
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ইসরায়েলের কাছে ২৮০ কোটি ডলার মূল্যের একটি বড় অস্ত্রের চালান বিক্রির পরিকল্পনা করছে। প্রস্তাবিত এই প্যাকেজে ২ হাজার পাউন্ড ওজনের ৪০ হাজার বোমা থাকবে, যেগুলো অত্যন্ত ধ্বংসাত্মক ক্ষমতার বলে বিবেচিত।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রয়টার্সের খবরে বলা হয়, এ বিষয়ে অবগত এক মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বড় ধরনের অস্ত্র বিক্রির বিষয়ে মতামত দেওয়ার দায়িত্বে থাকা মার্কিন কংগ্রেসের সংশ্লিষ্ট কমিটিগুলোকে প্রস্তাবিত এই বিক্রির বিষয়ে অনানুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই কর্মকর্তা জানান, প্রস্তাবিত প্যাকেজে ২০ হাজার এমকে-৮৪ এবং ২০ হাজার বিএলইউ-১১৭ বোমা রয়েছে।
রয়টার্স লিখেছে, অস্ত্রের এই প্যাকেজের খবর প্রথম প্রকাশ করে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট। এ বিষয়ে জানতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ও ওয়াশিংটনে ইসরায়েলি দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তারা তাৎক্ষণিকভাবে রয়টার্সের মন্তব্যের অনুরোধে সাড়া দেয়নি।
২০২৩ সালে গাজা যুদ্ধ শুরুর পর ইসরায়েলের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের সমর্থন কমেছে। বিশেষ করে ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে এই পরিবর্তন বেশি দেখা গেছে। জুনে কুইনিপিয়াক বিশ্ববিদ্যালয়ের এক জরিপে দেখা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের ৪৮ শতাংশ ভোটার মনে করেন, ইসরায়েলের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনের মাত্রা প্রয়োজনের তুলনায় বেশি। ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে এ মত পোষণ করেন ৬৬ শতাংশ।
২০১৭ সালে একই প্রশ্ন প্রথমবার করা হলে যুক্তরাষ্ট্রের মোট ভোটারদের মধ্যে মাত্র ১৬ শতাংশ এবং ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে ২০ শতাংশ এমন মত দিয়েছিলেন। অর্থাৎ, সময়ের সঙ্গে ইসরায়েলের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনের মাত্রা নিয়ে অসন্তোষের হার বেড়েছে।
২ হাজার পাউন্ড ওজনের এসব বোমা ইসরায়েল গাজায় নিয়মিত ব্যবহার করেছে। লেবাননেও এসব বোমা ব্যবহার করা হয়েছে। এ কারণে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান নিয়ে মানবাধিকার ও অধিকারবিষয়ক বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে ব্যাপক নজরদারি ও সমালোচনা হয়েছে।
গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের হিসাবে, গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে ৭৩ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। জাতিসংঘের একটি তদন্তে বলা হয়েছে, গাজায় ইসরায়েল গণহত্যা চালিয়েছে। তবে ইসরায়েল এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে।
ইসরায়েল তাদের সামরিক অভিযানকে আত্মরক্ষার পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করে। ২০২৩ সালের অক্টোবরে হামাসের নেতৃত্বে সশস্ত্র যোদ্ধারা ইসরায়েলে হামলা চালিয়ে প্রায় ১ হাজার ২০০ মানুষকে হত্যা এবং ২৫০ জনের বেশি মানুষকে জিম্মি করার পর ইসরায়েল এই সামরিক অভিযান শুরু করে।
এরপর মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত আরও বিস্তৃত হয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা চালায়। জবাবে ইরান ইসরায়েল এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের যেসব দেশে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে, সেসব লক্ষ্যেও হামলা চালায়।
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা এবং লেবাননে ইসরায়েলের হামলায় হাজারো মানুষ নিহত হয়েছেন এবং লাখো লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ইসরায়েলের কাছে ২৮০ কোটি ডলার মূল্যের একটি বড় অস্ত্রের চালান বিক্রির পরিকল্পনা করছে। প্রস্তাবিত এই প্যাকেজে ২ হাজার পাউন্ড ওজনের ৪০ হাজার বোমা থাকবে, যেগুলো অত্যন্ত ধ্বংসাত্মক ক্ষমতার বলে বিবেচিত।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রয়টার্সের খবরে বলা হয়, এ বিষয়ে অবগত এক মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বড় ধরনের অস্ত্র বিক্রির বিষয়ে মতামত দেওয়ার দায়িত্বে থাকা মার্কিন কংগ্রেসের সংশ্লিষ্ট কমিটিগুলোকে প্রস্তাবিত এই বিক্রির বিষয়ে অনানুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই কর্মকর্তা জানান, প্রস্তাবিত প্যাকেজে ২০ হাজার এমকে-৮৪ এবং ২০ হাজার বিএলইউ-১১৭ বোমা রয়েছে।
রয়টার্স লিখেছে, অস্ত্রের এই প্যাকেজের খবর প্রথম প্রকাশ করে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট। এ বিষয়ে জানতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ও ওয়াশিংটনে ইসরায়েলি দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তারা তাৎক্ষণিকভাবে রয়টার্সের মন্তব্যের অনুরোধে সাড়া দেয়নি।
২০২৩ সালে গাজা যুদ্ধ শুরুর পর ইসরায়েলের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের সমর্থন কমেছে। বিশেষ করে ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে এই পরিবর্তন বেশি দেখা গেছে। জুনে কুইনিপিয়াক বিশ্ববিদ্যালয়ের এক জরিপে দেখা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের ৪৮ শতাংশ ভোটার মনে করেন, ইসরায়েলের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনের মাত্রা প্রয়োজনের তুলনায় বেশি। ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে এ মত পোষণ করেন ৬৬ শতাংশ।
২০১৭ সালে একই প্রশ্ন প্রথমবার করা হলে যুক্তরাষ্ট্রের মোট ভোটারদের মধ্যে মাত্র ১৬ শতাংশ এবং ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে ২০ শতাংশ এমন মত দিয়েছিলেন। অর্থাৎ, সময়ের সঙ্গে ইসরায়েলের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনের মাত্রা নিয়ে অসন্তোষের হার বেড়েছে।
২ হাজার পাউন্ড ওজনের এসব বোমা ইসরায়েল গাজায় নিয়মিত ব্যবহার করেছে। লেবাননেও এসব বোমা ব্যবহার করা হয়েছে। এ কারণে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান নিয়ে মানবাধিকার ও অধিকারবিষয়ক বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে ব্যাপক নজরদারি ও সমালোচনা হয়েছে।
গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের হিসাবে, গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে ৭৩ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। জাতিসংঘের একটি তদন্তে বলা হয়েছে, গাজায় ইসরায়েল গণহত্যা চালিয়েছে। তবে ইসরায়েল এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে।
ইসরায়েল তাদের সামরিক অভিযানকে আত্মরক্ষার পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করে। ২০২৩ সালের অক্টোবরে হামাসের নেতৃত্বে সশস্ত্র যোদ্ধারা ইসরায়েলে হামলা চালিয়ে প্রায় ১ হাজার ২০০ মানুষকে হত্যা এবং ২৫০ জনের বেশি মানুষকে জিম্মি করার পর ইসরায়েল এই সামরিক অভিযান শুরু করে।
এরপর মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত আরও বিস্তৃত হয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা চালায়। জবাবে ইরান ইসরায়েল এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের যেসব দেশে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে, সেসব লক্ষ্যেও হামলা চালায়।
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা এবং লেবাননে ইসরায়েলের হামলায় হাজারো মানুষ নিহত হয়েছেন এবং লাখো লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

একই সময়ে মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের বাজারেও চাপ বেড়েছে। মঙ্গলবার ১০ বছর মেয়াদি ট্রেজারি বন্ডের ইয়েল্ড ৫ দশমিক ০৩৮ শতাংশে উঠেছে, যা ২০০৭ সালের পর সর্বোচ্চ। ৩০ বছর মেয়াদি বন্ডের ইয়েল্ডও ৫ দশমিক ৩৯১ শতাংশে পৌঁছেছে। দীর্ঘমেয়াদি সুদহার কমানো বেসেন্টের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক লক্ষ্য হলেও সাম্প্রতিক বাজ
১৭ ঘণ্টা আগে
মহাকাশে অস্ত্র মোতায়েনের কথা প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে স্বীকার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির বিমানবাহিনীর সচিব ট্রয় মেইঙ্ক জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে এখন পৃথিবীর কক্ষপথে মোতায়েন করা ‘স্পেস কন্ট্রোল উইপন’ বা মহাকাশ নিয়ন্ত্রণের অস্ত্র রয়েছে, যা শত্রুপক্ষের হামলা বা বৈরী তৎপরতা থেকে মার্কিন বাহিনীকে রক
১৮ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প প্রশাসনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, অঙ্গরাজ্যগুলোকে ডাকযোগে ভোট দেওয়া ভোটারদের নির্দিষ্ট তথ্য ইউএসপিএসকে দিতে হতো। একই সঙ্গে ব্যালট পাঠানোর ক্ষেত্রে নতুন ধরনের খাম, মার্কিং ও বারকোড ব্যবহারের শর্ত রাখা হয়েছিল। নির্ধারিত নিয়মের সঙ্গে কোনো ব্যালটের তথ্য বা খাম সামঞ্জস্যপূর্ণ না হলে ডাক বিভাগ সেটি গ্র
১৮ ঘণ্টা আগে
সতর্কতা জারির পর বাসিন্দাদের শান্ত থাকার পাশাপাশি অপ্রয়োজনে এক জায়গায় জড়ো না হতে এবং সতর্কতার ঘটনা বা পরিস্থিতির ভিডিও ধারণ না করার পরামর্শ দেওয়া হয়। জরুরি পরিস্থিতিতে ৯১১ নম্বরে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। বিপদ কেটে যাওয়ার কথা জানানো হলেও সতর্কবার্তায় দেওয়া নিরাপত্তা নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে
২১ ঘণ্টা আগে