
বিবিসি বাংলা

ইরান যুদ্ধ নিয়ে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ ভাষণের ঘোষণা আসার পর থেকেই তার বক্তব্য নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা ছিল। তবে শেষ পর্যন্ত ট্রাম্প ভাষণে যা কিছু বলেছেন, তা মূলত তার গত কয়েকদিনের বক্তব্যেরই পুনরাবৃত্তি বলে জানাচ্ছেন বিশ্লেষকরা।
হোয়াইট হাউজ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় বুধবার (১ এপ্রিল) সন্ধ্যায় ট্রাম্প এ ভাষণ দেন। ২০ মিনিটের ভাষণে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের ‘মূল কৌশলগত লক্ষ্যগুলো’ এক মাসের যুদ্ধের পর ‘সম্পন্ন হওয়ার পথে’ এবং এটি আর দুই থেকে তিন সপ্তাহ চলবে বলে তিনি অনুমান করেন।
ভাষণে ইরানের বিরুদ্ধে আগের মতোই হুমকি ছিল, যার মধ্যে দেশটিকে ‘বোমা মেরে পাথর যুগে ফেরত পাঠানো’র অঙ্গীকারের পুনরাবৃত্তিও ছিল। বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, গত এক সপ্তাহে ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্পের পোস্টগুলো থেকে যদি কেউ অংশবিশেষ কপি-পেস্ট করতেন, তাহলেও জাতির উদ্দেশে দেওয়া এই ভাষণ থেকে খুব বেশি আলাদা লাগত না।
ট্রাম্প অবশ্য আমেরিকানদের এই যুদ্ধের প্রয়োজনীয়তা বোঝানোর চেষ্টা করেছেন। এর যথেষ্ট কারণও রয়েছে। কারণ জরিপগুলো ইঙ্গিত দিচ্ছে— ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু করা এই সামরিক অভিযানে ভোটারদের সিংহ ভাগই সমর্থন দিচ্ছেন না।
আমেরিকানদের উদ্দেশে ট্রাম্প বলেন, এই যুদ্ধকে তারা যেন তাদের ভবিষ্যতের এক ধরনের ‘বিনিয়োগ’ হিসেবে দেখেন। তিনি আরও ইঙ্গিত দেন, গত শতাব্দী বা তারও বেশি সময়ে যুক্তরাষ্ট্র যে সব সংঘাতে অনেক দীর্ঘ সময় জড়িয়ে পড়েছে, তার তুলনায় এই যুদ্ধ খুবই ক্ষুদ্র ব্যাপার।
কিন্তু এই সংঘাত কোন দিকে যাচ্ছে বা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সম্ভাব্য বেরিয়ে আসার পথ কী হতে পারে— এ প্রশ্নগুলোর পরিষ্কার উত্তর খুঁজছিলেন যারা, তাদের জন্য ভাষণে খুব সামান্য বার্তাই ছিল। সুস্পষ্ট কিছু বিষয়ই থেকে গেছে উত্তরহীন।
প্রথমত, ইসরায়েল এখনো ইরানকে আক্রমণ করছে এবং বিপরীতে ইরানের দিক থেকেও ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শিকার হচ্ছে। একটি বড় প্রশ্ন হলো— প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকার কি ট্রাম্প উল্লেখিত আরও কয়েক সপ্তাহের সময়সীমার সঙ্গে একমত? এ মুহূর্তে সে বিষয়ে আমাদের কোনো ধারণা নেই।
দ্বিতীয়ত, মাত্র কয়েক দিন আগেই হোয়াইট হাউজ যে ১৫ দফা শান্তি প্রস্তাব নিয়েছিল এবং ইরানকে তা গ্রহণ করার আহ্বান জানিয়েছিল, তার কী হলো? বুধবার রাতের ভাষণে এর কোনো উল্লেখই করেননি ট্রাম্প।
এ ছাড়া ওয়াশিংটন কি এখন সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত ফেরত পাওয়াসহ বহু দাবিই বাদ দিচ্ছে? এটিও পরিষ্কার নয়।
এদিকে যুদ্ধের জের ধরে হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে রেখেছে ইরান। এই প্রণালি দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল পরিবাহিত হয়। ফলে এ প্রণালি বন্ধ থাকায় বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। ইরান যুদ্ধের অন্যতম কেন্দ্রীয় ইস্যুতে পরিণত হয়েছে এই প্রণালি।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এ বিষয়ে সুস্পষ্ট কোনো অবস্থান নিয়েছেন বলে মনে হয় না। একদিকে তিনি ইরানকে ট্যাংকার চলাচলে অনুমতি দিতে চাপ দিচ্ছেন, অন্যদিকে তিনি মিত্রদেশগুলোকে বলছেন নিজেদের ব্যবস্থায় বিষয়টি সমাধান করতে।
বুধবার এসব দেশের উদ্দেশে ট্রাম্প বলেন, ‘(হরমুজ) প্রণালিতে যান, সেখানে অবস্থান নিন, রক্ষা করুন, নিজেদের কাজে লাগান। কঠিন কাজটা হয়ে গেছে, তাই এটি সহজ হওয়ার কথা।’ তিনি আরও বলেন, দেরিতে হলেও ‘সাহস সঞ্চয় করে’ ইউরোপের দেশগুলোর এ কাজ করা উচিত।
বুধবারের এক সাক্ষাৎকারে সামরিক জোট ন্যাটো থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে সরিয়ে নেওয়ার হুমকি আবারও উল্লেখ করার পর ট্রাম্প এসব কথা বলেন। পরে আর বিস্তারিত কিছু না উল্লেখ করে তিনি বলেন, যুদ্ধ শেষ হলে প্রণালি ‘স্বাভাবিকভাবে’ই খুলে যাবে। এ বক্তব্য তেলের দামে উদ্বিগ্নদের আশ্বস্ত করার সম্ভাবনা কম।
বুধবার রাতের ভাষণে এ ধরনের বক্তব্যের কোনো উল্লেখই আর করেননি ট্রাম্প, যদিও আগের ব্রিফিংগুলো ইঙ্গিত দিচ্ছিল যে এটি হবে তার বক্তব্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
আরেকটি বড় অমীমাংসিত প্রশ্ন হলো স্থলবাহিনী নিয়ে। একের পর এক হাজার হাজার মেরিন ও প্যারাট্রুপারকে মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন করা হচ্ছে। প্রশ্ন উঠেছে— তারা আসলে সেখানে ঠিক কী করতে যাচ্ছেন?
মধ্যপ্রাচ্যে আরও বেশি সেনা মোতায়েন বা স্থল অভিযান নিয়ে ট্রাম্প তার ভাষণে অবস্থান স্পষ্ট করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছিল। কিন্তু ভাষণে এসব বিষয়ে তিনি কিছুই বলেননি।
এ ছাড়া ভাষণের পরও ট্রাম্প এ যুদ্ধে ঠিক কোন বিষয়টিকে বিজয় হিসেবে দেখছেন, সে বিষয়টিও স্পষ্ট হয়নি। এর আগে ট্রাম্প বরাবরই নিয়মিত বিরতিতে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য দিয়ে থাকেন। ফলে তার এ ভাষণের বক্তব্যও কতটা স্থির অবস্থান তুলে ধরে, তা নিয়ে সন্দিহান বিশ্লেষকরা।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রে পেট্রলের গড় দাম প্রায় চার বছরে প্রথমবারের মতো চার ডলার অতিক্রম করেছে। কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নির্ধারণকারী মধ্যবর্তী নির্বাচনও মাত্র কয়েক মাস দূরে। এমন সময়ে এসে ট্রাম্পের অনুমোদন রেটিং খুব দ্রুতই নিচের দিকে নামছে। চলমান পরিস্থিতিতে ট্রাম্প ইরান যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছেন এবং সেই পথের খোঁজে ঘুরপাক খাচ্ছেন।

ইরান যুদ্ধ নিয়ে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ ভাষণের ঘোষণা আসার পর থেকেই তার বক্তব্য নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা ছিল। তবে শেষ পর্যন্ত ট্রাম্প ভাষণে যা কিছু বলেছেন, তা মূলত তার গত কয়েকদিনের বক্তব্যেরই পুনরাবৃত্তি বলে জানাচ্ছেন বিশ্লেষকরা।
হোয়াইট হাউজ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় বুধবার (১ এপ্রিল) সন্ধ্যায় ট্রাম্প এ ভাষণ দেন। ২০ মিনিটের ভাষণে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের ‘মূল কৌশলগত লক্ষ্যগুলো’ এক মাসের যুদ্ধের পর ‘সম্পন্ন হওয়ার পথে’ এবং এটি আর দুই থেকে তিন সপ্তাহ চলবে বলে তিনি অনুমান করেন।
ভাষণে ইরানের বিরুদ্ধে আগের মতোই হুমকি ছিল, যার মধ্যে দেশটিকে ‘বোমা মেরে পাথর যুগে ফেরত পাঠানো’র অঙ্গীকারের পুনরাবৃত্তিও ছিল। বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, গত এক সপ্তাহে ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্পের পোস্টগুলো থেকে যদি কেউ অংশবিশেষ কপি-পেস্ট করতেন, তাহলেও জাতির উদ্দেশে দেওয়া এই ভাষণ থেকে খুব বেশি আলাদা লাগত না।
ট্রাম্প অবশ্য আমেরিকানদের এই যুদ্ধের প্রয়োজনীয়তা বোঝানোর চেষ্টা করেছেন। এর যথেষ্ট কারণও রয়েছে। কারণ জরিপগুলো ইঙ্গিত দিচ্ছে— ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু করা এই সামরিক অভিযানে ভোটারদের সিংহ ভাগই সমর্থন দিচ্ছেন না।
আমেরিকানদের উদ্দেশে ট্রাম্প বলেন, এই যুদ্ধকে তারা যেন তাদের ভবিষ্যতের এক ধরনের ‘বিনিয়োগ’ হিসেবে দেখেন। তিনি আরও ইঙ্গিত দেন, গত শতাব্দী বা তারও বেশি সময়ে যুক্তরাষ্ট্র যে সব সংঘাতে অনেক দীর্ঘ সময় জড়িয়ে পড়েছে, তার তুলনায় এই যুদ্ধ খুবই ক্ষুদ্র ব্যাপার।
কিন্তু এই সংঘাত কোন দিকে যাচ্ছে বা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সম্ভাব্য বেরিয়ে আসার পথ কী হতে পারে— এ প্রশ্নগুলোর পরিষ্কার উত্তর খুঁজছিলেন যারা, তাদের জন্য ভাষণে খুব সামান্য বার্তাই ছিল। সুস্পষ্ট কিছু বিষয়ই থেকে গেছে উত্তরহীন।
প্রথমত, ইসরায়েল এখনো ইরানকে আক্রমণ করছে এবং বিপরীতে ইরানের দিক থেকেও ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শিকার হচ্ছে। একটি বড় প্রশ্ন হলো— প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকার কি ট্রাম্প উল্লেখিত আরও কয়েক সপ্তাহের সময়সীমার সঙ্গে একমত? এ মুহূর্তে সে বিষয়ে আমাদের কোনো ধারণা নেই।
দ্বিতীয়ত, মাত্র কয়েক দিন আগেই হোয়াইট হাউজ যে ১৫ দফা শান্তি প্রস্তাব নিয়েছিল এবং ইরানকে তা গ্রহণ করার আহ্বান জানিয়েছিল, তার কী হলো? বুধবার রাতের ভাষণে এর কোনো উল্লেখই করেননি ট্রাম্প।
এ ছাড়া ওয়াশিংটন কি এখন সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত ফেরত পাওয়াসহ বহু দাবিই বাদ দিচ্ছে? এটিও পরিষ্কার নয়।
এদিকে যুদ্ধের জের ধরে হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে রেখেছে ইরান। এই প্রণালি দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল পরিবাহিত হয়। ফলে এ প্রণালি বন্ধ থাকায় বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। ইরান যুদ্ধের অন্যতম কেন্দ্রীয় ইস্যুতে পরিণত হয়েছে এই প্রণালি।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এ বিষয়ে সুস্পষ্ট কোনো অবস্থান নিয়েছেন বলে মনে হয় না। একদিকে তিনি ইরানকে ট্যাংকার চলাচলে অনুমতি দিতে চাপ দিচ্ছেন, অন্যদিকে তিনি মিত্রদেশগুলোকে বলছেন নিজেদের ব্যবস্থায় বিষয়টি সমাধান করতে।
বুধবার এসব দেশের উদ্দেশে ট্রাম্প বলেন, ‘(হরমুজ) প্রণালিতে যান, সেখানে অবস্থান নিন, রক্ষা করুন, নিজেদের কাজে লাগান। কঠিন কাজটা হয়ে গেছে, তাই এটি সহজ হওয়ার কথা।’ তিনি আরও বলেন, দেরিতে হলেও ‘সাহস সঞ্চয় করে’ ইউরোপের দেশগুলোর এ কাজ করা উচিত।
বুধবারের এক সাক্ষাৎকারে সামরিক জোট ন্যাটো থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে সরিয়ে নেওয়ার হুমকি আবারও উল্লেখ করার পর ট্রাম্প এসব কথা বলেন। পরে আর বিস্তারিত কিছু না উল্লেখ করে তিনি বলেন, যুদ্ধ শেষ হলে প্রণালি ‘স্বাভাবিকভাবে’ই খুলে যাবে। এ বক্তব্য তেলের দামে উদ্বিগ্নদের আশ্বস্ত করার সম্ভাবনা কম।
বুধবার রাতের ভাষণে এ ধরনের বক্তব্যের কোনো উল্লেখই আর করেননি ট্রাম্প, যদিও আগের ব্রিফিংগুলো ইঙ্গিত দিচ্ছিল যে এটি হবে তার বক্তব্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
আরেকটি বড় অমীমাংসিত প্রশ্ন হলো স্থলবাহিনী নিয়ে। একের পর এক হাজার হাজার মেরিন ও প্যারাট্রুপারকে মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন করা হচ্ছে। প্রশ্ন উঠেছে— তারা আসলে সেখানে ঠিক কী করতে যাচ্ছেন?
মধ্যপ্রাচ্যে আরও বেশি সেনা মোতায়েন বা স্থল অভিযান নিয়ে ট্রাম্প তার ভাষণে অবস্থান স্পষ্ট করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছিল। কিন্তু ভাষণে এসব বিষয়ে তিনি কিছুই বলেননি।
এ ছাড়া ভাষণের পরও ট্রাম্প এ যুদ্ধে ঠিক কোন বিষয়টিকে বিজয় হিসেবে দেখছেন, সে বিষয়টিও স্পষ্ট হয়নি। এর আগে ট্রাম্প বরাবরই নিয়মিত বিরতিতে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য দিয়ে থাকেন। ফলে তার এ ভাষণের বক্তব্যও কতটা স্থির অবস্থান তুলে ধরে, তা নিয়ে সন্দিহান বিশ্লেষকরা।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রে পেট্রলের গড় দাম প্রায় চার বছরে প্রথমবারের মতো চার ডলার অতিক্রম করেছে। কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নির্ধারণকারী মধ্যবর্তী নির্বাচনও মাত্র কয়েক মাস দূরে। এমন সময়ে এসে ট্রাম্পের অনুমোদন রেটিং খুব দ্রুতই নিচের দিকে নামছে। চলমান পরিস্থিতিতে ট্রাম্প ইরান যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছেন এবং সেই পথের খোঁজে ঘুরপাক খাচ্ছেন।

বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজ প্রণালিতে ইরানের আরোপিত অবরোধে পারস্য উপসাগরে অন্তত ২ হাজার ১৯০টি বাণিজ্যিক জাহাজ এবং এতে থাকা প্রায় ২০ হাজার নাবিক আটকা পড়েছেন। জাহাজগুলোর মধ্যে ৩২০টিরও বেশি তেল ও গ্যাসবাহী ট্যাংকার রয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে
দূতাবাসের সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, ইরাকের রাজধানী বাগদাদে আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হামলার আশঙ্কা রয়েছে। এক বিবৃতিতে দূতাবাস জানায়, ইরান-সমর্থিত মিলিশিয়া গোষ্ঠীগুলো রাজধানীর কেন্দ্রীয় এলাকায় হামলার পরিকল্পনা করতে পারে। সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, মার্কিন নাগরিক, ব্যবসা প্র
১১ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ বা তার প্রতিবেশী দেশগুলোর জনগণের প্রতি ইরানের কোনো শত্রুতা নেই। মার্কিন জনগণকে দেয়া এক খোলা চিঠিতে এ কথা বলেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও দাবি করেছেন, যুদ্ধবিরতির অনুরোধ করেছে ইরান। তবে বরাবরের মতই এ দাবি অস্বীকার করেছে
১৩ ঘণ্টা আগে
দেশটির সেনাবাহিনী জানিয়েছে, মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর নিকটবর্তী বুজুমবুরা শহরের উপকণ্ঠে মুসাগা এলাকায় অবস্থিত একটি সামরিক ঘাঁটির গুদামে আগুন লাগে। পরে সেখানে থাকা বিস্ফোরক দ্রব্যে আগুন ছড়িয়ে পড়লে একাধিক বিস্ফোরণ ঘটে।
১৩ ঘণ্টা আগে