
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে মার্কিন সামরিক বাহিনী অভিযানের মাধ্যমে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর দেশটির অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব নিয়েছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ। এর আগে মার্কিন বাহিনীর আগ্রাসনের তীব্র বিরোধিতা করলেও দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি ‘সহযোগিতার আশ্বাসে’র কথা বলেছেন।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ অব্যাহত রাখার হুমকি দিয়েছেন। বলেছেন, নতুন অন্তর্বর্তী সরকার যদি তার প্রশাসনের সঙ্গে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক রেখে কাজ না করে, তিনি আবার হামলা চালাবেন।
বার্তা সংস্থা এপির খবরে বলা হয়েছে, ২০১৮ সাল থেকে মাদুরো সরকারের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন ডেলসি রদ্রিগেজ। মাদুরোর পর তাকেই ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট পদে উত্তরসূরী হিসেবে দেখা হয়ে থাকে।
দ্য গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, রদ্রিগেজসহ ভেনেজুয়েলার প্রশাসনের প্রতি ডোনাল্ড ট্রাম্প হুমকি অব্যাহত রেখেছেন। তিনি বলেছেন, ভেনেজুয়েলাকে ‘ঠিক করতে’ দেশটির সরকার যদি তাকে সহযোগিতা না করেন, তাহলে দ্বিতীয়বার আক্রমণ করতে তিনি কুণ্ঠাবোধ করবেন না।
এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রই এখন ভেনেজুয়েলার দায়িত্বে আছে। ভেনেজুয়েলায় ‘অত্যন্ত বিপজ্জনক অভিযান’ চালানোর জন্য তিনি মার্কিন বাহিনীর প্রশংসাও করেন। বলেন, আবার এমন অভিযান চলতেই পারে, যদি ভেনেজুয়েলার এখনকার দায়িত্বপ্রাপ্তরা তাকে সহায়তা না করেন।
এদিকে শনিবার মার্কিন সামরিক বাহিনী হামলা চালিয়ে মাদুরোকে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর বেশ কয়েকবারই গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়েছিলেন দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ। এ সময় তাকে মার্কিন আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ব্যাপক ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানাতে দেখা গেছে। টেলিভিশনে প্রচারিত এক ভাষণে রদ্রিগেজ বলছিলেন, মাদুরোই ভেনেজুয়েলার নেতা। এখানে যা হয়েছে তা নৃশংসতা এবং আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন।
এর মাধ্যমে ভেনেজুয়েলার আদালত রদ্রিগেজকে প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন। সেনাবাহিনীও জানায়, তারা রদ্রিগেজের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারকে সমর্থন করছে। এই দায়িত্ব গ্রহণের পর তার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টের একটি পোস্ট চমকে দিয়েছে সবাইকে।
পোস্টে রদ্রিগেজ তার নেতৃত্বাধীন সরকারের সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের ‘মর্যাদাপূর্ণ সম্পর্কে’র কথা লিখেছেন। বলেছেন, আমরা মার্কিন সরকারকে আহ্বান জানাচ্ছি সহযোগিতার জন্য, যেন আমরা আমাদের উভয়ের উন্নয়নের জন্য একযোগে কাজ করতে পারি, যা আন্তর্জাতিক আইনের মধ্যে থাকবে।
রদ্রিগেজের এমন বক্তব্যকে অনেকেই কৌশলগত মনে করছেন। কারণ মাদুরো যখন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বন্দি, তখন যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সঙ্গে কোনো না কোনো পর্যায়ের সম্পর্ক তাকে ধরে রাখতেই হবে।

প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে মার্কিন সামরিক বাহিনী অভিযানের মাধ্যমে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর দেশটির অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব নিয়েছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ। এর আগে মার্কিন বাহিনীর আগ্রাসনের তীব্র বিরোধিতা করলেও দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি ‘সহযোগিতার আশ্বাসে’র কথা বলেছেন।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ অব্যাহত রাখার হুমকি দিয়েছেন। বলেছেন, নতুন অন্তর্বর্তী সরকার যদি তার প্রশাসনের সঙ্গে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক রেখে কাজ না করে, তিনি আবার হামলা চালাবেন।
বার্তা সংস্থা এপির খবরে বলা হয়েছে, ২০১৮ সাল থেকে মাদুরো সরকারের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন ডেলসি রদ্রিগেজ। মাদুরোর পর তাকেই ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট পদে উত্তরসূরী হিসেবে দেখা হয়ে থাকে।
দ্য গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, রদ্রিগেজসহ ভেনেজুয়েলার প্রশাসনের প্রতি ডোনাল্ড ট্রাম্প হুমকি অব্যাহত রেখেছেন। তিনি বলেছেন, ভেনেজুয়েলাকে ‘ঠিক করতে’ দেশটির সরকার যদি তাকে সহযোগিতা না করেন, তাহলে দ্বিতীয়বার আক্রমণ করতে তিনি কুণ্ঠাবোধ করবেন না।
এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রই এখন ভেনেজুয়েলার দায়িত্বে আছে। ভেনেজুয়েলায় ‘অত্যন্ত বিপজ্জনক অভিযান’ চালানোর জন্য তিনি মার্কিন বাহিনীর প্রশংসাও করেন। বলেন, আবার এমন অভিযান চলতেই পারে, যদি ভেনেজুয়েলার এখনকার দায়িত্বপ্রাপ্তরা তাকে সহায়তা না করেন।
এদিকে শনিবার মার্কিন সামরিক বাহিনী হামলা চালিয়ে মাদুরোকে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর বেশ কয়েকবারই গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়েছিলেন দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ। এ সময় তাকে মার্কিন আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ব্যাপক ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানাতে দেখা গেছে। টেলিভিশনে প্রচারিত এক ভাষণে রদ্রিগেজ বলছিলেন, মাদুরোই ভেনেজুয়েলার নেতা। এখানে যা হয়েছে তা নৃশংসতা এবং আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন।
এর মাধ্যমে ভেনেজুয়েলার আদালত রদ্রিগেজকে প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন। সেনাবাহিনীও জানায়, তারা রদ্রিগেজের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারকে সমর্থন করছে। এই দায়িত্ব গ্রহণের পর তার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টের একটি পোস্ট চমকে দিয়েছে সবাইকে।
পোস্টে রদ্রিগেজ তার নেতৃত্বাধীন সরকারের সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের ‘মর্যাদাপূর্ণ সম্পর্কে’র কথা লিখেছেন। বলেছেন, আমরা মার্কিন সরকারকে আহ্বান জানাচ্ছি সহযোগিতার জন্য, যেন আমরা আমাদের উভয়ের উন্নয়নের জন্য একযোগে কাজ করতে পারি, যা আন্তর্জাতিক আইনের মধ্যে থাকবে।
রদ্রিগেজের এমন বক্তব্যকে অনেকেই কৌশলগত মনে করছেন। কারণ মাদুরো যখন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বন্দি, তখন যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সঙ্গে কোনো না কোনো পর্যায়ের সম্পর্ক তাকে ধরে রাখতেই হবে।

ভেনেজুয়েলার সীমান্তে কোকেন পাচারকারী গেরিলাদের বিরুদ্ধে ‘যৌথ কার্যক্রম’ গ্রহণে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে একমত হয়েছেন কলম্বিয়ার বামপন্থি প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো। ট্রাম্প ও পেত্রোর মধ্যে টেলিফোনে কথা হলে তখন তারা এ বিষয়ে ঐকমত্য পোষণ করেন।
৫ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান তেল কোম্পানিগুলোর শীর্ষ নির্বাহীদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ভেনেজুয়েলা নিয়ে তার পরিকল্পনার পক্ষে এসব কোম্পানির সমর্থন আদায় করাই এ বৈঠকের উদ্দেশ্য।
৫ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র যদি গ্রিনল্যান্ডে কোনো ধরনের সামরিক অভিযান চালায়, তবে ডেনিশ সেনারা ‘আগে গুলি চালাবে, পরে প্রশ্ন করবে’— এমন কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছে ডেনমার্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয় বলছে, এটি ১৯৫২ সালে প্রণীত ডেনিশ সেনাবাহিনীর একটি নিয়মের প্রতিফলন, যা এখনো কার্যকর রয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়েছে, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে মার্কিন সামরিক বাহিনী অভিযান চালিয়ে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর দেশটির নতুন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের চাপ কমানোর একটি কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে বন্দিদের মুক্তি দেওয়া হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে