
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ আরও পাঁচ বছর বাড়িয়ে ২০৩১ সাল পর্যন্ত বহাল রাখার আইনে সই করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই আইনে রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা ও শুল্ক আরোপের সুযোগও বাড়ানো হয়েছে।
হোয়াইট হাউসের বিবৃতি অনুযায়ী, গত শুক্রবার ট্রাম্প ‘লিন্ডসে ও. গ্রাহাম স্যাংশনিং রাশিয়া অ্যান্ড ইরান অ্যাক্ট অব ২০২৬’ নামের এইচআর ৫৩৩৪ বিলে সই করেন। আইনটিতে রাশিয়ার বিরুদ্ধে বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগের পাশাপাশি ইরানের ওপর বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞার মেয়াদও বাড়ানো হয়েছে।
নতুন আইনের ফলে ১৯৯৬ সালের ‘ইরান স্যাংশনস অ্যাক্ট’ আরও পাঁচ বছর কার্যকর থাকবে। এর আওতায় ইরানের জ্বালানি খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিদেশি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেও ২০৩১ সাল পর্যন্ত ব্যবস্থা নিতে পারবে যুক্তরাষ্ট্র। তবে আইনে ইরানের ওপর নতুন কোনো নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়নি।
ইরানের জ্বালানি খাতের যেসব কর্মকাণ্ডে এই নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হতে পারে, তার মধ্যে রয়েছে দেশটির পেট্রোলিয়াম কেনা, পরিবহন ও অর্থায়ন, বিমা-সংক্রান্ত ব্যবসা এবং পেট্রোলিয়াম প্রকল্পে বিনিয়োগ।
এদিকে নতুন ও আরও কঠোর মার্কিন নিষেধাজ্ঞাগুলোকে তেহরান ‘অর্থনৈতিক সন্ত্রাসবাদ’ হিসেবে বর্ণনা করেছে।
ইরানের তেলের সবচেয়ে বড় ক্রেতা চীন। মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ইরানের মোট তেল রপ্তানির প্রায় ৯০ শতাংশই চীনে যায়। ইরানের তেল বিক্রি ও পরিবহনে ভূমিকার অভিযোগে সংযুক্ত আরব আমিরাত, হংকং ও ভারতের তেল ব্যবসায়ী, জাহাজ কোম্পানি এবং ট্যাংকার পরিচালনাকারীদের বিরুদ্ধেও আগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের যুক্তরাষ্ট্রে থাকা সম্পদ জব্দ করা বা ব্যবহারে বিধিনিষেধ আরোপ করা হতে পারে। পাশাপাশি মার্কিন আর্থিক প্রতিষ্ঠান ব্যবহারের সুযোগ এবং ডলারে লেনদেনের ওপরও বিধিনিষেধ আসতে পারে।
আইনটির নামকরণ করা হয়েছে গত জুলাই মাসে মারা যাওয়া রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহামের নামে। আইনটি প্রণয়নে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন।
নতুন সিদ্ধান্তের ফলে ইরানের সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক থাকা বিদেশি কোম্পানি ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের পরোক্ষ নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিও আগামী পাঁচ বছর বহাল থাকবে।

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ আরও পাঁচ বছর বাড়িয়ে ২০৩১ সাল পর্যন্ত বহাল রাখার আইনে সই করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই আইনে রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা ও শুল্ক আরোপের সুযোগও বাড়ানো হয়েছে।
হোয়াইট হাউসের বিবৃতি অনুযায়ী, গত শুক্রবার ট্রাম্প ‘লিন্ডসে ও. গ্রাহাম স্যাংশনিং রাশিয়া অ্যান্ড ইরান অ্যাক্ট অব ২০২৬’ নামের এইচআর ৫৩৩৪ বিলে সই করেন। আইনটিতে রাশিয়ার বিরুদ্ধে বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগের পাশাপাশি ইরানের ওপর বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞার মেয়াদও বাড়ানো হয়েছে।
নতুন আইনের ফলে ১৯৯৬ সালের ‘ইরান স্যাংশনস অ্যাক্ট’ আরও পাঁচ বছর কার্যকর থাকবে। এর আওতায় ইরানের জ্বালানি খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিদেশি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেও ২০৩১ সাল পর্যন্ত ব্যবস্থা নিতে পারবে যুক্তরাষ্ট্র। তবে আইনে ইরানের ওপর নতুন কোনো নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়নি।
ইরানের জ্বালানি খাতের যেসব কর্মকাণ্ডে এই নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হতে পারে, তার মধ্যে রয়েছে দেশটির পেট্রোলিয়াম কেনা, পরিবহন ও অর্থায়ন, বিমা-সংক্রান্ত ব্যবসা এবং পেট্রোলিয়াম প্রকল্পে বিনিয়োগ।
এদিকে নতুন ও আরও কঠোর মার্কিন নিষেধাজ্ঞাগুলোকে তেহরান ‘অর্থনৈতিক সন্ত্রাসবাদ’ হিসেবে বর্ণনা করেছে।
ইরানের তেলের সবচেয়ে বড় ক্রেতা চীন। মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ইরানের মোট তেল রপ্তানির প্রায় ৯০ শতাংশই চীনে যায়। ইরানের তেল বিক্রি ও পরিবহনে ভূমিকার অভিযোগে সংযুক্ত আরব আমিরাত, হংকং ও ভারতের তেল ব্যবসায়ী, জাহাজ কোম্পানি এবং ট্যাংকার পরিচালনাকারীদের বিরুদ্ধেও আগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের যুক্তরাষ্ট্রে থাকা সম্পদ জব্দ করা বা ব্যবহারে বিধিনিষেধ আরোপ করা হতে পারে। পাশাপাশি মার্কিন আর্থিক প্রতিষ্ঠান ব্যবহারের সুযোগ এবং ডলারে লেনদেনের ওপরও বিধিনিষেধ আসতে পারে।
আইনটির নামকরণ করা হয়েছে গত জুলাই মাসে মারা যাওয়া রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহামের নামে। আইনটি প্রণয়নে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন।
নতুন সিদ্ধান্তের ফলে ইরানের সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক থাকা বিদেশি কোম্পানি ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের পরোক্ষ নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিও আগামী পাঁচ বছর বহাল থাকবে।

"প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যে নিষেধাজ্ঞার হুমকি দিয়েছেন, তা কার্যকর হলে এটি হবে সেই মৌলিক ও সাংবিধানিকভাবে সুরক্ষিত অধিকারের ওপর একটি অবৈধ আক্রমণ," বিবৃতিতে বলা হয়।
১৪ ঘণ্টা আগে
উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের শক্তিশালী বোন কিম ইয়ো জং পৃথক এক বিবৃতিতে জাতিসংঘের এই পরমাণু পর্যবেক্ষক সংস্থার বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্ব ও দ্বৈত মানদণ্ডের তীব্র অভিযোগ এনেছেন। তিনি বলেন, "আন্তর্জাতিক পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার মূল কারণ হলো আইএইএ-এর এই পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ।"
১৪ ঘণ্টা আগে
মোট সাতজনের একটি সশস্ত্র সন্ত্রাসী দল পুলিশ লাইনস কম্পাউন্ডে অনুপ্রবেশ করে। তারা সিটিডি (কাউন্টার টেররিজম ডিপার্টমেন্ট) এবং স্পেশাল ব্রাঞ্চ ভবনের দিকে অগ্রসর হওয়ার একপর্যায়ে এক আত্মঘাতী হামলাকারী মসজিদের ভেতরে নিজের কাছে থাকা বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়। বিস্ফোরণের তীব্রতায় ঘটনাস্থলেই বেশ কয়েকজন নিহত হন।
১৫ ঘণ্টা আগে
গ্রিনল্যান্ডকে দখল বা অধিগ্রহণ করার বিষয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের কয়েক মাসের হুমকির পর এই চুক্তি হলো। তিনি জাতীয় নিরাপত্তার উদ্বেগের কথা উল্লেখ করে বলেছিলেন, প্রতিরক্ষার দিক থেকে গ্রিনল্যান্ডের কৌশলগত অবস্থান এবং এর খনিজ সম্পদের কারণে দ্বীপটি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
১৬ ঘণ্টা আগে