে বলেছিলেন, গেরিলা যোদ্ধা হয়েও তিনি অস্ত্রত্যাগ করেছেন। দেশের প্রয়োজনে আবার যেকোনো সময় অস্ত্র হাতে তুলে নিতে পারেন তিনি।

ভেনেজুয়েলার সীমান্তে কোকেন পাচারকারী গেরিলাদের বিরুদ্ধে ‘যৌথ কার্যক্রম’ গ্রহণে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে একমত হয়েছেন কলম্বিয়ার বামপন্থি প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো। ট্রাম্প ও পেত্রোর মধ্যে টেলিফোনে কথা হলে তখন তারা এ বিষয়ে ঐকমত্য পোষণ করেন।
বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়েছে, কলম্বিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরমান্ডো বেনেদেত্তি বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) এ তথ্য জানিয়েছেন।
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে মার্কিন সামরিক বাহিনী নজিরবিহীন অভিযান চালিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর কলম্বিয়ার বিরুদ্ধেও সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন ট্রাম্প। একসময়কার গেরিলা যোদ্ধা পেত্রো সে হুমকির জবাবে ট্রাম্পকে পালটা চ্যালেঞ্জও জানিয়েছিলেন।
দুই দেশের মধ্যে চলমান এমন উত্তেজনার মধ্যে ট্রাম্প ও পেত্রোর মধ্যে এ ফোনালাপ হয়। আশা করা হচ্ছে, এর মধ্য দিয়ে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা প্রশমন হবে।
ব্লু রেডিওকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কলম্বিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরমান্ডো বেনেদেত্তি বলেন, কলম্বিয়ার অবশিষ্ট বড় সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মির (ইএলএন) বিরুদ্ধে ট্রাম্প ও পেত্রো ‘যৌথ পদক্ষেপ’ নিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছেন।
কলম্বিয়া অভিযোগ করে বলেছে, ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি (ইএলএন) কলম্বিয়ান সেনাদের বিরুদ্ধে হামলা ও অপহরণ চালাচ্ছে এবং সেই হামলার পর ভেনেজুয়েলায় তাদের নিরাপদ স্থানে ফিরে যাচ্ছে, যেখানে তারা নিজেকে নিরাপদ মনে করে।
বেনেদেত্তি বলেন, পেত্রো ট্রাম্পকে ভেনেজুয়েলার সীমান্তে ইএলএ লিবারেশন আর্মির কঠোর আক্রমণে ‘সহায়তা করতে’ অনুরোধ করেছেন।
কলম্বিয়া ও ভেনেজুয়েলার মধ্যে ২২০০ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে, যেখানে বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠী মাদক পাচার, অবৈধ খনিজ খনন ও চোরাচালান থেকে প্রাপ্ত লাভের নিয়ন্ত্রণের জন্য লড়াই করে থাকে।
ট্রাম্প-পেত্রোর এই ‘যৌথ অভিযানে’ সম্মত হওয়ার খবরে এসব বিদ্রোহী গোষ্ঠীতে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। বিলুপ্ত এফএআরসি সশস্ত্র আন্দোলনের অবশিষ্টাংশের নেতা ইভান মর্ডিসকো বলেছেন, ‘আমরা জানি, অতীতে আমাদের মধ্যে মতপার্থক্য ছিল। কিন্তু আজ আমরা ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র উভয়েই অভিন্ন শত্রুর মুখোমুখি।’
অন্যান্য বিদ্রোহী গোষ্ঠীর প্রতি ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে মর্ডিসকো বলেন, প্রতিদ্বন্দ্বী বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোরও উচিত সব ধরনের সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসনের বিরুদ্ধে একসঙ্গে কাজ করা। আসুন, আমরা আমাদের শত্রুদের তাড়িয়ে দেওয়ার জন্য একটি মহান বিদ্রোহী ফ্রন্ট গঠন করি।
এর আগে সাম্প্রতিক সময়ে পেত্রোকে মাদক পাচারকারী হিসেবে আখ্যা দিয়ে আসছিলেন ট্রাম্প। ভেনেজুয়েলায় আক্রমণের পর ট্রাম্পের সুর আরও কঠোর হয়ে ওঠে। পেট্রোও জবাবে বলেছিলেন, গেরিলা যোদ্ধা হয়েও তিনি অস্ত্রত্যাগ করেছেন। দেশের প্রয়োজনে আবার যেকোনো সময় অস্ত্র হাতে তুলে নিতে পারেন তিনি।

ইরান ও ওমানকে আলাদা করা এই নৌপথ দিয়ে যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) পরিবাহিত হতো। এখন হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান ও ওমানের মধ্যে আলোচনা চলছে। তবে ট্রাম্পের নতুন ক্ষতিপূরণ দাবিতে গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথটি পুনরায় খুলে দেওয়ার প্রচেষ্টা আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।
১৭ ঘণ্টা আগে
কলম্বিয়ার ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা জানিয়েছে, চলতি একবিংশ শতাব্দীতে এটিই কলম্বিয়ায় সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প।
১৯ ঘণ্টা আগে
রিসারালদার প্রধান শহর পেরেইরায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে শহরটিতে ১৮ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। পরে বিভাগের অন্যান্য এলাকায় প্রাণহানির সংখ্যা বাড়তে থাকে। আহতদের চিকিৎসা দিতে গিয়ে পেরেইরার একাধিক হাসপাতালও চাপের মুখে পড়ে।
১ দিন আগে
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পরমাণু চুক্তি ছাড়াই সংঘাত শেষ করে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়াকে যুদ্ধের বিজয় হিসেবে তুলে ধরার পরিকল্পনা নিয়েও ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের সঙ্গে আলোচনা করেছিলেন তিনি। তবে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করার বিনিময়ে
১ দিন আগে