
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানের অন্যতম শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলি লারিজানিকে হত্যার দাবি করেছে দখলদার ইসরায়েল। তবে এই চাঞ্চল্যকর দাবির কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই লারিজানির অফিসিয়াল এক্স (আগে টুইটার) অ্যাকাউন্ট থেকে একটি হাতে লেখা নোট বা চিঠির ছবি পোস্ট করা হয়েছে।
তেহরানের পক্ষ থেকে লারিজানির নিহত হওয়ার ব্যাপারে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য না আসায় এই পোস্টটি এখন বড় ধরনের রহস্যের জন্ম দিয়েছে।
লারিজানির এক্স অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত হাতে লেখা নোটটি মূলত সম্প্রতি মার্কিন হামলায় নিহত ইরানি নৌবাহিনীর সদস্যদের স্মরণে লেখা। মঙ্গলবার তাদের দাফন হওয়ার কথা রয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যমেও শেয়ার করা ওই নোটে লারিজানি লিখেছেন, “ইরানের নৌবাহিনীর বীর শহীদদের বিদায় অনুষ্ঠান উপলক্ষে: তাদের স্মৃতি চিরকাল ইরানি জাতির হৃদয়ে অমর হয়ে থাকবে। এই শাহাদাত সশস্ত্র বাহিনীর কাঠামোতে ইরানি সেনাবাহিনীর ভিত্তিকে আগামী বহু বছর ধরে আরও শক্তিশালী করবে। আমি মহান আল্লাহর কাছে এই প্রিয় শহীদদের সর্বোচ্চ মর্যাদা প্রার্থনা করছি।”
এর আগে, লারিজানিকে হত্যার দাবি করে ইসরায়েল। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ দাবি করেছেন, সোমবার রাতে তেহরানে এক ‘লক্ষ্যভিত্তিক হামলায়’ লারিজানি নিহত হয়েছেন।
লারিজানিকে সর্বশেষ জনসমক্ষে দেখা গিয়েছিল গত শুক্রবার তেহরানে আয়োজিত আল-কুদস দিবসের সমাবেশে। সেখানে তিনি ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে মিছিলে অংশ নেন।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু করার পর থেকেই ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে আসছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। এসব হামলায় দেশটির ৮৬ বছর বয়সী সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সামরিক কমান্ডার নিহত হয়েছেন।

ইরানের অন্যতম শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলি লারিজানিকে হত্যার দাবি করেছে দখলদার ইসরায়েল। তবে এই চাঞ্চল্যকর দাবির কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই লারিজানির অফিসিয়াল এক্স (আগে টুইটার) অ্যাকাউন্ট থেকে একটি হাতে লেখা নোট বা চিঠির ছবি পোস্ট করা হয়েছে।
তেহরানের পক্ষ থেকে লারিজানির নিহত হওয়ার ব্যাপারে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য না আসায় এই পোস্টটি এখন বড় ধরনের রহস্যের জন্ম দিয়েছে।
লারিজানির এক্স অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত হাতে লেখা নোটটি মূলত সম্প্রতি মার্কিন হামলায় নিহত ইরানি নৌবাহিনীর সদস্যদের স্মরণে লেখা। মঙ্গলবার তাদের দাফন হওয়ার কথা রয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যমেও শেয়ার করা ওই নোটে লারিজানি লিখেছেন, “ইরানের নৌবাহিনীর বীর শহীদদের বিদায় অনুষ্ঠান উপলক্ষে: তাদের স্মৃতি চিরকাল ইরানি জাতির হৃদয়ে অমর হয়ে থাকবে। এই শাহাদাত সশস্ত্র বাহিনীর কাঠামোতে ইরানি সেনাবাহিনীর ভিত্তিকে আগামী বহু বছর ধরে আরও শক্তিশালী করবে। আমি মহান আল্লাহর কাছে এই প্রিয় শহীদদের সর্বোচ্চ মর্যাদা প্রার্থনা করছি।”
এর আগে, লারিজানিকে হত্যার দাবি করে ইসরায়েল। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ দাবি করেছেন, সোমবার রাতে তেহরানে এক ‘লক্ষ্যভিত্তিক হামলায়’ লারিজানি নিহত হয়েছেন।
লারিজানিকে সর্বশেষ জনসমক্ষে দেখা গিয়েছিল গত শুক্রবার তেহরানে আয়োজিত আল-কুদস দিবসের সমাবেশে। সেখানে তিনি ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে মিছিলে অংশ নেন।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু করার পর থেকেই ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে আসছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। এসব হামলায় দেশটির ৮৬ বছর বয়সী সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সামরিক কমান্ডার নিহত হয়েছেন।

ইরানের এই কবি আরও বলেন, পৃথিবীর সবচেয়ে জঘন্য মানুষটি এখনো কেন বেঁচে আছে? ট্রাম্পের জন্য পৃথিবী আর নিরাপদ নয়। যে ব্যক্তি আমাদের ইমামকে হত্যা করেছে, তাকে আমরা কেন হত্যা করব না? যদি তা না করি, সেটাই হবে আমাদের জন্য লজ্জার।
৯ ঘণ্টা আগে
আলি খামেনির জন্য নারী-পুরুষ, বৃদ্ধ-শিশু নির্বিশেষে লাখ লাখ মানুষের রাস্তায় নেমে আসা এবং তার জন্য কান্নায় ভেঙে পড়ার দৃশ্যে ‘বিস্মিত হয়েছেন’ বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বলেছেন, তার ধারণা ছিল ইরানের জনগণ আলি খামেনিকে ঘৃণা করে!
১১ ঘণ্টা আগে
গত মাসে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে সই হওয়া একটি অন্তর্বর্তী চুক্তির মাধ্যমে দীর্ঘ চার মাসব্যাপী চলা সংঘাত অবসানের ঘোষণা আসে। এই চুক্তির আওতায় পারস্য উপসাগরে যুদ্ধপূর্ব সামুদ্রিক চলাচল পুনরায় শুরুর বিষয়ে দুই পক্ষ একমত হয়। তবে উপসাগরের ভেতরে ও বাইরে জাহাজ চলাচল নিয়ে বিতর্ক এখনো পুরোপুরি শেষ হয়নি।
১৩ ঘণ্টা আগে
এর আগে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধের জন্য হওয়া প্রাথমিক চুক্তিতে বলা হয়েছিল, ৬০ দিন পর্যন্ত বাণিজ্যিক জাহাজগুলো কোনো ফি ছাড়াই হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচল করতে পারবে। তবে এই ৬০ দিনের পর কী নিয়ম হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
১৪ ঘণ্টা আগে