
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ ভূখণ্ড গাজাতে শিশুদের ওপর নিপীড়ন ও গণহত্যার কারণে ইসরায়েলের সেনাবাহিনীকে ‘কালোতালিকাভুক্ত’ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতিসংঘ। যুদ্ধনীতি ভেঙে যেসব দেশ শিশুদের ওপর নিপীড়ন চালিয়েছে, সেসব দেশকে নিয়ে এ তালিকা করেছে সংস্থাটি।
ইতিমধ্যে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের সিদ্ধান্তের আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি পেয়েছেন জানিয়ে শুক্রবার(৫জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতিসংঘে নিযুক্ত ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত গিলাদ এরদান।
নিরাপত্তা পরিষদের সভায় উত্থাপনের পর সপ্তাহখানেক বাদে আনুষ্ঠানিকভাবে এ সিদ্ধান্ত ঘোষণা করার কথা রয়েছে। খবর আল জাজিরা।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে জাতিসংঘের কর্মকর্তার সাথে এ বিষয়ে ফোনে কথা বলার ভিডিও প্রকাশ করেন এরদান। এ সময় এই পদক্ষেপের নিন্দা জানিয়ে তিনি লিখেন, "জাতিসংঘের এ সিদ্ধান্ত আপত্তিজনক এবং ভুল"
পোস্টে আন্তোনিও গুতেরেসকে কালোতালিকাভুক্ত একমাত্র মহাসচিব হিসেবে আখ্যায়িত করে গিলাদ দাবি করেন, ‘বিশ্বের সবচেয়ে নৈতিক সেনাবাহিনী ইসরায়েলের। গুতেরেস সন্ত্রাসবাদকে উৎসাহিত করেন এবং তিনি ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ঘৃণা উসকে দেন।‘
এদিকে এ–সংক্রান্ত এক ফোনকলের ভিডিও এক্সে প্রকাশ করায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক। এ বিষয়টিকে অগ্রহণযোগ্য মন্তব্য করে ডুজারিক বলেন, তাঁর ২৪ বছরের চাকরিজীবনে কোনো কূটনীতিককে এমন অপেশাদারি আচরণ করতে দেখেননি তিনি।
ডুজারিক আরও বলেন, সশস্ত্র সংঘাতে শিশুদের প্রতি আইন লঙ্ঘনকারী দেশগুলোর তালিকাসংবলিত একটি প্রতিবেদন ১৪ জুন নিরাপত্তা পরিষদের সভায় উপস্থাপন করা হবে। এর কয়েক দিন পর এ সিদ্ধান্তের কথা জাতিসংঘ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করবে। তালিকায় ইসরায়েলের সেনাবাহিনীর নামও রয়েছে।
এদিকে জাতিসংঘের এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষ। এ কর্তৃপক্ষের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা রিয়াদ মালিকি এক বিবৃতিতে বলেছেন, অনেক বিলম্বে এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গাজায় কোন ধরনের বিপর্যয় চলছে, তা বিশ্ব এখন খালি চোখেই দেখছে। সেখানে গণহত্যা চালানো হচ্ছে, বিশেষ করে নারী ও শিশুদের লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে।
এছাড়া ইসরায়েলকে কালোতালিকাভুক্ত করার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে শিশুদের অধিকার নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক সংস্থা সেভ দ্য চিলড্রেন। সংস্থাটির মানবিক নীতি ও পরামর্শবিষয়ক বিভাগের প্রধান আলেকজান্দ্রা সায়েহ বলেন, ‘এটা সত্যিকারে লজ্জাজনক ঘটনা যে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এখন পর্যন্ত গাজা যুদ্ধের অবসান ঘটাতে পারল না।’
গাজার সরকারি মিডিয়া অফিসের তথ্য অনুসারে, গত অক্টোবরের সাত তারিখ থেকে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় ৩৬ হাজার ৭০০ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে, যার মধ্যে ১৫ হাজার ৫৭১ জনই শিশু।
এছাড়া ইসরায়েলি বাহিনী গাজায় খাদ্য, পানি, ওষুধ, এমনকি অতি জরুরি চিকিৎসাসামগ্রী সরবরাহে বাধা দিয়ে আসছে। এতে করে সেখানে মানবিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। দেখা দিয়েছে দুর্ভিক্ষ। বিশেষ করে খাদ্যের অভাবে পুষ্টিহীনতায় সবচেয়ে বেশি মারা যাচ্ছে শিশুরা। যুদ্ধ পরিস্থিতিতে অবর্ণনীয় কষ্ট ভোগ করতে হচ্ছে কোমলমতি শিশুদের।
চলতি সপ্তাহে জাতিসংঘের শিশুবিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ জানিয়েছে, ফিলিস্তিনের প্রতি ১০ শিশুর ৯টিই তীব্র খাবারসংকটে ভুগছে।

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ ভূখণ্ড গাজাতে শিশুদের ওপর নিপীড়ন ও গণহত্যার কারণে ইসরায়েলের সেনাবাহিনীকে ‘কালোতালিকাভুক্ত’ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতিসংঘ। যুদ্ধনীতি ভেঙে যেসব দেশ শিশুদের ওপর নিপীড়ন চালিয়েছে, সেসব দেশকে নিয়ে এ তালিকা করেছে সংস্থাটি।
ইতিমধ্যে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের সিদ্ধান্তের আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি পেয়েছেন জানিয়ে শুক্রবার(৫জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতিসংঘে নিযুক্ত ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত গিলাদ এরদান।
নিরাপত্তা পরিষদের সভায় উত্থাপনের পর সপ্তাহখানেক বাদে আনুষ্ঠানিকভাবে এ সিদ্ধান্ত ঘোষণা করার কথা রয়েছে। খবর আল জাজিরা।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে জাতিসংঘের কর্মকর্তার সাথে এ বিষয়ে ফোনে কথা বলার ভিডিও প্রকাশ করেন এরদান। এ সময় এই পদক্ষেপের নিন্দা জানিয়ে তিনি লিখেন, "জাতিসংঘের এ সিদ্ধান্ত আপত্তিজনক এবং ভুল"
পোস্টে আন্তোনিও গুতেরেসকে কালোতালিকাভুক্ত একমাত্র মহাসচিব হিসেবে আখ্যায়িত করে গিলাদ দাবি করেন, ‘বিশ্বের সবচেয়ে নৈতিক সেনাবাহিনী ইসরায়েলের। গুতেরেস সন্ত্রাসবাদকে উৎসাহিত করেন এবং তিনি ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ঘৃণা উসকে দেন।‘
এদিকে এ–সংক্রান্ত এক ফোনকলের ভিডিও এক্সে প্রকাশ করায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক। এ বিষয়টিকে অগ্রহণযোগ্য মন্তব্য করে ডুজারিক বলেন, তাঁর ২৪ বছরের চাকরিজীবনে কোনো কূটনীতিককে এমন অপেশাদারি আচরণ করতে দেখেননি তিনি।
ডুজারিক আরও বলেন, সশস্ত্র সংঘাতে শিশুদের প্রতি আইন লঙ্ঘনকারী দেশগুলোর তালিকাসংবলিত একটি প্রতিবেদন ১৪ জুন নিরাপত্তা পরিষদের সভায় উপস্থাপন করা হবে। এর কয়েক দিন পর এ সিদ্ধান্তের কথা জাতিসংঘ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করবে। তালিকায় ইসরায়েলের সেনাবাহিনীর নামও রয়েছে।
এদিকে জাতিসংঘের এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষ। এ কর্তৃপক্ষের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা রিয়াদ মালিকি এক বিবৃতিতে বলেছেন, অনেক বিলম্বে এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গাজায় কোন ধরনের বিপর্যয় চলছে, তা বিশ্ব এখন খালি চোখেই দেখছে। সেখানে গণহত্যা চালানো হচ্ছে, বিশেষ করে নারী ও শিশুদের লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে।
এছাড়া ইসরায়েলকে কালোতালিকাভুক্ত করার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে শিশুদের অধিকার নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক সংস্থা সেভ দ্য চিলড্রেন। সংস্থাটির মানবিক নীতি ও পরামর্শবিষয়ক বিভাগের প্রধান আলেকজান্দ্রা সায়েহ বলেন, ‘এটা সত্যিকারে লজ্জাজনক ঘটনা যে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এখন পর্যন্ত গাজা যুদ্ধের অবসান ঘটাতে পারল না।’
গাজার সরকারি মিডিয়া অফিসের তথ্য অনুসারে, গত অক্টোবরের সাত তারিখ থেকে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় ৩৬ হাজার ৭০০ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে, যার মধ্যে ১৫ হাজার ৫৭১ জনই শিশু।
এছাড়া ইসরায়েলি বাহিনী গাজায় খাদ্য, পানি, ওষুধ, এমনকি অতি জরুরি চিকিৎসাসামগ্রী সরবরাহে বাধা দিয়ে আসছে। এতে করে সেখানে মানবিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। দেখা দিয়েছে দুর্ভিক্ষ। বিশেষ করে খাদ্যের অভাবে পুষ্টিহীনতায় সবচেয়ে বেশি মারা যাচ্ছে শিশুরা। যুদ্ধ পরিস্থিতিতে অবর্ণনীয় কষ্ট ভোগ করতে হচ্ছে কোমলমতি শিশুদের।
চলতি সপ্তাহে জাতিসংঘের শিশুবিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ জানিয়েছে, ফিলিস্তিনের প্রতি ১০ শিশুর ৯টিই তীব্র খাবারসংকটে ভুগছে।

ইজাদি বলেন, ইরান প্রায় ৬ হাজার কিলোমিটার স্থলসীমান্ত দ্বারা বেষ্টিত, যা বাণিজ্য চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি করে।
৩ ঘণ্টা আগে
ইরান যুদ্ধ ও মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা নিরসনের লক্ষ্যে সৌদি আরব সফর করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। বুধবার (১৫ এপ্রিল) জেদ্দায় তিনি সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে এক বৈঠকে মিলিত হন।
৪ ঘণ্টা আগে
বিশেষজ্ঞদের মতে, তেলের দাম বৃদ্ধি ও সরবরাহ শৃঙ্খলে বিঘ্ন খাদ্যপণ্যের উৎপাদন ও পরিবহন ব্যয় বাড়িয়ে দেবে, যা শেষ পর্যন্ত খাদ্যের দাম বাড়াবে এবং নিম্ন আয়ের দেশগুলোর ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করবে। যেসব দেশ খাদ্য আমদানির ওপর নির্ভরশীল, তারা এই ধাক্কা সবচেয়ে বেশি অনুভব করবে।
৬ ঘণ্টা আগে
র্যাচেল রিভস বলেন, ‘প্রশ্নটি হলো না আপনি ইরান সরকারকে পছন্দ করেন কি না। ব্যক্তিগতভাবে আমি তাদের একেবারেই পছন্দ করি না। কিন্তু মূল প্রশ্ন হলো, আপনি যে পরিবর্তন চান তা কীভাবে অর্জন করবেন।’
৬ ঘণ্টা আগে