
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

এক দশক আগে ভয়াবহ ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত হওয়া জাপানের দক্ষিণাঞ্চলের কুমামোতো প্রিফেকচার আবারও বড় ধরনের দুর্যোগের মুখে পড়েছে। এবার সেখানে আঘাত হেনেছে ৬ দশমিক ৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প। এতে অন্তত ১০০ জন আহত হয়েছেন। ভূমিকম্পের পর একটি শপিং মলে বিস্ফোরণ ঘটলে বহু মানুষ আটকা পড়েছেন। তাদের মধ্যে কয়েকজন নিহত হয়েছেন বলে আশঙ্কা করছে পুলিশ।
দ্য গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) স্থানীয় সময় বিকেলে কিউশু দ্বীপের কুমামোতো প্রিফেকচারে আঘাত হানে ভূমিকম্পটি। এতে হাজারও বাড়িতে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং সড়ক, সেতু ও অসংখ্য ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি বলেছেন, ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ চিত্র এখনো নিরূপণ করা হচ্ছে। বিভিন্ন স্থানে অগ্নিকাণ্ড, বিদ্যুৎ বিভ্রাট, সড়ক ও সেতুর ক্ষয়ক্ষতি এবং ভবন ধসের ঘটনা ঘটেছে। সবাইকে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার আহ্বানও জানান তিনি।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার নির্দেশনায় প্রায় তিন লাখ মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে বলা হয়েছে। জাপান আবহাওয়া সংস্থা জানিয়েছে, অগভীর এই ভূমিকম্পের কারণে অন্তত এক সপ্তাহ এলাকায় আরও শক্তিশালী ভূমিকম্প ও ভূমিধসের ঝুঁকি থাকবে। এখন পর্যন্ত ১ থেকে ৪ মাত্রার ৬০টিরও বেশি আফটারশক অনুভূত হয়েছে।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্যমতে, একটি বাড়ি ধসে অন্তত একজন নিহত হয়েছেন। দুটি হাসপাতালে ৫০ জনের বেশি করে আহতকে ভর্তি করা হয়েছে, যাদের মধ্যে অন্তত ১০ জনের অবস্থা গুরুতর। আহতদের অনেকেই ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে হাড় ভাঙা ও দগ্ধ হয়েছেন।
হাসপাতালগুলোর ভেতরেও পানি চুইয়ে পড়া এবং বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা বিকল হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ভূমিকম্পের সময় একটি দ্রুতগতির ট্রেনে থাকা কয়েকজন যাত্রী আহত হয়েছেন। এ ছাড়া নিপ্পন পেপার ইন্ডাস্ট্রিজের একটি কারখানায় চিমনি ধসে কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছেন।
ভূমিকম্পের কিছুক্ষণ পর কুমামোতোর একটি এইয়ন শপিং মলে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে বহু মানুষ আটকা পড়েন। পুলিশ জানিয়েছে, কয়েকজনের মৃত্যুর আশঙ্কা রয়েছে। পরে স্থানীয় কর্মকর্তারা জানান, অন্তত ১০ জনের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। এর আগে ২০ থেকে ৩০ জন কর্মচারীর সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার কথা জানিয়েছিল পুলিশ।
এইয়ন কর্তৃপক্ষ বলেছে, প্রথম ভূমিকম্পের পরই ক্রেতা ও কর্মীদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। বিস্ফোরণের কারণ নিশ্চিত না হলেও গ্যাস লিকের তথ্য পাওয়া গেছে। টেলিভিশনের ফুটেজে দেখা গেছে, প্রায় ২০০ দোকানবিশিষ্ট শপিং মলটির একাংশ ধসে পড়ে ইস্পাতের কাঠামো উন্মুক্ত হয়ে গেছে এবং চারপাশে ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে রয়েছে। উদ্ধারকর্মীরা রাতভর জীবিতদের খোঁজে অভিযান চালাচ্ছেন।
ভূমিকম্পে মহাসড়কে বড় ফাটল, ভবন ধস ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বিশ্বের বৃহত্তম চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টিএসএমসি, সনি ও ফুজিফিল্ম তাদের কারখানা থেকে কর্মীদের সরিয়ে নিয়েছে। প্রায় ৪৮ হাজার বাড়িতে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়েছে। কিউশুর বুলেট ট্রেনসহ রেল চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে এবং কুমামোতো বিমানবন্দরের রানওয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ভূমিকম্পের পর মোবাইল নেটওয়ার্কেও বিঘ্ন ঘটেছে। তবে আশপাশের কোনো পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে অস্বাভাবিকতা পাওয়া যায়নি।
ক্ষয়ক্ষতি মূল্যায়নে তিন হাজার ৬০০ সেনাসদস্য ও ২০টি বিমান উদ্ধার ও মোতায়েন করেছে জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’-এ অবস্থিত জাপান বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ। ২০১১ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্প ও সুনামির স্মৃতি এখনো দেশটির মানুষের মনে তাজা, আর ১০ বছর আগে কুমামোতোর ভূমিকম্পে ২৭৫ জন প্রাণ হারিয়েছিলেন।

এক দশক আগে ভয়াবহ ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত হওয়া জাপানের দক্ষিণাঞ্চলের কুমামোতো প্রিফেকচার আবারও বড় ধরনের দুর্যোগের মুখে পড়েছে। এবার সেখানে আঘাত হেনেছে ৬ দশমিক ৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প। এতে অন্তত ১০০ জন আহত হয়েছেন। ভূমিকম্পের পর একটি শপিং মলে বিস্ফোরণ ঘটলে বহু মানুষ আটকা পড়েছেন। তাদের মধ্যে কয়েকজন নিহত হয়েছেন বলে আশঙ্কা করছে পুলিশ।
দ্য গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) স্থানীয় সময় বিকেলে কিউশু দ্বীপের কুমামোতো প্রিফেকচারে আঘাত হানে ভূমিকম্পটি। এতে হাজারও বাড়িতে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং সড়ক, সেতু ও অসংখ্য ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি বলেছেন, ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ চিত্র এখনো নিরূপণ করা হচ্ছে। বিভিন্ন স্থানে অগ্নিকাণ্ড, বিদ্যুৎ বিভ্রাট, সড়ক ও সেতুর ক্ষয়ক্ষতি এবং ভবন ধসের ঘটনা ঘটেছে। সবাইকে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার আহ্বানও জানান তিনি।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার নির্দেশনায় প্রায় তিন লাখ মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে বলা হয়েছে। জাপান আবহাওয়া সংস্থা জানিয়েছে, অগভীর এই ভূমিকম্পের কারণে অন্তত এক সপ্তাহ এলাকায় আরও শক্তিশালী ভূমিকম্প ও ভূমিধসের ঝুঁকি থাকবে। এখন পর্যন্ত ১ থেকে ৪ মাত্রার ৬০টিরও বেশি আফটারশক অনুভূত হয়েছে।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্যমতে, একটি বাড়ি ধসে অন্তত একজন নিহত হয়েছেন। দুটি হাসপাতালে ৫০ জনের বেশি করে আহতকে ভর্তি করা হয়েছে, যাদের মধ্যে অন্তত ১০ জনের অবস্থা গুরুতর। আহতদের অনেকেই ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে হাড় ভাঙা ও দগ্ধ হয়েছেন।
হাসপাতালগুলোর ভেতরেও পানি চুইয়ে পড়া এবং বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা বিকল হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ভূমিকম্পের সময় একটি দ্রুতগতির ট্রেনে থাকা কয়েকজন যাত্রী আহত হয়েছেন। এ ছাড়া নিপ্পন পেপার ইন্ডাস্ট্রিজের একটি কারখানায় চিমনি ধসে কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছেন।
ভূমিকম্পের কিছুক্ষণ পর কুমামোতোর একটি এইয়ন শপিং মলে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে বহু মানুষ আটকা পড়েন। পুলিশ জানিয়েছে, কয়েকজনের মৃত্যুর আশঙ্কা রয়েছে। পরে স্থানীয় কর্মকর্তারা জানান, অন্তত ১০ জনের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। এর আগে ২০ থেকে ৩০ জন কর্মচারীর সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার কথা জানিয়েছিল পুলিশ।
এইয়ন কর্তৃপক্ষ বলেছে, প্রথম ভূমিকম্পের পরই ক্রেতা ও কর্মীদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। বিস্ফোরণের কারণ নিশ্চিত না হলেও গ্যাস লিকের তথ্য পাওয়া গেছে। টেলিভিশনের ফুটেজে দেখা গেছে, প্রায় ২০০ দোকানবিশিষ্ট শপিং মলটির একাংশ ধসে পড়ে ইস্পাতের কাঠামো উন্মুক্ত হয়ে গেছে এবং চারপাশে ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে রয়েছে। উদ্ধারকর্মীরা রাতভর জীবিতদের খোঁজে অভিযান চালাচ্ছেন।
ভূমিকম্পে মহাসড়কে বড় ফাটল, ভবন ধস ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বিশ্বের বৃহত্তম চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টিএসএমসি, সনি ও ফুজিফিল্ম তাদের কারখানা থেকে কর্মীদের সরিয়ে নিয়েছে। প্রায় ৪৮ হাজার বাড়িতে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়েছে। কিউশুর বুলেট ট্রেনসহ রেল চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে এবং কুমামোতো বিমানবন্দরের রানওয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ভূমিকম্পের পর মোবাইল নেটওয়ার্কেও বিঘ্ন ঘটেছে। তবে আশপাশের কোনো পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে অস্বাভাবিকতা পাওয়া যায়নি।
ক্ষয়ক্ষতি মূল্যায়নে তিন হাজার ৬০০ সেনাসদস্য ও ২০টি বিমান উদ্ধার ও মোতায়েন করেছে জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’-এ অবস্থিত জাপান বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ। ২০১১ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্প ও সুনামির স্মৃতি এখনো দেশটির মানুষের মনে তাজা, আর ১০ বছর আগে কুমামোতোর ভূমিকম্পে ২৭৫ জন প্রাণ হারিয়েছিলেন।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানাচ্ছে, মঙ্গলবারের এই ভূমিকম্পের পর কুমামোতো, নাগাসাকি, কাগোশিমা, ফুকুওকা, সাগা, ওইতা ও মিয়াজাকি অঞ্চলের বাসিন্দাদের জন্য জরুরি সতর্কতা জারি করে জাপান সরকার।
১৪ ঘণ্টা আগে
প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে চলা নিয়মিত মার্কিন বিমান হামলা এবং পালটাপালটি আক্রমণ বন্ধ হওয়ার মধ্য দিয়ে একটি যুদ্ধবিরতীর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
মেক্সিকো সিটির নিরাপত্তা বিষয়ক সচিবালয় ঘটনাটিকে একটি ‘সরাসরি লক্ষ্যভিত্তিক হামলা’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গুলিতে ৪২ বছর বয়সি এক ব্যক্তি প্রাণ হারিয়েছেন এবং আহত অপর দুই ব্যক্তির বয়সই ৩৯ বছর। হামলা চালিয়ে সন্দেহভাজন ব্যক্তি মোটরসাইকেলে করে পালিয়ে যান।
১৯ ঘণ্টা আগে
গ্যাসক্ষেত্রে হামলার প্রায় একই সময়ে সুলাইমানিয়া থেকে ২০০ কিলোমিটার দূরে কুর্দিস্তানের রাজধানী এরবিলেও পরপর বেশ কয়েকটি বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে বিস্ফোরণের তীব্রতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী,
১৯ ঘণ্টা আগে