
ক্রীড়া প্রতিবেদক

দীর্ঘ দুই দশকের অপেক্ষার অবসান। শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ব্যাট ও বল হাতে পূর্ণ আধিপত্য দেখিয়ে দাপুটে এক জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ। মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে সফরকারীদের ৮৬ রানে হারিয়ে সিরিজে শুভসূচনা করেছে টাইগাররা। ব্যাট হাতে চার বছর পর দলে ফেরা মোসাদ্দেক হোসেনের ক্যারিয়ারসেরা ইনিংস এবং বল হাতে নাহিদ রানার আগুনঝরা গতির সামনে অসহায় আত্মসমর্পণ করেছে অস্ট্রেলিয়া।
মঙ্গলবার (৯ জুন) সকালে টসে হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৮৪ রান সংগ্রহ করে। জবাবে ৪২ ওভার ২ বলে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৯১ রানে থামে অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস। মিরপুরে বৃষ্টি শুরু হলে খেলা আর মাঠে গড়ায়নি। ফলে ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতিতে ৮৬ রানের বড় জয় নিয়ে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল স্বাগতিকরা।
বাংলাদেশের ইনিংসের শুরুটা অবশ্য আশানুরূপ ছিল না। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই নাথান এলিসের বলে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে মাত্র ৫ রান করে ফিরে যান সাইফ হাসান। দ্রুত একটি উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। তবে সেই চাপ বেশিক্ষণ স্থায়ী হতে দেননি তানজিদ হাসান তামিম ও নাজমুল হোসেন শান্ত।
দুই ব্যাটার শুরু থেকেই ইতিবাচক ক্রিকেট খেলতে থাকেন। এলিস ও বার্টলেটের নিয়ন্ত্রিত বোলিং সামলে সুযোগ পেলেই বাউন্ডারি হাঁকান তারা। পাওয়ার প্লে শেষে বাংলাদেশের রান দাঁড়ায় ৬২/১। এরপর আরও আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠেন দুজন। দ্বিতীয় উইকেটে ৯৬ রানের জুটি গড়ে দলের ভিত শক্ত করেন তারা।
চেনা আক্রমণাত্মক মেজাজে ব্যাট করে ৪১ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন তানজিদ। ইনিংসজু ড়ে খেলেন কয়েকটি চমৎকার ড্রাইভ ও পুল শট। তবে বড় ইনিংসের সম্ভাবনা জাগিয়েও ৪৪ বলে ৫৪ রান করে এলিসের শিকার হন তিনি। তার ইনিংসে ছিল ৭টি চার ও ১টি ছক্কা।
এক প্রান্তে দায়িত্বশীল ব্যাটিং চালিয়ে যান শান্ত। শুরুতে জীবন পাওয়া এই বাঁহাতি ব্যাটার ধৈর্যের সঙ্গে ইনিংস গড়ে তোলেন। ফিফটি পূর্ণ করার পরও সাবলীল ছিলেন তিনি। কিন্তু দলকে আরও বড় জায়গায় নিয়ে যাওয়ার আগেই ৮৬ বলে ৬৭ রান করে কুপার কনোলির হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। তার ইনিংসে ছিল প্রয়োজনীয় স্থিরতা ও ম্যাচ পরিস্থিতি বোঝার দক্ষতা।
শান্তর বিদায়ের পর দ্রুতই ছন্দ হারায় বাংলাদেশ। লিটন দাস মাত্র ৭ রান করে আউট হন। তাওহিদ হৃদয়ও শুরু থেকেই রান তুলতে সংগ্রাম করেন। একসময় ১ উইকেটে ১১০ রানের বেশি থাকা বাংলাদেশ হঠাৎ করেই ৩৪ রানের মধ্যে হারায় ৩ গুরুত্বপূর্ণ উইকেট। তখন মনে হচ্ছিল ২৫০ রানও হয়তো কঠিন হয়ে যাবে।
সেই পরিস্থিতিতে দলের ত্রাতা হয়ে আবির্ভূত হন মোসাদ্দেক হোসেন। প্রায় চার বছর পর ওয়ানডে দলে ফিরে তিনি খেলেন দায়িত্বশীল ও পরিণত এক ইনিংস। শুরুতে ধৈর্য ধরে উইকেটে থিতু হন, পরে ধীরে ধীরে রান তোলার গতি বাড়ান।
তাওহিদ হৃদয়ের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ে ইনিংস পুনর্গঠন করেন মোসাদ্দেক। হৃদয় ৫১ বলে ৩১ রান করে বিদায় নিলেও নিজের দায়িত্ব পালন করে যান তিনি। এরপর মেহেদী হাসান মিরাজও মাত্র ৩ রান করে আউট হলে বাংলাদেশের ওপর আবার চাপ বাড়ে।
তবে ততক্ষণে ছন্দ খুঁজে পেয়েছেন মোসাদ্দেক। অস্ট্রেলিয়ার ফিল্ডারদের দেওয়া সুযোগও কাজে লাগান তিনি। কুপার কনোলি তার সহজ একটি ক্যাচ ছেড়ে দিলে সেই জীবনকে বড় ইনিংসে রূপ দেন এই অলরাউন্ডার। ফিফটি পূর্ণ করার পর আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন তিনি। শেষদিকে তাসকিন আহমেদকে সঙ্গে নিয়ে দ্রুত রান তুলে অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন।
শেষ পর্যন্ত ৬টি চার ও ৩টি ছক্কার সাহায্যে ৮৬ রানে অপরাজিত থাকেন মোসাদ্দেক। এটি তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ ইনিংস। দীর্ঘদিন পর জাতীয় দলে ফিরে এমন একটি ইনিংস খেলে নির্বাচকদের আস্থার প্রতিদানও দিলেন তিনি।
২৮৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই ধাক্কা খায় অস্ট্রেলিয়া। বৃষ্টির কারণে কিছুটা বিলম্বে শুরু হওয়া ইনিংসের প্রথম ওভারেই তাসকিন আহমেদের দুর্দান্ত ইনসুইং ডেলিভারিতে বোল্ড হয়ে যান ম্যাথু শর্ট। পরের ওভারেই মোস্তাফিজুর রহমানের ভেতরে ঢোকা বলে এলবিডব্লিউ হন মারনাস লাবুশেন। মাত্র ২ রানেই ২ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে সফরকারীরা।
অধিনায়ক জশ ইংলিস ও কুপার কনোলি কিছুটা প্রতিরোধের চেষ্টা করেন। তবে নাহিদ রানার অতিরিক্ত গতি তাদের স্বস্তিতে থাকতে দেয়নি। ১৯ রান করা ইংলিসকে ফিরিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্রেকথ্রু এনে দেন এই তরুণ পেসার।
এরপর কুপার কনোলি ৩৫ ও অ্যালেক্স ক্যারি ৪৭ রান করে কিছুটা লড়াইয়ের ইঙ্গিত দেন। কিন্তু মধ্য ওভারে মোসাদ্দেকের স্পিনে কনোলি বোল্ড হন। পরের ওভারেই এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন ম্যাথু রেনশ। ম্যাচ তখন পুরোপুরি বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণে।
এরপর শুরু হয় নাহিদ রানার গতির প্রদর্শনী। ঘণ্টায় ১৪৫ থেকে ১৫০ কিলোমিটার গতির ধারাবাহিক বোলিংয়ে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটারদের নাস্তানাবুদ করে ছাড়েন তিনি। তার বাউন্সার সামলাতে গিয়ে লিয়াম স্কট ও জেভিয়ার বার্টলেট ক্যাচ তুলে দেন। অ্যালেক্স ক্যারির গুরুত্বপূর্ণ উইকেটও তুলে নেন তিনি।
৫ উইকেট না পেলেও ৪ উইকেট শিকার করে ম্যাচের সবচেয়ে প্রভাবশালী বোলার ছিলেন নাহিদ। মোস্তাফিজুর রহমান ও মোসাদ্দেক হোসেন নেন ২টি করে উইকেট, তাসকিন আহমেদ পান ১টি উইকেট।
শেষ পর্যন্ত ৪২ ওভার ২ বলে ১৯১ রানে থামে অস্ট্রেলিয়া। ফলে ৮৬ রানের বড় ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে বাংলাদেশ। এই জয়ের মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে ক্রিকেটে দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটাল বাংলাদেশ। ২০০৫ সালের ১৮ জুন কার্ডিফে ঐতিহাসিক জয়ের পর এবারই প্রথম অস্ট্রেলিয়াকে হারাল টাইগাররা। সেই ম্যাচে মোহাম্মদ আশরাফুলের সেঞ্চুরির গল্প ছিল বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা অধ্যায়।
দুই দশকেরও বেশি সময় পর মিরপুরে মোসাদ্দেক, নাহিদ, শান্ত ও তানজিদদের হাত ধরে রচিত হলো নতুন এক স্মরণীয় অধ্যায়। সিরিজের প্রথম ম্যাচেই এমন দাপুটে জয় আত্মবিশ্বাসে ভরিয়ে দেবে বাংলাদেশ শিবিরকে। অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়ার জন্য এটি ছিল ব্যাটিং, বোলিং ও ফিল্ডিং— তিন বিভাগেই হতাশার এক দিন।

দীর্ঘ দুই দশকের অপেক্ষার অবসান। শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ব্যাট ও বল হাতে পূর্ণ আধিপত্য দেখিয়ে দাপুটে এক জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ। মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে সফরকারীদের ৮৬ রানে হারিয়ে সিরিজে শুভসূচনা করেছে টাইগাররা। ব্যাট হাতে চার বছর পর দলে ফেরা মোসাদ্দেক হোসেনের ক্যারিয়ারসেরা ইনিংস এবং বল হাতে নাহিদ রানার আগুনঝরা গতির সামনে অসহায় আত্মসমর্পণ করেছে অস্ট্রেলিয়া।
মঙ্গলবার (৯ জুন) সকালে টসে হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৮৪ রান সংগ্রহ করে। জবাবে ৪২ ওভার ২ বলে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৯১ রানে থামে অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস। মিরপুরে বৃষ্টি শুরু হলে খেলা আর মাঠে গড়ায়নি। ফলে ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতিতে ৮৬ রানের বড় জয় নিয়ে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল স্বাগতিকরা।
বাংলাদেশের ইনিংসের শুরুটা অবশ্য আশানুরূপ ছিল না। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই নাথান এলিসের বলে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে মাত্র ৫ রান করে ফিরে যান সাইফ হাসান। দ্রুত একটি উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। তবে সেই চাপ বেশিক্ষণ স্থায়ী হতে দেননি তানজিদ হাসান তামিম ও নাজমুল হোসেন শান্ত।
দুই ব্যাটার শুরু থেকেই ইতিবাচক ক্রিকেট খেলতে থাকেন। এলিস ও বার্টলেটের নিয়ন্ত্রিত বোলিং সামলে সুযোগ পেলেই বাউন্ডারি হাঁকান তারা। পাওয়ার প্লে শেষে বাংলাদেশের রান দাঁড়ায় ৬২/১। এরপর আরও আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠেন দুজন। দ্বিতীয় উইকেটে ৯৬ রানের জুটি গড়ে দলের ভিত শক্ত করেন তারা।
চেনা আক্রমণাত্মক মেজাজে ব্যাট করে ৪১ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন তানজিদ। ইনিংসজু ড়ে খেলেন কয়েকটি চমৎকার ড্রাইভ ও পুল শট। তবে বড় ইনিংসের সম্ভাবনা জাগিয়েও ৪৪ বলে ৫৪ রান করে এলিসের শিকার হন তিনি। তার ইনিংসে ছিল ৭টি চার ও ১টি ছক্কা।
এক প্রান্তে দায়িত্বশীল ব্যাটিং চালিয়ে যান শান্ত। শুরুতে জীবন পাওয়া এই বাঁহাতি ব্যাটার ধৈর্যের সঙ্গে ইনিংস গড়ে তোলেন। ফিফটি পূর্ণ করার পরও সাবলীল ছিলেন তিনি। কিন্তু দলকে আরও বড় জায়গায় নিয়ে যাওয়ার আগেই ৮৬ বলে ৬৭ রান করে কুপার কনোলির হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। তার ইনিংসে ছিল প্রয়োজনীয় স্থিরতা ও ম্যাচ পরিস্থিতি বোঝার দক্ষতা।
শান্তর বিদায়ের পর দ্রুতই ছন্দ হারায় বাংলাদেশ। লিটন দাস মাত্র ৭ রান করে আউট হন। তাওহিদ হৃদয়ও শুরু থেকেই রান তুলতে সংগ্রাম করেন। একসময় ১ উইকেটে ১১০ রানের বেশি থাকা বাংলাদেশ হঠাৎ করেই ৩৪ রানের মধ্যে হারায় ৩ গুরুত্বপূর্ণ উইকেট। তখন মনে হচ্ছিল ২৫০ রানও হয়তো কঠিন হয়ে যাবে।
সেই পরিস্থিতিতে দলের ত্রাতা হয়ে আবির্ভূত হন মোসাদ্দেক হোসেন। প্রায় চার বছর পর ওয়ানডে দলে ফিরে তিনি খেলেন দায়িত্বশীল ও পরিণত এক ইনিংস। শুরুতে ধৈর্য ধরে উইকেটে থিতু হন, পরে ধীরে ধীরে রান তোলার গতি বাড়ান।
তাওহিদ হৃদয়ের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ে ইনিংস পুনর্গঠন করেন মোসাদ্দেক। হৃদয় ৫১ বলে ৩১ রান করে বিদায় নিলেও নিজের দায়িত্ব পালন করে যান তিনি। এরপর মেহেদী হাসান মিরাজও মাত্র ৩ রান করে আউট হলে বাংলাদেশের ওপর আবার চাপ বাড়ে।
তবে ততক্ষণে ছন্দ খুঁজে পেয়েছেন মোসাদ্দেক। অস্ট্রেলিয়ার ফিল্ডারদের দেওয়া সুযোগও কাজে লাগান তিনি। কুপার কনোলি তার সহজ একটি ক্যাচ ছেড়ে দিলে সেই জীবনকে বড় ইনিংসে রূপ দেন এই অলরাউন্ডার। ফিফটি পূর্ণ করার পর আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন তিনি। শেষদিকে তাসকিন আহমেদকে সঙ্গে নিয়ে দ্রুত রান তুলে অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন।
শেষ পর্যন্ত ৬টি চার ও ৩টি ছক্কার সাহায্যে ৮৬ রানে অপরাজিত থাকেন মোসাদ্দেক। এটি তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ ইনিংস। দীর্ঘদিন পর জাতীয় দলে ফিরে এমন একটি ইনিংস খেলে নির্বাচকদের আস্থার প্রতিদানও দিলেন তিনি।
২৮৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই ধাক্কা খায় অস্ট্রেলিয়া। বৃষ্টির কারণে কিছুটা বিলম্বে শুরু হওয়া ইনিংসের প্রথম ওভারেই তাসকিন আহমেদের দুর্দান্ত ইনসুইং ডেলিভারিতে বোল্ড হয়ে যান ম্যাথু শর্ট। পরের ওভারেই মোস্তাফিজুর রহমানের ভেতরে ঢোকা বলে এলবিডব্লিউ হন মারনাস লাবুশেন। মাত্র ২ রানেই ২ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে সফরকারীরা।
অধিনায়ক জশ ইংলিস ও কুপার কনোলি কিছুটা প্রতিরোধের চেষ্টা করেন। তবে নাহিদ রানার অতিরিক্ত গতি তাদের স্বস্তিতে থাকতে দেয়নি। ১৯ রান করা ইংলিসকে ফিরিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্রেকথ্রু এনে দেন এই তরুণ পেসার।
এরপর কুপার কনোলি ৩৫ ও অ্যালেক্স ক্যারি ৪৭ রান করে কিছুটা লড়াইয়ের ইঙ্গিত দেন। কিন্তু মধ্য ওভারে মোসাদ্দেকের স্পিনে কনোলি বোল্ড হন। পরের ওভারেই এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন ম্যাথু রেনশ। ম্যাচ তখন পুরোপুরি বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণে।
এরপর শুরু হয় নাহিদ রানার গতির প্রদর্শনী। ঘণ্টায় ১৪৫ থেকে ১৫০ কিলোমিটার গতির ধারাবাহিক বোলিংয়ে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটারদের নাস্তানাবুদ করে ছাড়েন তিনি। তার বাউন্সার সামলাতে গিয়ে লিয়াম স্কট ও জেভিয়ার বার্টলেট ক্যাচ তুলে দেন। অ্যালেক্স ক্যারির গুরুত্বপূর্ণ উইকেটও তুলে নেন তিনি।
৫ উইকেট না পেলেও ৪ উইকেট শিকার করে ম্যাচের সবচেয়ে প্রভাবশালী বোলার ছিলেন নাহিদ। মোস্তাফিজুর রহমান ও মোসাদ্দেক হোসেন নেন ২টি করে উইকেট, তাসকিন আহমেদ পান ১টি উইকেট।
শেষ পর্যন্ত ৪২ ওভার ২ বলে ১৯১ রানে থামে অস্ট্রেলিয়া। ফলে ৮৬ রানের বড় ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে বাংলাদেশ। এই জয়ের মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে ক্রিকেটে দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটাল বাংলাদেশ। ২০০৫ সালের ১৮ জুন কার্ডিফে ঐতিহাসিক জয়ের পর এবারই প্রথম অস্ট্রেলিয়াকে হারাল টাইগাররা। সেই ম্যাচে মোহাম্মদ আশরাফুলের সেঞ্চুরির গল্প ছিল বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা অধ্যায়।
দুই দশকেরও বেশি সময় পর মিরপুরে মোসাদ্দেক, নাহিদ, শান্ত ও তানজিদদের হাত ধরে রচিত হলো নতুন এক স্মরণীয় অধ্যায়। সিরিজের প্রথম ম্যাচেই এমন দাপুটে জয় আত্মবিশ্বাসে ভরিয়ে দেবে বাংলাদেশ শিবিরকে। অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়ার জন্য এটি ছিল ব্যাটিং, বোলিং ও ফিল্ডিং— তিন বিভাগেই হতাশার এক দিন।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছেন দেশের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল। ৭৪টি ভোটের মধ্যে ৭৩টি ভোট পেয়ে তিনি বিসিবির ১৭তম সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। বোর্ডের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন ফাহিম সিনহা।
২ দিন আগে
এর আগে মার্কিন কর্মকর্তারা শুক্রবার জানান, ইরানের সব খেলোয়াড় এবং ‘প্রয়োজনীয় সহায়ক কর্মীদের’ ভিসা দেওয়া হয়েছে। ইরানকে ‘মিথ্যা অজুহাতে সন্ত্রাসীদের যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকিয়ে দেওয়ার জন্য এই ব্যবস্থার অপব্যবহার করতে দেওয়া হবে না।’
২ দিন আগে
জয়ে প্রস্তুতি সারলেও ম্যাচের মাত্র ১৫ মিনিটের মাথায় বাঁ কুঁচকির ব্যথায় মাঠ ছাড়তে হয়েছে ব্রাজিলিয়ান রাইটব্যাক ওয়েসলিকে। তাকে নিয়ে বিশ্বকাপে অনিশ্চয়তাও তৈরি হয়েছে। কোচ কার্লো আনচেলত্তি জানিয়েছেন, পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ খেলতে না পারলে তার বিকল্প
২ দিন আগে
স্কালোনি বলেন, ‘লিও ভালো আছে। শুক্রবার সে দলের সঙ্গে অনুশীলনের একটি অংশে অংশ নিয়েছে, যা ইতিবাচক। সে পুরোপুরি আলাদা নয়, ধীরে ধীরে এগোচ্ছে। এই দুই প্রীতি ম্যাচের যেকোনো একটিতে কিছু সময়ের জন্য তাকে মাঠে দেখা যেতে পারে। সেটা আগামী ম্যাচে হবে নাকি তার পরেরটিতে, সেটি আমরা দেখব।’
৩ দিন আগে