
টিম রাজনীতি ডটকম

সেমিফাইনালে স্পেনকে প্রথম গোল এনে দেওয়া স্ট্রাইকার মিকেল ওয়াইসারবালকে তুলে নিয়েছেন কোচ ফুয়েন্তে। তবে কৌশলে বদল আনেননি। তার বদলে মাঠে নেমেছেন আরেক স্ট্রাইকার ফেরান তোরেস।
হাইড্রেশন ব্রেকের পর খেলা পুনরায় শুরু। ফ্রান্স দুটি পরিবর্তন এনেছে। ডিফেন্ডার দিনিয়ে উঠে গেছেন, তার বদলে মাঠে এসেছেন থিও হার্নান্দেজ। অন্যদিকে মাঝমাঠে নিষ্প্রভ ওলিসেকে তুলে নিয়েছেন দেশম, তার বদলে নামিয়েছেন রায়ান চেরকিকে।
এমবাপ্পে ডান প্রান্তে বলের নিয়ন্ত্রণ পেয়ে যান। পোস্টের বাম দিকের নিচের কোণ লক্ষ্য করে একটি নিচু ও জোরালো শট নেন। কুকুরেয়া কর্নারের বিনিময়ে রক্ষা করেন।
কর্নার থেকে সিমন বল লুফে নিয়ে ডান প্রান্তে ইয়ামালকে খুঁজে নেওয়ার জন্য দূরপাল্লার শট বাড়ান। মাইনঁ ডি-বক্স থেকে অনেকখানি সামনে চলে এসে হেড করে বল ক্লিয়ার করেন।
ফ্রান্স অবশেষে আক্রমণাত্মক ছন্দ খুঁজে পেয়েছে বলে মনে হচ্ছে। তবে স্পেনও কিছুটা সামলে রেখে রক্ষণভাগ সামলাতে অস্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছে বলে মনে হচ্ছে না। সম্ভবত স্পেন হাইড্রেশন ব্রেকের অপেক্ষা করছে।
আগের কর্নার থেকে আরেকটি কর্নার পেয়ে যায় ফ্রান্স। এবার কর্নারটি থেকে নিয়ার পোস্টে থাকা চুয়ামেনি ডি-বক্সের ভেতর থেকে হেড করলেও তা লক্ষ্যে না থাকায় কোনো বিপদ বয়ে আনতে পারেনি স্পেনের জন্য।
২ গোলে পিছিয়ে পড়ার বেশ কিছুক্ষণ পর শেষ পর্যন্ত আক্রমণে উঠতে পেরেছে ফ্রান্স। এমবাপ্পে মাথা নিচু করে গতি বাড়িয়ে বাম প্রান্ত দিয়ে পোরোকে পেছনে ফেলে ছুটে যান। বাঁ দিক থেকে দুরূহ কোন থেকে জোরালো শটও নেন। সিমন কর্নারের বিনিময়ে আক্রমণটি রক্ষা করেন।
২ গোলের লিড নিয়েও যেন ক্ষুধা কমেনি স্পেনের। এবার বল জালে জড়ালেন বিস্ময়বালক ইয়ামাল। তবে তার দারুণ গোলটি অফসাইডে বাতিল হয়ে গেছে।
ইয়ামাল ডান প্রান্ত দিয়ে বল পেয়ে বক্সে ঢুকে পড়েন, এরপর দারুণভাবে শরীর ঘুরিয়ে ডিফেন্ডারকে বোকা বানিয়ে পোস্টের বাঁ দিকের ওপরের কোণ লক্ষ্য করে এক বাঁকানো শটে বল জালে পাঠান। অফসাইডে বাতিল না হলে দারুণ এক গোলের সাক্ষী হতো বিশ্বকাপ।

দাপট ধরে রেখে দ্বিতীয় গোলের দেখা পেল স্পেন। ৫৮ মিনিটের মাথায় পেদ্রো পোরোর গোলে এগিয়ে গেল তারা। সেমিফাইনালে জয়ের সুবাসও যেন পেতে শুরু করেছে স্প্যানিশরা।
কৌশলগত পরিবর্তনের দিকে ঝুঁকতে হচ্ছে ফ্রান্সকে। এবার বারকোলাকে তুলে নিয়েছেন দেশম। তার জায়গায় নেমেছেন দুয়ে।
বারকোলা বাম প্রান্তে কিছুটা ফাঁকা জায়গা পেয়ে যান। মাঝমাঠে সতীর্থদের পাস দেওয়ার সুযোগ থাকলেও তিনি নিজে একাই পোরোকে কাটিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। ডিফেন্ডারকে পরাস্ত করে বল তার পাশ দিয়ে বাড়িয়ে দেন। তবে বলের গতি নিয়ন্ত্রণে ছিল না। সিমন সহজেই বলের নিয়ন্ত্রণ নেন। ফ্রান্সের পক্ষে কোনো পরিকল্পনাই যেন কাজে লাগছে না।
ইয়ামাল দারুণভাবে দিনিয়েকে ড্রিবল করে বল নিয়ে ক্ষিপ্র গতিতে ছুটে যান মাঝমাঠ থেকে। তবে যে গতিতে এগিয়ে যেতে পারলে গোলের সুযোগ তৈরি হতো, সেটি করতে পারেননি ইয়ামাল। বারকোলা তার পেছনে ছোটেন এবং শেষ পর্যন্ত তার কাছ থেকে বল কেড়ে নিতে সক্ষম হন।
ওয়াইসারবাল বাম প্রান্তের ভেতরের দিক দিয়ে কিছুটা ফাঁকা জায়গায় শরীর ঘুরিয়ে বলের নিয়ন্ত্রণ নেন এবং পেনাল্টি বক্সের প্রান্ত থেকে একটি জোরালো শট নেন। তবে শটটি গোলপোস্টে রাখতে পারেননি তিনি।
বলের দখল ধরে রেখেছে স্পেন। তাতে ক্রমেই মেজাজ হারাচ্ছে ফ্রান্স। শারীরিকভাবেও আগ্রাসন দেখাচ্ছে। লাক্রোয়া অপ্রয়োজনীয়ভাবেই ওয়াইসারবালকে পিঠে ধাক্কা দেন। ওয়াইসারবাল কিছুক্ষণ মাঠে শুয়ে থাকেন। স্পেন সম্ভবত সময় নষ্ট করার কৌশল শুরু করেছে।
পেদ্রো পেরোর বাড়ানো বল দারুণভাবে রিসিভ করে ফ্রান্সের ডি-বক্সে ঢুকে পড়েছিলেন লামিনে ইয়ামাল। অল্পের জন্য ফিনিশিং টাচ দিতে পারেননি। লাইন্সম্যান অবশ্য পরে অফসাইডের পতাকা তুলেছেন।
দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরু হয়েছে। হলুদ কার্ড থাকা রাবিওকে অনুমিতভাবেই এ অর্ধে নামায়নি ফ্রান্স। তার বদলে মাঠে নেমেছেন মানু কোনে। স্পেন দলে কোনো পরিবর্তন আসেনি।

বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালের প্রথমার্ধের খেলা শেষ হয়েছে। প্রথমার্ধ শেষে ১-০ গোলের লিড নিয়ে বিরতিতে গিয়েছে স্পেন। গতবারের রানার-আপ ফ্রান্স পিছিয়ে থেকে শুরু করবে দ্বিতীয়ার্ধ।
ম্যাচের ২০ মিনিটের মাথায় ডি-বক্সের মধ্যে লামিনে ইয়ামাল ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টি দেন রেফারি। মিকেল ওইয়ারসাবাল স্পট কিক থেকে স্পেনকে ১-০ গোলে এগিয়ে দেন।
ওই এক গোলের পর আর কোনো গোল হয়নি। তবে ম্যাচের শুরু থেকে দাপট দেখিয়েছে স্প্যানিশরা। পরের দিকে ফ্রান্সও কিছু সুযোগ তৈরি করলেও তারা ম্যাচে ফেরার জন্য যথেষ্ট ছিল না। স্প্যানিশ আক্রমণভাগ যেমন বারবার ফ্রান্সের রক্ষণকে হুমকির মুখে ফেলেছে, তেমনি ফ্রান্সের আক্রমণভাগও বারবারই ব্যর্থ হয়ে ফিরে এসেছে স্পেনের রক্ষণের বাধায়।
দ্বিতীয়ার্ধের খেলাতেও মানসিকভাবে তাই এগিয়ে থেকে শুরু করবে স্পেন। প্রথমার্ধের পারফরম্যান্স বলছে, ফ্রান্সের সক্ষমতা থাকলেও স্পেন তাদের আক্রমণভাগকে গোলের সুস্পষ্ট সুযোগ তৈরি করতে দিচ্ছে না সহজে। ফলে ফ্রান্সকে ভিন্ন কিছু করে দেখাতে হলে দিদিয়ের দেশমকে ট্যাকটিক্যাল কোনো পরিবর্তনের পথে হাঁটতে হবে বলেই মনে হচ্ছে।
দারুণ সুযোগ তৈরি করেছিল ফ্রান্স। কুন্দে ডান প্রান্ত থেকে ডি-বক্সের মধ্যে দারুণ একটি পাস বাড়ান। নিচু ও জোরালো ক্রসটির কাছাকাছি যাওয়ার চেষ্টা করেন এমবাপ্পে। কিন্তু নিয়ার পোস্টের খুব কাছাকাছি পৌঁছেও বলের নাগাল পাননি তিনি। অল্পের জন্য সুযোগ হাতছাড়া ফ্রান্সের।
প্রথমার্ধের নির্ধারিত ৪৫ মিনিটের খেলা শেষে ৬ মিনিটের ইনজুরি টাইম দিয়েছেন রেফারি।
রাবিও লাফিয়ে উঠে রুইসের ওপর চড়াও হন এবং তার পায়ে আঘাত করেন। এ ধরনের ফাউলের ক্ষেত্রে হলুদ কার্ড হতে পারে বলে জানান ধারাভাষ্যকাররা। ভাগ্য ভালো, রাবিও কার্ড দেখেননি। নইলে দুই হলুদ কার্ডে তাকে মাঠ ছাড়তে হতো। রাবিও যেভাবে খেলছেন, তাতে দ্বিতীয়ার্ধে তাকে নাও নামানো হতে পারে।
উসমান দেম্বেলে লুইসের গায়ে গিয়ে ধাক্কা খেলে রেফারি ফ্রি-কিকের বাঁশি বাজান। এমন সময়ে ভিএআর তথা ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারির হস্তক্ষেপ। তাতে রেফারি তার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেন। ভিএআরের হস্তক্ষেপ নিয়ে ক্ষুব্ধ দেশম।
বারকোলা বাম প্রান্তের ভেতরের দিক দিয়ে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগ চিরে নিখুঁত পাস বাড়িয়ে দিয়েছিলেন এমবাপ্পের দিকে। এমবাপ্পে এবার ছিলেন অনসাইডেই। কিন্তু গোলবারে থাকা সিমন আগেই বিপদ আঁচ করতে পেরেছিলেন। ডি-বক্স থেকে অনেকটা বেরিয়ে এসে দ্রুত ছুটে এসে ট্যাকল করে এমবাপ্পেকে আটকে দেন এবং বল ক্লিয়ার করেন। সিমনের নিখুঁত টাইমিংয়ে বিপদ থেকে বাঁচল স্পেন। তা না হলে এ ধরনের বলে এমবাপ্পের গোল না করাটাই অস্বাভাবিক।
উপামেকানো ডান প্রান্ত দিয়ে দূরপাল্লার এক দারুণ পাস বাড়ান। দেখে মনে হচ্ছিল এমবাপ্পে বলের নাগাল পেয়ে গেছেন। তার সামনে মাঝমাঠে পাস দেওয়ার মতো খেলোয়াড়ও ছিলেন। কিন্তু তখনই অফসাইডের জন্য লাইন্সম্যানের পতাকা ওপরে ওঠে।
মাইনেঁর একটি বাজে পাস মাঝপথেই রুখে দেন বায়েনা। এরপর স্পেন ফরাসি পেনাল্টি বক্সের সামনে বাম থেকে ডান প্রান্তে বল আদান-প্রদান করতে থাকে। ওলমো দারুণ এক ব্যাকফ্লিকে বল বাড়ান ইয়ামালের দিকে।
ইয়ামাল নিজে শট নিতে পারতেন, কিন্তু তিনি তা না করে লুইসের দিকে পাস বাড়িয়ে দেন। লুইস বলটিকে পোস্টের ডানদিকের নিচের কোণ দিয়ে জালে জড়ানোর চেষ্টা করেন, কিন্তু ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে বলটি বাইরে চলে যায়। কর্নারের বিনিময়ে রক্ষা পায় ফ্রান্স।
দীর্ঘ সময় পর ফ্রান্সের আক্রমণ। বারকোলা বাম প্রান্ত থেকে দারুণভাবে ডি-বক্সের ভেতরে ঢোকার জায়গা তৈরি করেন। গোলপোস্টের ডান দিকের ওপরের কোণ লক্ষ্য করে শট নেন নিজেই। কিন্তু শটটি অনেক উঁচু হওয়ায় বাইরে দিয়ে চলে যায়।
ওভারল্যাপ করে দৌড়ানো দিনিয়ে ছিলেন বারকোলার নাগালেই। তাকে রিভার্স পাস দিলে হয়তো ফ্রান্স সুযোগ কাজে লাগালেও লাগাতে পারত।
মাঝমাঠ বরাবর একটি সাধারণ দূরপাল্লার শটেই ফ্রান্স রক্ষণভাগ প্রায় পরাস্ত হয়ে যাচ্ছিল। সিমন বলটি দূর থেকে বাড়িয়ে দেন, উপামেকানোর আগেই বায়েনা বলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেন এবং মাইনঁকে প্রায় কাটিয়েই ফেলেছিলেন। তবে বায়েনার চতুর চিপ শট শেষ পর্যন্ত গোলবারের বাম দিক দিয়ে বাইরে চলে যায়। অবশ্য এর মধ্যে অফসাইডের জন্য পতাকা তোলেন লাইন্সম্যান।
পিছিয়ে পড়ার পর ফ্রান্স অনেকটাই বিপর্যস্ত। এর মধ্যেই ওলমো ও কুকুরেয়া বাম প্রান্ত দিয়ে নিজেদের মধ্যে পাস আদান-প্রদান করে ফরাসি রক্ষণভাগ প্রায় ভেঙেই ফেলেছিলেন। তবে উপামেকানো কোনোমতে শেষ মুহূর্তে বলটিকে ক্লিয়ার করে বিপদমুক্ত করেন দলকে।
মাত্র কয়েক সেকেন্ডের ব্যবধানে দুই দুইবার ওলিসেকে বাজেভাবে ফাউল করেন স্প্যানিশ ডিফেন্ডার কুকুরেয়া। তার জন্য হলুদ কার্ড খেতে হয়েছে তাকে।
ফরাসি ডিফেন্ডার উইলিয়াম সালিবা চোট পেয়ে মাঠ ছেড়েছেন। তার পক্ষে আর মাঠে ফেরা সম্ভব হয়নি। ২৯ মিনিটের মাথায় তার জায়গায় নেমেছেন ম্যাক্সেন ল্যাক্রয়ঁ।

ম্যাচের মাত্র ২০ মিনিটের মাথায় লামিনে ইয়ামালকে ডি-বক্সে ফাউল করে স্পেনকে পেনাল্টি উপহার দিয়েছেন লুকাস দিনিয়ে। রেফারি সরাসরি পেনাল্টির বাঁশি বাজান ফাউলের সঙ্গে সঙ্গে। মিকেল ওইয়ারসাবাল স্পট কিক থেকে স্পেনকে ১-০ গোলে এগিয়ে দিয়েছেন।
১৫ মিনিটের মাথায় মাঝমাঠে রদ্রির অ্যাংকেলে বাজে ফাউল করেছিলেন ওলিসে। ধারাভাষ্যকাররা বলছেন, এ ধরনের ফাউলে সরাসরি লাল কার্ড দেখানোও অযৌক্তিক নয়। ওলিসে অবশ্য শেষ পর্যন্ত কোনো কার্ডই পাননি।
খেলার শুরু থেকেই বলের দখল আর নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছে স্পেন। এর মধ্যে ফ্রান্স ১৩ মিনিটে পালটা আক্রমণের সুযোগ পেয়ে যায়। উসমান দেম্বেলে ভালো পাস বাড়িয়েছিলেন সামনে একা থাকা এমবাপ্পের কাছে। এমবাপ্পে শেষ পর্যন্ত বল টেনে নিয়ে যেতে পারেননি গোলপোস্ট পর্যন্ত। তার গতি বিবেচনায় এমন সুযোগ গোলে পরিণত হওয়া অস্বাভাবিক ছিল না।
ম্যাচের ১০ মিনিটের মাথায় স্পেনের দানি ওলমোকে ফাউল করেছেন ফ্রান্সের আদ্রিয়াঁ রাবিও। ফ্রান্সের ডি-বক্সের কাছাকাছি ফ্রি-কিকটি অবশ্য কাজে লাগাতে পারেনি স্পেন।

প্রথম সেমিফাইনালে ফ্রান্স ও স্পেন দুই দলই কাছাকাছি ফরমেশন নিয়ে মাঠে নেমেছে। এর মধ্যে ফ্রান্স খেলছে ৪-২-৩-১ ফরমেশনে। অন্যদিকে স্পেনের ফরমেশন ৪-১-২-৩।
গোলরক্ষক মাইক মাইনিয়েঁর ওপরে ফ্রান্সের রক্ষণভাগ সামলানোর দায়িত্ব থাকছে জুলস কুন্দে, দায়োত উপামেকানো, উইলিয়াম সালিবা ও লুকাস দিনিয়ের ওপর।
রক্ষণভাগের ওপর থাকছেন দুই ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার অরিলিয়াঁ চুয়ামেনি ও আদ্রিয়াঁ রাবিও।
ফরাসি অ্যাটাকিং মিডে মাঝে থাকছেন মাইকেল ওলিসে, বাঁয়ে ব্র্যাডলি বারকোলা আর ডানে উসমান দেম্বেলে। আর স্ট্রাইকার হিসেবে সবার সামনে রয়েছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে।
এদিকে স্পেনের গোলরক্ষক হিসেবে রয়েছেন উনাই সিমন। তার সামনে রক্ষণভাগে রয়েছেন চার সেনানী— পেদ্রো পোরো, পাউ কুবারসি, এমেরিক লাপোর্ত ও কুকুরেয়া।
ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার হিসেবে রয়েছেন রদ্রি। তার সামনে দুজন মিডফিল্ডার ফাবিয়ান রুইজ আর দানি ওলমো।
আর আক্রমণভাগে বাঁয়ে আলেক্স বায়েনা ও ডানে লামিনে ইয়ামালের সঙ্গে মাঝে রয়েছেন মিকেল ওইয়ারসাবাল।
সেমিফাইনালের মহারণে মাঠে নামছে ফ্রান্স ও স্পেন। হাইভোল্টেজ এ ম্যাচে বেলজিয়ামের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে খেলা একাদশ অপরিবর্তিত রেখেছে স্পেন। অন্যদিকে মরক্কোর বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে যে একাদশ নিয়ে মাঠে নেমেছিল ফ্রান্স, সেই দলে দুটি পরিবর্তন এসেছে।
ফ্রান্সে দেজিরে দুয়ের জায়গায় শুরুর একাদশে সুযোগ পেয়েছেন ব্র্যাডলি বারকোলা, অরিলিয়াঁ চুয়ামেনি ফেরায় বাদ পড়েছেন মানু কোনো। চোটের কারণে আগের ম্যাচে খেলা হয়নি চুয়ামেনির।
উনাই সিমন (গোলরক্ষক), পেদ্রো পোরো, পাউ কুবারসি, এমেরিক লাপোর্ত, কুকুরেয়া, রদ্রি, ফাবিয়ান রুইজ, দানি ওলমো, লামিনে ইয়ামাল, আলেক্স বায়েনা, মিকেল ওইয়ারসাবাল।
মাইক মাইনিয়ঁ, জুলস কুন্দে, উইলিয়াম সালিবা, দায়োত উপামেকানো, লুকাস দিনিয়ে, আদ্রিয়াঁ রাবিও, অরিলিয়াঁ চুয়ামেনি, ব্র্যাডলি বারকোলা, মাইকেল ওলিসে, উসমান দেম্বেলে, কিলিয়ান এমবাপ্পে।
শেষ চারের লড়াইয়ে নেমে এসেছে বিশ্বকাপ ফুটবল। এখন কেবল দুই সেমিফাইনাল শেষে শিরোপার দাবিদার দুই দলের ফাইনালে ওঠার পালা। তাতে প্রথম সেমিফাইনালে মুখোমুখি ফ্রান্স ও স্পেন, ফিফা র্যাংকিংয়ের যথাক্রমে প্রথম ও তৃতীয় দল। হাইভোল্টেজ এ ম্যাচের সবশেষ আপডেট পেতে সঙ্গে থাকুন রাজনীতি ডটকমের।