
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

দক্ষিণ আফ্রিকার পূর্বাঞ্চলীয় ইস্টার্ন কেপ প্রদেশের কুইন্সটাউন (বর্তমান কোমানি) এলাকার একটি দোকানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ছয় বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও একজন বাংলাদেশি।
সোমবার (২৭ জুলাই) দিবাগত রাত ৩টার দিকে কুইন্সটাউন থেকে প্রায় ১৫০ কিলোমিটার দূরের সমো এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
মঙ্গলবার কুইন্সটাউনে স্থানীয় বাংলাদেশি কমিউনিটির বরাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন প্রিটোরিয়ায় বাংলাদেশের হাই কমিশনার শাহ আহমেদ শফি। অগ্নিকাণ্ডের কারণ এখনো জানা যায়নি। স্থানীয় পুলিশ ঘটনাটির তদন্ত শুরু করেছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, দোকানটির ভেতরে থাকা আবাসিক কক্ষে সাতজন বাংলাদেশি ঘুমিয়ে ছিলেন। গভীর রাতে হঠাৎ আগুন ছড়িয়ে পড়লে ছয়জন ঘটনাস্থলেই মারা যান। গুরুতর আহত অপর একজনকে উদ্ধার করে কুইন্সটাউন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
নিহতদের মধ্যে মো. ফয়সাল (২৫), মো. ফাহিম (২৮), শামীম হাসান (৩০) ও মোহাম্মদ আপনের (২৪) পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। বাকি দুইজনের পরিচয় এখনো জানা যায়নি।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, নিহত ছয়জনের সবার বাড়ি নারায়ণগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার ফতুল্লা থানার আলীরটেক ও বক্তাবলী ইউনিয়নে। আহত ব্যক্তির বাড়ি মুন্সীগঞ্জের রিকাবিবাজার এলাকায়।
এর আগেও দক্ষিণ আফ্রিকায় অগ্নিকাণ্ডে বাংলাদেশিদের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। ২০১৮ সালের ২০ অক্টোবর নর্থ ওয়েস্ট প্রদেশের ব্রিটস শহরের একটি দোকানে আগুন লেগে ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার একই পরিবারের তিনজনসহ চার বাংলাদেশি নিহত হন। এছাড়া ২০২৪ সালের ৩০ অক্টোবর কোয়াজুলু-নাটাল প্রদেশের পিটারম্যারিটজবার্গের একটি বাণিজ্যিক কমপ্লেক্সে অগ্নিকাণ্ডে আরও দুই বাংলাদেশির মৃত্যু হয়।

দক্ষিণ আফ্রিকার পূর্বাঞ্চলীয় ইস্টার্ন কেপ প্রদেশের কুইন্সটাউন (বর্তমান কোমানি) এলাকার একটি দোকানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ছয় বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও একজন বাংলাদেশি।
সোমবার (২৭ জুলাই) দিবাগত রাত ৩টার দিকে কুইন্সটাউন থেকে প্রায় ১৫০ কিলোমিটার দূরের সমো এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
মঙ্গলবার কুইন্সটাউনে স্থানীয় বাংলাদেশি কমিউনিটির বরাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন প্রিটোরিয়ায় বাংলাদেশের হাই কমিশনার শাহ আহমেদ শফি। অগ্নিকাণ্ডের কারণ এখনো জানা যায়নি। স্থানীয় পুলিশ ঘটনাটির তদন্ত শুরু করেছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, দোকানটির ভেতরে থাকা আবাসিক কক্ষে সাতজন বাংলাদেশি ঘুমিয়ে ছিলেন। গভীর রাতে হঠাৎ আগুন ছড়িয়ে পড়লে ছয়জন ঘটনাস্থলেই মারা যান। গুরুতর আহত অপর একজনকে উদ্ধার করে কুইন্সটাউন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
নিহতদের মধ্যে মো. ফয়সাল (২৫), মো. ফাহিম (২৮), শামীম হাসান (৩০) ও মোহাম্মদ আপনের (২৪) পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। বাকি দুইজনের পরিচয় এখনো জানা যায়নি।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, নিহত ছয়জনের সবার বাড়ি নারায়ণগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার ফতুল্লা থানার আলীরটেক ও বক্তাবলী ইউনিয়নে। আহত ব্যক্তির বাড়ি মুন্সীগঞ্জের রিকাবিবাজার এলাকায়।
এর আগেও দক্ষিণ আফ্রিকায় অগ্নিকাণ্ডে বাংলাদেশিদের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। ২০১৮ সালের ২০ অক্টোবর নর্থ ওয়েস্ট প্রদেশের ব্রিটস শহরের একটি দোকানে আগুন লেগে ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার একই পরিবারের তিনজনসহ চার বাংলাদেশি নিহত হন। এছাড়া ২০২৪ সালের ৩০ অক্টোবর কোয়াজুলু-নাটাল প্রদেশের পিটারম্যারিটজবার্গের একটি বাণিজ্যিক কমপ্লেক্সে অগ্নিকাণ্ডে আরও দুই বাংলাদেশির মৃত্যু হয়।

প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে চলা নিয়মিত মার্কিন বিমান হামলা এবং পালটাপালটি আক্রমণ বন্ধ হওয়ার মধ্য দিয়ে একটি যুদ্ধবিরতীর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে
মেক্সিকো সিটির নিরাপত্তা বিষয়ক সচিবালয় ঘটনাটিকে একটি ‘সরাসরি লক্ষ্যভিত্তিক হামলা’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গুলিতে ৪২ বছর বয়সি এক ব্যক্তি প্রাণ হারিয়েছেন এবং আহত অপর দুই ব্যক্তির বয়সই ৩৯ বছর। হামলা চালিয়ে সন্দেহভাজন ব্যক্তি মোটরসাইকেলে করে পালিয়ে যান।
১৩ ঘণ্টা আগে
গ্যাসক্ষেত্রে হামলার প্রায় একই সময়ে সুলাইমানিয়া থেকে ২০০ কিলোমিটার দূরে কুর্দিস্তানের রাজধানী এরবিলেও পরপর বেশ কয়েকটি বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে বিস্ফোরণের তীব্রতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী,
১৩ ঘণ্টা আগে
বর্তমানে সবচেয়ে লক্ষণীয় পরিবর্তন হচ্ছে, যুদ্ধের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে যে সীমিত সমর্থন ছিল, সেটিও টালমাটাল হয়ে পড়ছে। প্রায় টানা দুই সপ্তাহ রাতভর হামলার পর আপাতত মার্কিন সামরিক অভিযান স্থগিত রয়েছে। তবে ট্রাম্প প্রশাসন বিভিন্ন সময়ই সংঘাত আরও বাড়ানোর ইঙ্গিত দিয়ে আসছে।
১ দিন আগে