বাংলাদেশের রাজনীতিতে যে তিনটি বড় গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে রাজনীতির বাঁক বদল ঘটেছে, তার সবগুলোতে দৃশ্যত লাভবান হয়েছে বিএনপি। এই তিনটি ঘটনা ঘটেছে ১৯৭৫ সাল, ১৯৯০ সাল এবং ২০২৪ সালে।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর এক মাসেরও বেশি সময় ধরে প্রতিবেশি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্ক তিক্ত অবস্থায় রয়েছে। একদিকে যখন হাসিনার ভারতে থাকার বিষয়টি বাংলাদেশের ক্ষোভের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, অন্যদিকে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারপ্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সাম্প্রতিক এ
কয়েকদিন ধরেই বাংলাদেশে তীব্র লোডশেডিংয়ে নাকাল মানুষ। ডলারসংকটের কারণে জ্বালানি সরবরাহ না থাকায় উৎপাদন কমেছে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে। একইসাথে জ্বালানির আমদানি নির্ভর এ খাতে বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর কাছে সরকারের বকেয়াও বাড়ছে। ফলে চাহিদা মতো বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে না।
রাষ্ট্র সংস্কার ও পুনর্গঠনের লক্ষ্য নিয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন রোববার জাতীয় নাগরিক কমিটি নামে আত্মপ্রকাশ করার পরদিনই কেন্দ্রীয় সমন্বয়করা বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের সফর শুরু করেছে। এ সফরকে ঘিরে তাদের নিরাপত্তা দিতে পুলিশ সদর দফতরের এক চিঠিকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলছে ব
দেশে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একজন সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ সম্প্রতি সরকারি আমলাদের নিয়ে একটি মন্তব্য করেছেন, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকসহ বিভিন্ন মহলে বেশ আলোচনা হতে দেখা যাচ্ছে।
বাংলাদেশে কয়েক দিন ধরে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে দেশে ফিরিয়ে এনে একাধিক হত্যা মামলায় বিচার করার কথা বেশ জোরে দিয়ে বলা হচ্ছে। অন্তনর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মাদ ইউনূস, পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল বা আইসিটি’র নব-নিযুক্ত চিফ প্রস
ঢাকার শেরে বাংলা নগরে বিশাল জায়গাজুড়ে যে স্থাপনাটি ‘গণভবন’ নামে পরিচিত সেটি নিয়ে বিতর্ক বেশ পুরোনো। বাংলাদেশের যত সরকার কিংবা রাষ্ট্রপ্রধান ছিলেন তাদের মধ্যে শুধু সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই গণভবনে বসবাস করেছেন। এছাড়া অন্য কোন সরকার কিংবা রাষ্ট্রপ্রধান সেখানে বসবাস করেননি। যদিও নানাবিধ রাষ্ট্রীয়
ক্ষমতার পটপরিবর্তনের পর গত কয়েকদিন ধরে বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় মাজার ভাঙার ঘটনা ঘটছে। মাজারে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাকে ঘিরে মানুষজন আহতও হয়েছে, এমনকি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইভেন্ট খুলেও মাজার ভাঙ্গার আহ্বান জানানো হচ্ছে।
শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গত ৮ আগস্ট ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করে। প্রথম এক মাসে ছাত্র-জনতার আকাঙ্ক্ষকার কতটুকু প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে? সরকার কি সঠিক পথে আছে?
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ভারতের এক বার্তা সংস্থাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ন্যায় বিচারের জন্য প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনা প্রয়োজন।
শেখ হাসিনা সরকারের পতনের আগের কয়েক দিনে বিভিন্ন ভারতীয় সংবাদপত্র বা চ্যানেলকেও দেওয়া একাধিক সাক্ষাৎকারেও তিনি মোটামুটি একই ধরনের সতর্কবাণী উচ্চারণ করেন, আর প্রতিবারই ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে বোঝাতে ব্যবহার করেছিলেন এই ‘সেভেন সিস্টার্স’ শব্দবন্ধটি।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের পর থেকে বাংলাদেশের অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকরা হেনস্থার শিকার হচ্ছেন। নানাভাবে মানসিক, শারীরিক নির্যাতন করে পদত্যাগে বাধ্য করা হচ্ছে শিক্ষকদের৷শিক্ষাক্ষেত্রের বাইরেও দেখা গেছে এমন দৃশ্য। এ বিষয়টি নিয়ে ডয়চে ভেলের সঙ্গে কথা বলেছেন বেসরকারি সংস্থা নিজেরা করি’র সমন্বয়ক,
মোহাম্মদ মজিবুর রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যায়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনিস্টিটিউটের অধ্যাপক। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে শিক্ষকদের নানাভাবে অপমান, অপদস্থ করে পদত্যাগে বাধ্য করার বিষয়ে কথা বলেছেন তিনি।
বাংলাদেশে আদালত প্রাঙ্গনে আসামিদের ওপর হামলা এবং জুলাই-অগাস্টের ছাত্র আন্দোলনে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় করা মামলাগুলো নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস আদালতে হামলা এবং মামলার বিষয়ে জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে নির্দেশনা দেয়ার পরেও পরিস্থিতি বদলায়নি।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের দেয়া রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ (পুনর্বিবেচনার) আবেদন করা হয়েছে। সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সেই ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়েছিল।
বাংলাদেশে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় নিহতের ঘটনায় যেসব মামলা হচ্ছে তা নিয়ে এর মধ্যেই নানা ধরনের প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গত ১৫ বছরে যেভাবে ঢালাওভাবে বিভিন্ন মামলায় বিএনপির নেতাকর্মী এবং বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের আসামি করা হয়েছে সেই চর্চা এখনও চলছে বলে প্রশ্ন তুলছেন আইনজীবী ও
এই সময়ে প্রাইম চ্যালেঞ্জ হলো বাংলাদেশের প্রশাসন, বিশেষ করে পুলিশ প্রশাসনের যে কাজ করার কথা তার আশপাশেও তারা নাই। সরকারের দিক থেকেও বলা হচ্ছিল এটা ফার্ষ্ট চ্যালেঞ্জ। কিন্তু অ্যাচিভমেন্টের দিক দিয়ে ভালো কিছু হয়নি।