হুতি হামলায় সৌদি ছাড়ছেন মার্কিন কূটনীতিকদের স্বজনেরা

সৌদি আরবে ইয়েমেনের ইরান সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের ধারাবাহিক হামলার মুখে দেশটিতে নিয়োজিত অপ্রয়োজনীয় সরকারি কর্মী ও তাদের পরিবারকে অবিলম্বে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ওয়াশিংটন। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে ওই অঞ্চলের আরও কয়েকটি দেশ থেকে মার্কিন কূটনীতিকদের পরিবারের সদস্যদের সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২১ অক্টোবর) এক বিজ্ঞপ্তিতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
এক কূটনৈতিক সূত্রের বরাতে ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, প্রাথমিক তথ্যে সব কর্মী তুলে নেওয়ার কথা বলা হলেও পরবর্তীতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) বিষয়টি স্পষ্ট করেন। তিনি জানান, সৌদি আরবের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ মিশন নয়, বরং অ-জরুরি দায়িত্বে থাকা সরকারি কর্মী ও তাঁদের পরিবারকে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হুতিরা সম্প্রতি সৌদি আরবের বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালানোয় কর্মচারীদের নিরাপত্তার স্বার্থেই এ সিদ্ধান্ত।
চলতি মাসে হুতি বিদ্রোহীদের হামলায় সৌদি আরবের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি বেশ নাজুক হয়ে পড়েছে। রাজধানী রিয়াদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে, যা সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে অন্যতম প্রাণঘাতী হামলা হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকেরা।
এদিকে, বুধবার সৌদি আরবের জ্বালানি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত সীমান্তবর্তী 'শায়বাহ' তেলক্ষেত্র লক্ষ্য করে ছোড়া একটি ড্রোন আকাশেই ধ্বংস করা হয়। তবে তার ধ্বংসাবশেষ নিচে পড়ে ফিলিপাইন ও নেপালের দুই নাগরিক নিহত এবং আরও দুইজন আহত হন। ড্রোনটি কোথা থেকে পরিচালিত হয়েছিল সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু না বলা হলেও, সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট জানিয়েছে, তারা দিনভর অন্তত ছয়টি হামলাকারী ড্রোন ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে।














