গাজা যুদ্ধবিরতি ‘কার্যকর’ রাখতে মার্কিন কর্মকর্তারা ইসরায়েলে

ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম
(বাঁ থেকে) স্টিভ উইটকফ, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও জ্যারেড কুশনার। ছবি: সংগৃহীত
(বাঁ থেকে) স্টিভ উইটকফ, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও জ্যারেড কুশনার। ছবি: সংগৃহীত

গাজায় যুদ্ধবিরতি ‘বহাল’ ও ‘কার্যকর’ রাখতে ইসরায়েলে পৌঁছেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জামাতা জ্যারেড কুশনার। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্সও আগামীকাল তাদের সঙ্গে সশরীরে যোগ দিতে পারেন বলেও বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর এসেছে।

বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, সোমবার (২০ অক্টোবর) উইটকফ ও কুশনার ইসরায়েলে গেছেন। তারা এমন একটি সময় ইসরায়েল সফরে গেলেন, যার একদিন আগেই যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে গাজায় ফের হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী।

গাজার হাসপাতাল সূত্রে পাওয়া তথ্যের বরাতে বিবিসি জানিয়েছে, ইসরায়েলি ওই হামলায় কমপক্ষে ৪৪ জন প্রাণ হারিয়েছেন। যদিও হামলার জন্য ইসরায়েলি বাহিনী আইডিএফের পক্ষ থেকে হামাসকে দায়ী করা হয়েছে।

আইডিএফের দাবি, ইসরায়েলি সেনাদের লক্ষ্য করে রোববার রাফায় একটি ট্যাংকবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের পাশাপাশি গুলি চালিয়েছে হামাস। এ ঘটনায় তাদের দুজন সৈন্য নিহত হয়েছেন বলেও দাবি করেছেন ইসরায়েলি কর্মকর্তারা।

তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে হামাস দাবি করেছে, তারা কোনো ধরনের চুক্তি লঙ্ঘন করেনি। বরং যুদ্ধবিরতির পূর্ণ বাস্তবায়নে তারা এখনো প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ইসরায়েল বরং চুক্তি লঙ্ঘন করেছে বলে উলটো অভিযোগ তাদের।

দুপক্ষের এমন পালটাপালটি অভিযোগ ও হামলার পরও গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর আছে কি না— মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিমান বহর এয়ার ফোর্স ওয়ানে এ প্রশ্ন সাংবাদিকরা করেন ট্রাম্পকে। জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘‘হ্যাঁ, এখনো কার্যকর আছে।’

ইসরায়েলি বাহিনীর ওপর হামাসের হামলার বিষয়ে ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, হামাস শীর্ষ নেতৃত্বের কেউ চুক্তি লঙ্ঘনের সঙ্গে জড়িত নয়, বরং ‘কিছু বিদ্রোহী’ এর সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে।

Ad
ad
Ad 300x250

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

Ad 300x250
ad
Advertisement