
ক্রীড়া প্রতিবেদক

দীর্ঘ ১৫ বছর পর দ্বিপক্ষীয় ওয়ানডে সিরিজে অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হয়ে আত্মবিশ্বাসী ব্যাটিংয়ে বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দিয়েছে বাংলাদেশ। মিরপুরের শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে ওপেনার তানজিদ হাসানের ঝড়ো অর্ধশতক ও নাজমুল হোসেন শান্তর দায়িত্বশীল ফিফটিতে স্বাগতিকরা শক্ত অবস্থানে পৌঁছেছে।
ম্যাচের শুরুতে টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠান অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক জশ ইংলিস। নতুন বলে পেসার নাথান এলিসের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে শুরুতে কিছুটা চাপে পড়ে বাংলাদেশ। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই ব্যক্তিগত ৫ রান করে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন সাইফ হাসান। এলিসের বাইরে যাওয়া বল খোঁচা দিতে গিয়ে মারনাস লাবুশেনের হাতে ধরা পড়েন তিনি।
শুরুর এই ধাক্কার পর ক্রিজে থাকা তানজিদ হাসান ও নতুন ব্যাটসম্যান নাজমুল হোসেন শান্ত ধীরে ধীরে ইনিংস গুছিয়ে নেন। যদিও শুরুতে অস্ট্রেলিয়ার বোলাররা লাইন-লেন্থ ধরে রেখে চাপ সৃষ্টি করছিলেন, তবে দুই ব্যাটসম্যান ধৈর্য ধরে সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেন।
পঞ্চম ওভারে অবশ্য শান্তকে ফিরিয়ে দেওয়ার সুযোগ পেয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। এলিসের বলে খোঁচা দিলে দ্বিতীয় স্লিপে দাঁড়িয়ে থাকা লাবুশেন ক্যাচ নিতে ব্যর্থ হন। সেই জীবন পেয়ে পরে অস্ট্রেলিয়ান বোলারদের ওপর চড়াও হন বাংলাদেশের এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান।
পাওয়ার প্লের প্রথম ১০ ওভারে ১ উইকেটে ৬২ রান তোলে বাংলাদেশ। এ সময় তানজিদ ও শান্ত দুজনই একটি করে ছক্কা হাঁকান। উইকেটে থিতু হওয়ার পর দুজনের ব্যাট থেকেই আসে নিয়মিত বাউন্ডারি। ফলে শুরুতে উইকেট হারানোর ধাক্কা দ্রুতই কাটিয়ে ওঠে স্বাগতিকরা।
আক্রমণাত্মক মেজাজে ব্যাট করতে থাকা তানজিদ মাত্র ৪১ বলে নিজের অর্ধশতক পূর্ণ করেন। চলতি বছরে ওয়ানডেতে এটি ছিল তার চতুর্থ পঞ্চাশোর্ধ্ব ইনিংস। এর আগে একটি সেঞ্চুরিও করেছেন তিনি। ফিফটি পূর্ণ করার পথে তানজিদ সাবলীল ড্রাইভ, পুল ও কাট শটে মুগ্ধ করেন দর্শকদের।
তবে ইনিংস বড় করার আগেই থামতে হয় তাকে। অর্ধশতক পূর্ণ করার কিছুক্ষণ পর নাথান এলিসের ধীরগতির বলে টাইমিং করতে না পেরে ক্যাচ দেন জেভিয়ার বার্টলেটের হাতে। ৪৪ বলে ৭ চার ও ১ ছক্কায় ৫৪ রানের দারুণ ইনিংস খেলে সাজঘরে ফেরেন এই ওপেনার।
তানজিদের বিদায়ের আগে তার সঙ্গে শান্তর দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে আসে ৯৬ মূল্যবান রান। এই জুটিই মূলত বাংলাদেশের ইনিংসকে শক্ত ভিত্তি এনে দেয়।
তানজিদের বিদায়ের পর উইকেটে আসেন অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান লিটন দাস। অন্য প্রান্তে শান্ত নিজের ইনিংসকে এগিয়ে নিয়ে যান পরিণত ব্যাটিংয়ে। শুরুতে কিছুটা ধীরগতিতে খেললেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠেন তিনি। জীবন পাওয়ার সুযোগটি পুরোপুরি কাজে লাগিয়ে তুলে নেন নিজের অর্ধশতক।
শান্তর ফিফটি বাংলাদেশের জন্য ছিল বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এক প্রান্ত ধরে রেখে তিনি ইনিংসকে এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি নতুন ব্যাটসম্যানদের সঙ্গে জুটি গড়ার কাজটিও সফলভাবে করছিলেন। তার ব্যাটে ভর করেই বড় সংগ্রহের স্বপ্ন দেখতে শুরু করে বাংলাদেশ।
এক সময় মিরপুরের আকাশ ঘন মেঘে ঢেকে গেলেও বৃষ্টির শঙ্কা কেটে যায়। ফ্লাডলাইট জ্বালানোর প্রয়োজন হলেও পরে আবার রোদ ফিরে আসে, যা স্বস্তি এনে দেয় খেলোয়াড় ও দর্শকদের।
এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ২০ ওভার ৩ বলে ২ উইকেট হারিয়ে ১২১ রান। ফিফটি করা শান্ত ও লিটন দাস ক্রিজে থেকে ইনিংস এগিয়ে নিচ্ছেন। হাতে পর্যাপ্ত উইকেট থাকায় শেষ দিকে দ্রুত রান তুলে বড় সংগ্রহ গড়ার সুযোগও তৈরি হয়েছে বাংলাদেশের সামনে।
বাংলাদেশ একাদশ: মেহেদী হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), তানজিদ হাসান, সাইফ হাসান, নাজমুল হোসেন, লিটন দাস, তাওহিদ হৃদয়, মোসাদ্দেক হোসেন, তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান, নাহিদ রানা, তানভীর ইসলাম।
অস্ট্রেলিয়া একাদশ: জশ ইংলিস (অধিনায়ক), জেভিয়ার বার্টলেট, অ্যালেক্স ক্যারি, কুপার কনোলি, নাথান এলিস, ক্যামেরন গ্রিন, মারনাস লাবুশেন, ম্যাথু রেনশ, লিয়াম স্কট, ম্যাট শর্ট ও অ্যাডাম জাম্পা।

দীর্ঘ ১৫ বছর পর দ্বিপক্ষীয় ওয়ানডে সিরিজে অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হয়ে আত্মবিশ্বাসী ব্যাটিংয়ে বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দিয়েছে বাংলাদেশ। মিরপুরের শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে ওপেনার তানজিদ হাসানের ঝড়ো অর্ধশতক ও নাজমুল হোসেন শান্তর দায়িত্বশীল ফিফটিতে স্বাগতিকরা শক্ত অবস্থানে পৌঁছেছে।
ম্যাচের শুরুতে টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠান অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক জশ ইংলিস। নতুন বলে পেসার নাথান এলিসের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে শুরুতে কিছুটা চাপে পড়ে বাংলাদেশ। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই ব্যক্তিগত ৫ রান করে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন সাইফ হাসান। এলিসের বাইরে যাওয়া বল খোঁচা দিতে গিয়ে মারনাস লাবুশেনের হাতে ধরা পড়েন তিনি।
শুরুর এই ধাক্কার পর ক্রিজে থাকা তানজিদ হাসান ও নতুন ব্যাটসম্যান নাজমুল হোসেন শান্ত ধীরে ধীরে ইনিংস গুছিয়ে নেন। যদিও শুরুতে অস্ট্রেলিয়ার বোলাররা লাইন-লেন্থ ধরে রেখে চাপ সৃষ্টি করছিলেন, তবে দুই ব্যাটসম্যান ধৈর্য ধরে সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেন।
পঞ্চম ওভারে অবশ্য শান্তকে ফিরিয়ে দেওয়ার সুযোগ পেয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। এলিসের বলে খোঁচা দিলে দ্বিতীয় স্লিপে দাঁড়িয়ে থাকা লাবুশেন ক্যাচ নিতে ব্যর্থ হন। সেই জীবন পেয়ে পরে অস্ট্রেলিয়ান বোলারদের ওপর চড়াও হন বাংলাদেশের এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান।
পাওয়ার প্লের প্রথম ১০ ওভারে ১ উইকেটে ৬২ রান তোলে বাংলাদেশ। এ সময় তানজিদ ও শান্ত দুজনই একটি করে ছক্কা হাঁকান। উইকেটে থিতু হওয়ার পর দুজনের ব্যাট থেকেই আসে নিয়মিত বাউন্ডারি। ফলে শুরুতে উইকেট হারানোর ধাক্কা দ্রুতই কাটিয়ে ওঠে স্বাগতিকরা।
আক্রমণাত্মক মেজাজে ব্যাট করতে থাকা তানজিদ মাত্র ৪১ বলে নিজের অর্ধশতক পূর্ণ করেন। চলতি বছরে ওয়ানডেতে এটি ছিল তার চতুর্থ পঞ্চাশোর্ধ্ব ইনিংস। এর আগে একটি সেঞ্চুরিও করেছেন তিনি। ফিফটি পূর্ণ করার পথে তানজিদ সাবলীল ড্রাইভ, পুল ও কাট শটে মুগ্ধ করেন দর্শকদের।
তবে ইনিংস বড় করার আগেই থামতে হয় তাকে। অর্ধশতক পূর্ণ করার কিছুক্ষণ পর নাথান এলিসের ধীরগতির বলে টাইমিং করতে না পেরে ক্যাচ দেন জেভিয়ার বার্টলেটের হাতে। ৪৪ বলে ৭ চার ও ১ ছক্কায় ৫৪ রানের দারুণ ইনিংস খেলে সাজঘরে ফেরেন এই ওপেনার।
তানজিদের বিদায়ের আগে তার সঙ্গে শান্তর দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে আসে ৯৬ মূল্যবান রান। এই জুটিই মূলত বাংলাদেশের ইনিংসকে শক্ত ভিত্তি এনে দেয়।
তানজিদের বিদায়ের পর উইকেটে আসেন অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান লিটন দাস। অন্য প্রান্তে শান্ত নিজের ইনিংসকে এগিয়ে নিয়ে যান পরিণত ব্যাটিংয়ে। শুরুতে কিছুটা ধীরগতিতে খেললেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠেন তিনি। জীবন পাওয়ার সুযোগটি পুরোপুরি কাজে লাগিয়ে তুলে নেন নিজের অর্ধশতক।
শান্তর ফিফটি বাংলাদেশের জন্য ছিল বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এক প্রান্ত ধরে রেখে তিনি ইনিংসকে এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি নতুন ব্যাটসম্যানদের সঙ্গে জুটি গড়ার কাজটিও সফলভাবে করছিলেন। তার ব্যাটে ভর করেই বড় সংগ্রহের স্বপ্ন দেখতে শুরু করে বাংলাদেশ।
এক সময় মিরপুরের আকাশ ঘন মেঘে ঢেকে গেলেও বৃষ্টির শঙ্কা কেটে যায়। ফ্লাডলাইট জ্বালানোর প্রয়োজন হলেও পরে আবার রোদ ফিরে আসে, যা স্বস্তি এনে দেয় খেলোয়াড় ও দর্শকদের।
এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ২০ ওভার ৩ বলে ২ উইকেট হারিয়ে ১২১ রান। ফিফটি করা শান্ত ও লিটন দাস ক্রিজে থেকে ইনিংস এগিয়ে নিচ্ছেন। হাতে পর্যাপ্ত উইকেট থাকায় শেষ দিকে দ্রুত রান তুলে বড় সংগ্রহ গড়ার সুযোগও তৈরি হয়েছে বাংলাদেশের সামনে।
বাংলাদেশ একাদশ: মেহেদী হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), তানজিদ হাসান, সাইফ হাসান, নাজমুল হোসেন, লিটন দাস, তাওহিদ হৃদয়, মোসাদ্দেক হোসেন, তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান, নাহিদ রানা, তানভীর ইসলাম।
অস্ট্রেলিয়া একাদশ: জশ ইংলিস (অধিনায়ক), জেভিয়ার বার্টলেট, অ্যালেক্স ক্যারি, কুপার কনোলি, নাথান এলিস, ক্যামেরন গ্রিন, মারনাস লাবুশেন, ম্যাথু রেনশ, লিয়াম স্কট, ম্যাট শর্ট ও অ্যাডাম জাম্পা।

জয়ে প্রস্তুতি সারলেও ম্যাচের মাত্র ১৫ মিনিটের মাথায় বাঁ কুঁচকির ব্যথায় মাঠ ছাড়তে হয়েছে ব্রাজিলিয়ান রাইটব্যাক ওয়েসলিকে। তাকে নিয়ে বিশ্বকাপে অনিশ্চয়তাও তৈরি হয়েছে। কোচ কার্লো আনচেলত্তি জানিয়েছেন, পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ খেলতে না পারলে তার বিকল্প
২ দিন আগে
স্কালোনি বলেন, ‘লিও ভালো আছে। শুক্রবার সে দলের সঙ্গে অনুশীলনের একটি অংশে অংশ নিয়েছে, যা ইতিবাচক। সে পুরোপুরি আলাদা নয়, ধীরে ধীরে এগোচ্ছে। এই দুই প্রীতি ম্যাচের যেকোনো একটিতে কিছু সময়ের জন্য তাকে মাঠে দেখা যেতে পারে। সেটা আগামী ম্যাচে হবে নাকি তার পরেরটিতে, সেটি আমরা দেখব।’
২ দিন আগে
টানা তৃতীয়বার সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জয়ের স্বপ্ন দেখেছিল বাংলাদেশ। তবে ফাইনালে স্বাগতিক ভারতের কাছে ৩-১ গোলে হেরে সেই স্বপ্ন অধরাই থেকে গেল। এই জয়ে ষষ্ঠবারের মতো সাফের শিরোপা ঘরে তুলেছে ভারত।
৩ দিন আগে
অষ্টম সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে পিছিয়ে পড়েও দারুণভাবে ম্যাচে ফিরে এসেছে বাংলাদেশ। ঋতুপর্ণা চাকমার গুরুত্বপূর্ণ গোলে প্রথমার্ধ শেষে ১-১ সমতায় রয়েছে দুই দল।
৩ দিন আগে