
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক সামরিক আগ্রাসনের জবাবে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে তীব্র প্রতিশোধমূলক হামলা শুরু করেছে ইরান। তেহরানের দাবি, গত ২৪ ঘণ্টায় তাদের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বাহরাইন ও আলধাফরা বিমান ঘাঁটিতে অন্তত ২২০ জন মার্কিন সেনা ও কমান্ডার হতাহত হয়েছেন।
শনিবার (৭ মার্চ) ইরানের ‘খাতাম আল-আম্বিয়া’ সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্সের মুখপাত্র লেফট্যানেন্ট কর্নেল ইব্রাহিম জোলফাগারি এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মুখপাত্র দাবি করেছেন, এই হামলায় ওই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক সম্পদেরও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল ইব্রাহিম জোলফাগারি জানান, বাহরাইনে মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরে ইরানি হামলায় ২১ জন মার্কিন সেনা নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, আল ধাফরা বিমান ঘাঁটিতে মার্কিন সামরিক অবস্থানে চালানো অন্য এক হামলায় প্রায় ২০০ জন মার্কিন সদস্য হতাহত হয়েছেন। এছাড়া পারস্য উপসাগরের উত্তরাঞ্চলে মার্কিন মালিকানাধীন একটি তেলবাহী ট্যাংকারেও ইরানি বাহিনী হামলা চালিয়েছে বলে তিনি নিশ্চিত করেন।
প্রেস টিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ওপর নতুন করে অবৈধ সামরিক আগ্রাসন চালায়। এর প্রায় ৮ মাস আগে তারা ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় বিনা উসকানিতে হামলা চালিয়েছিল।
সাম্প্রতিক ওই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সৈয়দ আলী খামেনিসহ শত শত বেসামরিক নাগরিক (নারী ও শিশুসহ) এবং বেশ কয়েকজন সামরিক কমান্ডার শহীদ হন। এই ঘটনার পরপরই ইরান দ্রুত পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে ইসরায়েল অধিকৃত অঞ্চল এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা শুরু করে।
ইরানি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তাদের লক্ষ্যবস্তু শুধুমাত্র মার্কিন ও ইসরায়েলি সম্পদ এবং স্বার্থ। আঞ্চলিক দেশগুলোর সঙ্গে ইরানের কোনো শত্রুতা নেই এবং তারা প্রতিবেশী দেশগুলোর সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক সামরিক আগ্রাসনের জবাবে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে তীব্র প্রতিশোধমূলক হামলা শুরু করেছে ইরান। তেহরানের দাবি, গত ২৪ ঘণ্টায় তাদের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বাহরাইন ও আলধাফরা বিমান ঘাঁটিতে অন্তত ২২০ জন মার্কিন সেনা ও কমান্ডার হতাহত হয়েছেন।
শনিবার (৭ মার্চ) ইরানের ‘খাতাম আল-আম্বিয়া’ সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্সের মুখপাত্র লেফট্যানেন্ট কর্নেল ইব্রাহিম জোলফাগারি এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মুখপাত্র দাবি করেছেন, এই হামলায় ওই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক সম্পদেরও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল ইব্রাহিম জোলফাগারি জানান, বাহরাইনে মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরে ইরানি হামলায় ২১ জন মার্কিন সেনা নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, আল ধাফরা বিমান ঘাঁটিতে মার্কিন সামরিক অবস্থানে চালানো অন্য এক হামলায় প্রায় ২০০ জন মার্কিন সদস্য হতাহত হয়েছেন। এছাড়া পারস্য উপসাগরের উত্তরাঞ্চলে মার্কিন মালিকানাধীন একটি তেলবাহী ট্যাংকারেও ইরানি বাহিনী হামলা চালিয়েছে বলে তিনি নিশ্চিত করেন।
প্রেস টিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ওপর নতুন করে অবৈধ সামরিক আগ্রাসন চালায়। এর প্রায় ৮ মাস আগে তারা ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় বিনা উসকানিতে হামলা চালিয়েছিল।
সাম্প্রতিক ওই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সৈয়দ আলী খামেনিসহ শত শত বেসামরিক নাগরিক (নারী ও শিশুসহ) এবং বেশ কয়েকজন সামরিক কমান্ডার শহীদ হন। এই ঘটনার পরপরই ইরান দ্রুত পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে ইসরায়েল অধিকৃত অঞ্চল এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা শুরু করে।
ইরানি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তাদের লক্ষ্যবস্তু শুধুমাত্র মার্কিন ও ইসরায়েলি সম্পদ এবং স্বার্থ। আঞ্চলিক দেশগুলোর সঙ্গে ইরানের কোনো শত্রুতা নেই এবং তারা প্রতিবেশী দেশগুলোর সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।

সার্বিক চিত্র বলছে, এক সপ্তাহ পেরিয়ে গিয়ে ইরান যুদ্ধের সূত্র ধরে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি দ্রুত জটিল হয়ে উঠেছে। ফলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও একের পর এক নতুন ঝুঁকি ও চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছেন। বিশ্লেষকরা বলছেন, এ অবস্থায় শেষ পর্যন্ত ইরানে সামরিক সাফল্য অর্জন করা গেলেও তাকে স্পষ্ট কোনো ভূরাজনৈ
৪ ঘণ্টা আগে
শুক্রবার আইআরজিসি এ হামলা চালানোর কথা জানিয়েছে। ইরানের এ বাহিনী বলছে, হরমুজ প্রণালির কিশ দ্বীপে পানি শোধনাগারে মার্কিন হামলার প্রতিক্রিয়ায় তারা এই আক্রমণ চালিয়েছে।
১৩ ঘণ্টা আগে
জর্ডানের বিমান বাহিনী ১০৮টি ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন আটকাতে ও ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে বলেও জানানো হয়।
১৫ ঘণ্টা আগে
শুক্রবার ইরানের পরিস্থিতি নিয়ে দেওয়া বক্তব্যে ট্রাম্প বলেন, আমেরিকা ইরানে ‘খুব ভালো’ করছে- ‘এটা অসাধারণ হয়েছে’।
১৫ ঘণ্টা আগে