
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতুতে আবারও হামলার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে তিনি এটিও বলেছেন, ইরানে আর খুব বেশি এগোতে চায় না যুক্তরাষ্ট্র।
বিবিসির খবরে বলা হয়, সোমবার (৬ এপ্রিল) রাতে হোয়াইট হাউজে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, তারা আত্মসমর্পণ না করলে যুক্তরাষ্ট্র তাদের অবকাঠামোতে হামলা চালিয়ে যাবে।
ট্রাম্প হুমকি দিয়ে বলেন, আর যদি তারা তা (আত্মসমর্পণ) না করে, তাহলে তাদের কোনো সেতু থাকবে না। কোনো বিদ্যুৎকেন্দ্র থাকবে না। কিছুই থাকবে না।
ইরানে হামলা করে সেখান থেকে সব তেল নিয়ে এলেও কারও কিছু করার থাকবে না বলে সতর্ক করে দিয়েছেন ট্রাম্প। তবে সেখানে আর খুব বেশি এগোতে চান না বলেও জানান তিনি। এর কারণ হিসেবে বলেছেন, মার্কিনিরাই সেটা চাইছেন না।
ট্রাম্প বলেন, ‘আমার হাতে যদি সুযোগ থাকত, তাহলে আমি কী করতাম? আমি সেখান থেকে তেল নিয়ে আসতাম। কারণ নিয়ে আসার জন্যই ওখানে (তেল) আছে। আমরা যদি সেটা করতে চাই, তাহলে তারা কিছুই করতে পারবে না।’
সেটি করবেন না জানিয়েই মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমেরিকার জনগণ চায়, আমরা দেশে ফিরে আসি। যদি আমার ওপর নির্ভর করত, আমি তাদের সব তেল নিয়ে নিতাম, সেটি নিজের কাছে রাখতাম। অনেক অর্থ উপার্জন করতাম এবং একই সঙ্গে ইরানের জনগণের দেখভালও করতাম।’
ইরানের ওপর যখন ব্যাপক বোমাবর্ষণ চলছে, এমন সময়ে ট্রাম্প বলেন, এসব বোমাবর্ষণ বন্ধ হয়ে গেলে ইরানের লোকজনই সবচেয়ে অখুশি হবে।
ইরানকে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্রের মালিক হতে দেওয়া হবে না— এ কথার পুনরাবৃত্তি করে ট্রাম্প বলেন, তারা হলো উন্মাদ। আর উন্মাদের হাতে পারমাণবিক অস্ত্র দেওয়া যায় না।
ইরানে মার্কিন বিমান বিধ্বস্ত হওয়া ও বিমান সেনা উদ্ধার প্রসঙ্গে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, একটি ‘লাকি শট’ বা ভাগ্যক্রমে গুলি লেগেছিল। এই মুহূর্তে হয়তো আমাদের বেশ কিছু হেলিকপ্টারে তাদের গুলির দাগ আছে।
এর আগে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া না হলে ইরানে বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতু গুঁড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিতে বুধবার ট্রুথ স্যোশালে অশালীন শব্দ ব্যবহার করেছিলেন ট্রাম্প। এ প্রসঙ্গে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে ট্রাম্প বলেন, বিষয়টির গুরুত্ব বোঝাতে চেয়েছি। আমার ধারণা, আপনারা শব্দটা আগেও শুনেছেন।

ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতুতে আবারও হামলার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে তিনি এটিও বলেছেন, ইরানে আর খুব বেশি এগোতে চায় না যুক্তরাষ্ট্র।
বিবিসির খবরে বলা হয়, সোমবার (৬ এপ্রিল) রাতে হোয়াইট হাউজে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, তারা আত্মসমর্পণ না করলে যুক্তরাষ্ট্র তাদের অবকাঠামোতে হামলা চালিয়ে যাবে।
ট্রাম্প হুমকি দিয়ে বলেন, আর যদি তারা তা (আত্মসমর্পণ) না করে, তাহলে তাদের কোনো সেতু থাকবে না। কোনো বিদ্যুৎকেন্দ্র থাকবে না। কিছুই থাকবে না।
ইরানে হামলা করে সেখান থেকে সব তেল নিয়ে এলেও কারও কিছু করার থাকবে না বলে সতর্ক করে দিয়েছেন ট্রাম্প। তবে সেখানে আর খুব বেশি এগোতে চান না বলেও জানান তিনি। এর কারণ হিসেবে বলেছেন, মার্কিনিরাই সেটা চাইছেন না।
ট্রাম্প বলেন, ‘আমার হাতে যদি সুযোগ থাকত, তাহলে আমি কী করতাম? আমি সেখান থেকে তেল নিয়ে আসতাম। কারণ নিয়ে আসার জন্যই ওখানে (তেল) আছে। আমরা যদি সেটা করতে চাই, তাহলে তারা কিছুই করতে পারবে না।’
সেটি করবেন না জানিয়েই মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমেরিকার জনগণ চায়, আমরা দেশে ফিরে আসি। যদি আমার ওপর নির্ভর করত, আমি তাদের সব তেল নিয়ে নিতাম, সেটি নিজের কাছে রাখতাম। অনেক অর্থ উপার্জন করতাম এবং একই সঙ্গে ইরানের জনগণের দেখভালও করতাম।’
ইরানের ওপর যখন ব্যাপক বোমাবর্ষণ চলছে, এমন সময়ে ট্রাম্প বলেন, এসব বোমাবর্ষণ বন্ধ হয়ে গেলে ইরানের লোকজনই সবচেয়ে অখুশি হবে।
ইরানকে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্রের মালিক হতে দেওয়া হবে না— এ কথার পুনরাবৃত্তি করে ট্রাম্প বলেন, তারা হলো উন্মাদ। আর উন্মাদের হাতে পারমাণবিক অস্ত্র দেওয়া যায় না।
ইরানে মার্কিন বিমান বিধ্বস্ত হওয়া ও বিমান সেনা উদ্ধার প্রসঙ্গে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, একটি ‘লাকি শট’ বা ভাগ্যক্রমে গুলি লেগেছিল। এই মুহূর্তে হয়তো আমাদের বেশ কিছু হেলিকপ্টারে তাদের গুলির দাগ আছে।
এর আগে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া না হলে ইরানে বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতু গুঁড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিতে বুধবার ট্রুথ স্যোশালে অশালীন শব্দ ব্যবহার করেছিলেন ট্রাম্প। এ প্রসঙ্গে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে ট্রাম্প বলেন, বিষয়টির গুরুত্ব বোঝাতে চেয়েছি। আমার ধারণা, আপনারা শব্দটা আগেও শুনেছেন।

দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের তথ্যমতে, ক্যাপ্টেন হকিন্স বলেছেন, হামলাগুলো বন্দর আব্বাসের কাছাকাছি একটি এলাকাকে লক্ষ্য করে চালানো হয়েছে। বন্দর আব্বাস ইরানের দক্ষিণের একটি বন্দর শহর এবং হরমুজ প্রণালির কাছে অবস্থিত একটি ইরানি নৌঘাঁটির আবাসস্থল।
১০ ঘণ্টা আগে
দুই মার্কিন কর্মকর্তা আরও জানান, ট্রাম্প মুসলিম দেশগুলোর নেতাদের স্পষ্ট করে বলেন, যারা এখনো আব্রাহাম অ্যাকর্ডসের অংশ নন বা ইসরায়েলের সঙ্গে যাদের কোনো শান্তি চুক্তি নেই, তারা যেন ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর এই জোটে যোগ দেন এবং ইহুদি রাষ্ট্রটির সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করে ফেলেন।
১ দিন আগে
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সবশেষ এক পোস্টে ট্রাম্প বলেছেন, সমঝোতার আলোচনা ‘গঠনমূলকভাবে এগোচ্ছে’। তবে এ নিয়ে তাড়াহুড়া না করতে বলেছেন তিনি। অন্যদিকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, এ চুক্তি নিয়ে দুই দেশ ‘খুব কাছাকাছি এলেও এখনো দূরেও রয়ে গেছে’।
১ দিন আগে
স্কুলশিক্ষিকার সঙ্গে পুতিনের সেই সৌজন্য সাক্ষাতের দৃশ্যটি মূলত পশ্চিমা গণমাধ্যমের সেই দাবিকে উড়িয়ে দেওয়ার জন্যই সুনিপুণভাবে সাজানো হয়েছিল। গত ২৫ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকা রুশ নেতা নিজের যে ভাবমূর্তি গড়ে তুলেছেন, এটি ছিল তারই বহিঃপ্রকাশ— একজন আত্মবিশ্বাসী, সাধারণ মানুষের কাছের রাষ্ট্রনেতা, যিনি ব্যস্ততার
২ দিন আগে