
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

৬.২ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্পসহ একাধিক ছোট ছোট ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে জাপানের পশ্চিমাঞ্চলে। এতে বেশ কয়েকজন আহত ও কয়েকটি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার তথ্য মিলেছে। তবে ভূমিকম্পের পর সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়নি।
জাপান টাইমসের খবরে বলা হয়, স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ১৮ মিনিটে প্রথমে ৬ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্পটি হয়। কিছুক্ষণ পরই ৫ দশমিক ১ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে আক্রান্ত অঞ্চল। এরপর বেশ কয়েকবার ছোট ছোট আফটারশক হয়।
জাপানের ভূতাত্ত্বিক সংস্থার তথ্য বলছে, ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল শিমানে প্রিফেকচার ও পাশের টোটোরি প্রিফেকচার। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে।
দুটি আঞ্চলিক বিদ্যুৎ কোম্পানি জানিয়েছে, অস্বাভাবিক কিছু এখনো তাদের নজরে পড়েনি। তবে ভূমিকম্পের কারণে বুলেট ট্রেন চলাচলে কিছুটা বিঘ্ন ঘটে। বিভিন্ন ভবনে থাকা সিসিটিভিতে ভূমিকম্পের কম্পন ধরা পড়েছে।
জাপানের আবহাওয়া সংস্থা জানিয়েছে, একাধিক ভূমিকম্প আঘাত হানলেও সুনামির কোনো শঙ্কা নেই। তবে আগামী কয়েকদিন ৫ মাত্রার ওপরের বেশ কয়েকবার ভূমিকম্প হতে পারে। বিশেষ সামনের দুই থেকে তিনদিন বেশি ভূমিকম্প হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। যেসব এলাকায় ভূমিকম্পের আঘাত প্রবল হবে, সেসব জায়গায় ভূমিধস ও পাহাড় থেকে পাথর খসে পড়ার শঙ্কা রয়েছে।
জাপান প্রশান্ত মহাসাগরের রিং অব ফায়ারের পশ্চিম প্রান্তে চারটি বড় টেকটোনিক প্লেটের ওপর অবস্থিত। এটি বিশ্বের সবচেয়ে ভূমিকম্পপ্রবণ দেশগুলোর একটি, যেখানে কমপক্ষে প্রতি পাঁচ মিনিটে একটি কম্পন অনুভূত হয়।
২০১১ সালে ৯ মাত্রার এক প্রবল ভূমিকম্পের পর সুনামি আঘাত করেছিল দেশটিতে। এতে ১৮ হাজার ৫০০ মানুষ নিহত বা নিখোঁজ হন। ওই সুনামির সময় ফুকুশিমা পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটে।

৬.২ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্পসহ একাধিক ছোট ছোট ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে জাপানের পশ্চিমাঞ্চলে। এতে বেশ কয়েকজন আহত ও কয়েকটি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার তথ্য মিলেছে। তবে ভূমিকম্পের পর সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়নি।
জাপান টাইমসের খবরে বলা হয়, স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ১৮ মিনিটে প্রথমে ৬ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্পটি হয়। কিছুক্ষণ পরই ৫ দশমিক ১ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে আক্রান্ত অঞ্চল। এরপর বেশ কয়েকবার ছোট ছোট আফটারশক হয়।
জাপানের ভূতাত্ত্বিক সংস্থার তথ্য বলছে, ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল শিমানে প্রিফেকচার ও পাশের টোটোরি প্রিফেকচার। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে।
দুটি আঞ্চলিক বিদ্যুৎ কোম্পানি জানিয়েছে, অস্বাভাবিক কিছু এখনো তাদের নজরে পড়েনি। তবে ভূমিকম্পের কারণে বুলেট ট্রেন চলাচলে কিছুটা বিঘ্ন ঘটে। বিভিন্ন ভবনে থাকা সিসিটিভিতে ভূমিকম্পের কম্পন ধরা পড়েছে।
জাপানের আবহাওয়া সংস্থা জানিয়েছে, একাধিক ভূমিকম্প আঘাত হানলেও সুনামির কোনো শঙ্কা নেই। তবে আগামী কয়েকদিন ৫ মাত্রার ওপরের বেশ কয়েকবার ভূমিকম্প হতে পারে। বিশেষ সামনের দুই থেকে তিনদিন বেশি ভূমিকম্প হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। যেসব এলাকায় ভূমিকম্পের আঘাত প্রবল হবে, সেসব জায়গায় ভূমিধস ও পাহাড় থেকে পাথর খসে পড়ার শঙ্কা রয়েছে।
জাপান প্রশান্ত মহাসাগরের রিং অব ফায়ারের পশ্চিম প্রান্তে চারটি বড় টেকটোনিক প্লেটের ওপর অবস্থিত। এটি বিশ্বের সবচেয়ে ভূমিকম্পপ্রবণ দেশগুলোর একটি, যেখানে কমপক্ষে প্রতি পাঁচ মিনিটে একটি কম্পন অনুভূত হয়।
২০১১ সালে ৯ মাত্রার এক প্রবল ভূমিকম্পের পর সুনামি আঘাত করেছিল দেশটিতে। এতে ১৮ হাজার ৫০০ মানুষ নিহত বা নিখোঁজ হন। ওই সুনামির সময় ফুকুশিমা পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটে।

ইরানি সামরিক বাহিনীর দাবি অনুযায়ী, ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে মার্কিন ডেস্ট্রয়ার ও জ্বালানি ট্যাংকার উভয় জাহাজেই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার পর ওই এলাকা থেকে বিশাল ধোঁয়ার কুণ্ডলী আকাশে ছড়িয়ে পড়তে দেখা গেছে বলে গোয়েন্দা প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে জানানো হয়। যদিও এই ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে এখন পর্যন্ত মার্কি
৮ ঘণ্টা আগে
এদিকে যুদ্ধের প্রভাবে ইরাকের তেল উৎপাদন প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে; দেশটির রুমাইলা ও ওয়েস্ট কুর্না-২ এর মতো বৃহৎ তেলক্ষেত্রগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় উৎপাদন ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে। সংঘাতের উত্তাপ ছড়িয়েছে কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক কেন্দ্রগুলোতেও; দুবাইয়ে মার্কিন কনস্যুলেট ড্রোন হামলার শিকার হওয়ার খবর পাওয়া
৯ ঘণ্টা আগে
সংঘাত চলাকালে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসেও হামলা হয়েছে। সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, দুটি ড্রোন ব্যবহার করে দূতাবাসটিতে হামলা চালানো হয়। এতে সীমিত আকারে আগুন লাগে। কিছু বস্তুগত ক্ষয়ক্ষতি হয়।
১০ ঘণ্টা আগে
অ্যাডমিরাল কুপার দাবি করেছেন, মার্কিন হামলায় ইরানের একটি সাবমেরিনসহ অন্তত ১৭টি রণতরি ধ্বংস করা হয়েছে। এছাড়া দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করার পাশাপাশি শত শত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, লঞ্চার ও ড্রোন গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে এই অভিযানে ৫০ হাজারের বেশি মার্কিন সেনা, ২০০
১১ ঘণ্টা আগে