
নিউজ ডেস্ক

বাংলাদেশে সন্ত্রাসী হামলার ঝুঁকি রয়েছে উল্লেখ করে নিজ দেশের নাগরিকদের নিয়ে সতর্ক করেছে যুক্তরাজ্য। কোথায় সন্ত্রাসী হামলা হতে পারে, সেটি সুনির্দিষ্ট করে বলেনি দেশটি। তবে রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ভ্রমণ থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে ব্রিটিশ নাগরিকদের।
মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) ঢাকায় ব্রিটিশ হাইকমিশন বিদেশি নাগরিকদের বাংলাদেশ ভ্রমণবিষয়ক পরামর্শ দিতে এ সতর্কতা জারি করেছে।
ভ্রমণ সতর্কতায় বলা হয়েছে, নির্বিচার সন্ত্রাসী হামলা চালানো হতে পারে। জনাকীর্ণ এলাকা, ধর্মীয় স্থাপনা ও রাজনৈতিক সভা-সমাবেশসহ বিভিন্ন জায়গায় এই হামলা হতে পারে।
সতর্ক বার্তায় আরও বলা হয়, কিছু গোষ্ঠী এমন ব্যক্তিদের টার্গেট করেছে, যাদের ইসলাম পরিপন্থি জীবনাচরণ ও মতামত রয়েছে বলে তারা মনে করে। মাঝে মধ্যে সংখ্যালঘু ধর্মীয় গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে হামলা হয়েছে এবং পুলিশ ও নিরাপত্তাবাহিনীকে টার্গেট করা হয়েছে। প্রধান শহরগুলোতে এসব হামলায় বিস্ফোরক ব্যবহার করা হয়েছে।
বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষ পরিকল্পিত এসব হামলা মোকাবিলায় কাজ করে যাচ্ছে উল্লেখ করা হয় নোটিশে। বলা হয়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি বাড়ানো ও চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করা হতে পারে।
ভ্রমণের ক্ষেত্রে সতর্ক করে যুক্তরাজ্যের হাইকমিশন আরও বলেছে, চারপাশ সম্পর্কে আপনাকে সচেতন থাকতে হবে। বিশেষ করে পুলিশের স্থাপনাগুলোর আশপাশে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। বড় ধরনের সমাবেশ এবং পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি সংবলিত অন্যান্য জায়গা এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছে।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাজ্যের হাইকমিশন তাদের নোটিশে বলেছে, ২০২৪ সালের জুলাই ও আগস্টে বাংলাদেশজুড়ে ব্যাপক সহিংসতা হয়, যাতে অনেক মৃত্যু ও বহু আহত হয়েছে। পরিস্থিতি এখনো অস্থির। রাজনৈতিক মিছিল ও সমাবেশ এখনো অব্যাহত। এগুলো দ্রুত সহিংস হয়ে উঠতে পারে, যা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে রূপ নিতে পারে। দেশজুড়ে শহর ও নগরে বিক্ষোভ ও ধর্মঘটের সময় সহিংসতা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটতে পারে। এসব ঘটনা প্রাণঘাতীও হয়ে উঠতে পারে।
বাংলাদেশে সাম্প্রতিক অস্থিরতার একটি প্রভাব পুলিশের কর্মকাণ্ডের ওপর পড়েছে উল্লেখ করে যুক্তরাজ্যের হাইকমিশন বলেছে, দেশজুড়ে কিছু থানায় উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সেগুলোর বেশিরভাগ আবার সচল হয়েছে। তবে সব পুলিশ সদস্য কাজে ফেরেননি। ঢাকা ও অন্যান্য শহরে অপরাধী চক্রের তৎপরতা রয়েছে বলে উল্লেখ করেছে হাইকমিশন।

বাংলাদেশে সন্ত্রাসী হামলার ঝুঁকি রয়েছে উল্লেখ করে নিজ দেশের নাগরিকদের নিয়ে সতর্ক করেছে যুক্তরাজ্য। কোথায় সন্ত্রাসী হামলা হতে পারে, সেটি সুনির্দিষ্ট করে বলেনি দেশটি। তবে রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ভ্রমণ থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে ব্রিটিশ নাগরিকদের।
মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) ঢাকায় ব্রিটিশ হাইকমিশন বিদেশি নাগরিকদের বাংলাদেশ ভ্রমণবিষয়ক পরামর্শ দিতে এ সতর্কতা জারি করেছে।
ভ্রমণ সতর্কতায় বলা হয়েছে, নির্বিচার সন্ত্রাসী হামলা চালানো হতে পারে। জনাকীর্ণ এলাকা, ধর্মীয় স্থাপনা ও রাজনৈতিক সভা-সমাবেশসহ বিভিন্ন জায়গায় এই হামলা হতে পারে।
সতর্ক বার্তায় আরও বলা হয়, কিছু গোষ্ঠী এমন ব্যক্তিদের টার্গেট করেছে, যাদের ইসলাম পরিপন্থি জীবনাচরণ ও মতামত রয়েছে বলে তারা মনে করে। মাঝে মধ্যে সংখ্যালঘু ধর্মীয় গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে হামলা হয়েছে এবং পুলিশ ও নিরাপত্তাবাহিনীকে টার্গেট করা হয়েছে। প্রধান শহরগুলোতে এসব হামলায় বিস্ফোরক ব্যবহার করা হয়েছে।
বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষ পরিকল্পিত এসব হামলা মোকাবিলায় কাজ করে যাচ্ছে উল্লেখ করা হয় নোটিশে। বলা হয়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি বাড়ানো ও চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করা হতে পারে।
ভ্রমণের ক্ষেত্রে সতর্ক করে যুক্তরাজ্যের হাইকমিশন আরও বলেছে, চারপাশ সম্পর্কে আপনাকে সচেতন থাকতে হবে। বিশেষ করে পুলিশের স্থাপনাগুলোর আশপাশে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। বড় ধরনের সমাবেশ এবং পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি সংবলিত অন্যান্য জায়গা এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছে।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাজ্যের হাইকমিশন তাদের নোটিশে বলেছে, ২০২৪ সালের জুলাই ও আগস্টে বাংলাদেশজুড়ে ব্যাপক সহিংসতা হয়, যাতে অনেক মৃত্যু ও বহু আহত হয়েছে। পরিস্থিতি এখনো অস্থির। রাজনৈতিক মিছিল ও সমাবেশ এখনো অব্যাহত। এগুলো দ্রুত সহিংস হয়ে উঠতে পারে, যা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে রূপ নিতে পারে। দেশজুড়ে শহর ও নগরে বিক্ষোভ ও ধর্মঘটের সময় সহিংসতা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটতে পারে। এসব ঘটনা প্রাণঘাতীও হয়ে উঠতে পারে।
বাংলাদেশে সাম্প্রতিক অস্থিরতার একটি প্রভাব পুলিশের কর্মকাণ্ডের ওপর পড়েছে উল্লেখ করে যুক্তরাজ্যের হাইকমিশন বলেছে, দেশজুড়ে কিছু থানায় উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সেগুলোর বেশিরভাগ আবার সচল হয়েছে। তবে সব পুলিশ সদস্য কাজে ফেরেননি। ঢাকা ও অন্যান্য শহরে অপরাধী চক্রের তৎপরতা রয়েছে বলে উল্লেখ করেছে হাইকমিশন।

আটকে থাকা জাহাজগুলোর নাবিকদের মানসিক অবস্থার অবনতি নতুন করে দাবি তুলেছে— জাহাজ মালিকদের উচিত তাদের বদলে নতুন ক্রু পাঠানো। আন্তর্জাতিক নৌবিধি অনুযায়ী, বিপজ্জনক এলাকায় নাবিকদের জোর করে কাজ করানো যায় না। তবে এমন অনেকেই আছেন, যারা বাধ্য হয়ে এই ঝুঁকিপূর্ণ কাজ নিতে পারেন।
৩ ঘণ্টা আগে
আব্বাস আসলানি জানান, লেবাননে ইসরায়েলি হামলা চলতে থাকা অবস্থায় কোনো ধরনের সংলাপে বসতে রাজি নয় ইরান। তিনি বলেন, "ইরানি প্রতিনিধি দল এখনো তেহরান থেকে রওনা দেয়নি। তাদের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, যতক্ষণ লেবাননে হামলা চলবে, ততক্ষণ ইসলামাবাদে কোনো আলোচনা হবে না।"
৪ ঘণ্টা আগে
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া যুদ্ধের ঠিক ছয় সপ্তাহ পর এই আলোচনা হতে যাচ্ছে। এ আলোচনা থেকে সারা বিশ্বের মানুষের প্রত্যাশা— দুই সপ্তাহের জন্য যে যুদ্ধবিরতিতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র সম্মত হয়েছে, সেটি যুদ্ধে বন্ধের স্থায়ী রূপ পাবে। হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলবে তেলবাহী জাহাজ; ছয় সপ্তাহ ধরে বৈশ্বিক যে জ্বালানি সংকট
৫ ঘণ্টা আগে
মোতজবা খামেনি তার বার্তায় বলেন, এই যুদ্ধে ইরানের জনগণই ‘বিজয়ী পক্ষ’ এবং এই যুদ্ধে ‘বিজয়ী জাতি’ও ইরানই। যুদ্ধের প্রতিটি ক্ষতির জন্য ইরান ক্ষতিপূরণ আদায় করবে এবং এই যুদ্ধে আহতদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করবে।
৬ ঘণ্টা আগে