
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর জন্য আনুষ্ঠানিক কোনো অনুরোধ করেছে— এমন খবর সরাসরি নাকচ করেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র ক্যারোলিন লেভিট বলেছেন, এ ধরনের যেসব খবর প্রকাশিত হয়েছে, সেগুলো সঠিক নয়। তবে ইরানের সঙ্গে আলোচনা চলমান বলেও জানান তিনি।
ব্রিটিশ গণমাধ্যম গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, বুধবার (১৫ এপ্রিল) হোয়াইট হাউজের এই মুখপাত্র এক ব্রিফিংয়ে এসব কথা জানান।
লেভিট বলেন, আজ সকালে কিছু প্রতিবেদন আমাদের চোখে পড়েছে। এসব প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আমরা যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর অনুরোধ করেছি। এটি সঠিক নয়, বরং ভুল রিপোর্টিং।
ইরানের সঙ্গে আলোচনা চলছে জানিয়ে হোয়াইট হাউজের এই মুখপাত্র বলেন, আলোচনা ‘চলমান ও ইতিবাচক’ রয়েছে। সম্ভাব্য একটি চুক্তি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র আশাবাদী উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এই আলোচনা ফলপ্রসূ এবং এখনো অব্যাহত রয়েছে— আমরা এই মুহূর্তে সেখানেই আছি।’
গত ৮ এপ্রিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান যুদ্ধে দুই সপ্তাহের বিরতি ঘোষণা করেন। সে হিসাবে ২২ এপ্রিল পর্যন্ত যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকার কথা রয়েছে। যুদ্ধবিরতিতে মধ্যস্থতা করেছে পাকিস্তান। পরে তারা রাজধানী ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি দ্বিপাক্ষিক আলোচনাও আয়োজন করে, যদিও প্রথম দফার সে আলোচনায় কোনো সমঝোতা হয়নি। এখন দ্বিতীয় দফা আলোচনা নিয়ে কথা চলছে।
যুদ্ধবিরতি এখনো বহাল রয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন প্রশাসন। পাশাপাশি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বিতীয় দফা আলোচনা নিয়েও প্রশ্ন করেন সাংবাদিকরা। এ আলোচনার সম্ভাব্য ভেন্যু নিয়ে জানতে চাইলে লেভিট ইঙ্গিত দেন, আগের মতোই এ বৈঠক ইসলামাবাদেই হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। এ আলোচনায় পাকিস্তানই একমাত্র মধ্যস্থতাকারী উল্লেখ করে তিনি তাদের ভূমিকার প্রশংসা করেন।
এদিকে কূটনৈতিক তৎপরতা আরও জোরদার করতে পাকিস্তানের একটি প্রতিনিধি দল বুধবার রাতে তেহরান সফরে গেছে বলে জানিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রায়াত্ত সংবাদমাধ্যম আইআরআইবি। পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলে দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নকভিও রয়েছেন।
ইরানের কূটনৈতিক সূত্রের বরাতে আইআরআইবি জানিয়েছে, পাকিস্তানের প্রতিনিধি দলকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি স্বাগত জানান। তাদের মধ্যস্থতায় ইরান যেকোনো কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রাখার পক্ষে বলেও জানিয়েছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, একদিকে যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর খবর অস্বীকার, অন্যদিকে আলোচনা ‘ইতিবাচক’ বলে দাবি— এই দ্বৈত অবস্থান থেকে বোঝা যাচ্ছে, ওয়াশিংটন এখনো চাপ ধরে রেখে আলোচনার টেবিলে সুবিধাজনক সমঝোতা আদায়ের কৌশলেই এগোচ্ছে।

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর জন্য আনুষ্ঠানিক কোনো অনুরোধ করেছে— এমন খবর সরাসরি নাকচ করেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র ক্যারোলিন লেভিট বলেছেন, এ ধরনের যেসব খবর প্রকাশিত হয়েছে, সেগুলো সঠিক নয়। তবে ইরানের সঙ্গে আলোচনা চলমান বলেও জানান তিনি।
ব্রিটিশ গণমাধ্যম গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, বুধবার (১৫ এপ্রিল) হোয়াইট হাউজের এই মুখপাত্র এক ব্রিফিংয়ে এসব কথা জানান।
লেভিট বলেন, আজ সকালে কিছু প্রতিবেদন আমাদের চোখে পড়েছে। এসব প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আমরা যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর অনুরোধ করেছি। এটি সঠিক নয়, বরং ভুল রিপোর্টিং।
ইরানের সঙ্গে আলোচনা চলছে জানিয়ে হোয়াইট হাউজের এই মুখপাত্র বলেন, আলোচনা ‘চলমান ও ইতিবাচক’ রয়েছে। সম্ভাব্য একটি চুক্তি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র আশাবাদী উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এই আলোচনা ফলপ্রসূ এবং এখনো অব্যাহত রয়েছে— আমরা এই মুহূর্তে সেখানেই আছি।’
গত ৮ এপ্রিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান যুদ্ধে দুই সপ্তাহের বিরতি ঘোষণা করেন। সে হিসাবে ২২ এপ্রিল পর্যন্ত যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকার কথা রয়েছে। যুদ্ধবিরতিতে মধ্যস্থতা করেছে পাকিস্তান। পরে তারা রাজধানী ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি দ্বিপাক্ষিক আলোচনাও আয়োজন করে, যদিও প্রথম দফার সে আলোচনায় কোনো সমঝোতা হয়নি। এখন দ্বিতীয় দফা আলোচনা নিয়ে কথা চলছে।
যুদ্ধবিরতি এখনো বহাল রয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন প্রশাসন। পাশাপাশি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বিতীয় দফা আলোচনা নিয়েও প্রশ্ন করেন সাংবাদিকরা। এ আলোচনার সম্ভাব্য ভেন্যু নিয়ে জানতে চাইলে লেভিট ইঙ্গিত দেন, আগের মতোই এ বৈঠক ইসলামাবাদেই হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। এ আলোচনায় পাকিস্তানই একমাত্র মধ্যস্থতাকারী উল্লেখ করে তিনি তাদের ভূমিকার প্রশংসা করেন।
এদিকে কূটনৈতিক তৎপরতা আরও জোরদার করতে পাকিস্তানের একটি প্রতিনিধি দল বুধবার রাতে তেহরান সফরে গেছে বলে জানিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রায়াত্ত সংবাদমাধ্যম আইআরআইবি। পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলে দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নকভিও রয়েছেন।
ইরানের কূটনৈতিক সূত্রের বরাতে আইআরআইবি জানিয়েছে, পাকিস্তানের প্রতিনিধি দলকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি স্বাগত জানান। তাদের মধ্যস্থতায় ইরান যেকোনো কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রাখার পক্ষে বলেও জানিয়েছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, একদিকে যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর খবর অস্বীকার, অন্যদিকে আলোচনা ‘ইতিবাচক’ বলে দাবি— এই দ্বৈত অবস্থান থেকে বোঝা যাচ্ছে, ওয়াশিংটন এখনো চাপ ধরে রেখে আলোচনার টেবিলে সুবিধাজনক সমঝোতা আদায়ের কৌশলেই এগোচ্ছে।

ইরান যুদ্ধ ও মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা নিরসনের লক্ষ্যে সৌদি আরব সফর করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। বুধবার (১৫ এপ্রিল) জেদ্দায় তিনি সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে এক বৈঠকে মিলিত হন।
৩ ঘণ্টা আগে
বিশেষজ্ঞদের মতে, তেলের দাম বৃদ্ধি ও সরবরাহ শৃঙ্খলে বিঘ্ন খাদ্যপণ্যের উৎপাদন ও পরিবহন ব্যয় বাড়িয়ে দেবে, যা শেষ পর্যন্ত খাদ্যের দাম বাড়াবে এবং নিম্ন আয়ের দেশগুলোর ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করবে। যেসব দেশ খাদ্য আমদানির ওপর নির্ভরশীল, তারা এই ধাক্কা সবচেয়ে বেশি অনুভব করবে।
৫ ঘণ্টা আগে
র্যাচেল রিভস বলেন, ‘প্রশ্নটি হলো না আপনি ইরান সরকারকে পছন্দ করেন কি না। ব্যক্তিগতভাবে আমি তাদের একেবারেই পছন্দ করি না। কিন্তু মূল প্রশ্ন হলো, আপনি যে পরিবর্তন চান তা কীভাবে অর্জন করবেন।’
৫ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়ার সচল থাকা মাত্র দুটি তেল শোধনাগারের মধ্যে জিলং শোধনাগারটি অন্যতম। দৈনিক ১ লাখ ২০ হাজার ব্যারেল উৎপাদন সক্ষমতাসম্পন্ন এই শোধনাগারটি ভিক্টোরিয়া রাজ্যের অর্ধেকেরও বেশি জ্বালানি চাহিদা পূরণ করে থাকে। জাতীয়ভাবে এটি মোট চাহিদার প্রায় ১০ শতাংশ সরবরাহ করে।
৬ ঘণ্টা আগে