
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

রাশিয়ার পারমাণবিক মতবাদে পরিবর্তন অনুমোদন করেছেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। নতুন নীতিতে এমন কিছু শর্ত নির্ধারণ করা হয়েছে, যেগুলোর অধীনে দেশটি তার পারমাণবিক অস্ত্রাগার ব্যবহারের বিষয়টি বিবেচনা করবে।
রাশিয়ার নতুন পারমাণবিক মতবাদ অনুযায়ী, পরমাণু অস্ত্র নেই এমন কোনো দেশ যদি শক্তিধর অন্য আরেকটি রাষ্ট্রের সহযোগিতায় হামলা চালায় তবে এই হামলা রাশিয়ার ওপর এটি যৌথ আঘাত হিসেবে বিবেচিত হবে।
ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধের সহস্রতম দিনে মঙ্গলবার রাশিয়া নতুন সিদ্ধান্তটি অনুমোদন করেছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বিবিসি। এর আগে, গতকাল সোমবার রাশিয়ার ভূখণ্ডে নিজেদের তৈরি ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালাতে ইউক্রেনকে অনুমতি প্রদান করেছিল যুক্তরাষ্ট্র।
বিবিসি জানিয়েছে, রাশিয়া পারমাণবিক মতবাদে যে পরিবর্তনটি এনেছে, তা প্রস্তাব করা হয়েছিল গত সেপ্টেম্বরে। তবে প্রস্তাবটি অনুমোদন করা হয়েছে ইউক্রেন যুদ্ধের সহস্রতম দিনে।
নীতি পরিবর্তনের ফলে পারমাণবিক অস্ত্র ছাড়াও প্রচলিত ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন বা বিমানের সাহায্যে রাশিয়ার ওপর বড় কোনো হামলা চালানো হলেও হামলাকারীর বিরুদ্ধে রাশিয়া পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করবে। এ ধরনের হামলার ক্ষেত্রে বেলারুশের ওপর হামলাকেও সার্বভৌমত্বের প্রতি আঘাত হিসেবে দেখবে পুতিনের দেশ। আর আঘাতকারী দেশ যদি কোনো জোটের অধীনে থাকে তবে রাশিয়ার ওপর হামলাকে পুরো জোটের হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
পুতিন এর আগেও পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের হুমকি দিয়েছেন। নতুন পরিবর্তন ঘোষণা করে অন্যান্য দেশগুলোকে তা পড়ে দেখার আহ্বান জানিয়েছে তাঁর দপ্তর ক্রেমলিন।
নতুন পরিবর্তনের বিষয়ে ক্রেমলিন মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, ‘এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পাঠ্য। এটি একটি খুব গভীর বিশ্লেষণের বিষয় হওয়া উচিত।’
এর আগে সোমবার রাশিয়ায় হামলা চালাতে ইউক্রেনকে ATACMS ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করার অনুমতি দিলে মার্কিন পদক্ষেপের বিরুদ্ধে একটি উপযুক্ত এবং সত্যিকার প্রতিক্রিয়ার বিষয়ে সতর্ক করেছিল রাশিয়া।

রাশিয়ার পারমাণবিক মতবাদে পরিবর্তন অনুমোদন করেছেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। নতুন নীতিতে এমন কিছু শর্ত নির্ধারণ করা হয়েছে, যেগুলোর অধীনে দেশটি তার পারমাণবিক অস্ত্রাগার ব্যবহারের বিষয়টি বিবেচনা করবে।
রাশিয়ার নতুন পারমাণবিক মতবাদ অনুযায়ী, পরমাণু অস্ত্র নেই এমন কোনো দেশ যদি শক্তিধর অন্য আরেকটি রাষ্ট্রের সহযোগিতায় হামলা চালায় তবে এই হামলা রাশিয়ার ওপর এটি যৌথ আঘাত হিসেবে বিবেচিত হবে।
ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধের সহস্রতম দিনে মঙ্গলবার রাশিয়া নতুন সিদ্ধান্তটি অনুমোদন করেছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বিবিসি। এর আগে, গতকাল সোমবার রাশিয়ার ভূখণ্ডে নিজেদের তৈরি ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালাতে ইউক্রেনকে অনুমতি প্রদান করেছিল যুক্তরাষ্ট্র।
বিবিসি জানিয়েছে, রাশিয়া পারমাণবিক মতবাদে যে পরিবর্তনটি এনেছে, তা প্রস্তাব করা হয়েছিল গত সেপ্টেম্বরে। তবে প্রস্তাবটি অনুমোদন করা হয়েছে ইউক্রেন যুদ্ধের সহস্রতম দিনে।
নীতি পরিবর্তনের ফলে পারমাণবিক অস্ত্র ছাড়াও প্রচলিত ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন বা বিমানের সাহায্যে রাশিয়ার ওপর বড় কোনো হামলা চালানো হলেও হামলাকারীর বিরুদ্ধে রাশিয়া পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করবে। এ ধরনের হামলার ক্ষেত্রে বেলারুশের ওপর হামলাকেও সার্বভৌমত্বের প্রতি আঘাত হিসেবে দেখবে পুতিনের দেশ। আর আঘাতকারী দেশ যদি কোনো জোটের অধীনে থাকে তবে রাশিয়ার ওপর হামলাকে পুরো জোটের হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
পুতিন এর আগেও পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের হুমকি দিয়েছেন। নতুন পরিবর্তন ঘোষণা করে অন্যান্য দেশগুলোকে তা পড়ে দেখার আহ্বান জানিয়েছে তাঁর দপ্তর ক্রেমলিন।
নতুন পরিবর্তনের বিষয়ে ক্রেমলিন মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, ‘এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পাঠ্য। এটি একটি খুব গভীর বিশ্লেষণের বিষয় হওয়া উচিত।’
এর আগে সোমবার রাশিয়ায় হামলা চালাতে ইউক্রেনকে ATACMS ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করার অনুমতি দিলে মার্কিন পদক্ষেপের বিরুদ্ধে একটি উপযুক্ত এবং সত্যিকার প্রতিক্রিয়ার বিষয়ে সতর্ক করেছিল রাশিয়া।

দেশটির আইনপ্রণেতা জর্জ রদ্রিগেজ সোমবার সর্বশেষ সরকারি হিসাব উল্লেখ করে জানান, ভূমিকম্পে এ পর্যন্ত ১৬ হাজার ৭৪০ জন আহত হয়েছেন এবং ১৭ হাজার ৮৫৪ জন মানুষ তাঁদের ঘরবাড়ি হারিয়েছেন। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ভেনেজুয়েলার উপকূলীয় অঞ্চল কারাকাস ও লা গুয়াইরা। এই দুই অঞ্চলের ৮০টি আশ্রয়কেন্দ্রে বর্তমানে প্র
৯ ঘণ্টা আগে
কালো পোশাক পরিহিত লাখ লাখ শোকাহত মানুষ তেহরানের রাস্তায় কফিনগুলোর ওপর ফুলের পাপড়ি ছিটিয়ে শেষ শ্রদ্ধা জানান। এরপর শোকমিছিলটি অত্যন্ত ধীরগতিতে তেহরানের পশ্চিমাঞ্চলের ঐতিহাসিক আজাদি স্কয়ারের দিকে অগ্রসর হয়। কওম শহরে আজ শোকমিছিলের পর তাঁর দাফন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে
ওমানের লিমাহ উপকূলের কাছে একটি অজ্ঞাত প্রজেক্টাইলের আঘাতে দক্ষিণমুখী ওই ট্যাংকারটিতে আগুন ধরে যায় বলে নিশ্চিত করেছে যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও)।
১২ ঘণ্টা আগে
ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির পূর্বসতর্কবার্তাকে সত্য প্রমাণিত করে রুশ বাহিনী রাতভর প্রায় ৪ শতাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে এই ধ্বংসযজ্ঞ চালায়। একদিকে যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করছেন যে, ইউক্রেন যুদ্ধের সমাধান ‘মানুষের ভাবনার চেয়েও কাছাকাছি’, ঠিক তখনই মস্কোর এই রেকর্ড
১২ ঘণ্টা আগে