
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

এশিয়া সফরে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরই মধ্যে মালয়েশিয়া সফর শেষে তিনি হাজির হয়েছেন জাপানে। সেখান থেকে আবার যাবেন দক্ষিণ কোরিয়া, যেখানে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে তার সাক্ষাৎ হওয়ার কথা রয়েছে।
এবার মালয়েশিয়া থেকে জাপানে যাওয়ার পথে এয়ার ফোর্স ওয়ানে ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেছেন, এবারের এশিয়া সফরেই তিনি উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গেও দেখা করতে আগ্রহী। কিমের সঙ্গে তার সম্পর্ক ‘দুর্দান্ত’— জানিয়েছেন এ কথাও।
বিবিসির খবরে বলা হয়, এর আগে নিজের প্রথম মেয়াদে প্রথম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে উত্তর কোরিয়ায় যান ট্রাম্প। সেবার উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যেকার সামরিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ এলাকায় সাক্ষাৎ করেন কিমের সঙ্গে। তার সেই মেয়াদে ২০১৮ সাল থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে তিনবার বৈঠক করেন এই দুই নেতা। এসব বৈঠকে অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা প্রণোদনার বিনিময়ে পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ নিয়ে আলোচনা হলেও তারা কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে পারেননি।
এবার এশিয়া সফরে জাপান থেকে দক্ষিণ কোরিয়ায় যাওয়ার কথা রয়েছে ট্রাম্পের, যেখানে সাক্ষাৎ হবে জিনপিংয়ের সঙ্গে। সোমবার ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, দক্ষিণ কোরিয়ায় তার অবস্থানকালেই তিনি কিমের সঙ্গেও দেখা করতে প্রস্তুত।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘যদি তিনি (কিম) দেখা করতে চান, আমি দক্ষিণ কোরিয়ায় থাকব। তার সঙ্গে আমার ভালো সম্পর্ক রয়েছে। (কিম দেখা করতে চাইলে) আমি সেখানেই থাকতে পারি।’
স্থগিত পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ আলোচনার মধ্যে ওয়াশিংটন কিমকে কী প্রস্তাব দিতে পারে— ট্রাম্পের আগ্রহের কথায় এমন প্রশ্ন তোলেন সাংবাদিকরা। জবাবে অবশ্য বিস্তারিত কিছু জানাননি ট্রাম্প। তিনি যে কেবল কিমের সঙ্গে সাক্ষাৎই করতে চান, সেটিই জোর দিয়ে বলেন।
ট্রাম্পের এ আগ্রহ প্রকাশের আগেই অবশ্য কিমের পক্ষ থেকেও জানা গেছে একই মনোভাবের কথা। কিমও বলেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্টকে নিয়ে তার এখনো ‘ভালো স্মৃতি’ রয়েছে।
তবে উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক অস্ত্র ত্যাগ করা নিয়ে ওয়াশিংটনের যে দাবি রয়েছে, সেটিকে ‘অযৌক্তিক’ বলে অভিহিত করেছেন কিম। তার অভিমত, ওয়াশিংটনের এ দাবি থেকে সরে আসা উচিত।
রোববার (২৬ অক্টোবর) মালয়েশিয়া দিয়ে শুরু হয়েছে ট্রাম্পের এবারের এশিয়া সফর। সে দিনই তার উপস্থিতিতে থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া শান্তিচুক্তিতে সই করেছে। পরে ট্রাম্প যোগ দেন আসিয়ান সামিটে। অংশ নেন নানা দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে, যার মধ্যে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুলা দা সিলভা ছাড়াও চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক হয় তার।
মালয়েশিয়া সফর শেষে সোমবার (২৭ অক্টোবর) স্থানীয় সময় বিকেল ৫টার দিকে জাপানের রাজধানী টোকিওর হানেদা বিমানবন্দরে অবতরণ করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। জাপানের ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হিসেবে তার চতুর্থ এই সফরে সম্রাট নারুহিতো ছাড়াও নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।
জাপান সফর শেষে দক্ষিণ কোরিয়ায় যাবেন ট্রাম্প। মালয়েশিয়া সফরেই চীনের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বাণিজ্য কাঠামো নিয়ে চুক্তির বিষয়গুলো ঠিকঠাক হয়েছে, যা দক্ষিণ কোরিয়ায় চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে সাক্ষাতের পর চূড়ান্ত ও আনুষ্ঠানিক রূপ পাবে।

এশিয়া সফরে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরই মধ্যে মালয়েশিয়া সফর শেষে তিনি হাজির হয়েছেন জাপানে। সেখান থেকে আবার যাবেন দক্ষিণ কোরিয়া, যেখানে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে তার সাক্ষাৎ হওয়ার কথা রয়েছে।
এবার মালয়েশিয়া থেকে জাপানে যাওয়ার পথে এয়ার ফোর্স ওয়ানে ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেছেন, এবারের এশিয়া সফরেই তিনি উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গেও দেখা করতে আগ্রহী। কিমের সঙ্গে তার সম্পর্ক ‘দুর্দান্ত’— জানিয়েছেন এ কথাও।
বিবিসির খবরে বলা হয়, এর আগে নিজের প্রথম মেয়াদে প্রথম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে উত্তর কোরিয়ায় যান ট্রাম্প। সেবার উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যেকার সামরিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ এলাকায় সাক্ষাৎ করেন কিমের সঙ্গে। তার সেই মেয়াদে ২০১৮ সাল থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে তিনবার বৈঠক করেন এই দুই নেতা। এসব বৈঠকে অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা প্রণোদনার বিনিময়ে পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ নিয়ে আলোচনা হলেও তারা কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে পারেননি।
এবার এশিয়া সফরে জাপান থেকে দক্ষিণ কোরিয়ায় যাওয়ার কথা রয়েছে ট্রাম্পের, যেখানে সাক্ষাৎ হবে জিনপিংয়ের সঙ্গে। সোমবার ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, দক্ষিণ কোরিয়ায় তার অবস্থানকালেই তিনি কিমের সঙ্গেও দেখা করতে প্রস্তুত।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘যদি তিনি (কিম) দেখা করতে চান, আমি দক্ষিণ কোরিয়ায় থাকব। তার সঙ্গে আমার ভালো সম্পর্ক রয়েছে। (কিম দেখা করতে চাইলে) আমি সেখানেই থাকতে পারি।’
স্থগিত পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ আলোচনার মধ্যে ওয়াশিংটন কিমকে কী প্রস্তাব দিতে পারে— ট্রাম্পের আগ্রহের কথায় এমন প্রশ্ন তোলেন সাংবাদিকরা। জবাবে অবশ্য বিস্তারিত কিছু জানাননি ট্রাম্প। তিনি যে কেবল কিমের সঙ্গে সাক্ষাৎই করতে চান, সেটিই জোর দিয়ে বলেন।
ট্রাম্পের এ আগ্রহ প্রকাশের আগেই অবশ্য কিমের পক্ষ থেকেও জানা গেছে একই মনোভাবের কথা। কিমও বলেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্টকে নিয়ে তার এখনো ‘ভালো স্মৃতি’ রয়েছে।
তবে উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক অস্ত্র ত্যাগ করা নিয়ে ওয়াশিংটনের যে দাবি রয়েছে, সেটিকে ‘অযৌক্তিক’ বলে অভিহিত করেছেন কিম। তার অভিমত, ওয়াশিংটনের এ দাবি থেকে সরে আসা উচিত।
রোববার (২৬ অক্টোবর) মালয়েশিয়া দিয়ে শুরু হয়েছে ট্রাম্পের এবারের এশিয়া সফর। সে দিনই তার উপস্থিতিতে থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া শান্তিচুক্তিতে সই করেছে। পরে ট্রাম্প যোগ দেন আসিয়ান সামিটে। অংশ নেন নানা দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে, যার মধ্যে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুলা দা সিলভা ছাড়াও চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক হয় তার।
মালয়েশিয়া সফর শেষে সোমবার (২৭ অক্টোবর) স্থানীয় সময় বিকেল ৫টার দিকে জাপানের রাজধানী টোকিওর হানেদা বিমানবন্দরে অবতরণ করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। জাপানের ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হিসেবে তার চতুর্থ এই সফরে সম্রাট নারুহিতো ছাড়াও নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।
জাপান সফর শেষে দক্ষিণ কোরিয়ায় যাবেন ট্রাম্প। মালয়েশিয়া সফরেই চীনের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বাণিজ্য কাঠামো নিয়ে চুক্তির বিষয়গুলো ঠিকঠাক হয়েছে, যা দক্ষিণ কোরিয়ায় চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে সাক্ষাতের পর চূড়ান্ত ও আনুষ্ঠানিক রূপ পাবে।

২০২৪ সালের নভেম্বরের যুদ্ধবিরতি চুক্তির পর থেকেই আলোচনার উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা চলছিল, যেখানে এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের দূতরা উভয় পক্ষের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা পরিচালনা করেছেন।
১৪ ঘণ্টা আগে
ক্রেমলিনের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইউক্রেনও একই পদক্ষেপ নেবে বলে তারা আশা করছে। এতে আরো বলা হয়, প্রতিরক্ষামন্ত্রী আন্দ্রেই বেলোউসভ সেনাবাহিনী প্রধান ভ্যালেরি গেরাসিমভকে ওই সময় সামরিক অভিযান বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। তবে যেকোনো ধরনের লঙ্ঘনের জবাব দিতে রুশ বাহিনী প্রস্তুত থাকবে।
১৫ ঘণ্টা আগে
ছয় সপ্তাহের সংঘাতে ইরানের নিক্ষেপ করা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের বড় অংশের লক্ষ্যই ছিল উপসাগরীয় দেশগুলো। এসব হামলার বেশির ভাগই প্রতিহত করা গেছে বলে দাবি করা হচ্ছে । তবে এরপরও তারা বুঝতে পারছে, এককভাবে প্রতিরক্ষাব্যবস্থার ওপর নির্ভর করা যথেষ্ট নয়।
১৫ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর নজরদারি ড্রোন ‘এমকিউ-৪সি ট্রাইটন’ হরমুজ প্রণালির আকাশসীমায় নিখোঁজ হয়েছে। নিখোঁজ হওয়ার কিছুক্ষণ আগেই ড্রোনটি উড়ন্ত অবস্থায় জরুরি সতর্কবার্তা পাঠিয়েছিল। এটি বিধ্বস্ত হয়েছে নাকি ভূপাতিত করা হয়েছে— এ বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
১৬ ঘণ্টা আগে