হুতি হামলায় সৌদি আরামকোর প্রধান ভবনে আগুন

ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদ ও পূর্বাঞ্চলীয় তেল স্থাপনা ধাহরানে হুতিদের ভয়াবহ হামলায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তীব্র উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। রিয়াদে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে চারজন আহত ও অন্তত ১৫টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি পূর্বাঞ্চলে রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি ‘সৌদি আরামকো’র একটি প্রাশাসনিক ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যার এই হামলার পর পুরো মধ্যপ্রাচ্যে এক নতুন সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

আজ বুধবার (১৪ অক্টোবর) সৌদি সরকারের বরাত দিয়ে বার্তাসংস্থা এএফপি এ তথ্য জানানো হয়।

সৌদি কর্তৃপক্ষ জানায়, আরামকোর ভবনটিতে আগুন লাগলেও কেউ হতাহত হননি। রিয়াদে আহতদের মধ্যে দুই নারী, এক পুরুষ ও এক শিশু রয়েছেন।

এর আগে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট ইয়েমেনের সানা, ধামার ও সা'দা প্রদেশের বিভিন্ন তেল স্থাপনায় হামলা চালায়। জোটের দাবি, এসব স্থাপনা ব্যবহার করে হুতিরা সৌদি আরব ও গুরুত্বপূর্ণ নৌপথের জন্য হুমকি তৈরি করছিল।

শনিবার রিয়াদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুতি হামলায় ১৮ জন নিহত হন। এরপর বিমানবন্দরের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। সৌদি আরবের বিমানবন্দর ও জ্বালানি স্থাপনায় সাম্প্রতিক হামলার পর সানার বাসিন্দাদের এলাকা ছাড়ার নির্দেশও দেয় সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট।

এদিকে হুতিরা হুঁশিয়ারি দিয়েছে, সৌদি জোট ইয়েমেনে হামলা চালালে তারা রিয়াদের বিমানবন্দর, একটি তেল শোধনাগার এবং দাম্মামে আরামকোর একটি স্থাপনায় হামলা চালাবে। জবাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুতিদের বিরুদ্ধে সৌদি হামলায় যোগ দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনার কথা জানিয়েছেন। হুতিরা বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র হস্তক্ষেপ করলে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন স্বার্থকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে।

এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়, সংঘাতের প্রভাব সৌদি আরবের অর্থনীতিতেও পড়ছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) পূর্বাভাস, চলতি বছর দেশটির জিডিপি ৩ দশমিক ৩ শতাংশ কমতে পারে। অন্যদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, ইয়েমেনে তিন সপ্তাহে সন্দেহভাজন কলেরার রোগীর সংখ্যা তিন গুণ হয়েছে।

Ad
ad
Ad 300x250

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

Ad 300x250
ad
Advertisement