
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইসলামাবাদের বৈঠক ব্যর্থ হওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যে ফের শঙ্কা বেড়েছে। ইতোমধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে অবরোধ করতে নির্দেশ দিয়েছেন। তবে তেহরানের সঙ্গে বিরোধের সময়ে চীনের সঙ্গেও দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়তে পারে যুক্তরাষ্ট্র বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
আন্তর্জাতিক কয়েকটি মিডিয়া বলছে, চীন আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ইরানকে নতুন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সরবরাহের প্রস্তুতি নিচ্ছে। ট্রাম্প বিষয়টি জেনেছেন এবং মিথ্যা বলে অভিযোগ করছেন। তবে তিনি চীনকে সতর্ক করে রেখেছেন। যদি তারা ভুল করে তবে কড়া ব্যবস্থা নেবেন।
ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্পকে জিজ্ঞেস করা হয়, ‘যদি কোনো দেশ ইরানকে সমর্থন করে এবং সামরিক সরঞ্জাম পাঠায়, তাহলে তাদের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে কি না এবং সেই তালিকায় চীন আছে কি না?’ জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘হ্যাঁ, অন্যরাও আছে, তবে চীনও আছে।’
যদিও ট্রাম্প এসব সংবাদকে ‘ভুয়া’ বলে উড়িয়ে দেন, তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, যদি এগুলো সত্য প্রমাণিত হয়, তাহলে বেইজিংকে বড় ধরনের শুল্কের মুখে পড়তে হবে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন, সংবাদ প্রতিবেদনের ওপর আমি খুব একটা ভরসা করি না। কারণ অনেকই ভুয়া। তবে শুনছি চীন নাকি শোল্ডার মিসাইল দিচ্ছে। আমি মনে করি তারা এটা করবে না, কারণ তাদের সঙ্গে আমার সম্পর্ক আছে। হয়তো শুরুতে কিছুটা করেছে, কিন্তু এখন আর করবে বলে মনে হয় না।
তিনি আরও বলেন, কিন্তু যদি আমরা তাদের এমন কিছু করতে ধরি, তাহলে তাদের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক বসবে—যা বিশাল অঙ্ক।
সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়, বেইজিং খুব শিগগিরই ইরানে কাঁধে বহনযোগ্য বিমান বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, চীন এসব অস্ত্র তৃতীয় কোনো দেশের মাধ্যমে পাঠানোর পরিকল্পনা করছে, যাতে প্রকৃত উৎস গোপন থাকে।
এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে ট্রাম্প বলেন, চীন যদি এটা করে, তাহলে তাদের বড় সমস্যায় পড়তে হবে।’ তবে ওয়াশিংটনে চীনা দূতাবাসের এক মুখপাত্র দাবি করেছেন, ‘চীন কখনোই এই সংঘাতে কোনো পক্ষকে অস্ত্র দেয়নি। এ সংক্রান্ত তথ্য সঠিক নয়।’

ইসলামাবাদের বৈঠক ব্যর্থ হওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যে ফের শঙ্কা বেড়েছে। ইতোমধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে অবরোধ করতে নির্দেশ দিয়েছেন। তবে তেহরানের সঙ্গে বিরোধের সময়ে চীনের সঙ্গেও দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়তে পারে যুক্তরাষ্ট্র বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
আন্তর্জাতিক কয়েকটি মিডিয়া বলছে, চীন আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ইরানকে নতুন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সরবরাহের প্রস্তুতি নিচ্ছে। ট্রাম্প বিষয়টি জেনেছেন এবং মিথ্যা বলে অভিযোগ করছেন। তবে তিনি চীনকে সতর্ক করে রেখেছেন। যদি তারা ভুল করে তবে কড়া ব্যবস্থা নেবেন।
ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্পকে জিজ্ঞেস করা হয়, ‘যদি কোনো দেশ ইরানকে সমর্থন করে এবং সামরিক সরঞ্জাম পাঠায়, তাহলে তাদের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে কি না এবং সেই তালিকায় চীন আছে কি না?’ জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘হ্যাঁ, অন্যরাও আছে, তবে চীনও আছে।’
যদিও ট্রাম্প এসব সংবাদকে ‘ভুয়া’ বলে উড়িয়ে দেন, তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, যদি এগুলো সত্য প্রমাণিত হয়, তাহলে বেইজিংকে বড় ধরনের শুল্কের মুখে পড়তে হবে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন, সংবাদ প্রতিবেদনের ওপর আমি খুব একটা ভরসা করি না। কারণ অনেকই ভুয়া। তবে শুনছি চীন নাকি শোল্ডার মিসাইল দিচ্ছে। আমি মনে করি তারা এটা করবে না, কারণ তাদের সঙ্গে আমার সম্পর্ক আছে। হয়তো শুরুতে কিছুটা করেছে, কিন্তু এখন আর করবে বলে মনে হয় না।
তিনি আরও বলেন, কিন্তু যদি আমরা তাদের এমন কিছু করতে ধরি, তাহলে তাদের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক বসবে—যা বিশাল অঙ্ক।
সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়, বেইজিং খুব শিগগিরই ইরানে কাঁধে বহনযোগ্য বিমান বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, চীন এসব অস্ত্র তৃতীয় কোনো দেশের মাধ্যমে পাঠানোর পরিকল্পনা করছে, যাতে প্রকৃত উৎস গোপন থাকে।
এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে ট্রাম্প বলেন, চীন যদি এটা করে, তাহলে তাদের বড় সমস্যায় পড়তে হবে।’ তবে ওয়াশিংটনে চীনা দূতাবাসের এক মুখপাত্র দাবি করেছেন, ‘চীন কখনোই এই সংঘাতে কোনো পক্ষকে অস্ত্র দেয়নি। এ সংক্রান্ত তথ্য সঠিক নয়।’

আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী জাতিসংঘ কনভেনশন মেনে এই প্রণালীতে সব দেশের অবাধ চলাচলের অধিকার দাবি করে আসছে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো। অন্যদিকে, তেহরান এই জলসীমার ওপর নিজস্ব সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা এবং নির্দিষ্ট ফি আদায়ের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতিতে আইনি ও রাজনৈতিক টানাপোড়েন আর
১ দিন আগে
অর্থমন্ত্রী জানান, এই লক্ষ্য অর্জনে কৃষি, উৎপাদনশিল্প, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এমএসএমই), অবকাঠামো এবং ডিজিটাল প্রযুক্তিকে কেন্দ্র করে সমন্বিত প্রবৃদ্ধির কৌশল বাস্তবায়ন করছে সরকার। একই সঙ্গে ২০৪৭ সালের মধ্যে ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য নিয়েও কাজ চলছে।
২ দিন আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, মঙ্গলবার সারাদিন ইরানের সঙ্গে তার প্রশাসনের ‘খুব ভালো আলোচনা’ হয়েছে। তার এই মন্তব্যে পাঁচ মাস ধরে চলা সংঘাতের অবসান শিগগিরই হতে পারে— এমন আশাবাদ নতুন করে জোরালো হয়েছে।
২ দিন আগে
ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ ও এর আশপাশের এলাকায় রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ১৪ জন নিহত এবং ২৭ জন আহত হয়েছেন। হামলায় গুদামঘরসহ বেশ কয়েকটি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে ইউক্রেনের জরুরি সেবা বিভাগ। তবে কয়েকটি প্রতিবেদনে নিহতের সংখ্যা ১৫ জন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
২ দিন আগে