
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ডাকযোগে ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন বিধিনিষেধ কার্যকর করার উদ্যোগ আটকে দিয়েছেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। এর ফলে অঙ্গরাজ্যগুলো আগের নিয়মেই ডাকযোগে ব্যালট পাঠানো ও গ্রহণের প্রক্রিয়া চালিয়ে যেতে পারবে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও এপির খবরে বলা হয়েছে, সোমবারের (১৪ সেপ্টেম্বর) এ সিদ্ধান্তকে ট্রাম্পের জন্য বড় ধরনের আইনি ও রাজনৈতিক ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
খবরে বলা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তের ফলে ট্রাম্প প্রশাসনের নির্দেশনায় ইউএস পোস্টাল সার্ভিসের (ইউএসপিএস) তৈরি নতুন নিয়মটি আপাতত কার্যকর হচ্ছে না। এই নিয়মের মাধ্যমে ডাকযোগে ভোটের ক্ষেত্রে ভোটারদের তথ্য যাচাই এবং ব্যালটের খাম ব্যবহারে নতুন শর্ত আরোপের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।
ট্রাম্প প্রশাসনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, অঙ্গরাজ্যগুলোকে ডাকযোগে ভোট দেওয়া ভোটারদের নির্দিষ্ট তথ্য ইউএসপিএসকে দিতে হতো। একই সঙ্গে ব্যালট পাঠানোর ক্ষেত্রে নতুন ধরনের খাম, মার্কিং ও বারকোড ব্যবহারের শর্ত রাখা হয়েছিল। নির্ধারিত নিয়মের সঙ্গে কোনো ব্যালটের তথ্য বা খাম সামঞ্জস্যপূর্ণ না হলে ডাক বিভাগ সেটি গ্রহণ বা পরিবহন না করার সুযোগ পেত।
প্রশাসনের যুক্তি ছিল, এ ধরনের ব্যবস্থা ভোটের নিরাপত্তা বাড়াবে এবং ভোটে অনিয়ম ঠেকাতে সহায়তা করবে। কিন্তু ভোটাধিকার কর্মী, ডেমোক্র্যাট নেতৃত্বাধীন অঙ্গরাজ্যগুলো এবং বিভিন্ন নির্বাচন পর্যবেক্ষক গোষ্ঠী শুরু থেকেই এর বিরোধিতা করে আসছিল। তাদের আশঙ্কা ছিল, নির্বাচনের মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে ডাকযোগে ভোটের নিয়মে বড় ধরনের পরিবর্তন হাজার হাজার বৈধ ভোটকে ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে।
ডাকযোগে ভোট সীমিত করার উদ্যোগটি ট্রাম্পের মার্চের একটি নির্বাহী আদেশের পর সামনে আসে। এরপর ইউএসপিএস নতুন নিয়ম প্রণয়ন করলে তা আদালতে চ্যালেঞ্জ করা হয়।
আগস্টের শেষ দিকে ম্যাসাচুসেটসের ফেডারেল জেলা আদালতের বিচারক ইন্দিরা তালওয়ানি ইউএসপিএসকে নতুন নিয়ম কার্যকর করা থেকে সাময়িকভাবে বিরত রাখেন। পরে ৪ সেপ্টেম্বর তিনি নিষেধাজ্ঞাটি আরও বাড়ান। বিচারক বলেন, নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে অঙ্গরাজ্যগুলোর সাংবিধানিক ক্ষমতার ওপর নির্বাহী বিভাগের এমন হস্তক্ষেপের বৈধতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন রয়েছে।
ট্রাম্প প্রশাসন এরপর সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়। প্রশাসনের আইনজীবীরা সর্বোচ্চ আদালতের কাছে নিম্ন আদালতের আদেশ স্থগিত করে ইউএসপিএসকে নতুন নিয়ম কার্যকর করার অনুমতি দেওয়ার আবেদন করেন। কিন্তু সোমবার সুপ্রিম কোর্ট সেই উদ্যোগও আটকে দেন।
সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তে দুই বিচারপতি স্যামুয়েল আলিটো ও ক্ল্যারেন্স থমাস ভিন্নমত দিয়েছেন। রক্ষণশীল বিচারপতি ব্রেট কাভানাও ইঙ্গিত দিয়েছেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের বিধিনিষেধের বিষয়ে তিনি ভিন্ন অবস্থান নিতে পারেন। তবে এবারের নির্বাচনের আগে নিয়ম পরিবর্তনের ফলে যে ধরনের বিশৃঙ্খলা তৈরি হতে পারে, সেটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে।
ডাকযোগে ভোট যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনি ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সাম্প্রতিক নির্বাচনে মোট ভোটের প্রায় এক-তৃতীয়াংশই ডাকযোগে দেওয়া হয়েছে। ফলে নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে এ ব্যবস্থায় আকস্মিক পরিবর্তন ভোটার ও নির্বাচন কর্মকর্তাদের জন্য বড় ধরনের জটিলতা তৈরি করতে পারত।
বিশেষ করে যেসব অঙ্গরাজ্যে এরই মধ্যে ডাকযোগে ব্যালট পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, সেখানে নতুন ফেডারেল নিয়ম চালু হলে নির্বাচন কর্মকর্তাদের স্বল্প সময়ের মধ্যে পুরো প্রক্রিয়া বদলাতে হতো। আদালতে দাখিল করা নথিতেও বলা হয়েছে, নির্বাচনি প্রস্তুতি এরই মধ্যে অনেক দূর এগিয়ে গেছে এবং এখন বড় ধরনের পরিবর্তন করলে পুরো প্রক্রিয়ায় বিশৃঙ্খলা তৈরি হতে পারে।
ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরে ডাকযোগে ভোটের সমালোচনা করে আসছেন এবং এটিকে নির্বাচনি অনিয়মের সম্ভাব্য উৎস হিসেবে তুলে ধরেছেন। তবে ডাকযোগে ভোটে ব্যাপক জালিয়াতির অভিযোগের পক্ষে শক্ত প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
সুপ্রিম কোর্টের সোমবারের সিদ্ধান্তে অন্তত ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনের জন্য ট্রাম্প প্রশাসনের এই পরিকল্পনা বড় বাধার মুখে পড়ল। একই সঙ্গে নির্বাচন পরিচালনায় ফেডারেল সরকারের ক্ষমতা বনাম অঙ্গরাজ্যগুলোর সাংবিধানিক কর্তৃত্ব— এই পুরোনো বিতর্কও নতুন করে সামনে চলে এসেছে।

নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ডাকযোগে ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন বিধিনিষেধ কার্যকর করার উদ্যোগ আটকে দিয়েছেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। এর ফলে অঙ্গরাজ্যগুলো আগের নিয়মেই ডাকযোগে ব্যালট পাঠানো ও গ্রহণের প্রক্রিয়া চালিয়ে যেতে পারবে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও এপির খবরে বলা হয়েছে, সোমবারের (১৪ সেপ্টেম্বর) এ সিদ্ধান্তকে ট্রাম্পের জন্য বড় ধরনের আইনি ও রাজনৈতিক ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
খবরে বলা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তের ফলে ট্রাম্প প্রশাসনের নির্দেশনায় ইউএস পোস্টাল সার্ভিসের (ইউএসপিএস) তৈরি নতুন নিয়মটি আপাতত কার্যকর হচ্ছে না। এই নিয়মের মাধ্যমে ডাকযোগে ভোটের ক্ষেত্রে ভোটারদের তথ্য যাচাই এবং ব্যালটের খাম ব্যবহারে নতুন শর্ত আরোপের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।
ট্রাম্প প্রশাসনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, অঙ্গরাজ্যগুলোকে ডাকযোগে ভোট দেওয়া ভোটারদের নির্দিষ্ট তথ্য ইউএসপিএসকে দিতে হতো। একই সঙ্গে ব্যালট পাঠানোর ক্ষেত্রে নতুন ধরনের খাম, মার্কিং ও বারকোড ব্যবহারের শর্ত রাখা হয়েছিল। নির্ধারিত নিয়মের সঙ্গে কোনো ব্যালটের তথ্য বা খাম সামঞ্জস্যপূর্ণ না হলে ডাক বিভাগ সেটি গ্রহণ বা পরিবহন না করার সুযোগ পেত।
প্রশাসনের যুক্তি ছিল, এ ধরনের ব্যবস্থা ভোটের নিরাপত্তা বাড়াবে এবং ভোটে অনিয়ম ঠেকাতে সহায়তা করবে। কিন্তু ভোটাধিকার কর্মী, ডেমোক্র্যাট নেতৃত্বাধীন অঙ্গরাজ্যগুলো এবং বিভিন্ন নির্বাচন পর্যবেক্ষক গোষ্ঠী শুরু থেকেই এর বিরোধিতা করে আসছিল। তাদের আশঙ্কা ছিল, নির্বাচনের মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে ডাকযোগে ভোটের নিয়মে বড় ধরনের পরিবর্তন হাজার হাজার বৈধ ভোটকে ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে।
ডাকযোগে ভোট সীমিত করার উদ্যোগটি ট্রাম্পের মার্চের একটি নির্বাহী আদেশের পর সামনে আসে। এরপর ইউএসপিএস নতুন নিয়ম প্রণয়ন করলে তা আদালতে চ্যালেঞ্জ করা হয়।
আগস্টের শেষ দিকে ম্যাসাচুসেটসের ফেডারেল জেলা আদালতের বিচারক ইন্দিরা তালওয়ানি ইউএসপিএসকে নতুন নিয়ম কার্যকর করা থেকে সাময়িকভাবে বিরত রাখেন। পরে ৪ সেপ্টেম্বর তিনি নিষেধাজ্ঞাটি আরও বাড়ান। বিচারক বলেন, নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে অঙ্গরাজ্যগুলোর সাংবিধানিক ক্ষমতার ওপর নির্বাহী বিভাগের এমন হস্তক্ষেপের বৈধতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন রয়েছে।
ট্রাম্প প্রশাসন এরপর সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়। প্রশাসনের আইনজীবীরা সর্বোচ্চ আদালতের কাছে নিম্ন আদালতের আদেশ স্থগিত করে ইউএসপিএসকে নতুন নিয়ম কার্যকর করার অনুমতি দেওয়ার আবেদন করেন। কিন্তু সোমবার সুপ্রিম কোর্ট সেই উদ্যোগও আটকে দেন।
সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তে দুই বিচারপতি স্যামুয়েল আলিটো ও ক্ল্যারেন্স থমাস ভিন্নমত দিয়েছেন। রক্ষণশীল বিচারপতি ব্রেট কাভানাও ইঙ্গিত দিয়েছেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের বিধিনিষেধের বিষয়ে তিনি ভিন্ন অবস্থান নিতে পারেন। তবে এবারের নির্বাচনের আগে নিয়ম পরিবর্তনের ফলে যে ধরনের বিশৃঙ্খলা তৈরি হতে পারে, সেটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে।
ডাকযোগে ভোট যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনি ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সাম্প্রতিক নির্বাচনে মোট ভোটের প্রায় এক-তৃতীয়াংশই ডাকযোগে দেওয়া হয়েছে। ফলে নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে এ ব্যবস্থায় আকস্মিক পরিবর্তন ভোটার ও নির্বাচন কর্মকর্তাদের জন্য বড় ধরনের জটিলতা তৈরি করতে পারত।
বিশেষ করে যেসব অঙ্গরাজ্যে এরই মধ্যে ডাকযোগে ব্যালট পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, সেখানে নতুন ফেডারেল নিয়ম চালু হলে নির্বাচন কর্মকর্তাদের স্বল্প সময়ের মধ্যে পুরো প্রক্রিয়া বদলাতে হতো। আদালতে দাখিল করা নথিতেও বলা হয়েছে, নির্বাচনি প্রস্তুতি এরই মধ্যে অনেক দূর এগিয়ে গেছে এবং এখন বড় ধরনের পরিবর্তন করলে পুরো প্রক্রিয়ায় বিশৃঙ্খলা তৈরি হতে পারে।
ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরে ডাকযোগে ভোটের সমালোচনা করে আসছেন এবং এটিকে নির্বাচনি অনিয়মের সম্ভাব্য উৎস হিসেবে তুলে ধরেছেন। তবে ডাকযোগে ভোটে ব্যাপক জালিয়াতির অভিযোগের পক্ষে শক্ত প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
সুপ্রিম কোর্টের সোমবারের সিদ্ধান্তে অন্তত ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনের জন্য ট্রাম্প প্রশাসনের এই পরিকল্পনা বড় বাধার মুখে পড়ল। একই সঙ্গে নির্বাচন পরিচালনায় ফেডারেল সরকারের ক্ষমতা বনাম অঙ্গরাজ্যগুলোর সাংবিধানিক কর্তৃত্ব— এই পুরোনো বিতর্কও নতুন করে সামনে চলে এসেছে।

সতর্কতা জারির পর বাসিন্দাদের শান্ত থাকার পাশাপাশি অপ্রয়োজনে এক জায়গায় জড়ো না হতে এবং সতর্কতার ঘটনা বা পরিস্থিতির ভিডিও ধারণ না করার পরামর্শ দেওয়া হয়। জরুরি পরিস্থিতিতে ৯১১ নম্বরে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। বিপদ কেটে যাওয়ার কথা জানানো হলেও সতর্কবার্তায় দেওয়া নিরাপত্তা নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে
১০ ঘণ্টা আগে
টানা গোলাবারুদ ব্যবহারের ফলে মার্কিন সামরিক বাহিনীর নিজস্ব কৌশলগত অস্ত্রভাণ্ডারে বড় ধরণের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। অন্যদিকে চাহিদামতো দ্রুত নতুন অস্ত্র ও গোলাবারুদ উৎপাদনের মতো শিল্প-সক্ষমতাও এই মুহূর্তে মার্কিন ডিফেন্স সেক্টরের নেই। ফলে একদিকে অর্থনৈতিক ক্ষতি আর অন্যদিকে নতুন অস্ত্র সরবরাহের সীমাবদ্ধতা—স
১৮ ঘণ্টা আগে
লোহিত সাগরের দক্ষিণাংশে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ আরও দুটি দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা। ‘গ্রেটার হানিশ’ ও ‘লেসার হানিশ’ নামের এই দুটি দ্বীপ দখলের মধ্য দিয়ে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক নৌপথে নিজেদের অবস্থান ও নিয়ন্ত্রণ আরও শক্তিশালী করল ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীটি।
১ দিন আগে
ট্রাম্প বলেন, ‘শেষ পর্যন্ত আমরা ইরান থেকে বেরিয়ে আসব, যদি না আমরা সেখানে থেকে যাওয়ার এবং ভেনেজুয়েলার মতো তেল নিজেদের কাছে রাখার সিদ্ধান্ত নিই।’ তিনি আরও বলেন, ভেনেজুয়েলা থেকে যুক্তরাষ্ট্র যে রাজস্ব পাচ্ছে, তা দিয়ে ‘অনেকবার যুদ্ধের খরচ’ মেটানো হয়ে গেছে।
২ দিন আগে