
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বলেছেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রধান বিজয়ী শক্তি হলো চীন ও রাশিয়া। বেইজিংয়ে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এ মন্তব্য করেন।
২ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) এক প্রতিবেদনে এ খবর দিয়েছে রুশ বার্তা সংস্থা তাস।
শি জিনপিং বলেন, ‘৯ মে এবং ৩ সেপ্টেম্বর আমরা একে অপরের অতিথি হয়ে বিশ্ব ফ্যাসিবাদবিরোধী যুদ্ধের বিজয় উদযাপনে অংশ নিই। এটি দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের একটি ভালো ঐতিহ্যে পরিণত হয়েছে। এটি প্রমাণ করে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রধান বিজয়ী দেশ ও জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য হিসেবে চীন ও রাশিয়া বড় দায়িত্ব বহন করে।’
তিনি আরও বলেন, এসব অনুষ্ঠানে চীন ও রাশিয়ার রাষ্ট্রপ্রধানদের অংশগ্রহণ প্রমাণ করে—দুই দেশই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সত্য ইতিহাস রক্ষায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে আগামী ৩ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ৮০তম বিজয় বার্ষিকী উপলক্ষে মহাপ্যারেড অনুষ্ঠিত হবে। এতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংসহ বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতারা অংশ নেবেন।
বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের বার্তা দিয়ে শি জিনপিং চীন-রাশিয়ার ঐতিহাসিক মৈত্রী ও কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও জোরালোভাবে তুলে ধরছেন।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রধান বিজয়ী শক্তি হিসেবে চীন ও রাশিয়াকে (তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন) ধরা হয় কয়েকটি কারণে:
জার্মান নাৎসি বাহিনীর বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় যুদ্ধ করেছে সোভিয়েতরা। স্টালিনগ্রাদ ও কুর্স্কের মতো যুদ্ধে নাৎসিরা ভীষণভাবে পরাজিত হয়।
সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রায় ২ কোটি ৭০ লাখ মানুষ মারা যায়।
চীনের অবদান
১৯৩৭ সাল থেকে জাপানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছে চীন। দীর্ঘ ৮ বছরের লড়াইয়ে জাপানের অনেক সামরিক শক্তি আটকে যায়। প্রায় ২ কোটি চীনা প্রাণ হারায়।
জাতিসংঘে ভূমিকা
যুদ্ধ শেষে জাতিসংঘ গঠন হয়। সোভিয়েত ইউনিয়ন ও চীন—দুই দেশই নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য হয়।
বর্তমান সময়ে গুরুত্ব
আজও চীন ও রাশিয়া বলে যে তারা যুদ্ধের প্রধান বিজয়ী। এর মাধ্যমে তারা বিশ্ব রাজনীতিতে নিজেদের ঐতিহাসিক ভূমিকা ও দায়িত্ব তুলে ধরে।

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বলেছেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রধান বিজয়ী শক্তি হলো চীন ও রাশিয়া। বেইজিংয়ে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এ মন্তব্য করেন।
২ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) এক প্রতিবেদনে এ খবর দিয়েছে রুশ বার্তা সংস্থা তাস।
শি জিনপিং বলেন, ‘৯ মে এবং ৩ সেপ্টেম্বর আমরা একে অপরের অতিথি হয়ে বিশ্ব ফ্যাসিবাদবিরোধী যুদ্ধের বিজয় উদযাপনে অংশ নিই। এটি দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের একটি ভালো ঐতিহ্যে পরিণত হয়েছে। এটি প্রমাণ করে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রধান বিজয়ী দেশ ও জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য হিসেবে চীন ও রাশিয়া বড় দায়িত্ব বহন করে।’
তিনি আরও বলেন, এসব অনুষ্ঠানে চীন ও রাশিয়ার রাষ্ট্রপ্রধানদের অংশগ্রহণ প্রমাণ করে—দুই দেশই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সত্য ইতিহাস রক্ষায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে আগামী ৩ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ৮০তম বিজয় বার্ষিকী উপলক্ষে মহাপ্যারেড অনুষ্ঠিত হবে। এতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংসহ বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতারা অংশ নেবেন।
বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের বার্তা দিয়ে শি জিনপিং চীন-রাশিয়ার ঐতিহাসিক মৈত্রী ও কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও জোরালোভাবে তুলে ধরছেন।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রধান বিজয়ী শক্তি হিসেবে চীন ও রাশিয়াকে (তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন) ধরা হয় কয়েকটি কারণে:
জার্মান নাৎসি বাহিনীর বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় যুদ্ধ করেছে সোভিয়েতরা। স্টালিনগ্রাদ ও কুর্স্কের মতো যুদ্ধে নাৎসিরা ভীষণভাবে পরাজিত হয়।
সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রায় ২ কোটি ৭০ লাখ মানুষ মারা যায়।
চীনের অবদান
১৯৩৭ সাল থেকে জাপানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছে চীন। দীর্ঘ ৮ বছরের লড়াইয়ে জাপানের অনেক সামরিক শক্তি আটকে যায়। প্রায় ২ কোটি চীনা প্রাণ হারায়।
জাতিসংঘে ভূমিকা
যুদ্ধ শেষে জাতিসংঘ গঠন হয়। সোভিয়েত ইউনিয়ন ও চীন—দুই দেশই নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য হয়।
বর্তমান সময়ে গুরুত্ব
আজও চীন ও রাশিয়া বলে যে তারা যুদ্ধের প্রধান বিজয়ী। এর মাধ্যমে তারা বিশ্ব রাজনীতিতে নিজেদের ঐতিহাসিক ভূমিকা ও দায়িত্ব তুলে ধরে।

এরদোয়ান বলেন, ধর্মীয় উৎসবগুলো মূলত সামাজিক বন্ধন, পারস্পরিক ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও সংহতিকে শক্তিশালী করার দিন। তবে এবার গাজা উপত্যকার চলমান পরিস্থিতি তুরস্কসহ পুরো বিশ্বের মুসলমানদের ঈদ উদ্যাপনে বিষাদের ছায়া ফেলেছে।
২১ ঘণ্টা আগে
টাইমস অব ইসরায়েলের খবরে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় গাজা সিটির পশ্চিমাঞ্চলের রিমাল এলাকায় এ হামলা চালায় ইসরায়েল। হামাস প্রশাসনের অধীনে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনাকারী গাজার সিভিল ডিফেন্স এজেন্সি জানায়, হামলায় কয়েকজন হতাহত হয়েছেন।
১ দিন আগে
ফজরের নামাজের পর বুধবার সকালে হাজিরা মিনার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। মিনায় গিয়ে তারা জামারাত আল-আকাবায় শয়তানের উদ্দেশে পাথর নিক্ষেপ করবেন। এ জন্য মুজদালিফা থেকেই ছোট ছোট পাথর সংগ্রহ করেছেন অনেক হজযাত্রী।
১ দিন আগে
নেতানিয়াহু বলেন, হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে আমরা এক মুহূর্তের জন্যও যুদ্ধ থামাচ্ছি না। সামনে আরও অনেক কিছু আসছে। ইসরায়েলের নাগরিকদের পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে।
১ দিন আগে