
ক্রীড়া প্রতিবেদক

ক্র্যাম্প নিয়ে মাঠ ছেড়েছিলেন লিটন দাস। তাওহীদ হৃদয় আর শেখ মেহেদির উইকেট পতনের পর আর বসে থাকতে পারেননি। কিছুটা খুঁড়িয়ে হলেও ফিরে এলেন মাঠে। ৪৮ রান নিয়ে ফিরে এসে অর্ধশতকও পূরণ করলেন। মজার বিষয়— লিটনের ১১ বছরের ক্যারিয়ারে মিরপুরে কোনো অর্ধশতক ইনিংস এই প্রথম!
লিটন ছাড়াও এই ইনিংসে হাফ সেঞ্চুরি করেছেন তাওহীদ হৃদয় এবং মোসাদ্দেক হোসেন। তিন ফিফটিতে শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৫ উইকেটে ২৭৪ রান। অস্ট্রেলিয়ার টার্গেট ২৭৫। অস্ট্রেলিয়াকে হোয়াইটওয়াশ করতে হলে এর আগেই আটকে ফেলতে হবে টাইগার বোলারদের।
রোববার (১৪ জুন) মিরপুরে শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়াকে হোয়াইটওয়াশ করার হাতছানি সামনে রেখে টসে জিতে ব্যাটিং বেছে নিয়েছিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। আগের ম্যাচে মাথায় আঘাত পাওয়া মেহেদি হাসান মিরাজের অবর্তমানে তিনি অধিনায়কত্ব করেন।
ব্যাটিং ইনিংসের শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি। জেভিয়ার বার্টলেটের প্রথম ওভারের চতুর্থ বলেই বোল্ড হয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন সৌম্য। এরপর তানজিদ-শান্ত ৫১ রানের জুটি গড়ে পরিস্থিতি সামাল দেন। পাওয়ারপ্লের শেষ ওভারের শেষ বলে এই সিরিজে অস্ট্রেলিয়ার সফলতম বোলার পার্টটাইমার ম্যাট রেনশকে তুলে মারতে গিয়ে ফিল্ডারের হাতে ধরা পড়ে ড্রেসিং রুমে ফেরেন তানজিদ। ২০ বলে ১৯ করেছিলেন তিনি।
অধিনায়ক শান্তও বেশিক্ষণ টিকে থাকতে পরেননি। পঞ্চদশ ওভারের প্রথম বলে রেনশর বলেই বোল্ড হয়ে যান তিনি। তার সংগ্রহ ৫০ বলে ২৪ রান। দলের রান তখন ৬১।
এরপর লিটন আর হৃদয় বড় জুটি গড়েন। শুরুতে দেখেশুনে খেললেও পরের দিকে রানের গতি বাড়ান। ১০৯ বলে ৯৫ রানের জুটি যখন হয়ে গেছে, তখন ক্র্যাম্পের কারণে ৭৩ বলে ৪৮ রানে থাকা অবস্থায় মাঠ ছাড়তে হয় লিটনকে।
এবারে হৃদয়ের সঙ্গে উইকেটে যোগ দেন মোসাদ্দেক হোসেন। এই দুজনের জুটিতে দ্রুত রান সংগ্রহ করতে থাকে বাংলাদেশ। ৮৮ বলে ৮৩ করে হৃদয় যখন আউট হন, ততক্ষণে জুটিতে এসেছে ৮১ বলে ৯০ রান।
মোসাদ্দেক তখনো চালিয়ে খেলার চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন। তাতে একসময় বাংলাদেশের রান ২৮০ পেরিয়ে যাবে বলেই মনে হচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত তা হয়নি হৃদয়ের আউটের পর মাঠে নামা শেখ মেহেদির ব্যাটিংয়ে। ৯ বলে মাত্র ৩ রান করতে সক্ষম হন তিনি।
শেখ মেহেদির বিদায়ে ফের উইকেটে ফেরেন লিটন দাস। শেষ কয়েকটি বল খেলার পথে মিরপুরে ক্যারিয়ারের প্রথম ফিফটি তুলে নেন। খুব বেশি দৌড়াতে পারছিলেন না তিনি। তবে বেন ডোয়ার্শাসের শেষ ওভারে একটি ছক্কা মেরেছেন তিনি।
এর মধ্যে ফিফটি তুলে নিয়েছেন মোসাদ্দেকও। শেষ পর্যন্ত ৫১ বলে ৫৬ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি। চার বছর পর দলে ফিরে প্রথম সিরিজেই তিন ম্যাচে দুটি ফিফটি তুলে নিলেন তিনি।
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে দুটি করে উইকেট নিয়েছেন জেভিয়ের বার্টলেট ও ম্যাট রেনশ। অন্য উইকেটটি নিয়েছেন বেন ডোয়ার্শাস।

ক্র্যাম্প নিয়ে মাঠ ছেড়েছিলেন লিটন দাস। তাওহীদ হৃদয় আর শেখ মেহেদির উইকেট পতনের পর আর বসে থাকতে পারেননি। কিছুটা খুঁড়িয়ে হলেও ফিরে এলেন মাঠে। ৪৮ রান নিয়ে ফিরে এসে অর্ধশতকও পূরণ করলেন। মজার বিষয়— লিটনের ১১ বছরের ক্যারিয়ারে মিরপুরে কোনো অর্ধশতক ইনিংস এই প্রথম!
লিটন ছাড়াও এই ইনিংসে হাফ সেঞ্চুরি করেছেন তাওহীদ হৃদয় এবং মোসাদ্দেক হোসেন। তিন ফিফটিতে শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৫ উইকেটে ২৭৪ রান। অস্ট্রেলিয়ার টার্গেট ২৭৫। অস্ট্রেলিয়াকে হোয়াইটওয়াশ করতে হলে এর আগেই আটকে ফেলতে হবে টাইগার বোলারদের।
রোববার (১৪ জুন) মিরপুরে শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়াকে হোয়াইটওয়াশ করার হাতছানি সামনে রেখে টসে জিতে ব্যাটিং বেছে নিয়েছিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। আগের ম্যাচে মাথায় আঘাত পাওয়া মেহেদি হাসান মিরাজের অবর্তমানে তিনি অধিনায়কত্ব করেন।
ব্যাটিং ইনিংসের শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি। জেভিয়ার বার্টলেটের প্রথম ওভারের চতুর্থ বলেই বোল্ড হয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন সৌম্য। এরপর তানজিদ-শান্ত ৫১ রানের জুটি গড়ে পরিস্থিতি সামাল দেন। পাওয়ারপ্লের শেষ ওভারের শেষ বলে এই সিরিজে অস্ট্রেলিয়ার সফলতম বোলার পার্টটাইমার ম্যাট রেনশকে তুলে মারতে গিয়ে ফিল্ডারের হাতে ধরা পড়ে ড্রেসিং রুমে ফেরেন তানজিদ। ২০ বলে ১৯ করেছিলেন তিনি।
অধিনায়ক শান্তও বেশিক্ষণ টিকে থাকতে পরেননি। পঞ্চদশ ওভারের প্রথম বলে রেনশর বলেই বোল্ড হয়ে যান তিনি। তার সংগ্রহ ৫০ বলে ২৪ রান। দলের রান তখন ৬১।
এরপর লিটন আর হৃদয় বড় জুটি গড়েন। শুরুতে দেখেশুনে খেললেও পরের দিকে রানের গতি বাড়ান। ১০৯ বলে ৯৫ রানের জুটি যখন হয়ে গেছে, তখন ক্র্যাম্পের কারণে ৭৩ বলে ৪৮ রানে থাকা অবস্থায় মাঠ ছাড়তে হয় লিটনকে।
এবারে হৃদয়ের সঙ্গে উইকেটে যোগ দেন মোসাদ্দেক হোসেন। এই দুজনের জুটিতে দ্রুত রান সংগ্রহ করতে থাকে বাংলাদেশ। ৮৮ বলে ৮৩ করে হৃদয় যখন আউট হন, ততক্ষণে জুটিতে এসেছে ৮১ বলে ৯০ রান।
মোসাদ্দেক তখনো চালিয়ে খেলার চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন। তাতে একসময় বাংলাদেশের রান ২৮০ পেরিয়ে যাবে বলেই মনে হচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত তা হয়নি হৃদয়ের আউটের পর মাঠে নামা শেখ মেহেদির ব্যাটিংয়ে। ৯ বলে মাত্র ৩ রান করতে সক্ষম হন তিনি।
শেখ মেহেদির বিদায়ে ফের উইকেটে ফেরেন লিটন দাস। শেষ কয়েকটি বল খেলার পথে মিরপুরে ক্যারিয়ারের প্রথম ফিফটি তুলে নেন। খুব বেশি দৌড়াতে পারছিলেন না তিনি। তবে বেন ডোয়ার্শাসের শেষ ওভারে একটি ছক্কা মেরেছেন তিনি।
এর মধ্যে ফিফটি তুলে নিয়েছেন মোসাদ্দেকও। শেষ পর্যন্ত ৫১ বলে ৫৬ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি। চার বছর পর দলে ফিরে প্রথম সিরিজেই তিন ম্যাচে দুটি ফিফটি তুলে নিলেন তিনি।
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে দুটি করে উইকেট নিয়েছেন জেভিয়ের বার্টলেট ও ম্যাট রেনশ। অন্য উইকেটটি নিয়েছেন বেন ডোয়ার্শাস।

ম্যাচের আগে কাগজে-কলমে পরিষ্কার ফেভারিট ছিল ব্রাজিল। তবে মাঠের খেলায় শুরু থেকে সেই আধিপত্যের ছিটেফোঁটাও দেখা যায়নি। বরং আগ্রাসী ফুটবল খেলে ব্রাজিলকে চাপে ফেলে দেয় মরক্কো। দ্রুতগতির আক্রমণ, হাই প্রেসিং এবং বল দখলের লড়াইয়ে আফ্রিকার দলটি প্রথমার্ধের বড় সময় জুড়েই এগিয়ে ছিল।
৯ ঘণ্টা আগে
খেলার যখন একদম শেষ পর্যায়, ঠিক তখনই ম্যাচের ভাগ্য বদলে যায়। সুইজারল্যান্ডের রক্ষণভাগের একটি ছোট অসতর্কতার সুযোগ নিয়ে ম্যাচের শেষ মুহূর্তে সমতা সূচক গোলটি করে কাতার। রেফারির শেষ বাঁশি বাজার সাথে সাথেই গ্যালারিতে শুরু হয় স্বাগতিক সমর্থকদের গর্জন। বিশ্বকাপে এর আগে কখনো কোনো পয়েন্ট পাওয়ার রেকর্ড ছিল না
৯ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের অ্যামেচার কমব্যাট স্পোর্টসের ইতিহাসে এক রোমাঞ্চকর মাইলফলক স্পর্শ করলো অত্যন্ত জনপ্রিয় টুর্নামেন্ট ‘জুলকান বিটডাউন’ (Zulcan Beatdown)। গতকাল শুক্রবার ঢাকার জুলকান ইনডোর অ্যারেনায় দর্শকদের উপচে পড়া ভিড় এবং তুমুল উন্মাদনার মধ্য দিয়ে এই আয়োজনটি সম্পন্ন হয়েছে।
১৭ ঘণ্টা আগে
কোটি সমর্থকের প্রত্যাশা, হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনার চাপ এবং শিরোপা জয়ের স্বপ্ন— সবকিছুর ভার এখন কোচ কার্লো আনচেলত্তির কাঁধে। অভিজ্ঞ এই ইতালিয়ান কোচের হাত ধরেই আবার বিশ্ব ফুটবলের শীর্ষে ফিরতে চায় ব্রাজিল।
২১ ঘণ্টা আগে