
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

গাজায় ইসরাইলের হামলায় আরও ৮১ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে উত্তর গাজায় ইসরাইলি বাহিনীর ব্যাপক হামলায় মধ্যরাতের পর থেকে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৫১ জন।
আর দক্ষিণ গাজায় হাসপাতালে চালানো হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন আরও ৩০ জন। মূলত হাসপাতালে হামলার কয়েক ঘণ্টা পরই উত্তর গাজায় ওই হামলা চালায় ইসরাইল। খবর আলজাজিরার।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরাইলি বাহিনী গাজায় হামলা তীব্রতর করেছে এবং মধ্যরাত থেকে অন্তত ৫১ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে বলে চিকিৎসকরা ও স্বাস্থ্যকর্মীরা জানিয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ৪৫ জন উত্তর গাজায় নিহত হয়েছেন।
আলজাজিরা বলছে, দক্ষিণ গাজার ইউরোপীয় এবং নাসের হাসপাতালে ইসরাইলি বাহিনী বোমা হামলা চালিয়ে কমপক্ষে ৩০ জনকে হত্যা করার কয়েক ঘণ্টা পরেই সর্বশেষ হামলাগুলো শুরু হয়েছে। হাসপাতালে হওয়া ওই হামলায় নিহত হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে চিকিৎসা নিতে আসা এক সাংবাদিকও রয়েছেন।
এদিকে ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ইসরাইলের গণহত্যামূলক যুদ্ধে নিহত ফিলিস্তিনিদের সংখ্যা বেড়ে কমপক্ষে ৫২ হাজার ৯০৮ জনে পৌঁছেছে বলে মঙ্গলবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। এছাড়া আহত হয়েছেন আরও এক লাখ ১৯ হাজার ৭২১ জন।
দীর্ঘ ১৫ মাস সামরিক অভিযানের পর যুক্তরাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের চাপে গত ১৯ জানুয়ারি গাজায় যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয় ইসরাইল। তারপর প্রায় দুইমাস গাজায় কম-বেশি শান্তি বজায় ছিল; কিন্তু গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহারের প্রশ্নে হামাসের মতানৈক্যকে কেন্দ্র করে মার্চ মাসের তৃতীয় গত সপ্তাহ থেকে ফের গাজায় বিমান হামলা শুরু করে ইসরাইল।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুসারে, গত ১৮ মার্চ থেকে গাজায় নতুন করে শুরু হওয়া ইসরাইলি বিমান হামলায় এখন পর্যন্ত দুই হাজার ৭৮০ ফিলিস্তিনি নিহত এবং আরও প্রায় সাত হাজার ৭০০ জন আহত হয়েছেন। ইসরাইলের বর্বর এই হামলা চলতি বছরের জানুয়ারিতে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভেঙে দিয়েছে।

গাজায় ইসরাইলের হামলায় আরও ৮১ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে উত্তর গাজায় ইসরাইলি বাহিনীর ব্যাপক হামলায় মধ্যরাতের পর থেকে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৫১ জন।
আর দক্ষিণ গাজায় হাসপাতালে চালানো হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন আরও ৩০ জন। মূলত হাসপাতালে হামলার কয়েক ঘণ্টা পরই উত্তর গাজায় ওই হামলা চালায় ইসরাইল। খবর আলজাজিরার।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরাইলি বাহিনী গাজায় হামলা তীব্রতর করেছে এবং মধ্যরাত থেকে অন্তত ৫১ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে বলে চিকিৎসকরা ও স্বাস্থ্যকর্মীরা জানিয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ৪৫ জন উত্তর গাজায় নিহত হয়েছেন।
আলজাজিরা বলছে, দক্ষিণ গাজার ইউরোপীয় এবং নাসের হাসপাতালে ইসরাইলি বাহিনী বোমা হামলা চালিয়ে কমপক্ষে ৩০ জনকে হত্যা করার কয়েক ঘণ্টা পরেই সর্বশেষ হামলাগুলো শুরু হয়েছে। হাসপাতালে হওয়া ওই হামলায় নিহত হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে চিকিৎসা নিতে আসা এক সাংবাদিকও রয়েছেন।
এদিকে ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ইসরাইলের গণহত্যামূলক যুদ্ধে নিহত ফিলিস্তিনিদের সংখ্যা বেড়ে কমপক্ষে ৫২ হাজার ৯০৮ জনে পৌঁছেছে বলে মঙ্গলবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। এছাড়া আহত হয়েছেন আরও এক লাখ ১৯ হাজার ৭২১ জন।
দীর্ঘ ১৫ মাস সামরিক অভিযানের পর যুক্তরাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের চাপে গত ১৯ জানুয়ারি গাজায় যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয় ইসরাইল। তারপর প্রায় দুইমাস গাজায় কম-বেশি শান্তি বজায় ছিল; কিন্তু গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহারের প্রশ্নে হামাসের মতানৈক্যকে কেন্দ্র করে মার্চ মাসের তৃতীয় গত সপ্তাহ থেকে ফের গাজায় বিমান হামলা শুরু করে ইসরাইল।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুসারে, গত ১৮ মার্চ থেকে গাজায় নতুন করে শুরু হওয়া ইসরাইলি বিমান হামলায় এখন পর্যন্ত দুই হাজার ৭৮০ ফিলিস্তিনি নিহত এবং আরও প্রায় সাত হাজার ৭০০ জন আহত হয়েছেন। ইসরাইলের বর্বর এই হামলা চলতি বছরের জানুয়ারিতে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভেঙে দিয়েছে।

এর আগে রোববার নিজের মালিকানাধীন ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, ‘মঙ্গলবার হবে বিদ্যুৎকেন্দ্র দিবস এবং সেতু দিবস— সব একসাথে, ইরানে। এর মতো কিছু আর হবে না!!! ওই অভিশপ্ত প্রণালি খুলে দাও পাগল বেজন্মার দল, নইলে নরকে বাস করতে হবে— দেখে নিও! আল্লাহ মহান।’
৮ ঘণ্টা আগে
ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপ যাওয়ার পথে লিবিয়া উপকূলে নৌকাডুবিতে কমপক্ষে ৭০ অভিবাসনপ্রত্যাশী নিখোঁজ হয়েছেন। দুর্ঘটনায় উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের বরাতে মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস এ তথ্য প্রকাশ করে।
৯ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র, ইরান ও আঞ্চলিক কয়েকটি মধ্যস্থতাকারী দেশ সম্ভাব্য ৪৫ দিনের একটি যুদ্ধবিরতির শর্তাবলি নিয়ে আলোচনা করছে। এই আলোচনা শেষ পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের স্থায়ী অবসানের পথ তৈরি করতে পারে। রোববার (৫ এপ্রিল) এমনটাই জানিয়েছে মার্কিন অনলাইন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস।
১০ ঘণ্টা আগে
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে একের পর এক হুমকি দিয়েই যাচ্ছেন। সর্বশেষ হুমকিতে ট্রাম্প বলেছেন, আগামীকাল মঙ্গলবার পর্যন্ত তাঁর দেওয়া সময়সীমা শেষ হওয়ার আগে যদি তেহরান ওয়াশিংটনের সঙ্গে কোনো শান্তিচুক্তিতে পৌঁছাতে না পারে, তবে তিনি ‘পুরো ইরান উড়িয়ে দেবেন।’
১১ ঘণ্টা আগে