
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

গুম প্রতিরোধে শুধু আইন প্রণয়ন যথেষ্ট নয়; গুমের প্রতিটি অভিযোগের স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও কার্যকর তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধান এবং ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের সত্য জানার অধিকার নিশ্চিত করা জরুরি বলে জানিয়েছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)।
একই সঙ্গে অতীতের গুমের ঘটনাগুলোর সত্য উদ্ঘাটন ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে গুমের পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকর রাষ্ট্রীয় সুরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।
আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস-২০২৬ উপলক্ষ্যে আজ শনিবার (২৯ আগস্ট) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ আহ্বান জানিয়েছে আসক। বিজ্ঞপ্তিতে সই করেছেন সংস্থাটির সিনিয়র কো-অর্ডিনেটর আবু আহমেদ ফয়জুল কবির।
আগামীকাল ৩০ আগস্ট (রোববার) আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস। গুমের শিকার ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের প্রতি সংহতি জানানো, গুমের মতো গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অবসান এবং নিখোঁজ ব্যক্তিদের ভাগ্য ও অবস্থান সম্পর্কে সত্য উদ্ঘাটনের দাবি পুনর্ব্যক্ত করার দিন হিসেবে দিবসটি পালন করা হয়।
আসক বলছে, এ বছর দিবসটির বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। কারণ, ২০০৬ সালে জাতিসংঘের গুম থেকে সকল ব্যক্তির সুরক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক কনভেনশন (আইসিপিপিইডি) গ্রহণের ২০ বছর পূর্ণ হয়েছে। এবারের প্রতিপাদ্য ‘Victims first. Actions now’— অর্থাৎ ভুক্তভোগীদের অধিকার ও মর্যাদাকে অগ্রাধিকার দিয়ে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানায়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশও দীর্ঘ সময় ধরে গুমের অভিযোগ ও এর ভয়াবহ মানবিক পরিণতির অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গেছে। ২০২৪ সালের ৩০ আগস্ট বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক গুমবিরোধী কনভেনশনে যোগ দেয়। এটি গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকারে রাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার।
কনভেনশনে যোগ দেওয়ার পরও ২০২৬ সালে দেশে নতুন করে গুমের অভিযোগ উঠেছে বলে জানিয়েছে আসক। সংস্থাটি একে ‘উদ্বেগের বিষয়’ উল্লেখ উদাহরণ টেনে বলেছে, বাগেরহাটের মোংলায় মিরাজ শেখ নামের এক তরুণকে কোস্ট গার্ড সদস্যরা আটক করে নিয়ে যাওয়ার পর তার আর সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না— এমন অভিযোগ করেছে তার পরিবার। বিষয়টি দ্রুত ও নিরপেক্ষভাবে অনুসন্ধান করে প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটন করা জরুরি।
গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকারের লক্ষ্যে সরকার ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৬’-এর খসড়া মন্ত্রিসভায় অনুমোদন করেছে। এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে আসক। একই সঙ্গে খসড়াটির কিছু বিধান নিয়ে মানবাধিকারকর্মী ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের যে উদ্বেগ রয়েছে, তা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।
আসক বলেছে, আইনটি চূড়ান্ত করার আগে ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবার, মানবাধিকার সংগঠন, আইনজীবী এবং সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মতামত বিবেচনায় নেওয়া হলে আইনটি আরও কার্যকর ও গ্রহণযোগ্য হবে।
সংস্থাটি মনে করে, গুমের প্রতিটি অভিযোগের স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও কার্যকর তদন্তের পাশাপাশি নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধান এবং ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের সত্য জানার অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে অতীতের ঘটনাগুলোর সত্য উদ্ঘাটন ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে এবং ভবিষ্যতে গুমের পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকর রাষ্ট্রীয় সুরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।
বিজ্জপ্তিতে আসক গুমের শিকার সব ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের প্রতি সংহতি জানিয়ে বলেছে, গুমের অবসান হতে হবে, নিখোঁজ ব্যক্তিদের ভাগ্য ও অবস্থান সম্পর্কে সত্য উদ্ঘাটিত হতে হবে এবং প্রত্যেক নাগরিকের জন্য আইনের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।

গুম প্রতিরোধে শুধু আইন প্রণয়ন যথেষ্ট নয়; গুমের প্রতিটি অভিযোগের স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও কার্যকর তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধান এবং ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের সত্য জানার অধিকার নিশ্চিত করা জরুরি বলে জানিয়েছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)।
একই সঙ্গে অতীতের গুমের ঘটনাগুলোর সত্য উদ্ঘাটন ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে গুমের পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকর রাষ্ট্রীয় সুরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।
আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস-২০২৬ উপলক্ষ্যে আজ শনিবার (২৯ আগস্ট) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ আহ্বান জানিয়েছে আসক। বিজ্ঞপ্তিতে সই করেছেন সংস্থাটির সিনিয়র কো-অর্ডিনেটর আবু আহমেদ ফয়জুল কবির।
আগামীকাল ৩০ আগস্ট (রোববার) আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস। গুমের শিকার ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের প্রতি সংহতি জানানো, গুমের মতো গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অবসান এবং নিখোঁজ ব্যক্তিদের ভাগ্য ও অবস্থান সম্পর্কে সত্য উদ্ঘাটনের দাবি পুনর্ব্যক্ত করার দিন হিসেবে দিবসটি পালন করা হয়।
আসক বলছে, এ বছর দিবসটির বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। কারণ, ২০০৬ সালে জাতিসংঘের গুম থেকে সকল ব্যক্তির সুরক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক কনভেনশন (আইসিপিপিইডি) গ্রহণের ২০ বছর পূর্ণ হয়েছে। এবারের প্রতিপাদ্য ‘Victims first. Actions now’— অর্থাৎ ভুক্তভোগীদের অধিকার ও মর্যাদাকে অগ্রাধিকার দিয়ে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানায়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশও দীর্ঘ সময় ধরে গুমের অভিযোগ ও এর ভয়াবহ মানবিক পরিণতির অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গেছে। ২০২৪ সালের ৩০ আগস্ট বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক গুমবিরোধী কনভেনশনে যোগ দেয়। এটি গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকারে রাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার।
কনভেনশনে যোগ দেওয়ার পরও ২০২৬ সালে দেশে নতুন করে গুমের অভিযোগ উঠেছে বলে জানিয়েছে আসক। সংস্থাটি একে ‘উদ্বেগের বিষয়’ উল্লেখ উদাহরণ টেনে বলেছে, বাগেরহাটের মোংলায় মিরাজ শেখ নামের এক তরুণকে কোস্ট গার্ড সদস্যরা আটক করে নিয়ে যাওয়ার পর তার আর সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না— এমন অভিযোগ করেছে তার পরিবার। বিষয়টি দ্রুত ও নিরপেক্ষভাবে অনুসন্ধান করে প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটন করা জরুরি।
গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকারের লক্ষ্যে সরকার ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৬’-এর খসড়া মন্ত্রিসভায় অনুমোদন করেছে। এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে আসক। একই সঙ্গে খসড়াটির কিছু বিধান নিয়ে মানবাধিকারকর্মী ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের যে উদ্বেগ রয়েছে, তা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।
আসক বলেছে, আইনটি চূড়ান্ত করার আগে ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবার, মানবাধিকার সংগঠন, আইনজীবী এবং সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মতামত বিবেচনায় নেওয়া হলে আইনটি আরও কার্যকর ও গ্রহণযোগ্য হবে।
সংস্থাটি মনে করে, গুমের প্রতিটি অভিযোগের স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও কার্যকর তদন্তের পাশাপাশি নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধান এবং ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের সত্য জানার অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে অতীতের ঘটনাগুলোর সত্য উদ্ঘাটন ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে এবং ভবিষ্যতে গুমের পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকর রাষ্ট্রীয় সুরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।
বিজ্জপ্তিতে আসক গুমের শিকার সব ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের প্রতি সংহতি জানিয়ে বলেছে, গুমের অবসান হতে হবে, নিখোঁজ ব্যক্তিদের ভাগ্য ও অবস্থান সম্পর্কে সত্য উদ্ঘাটিত হতে হবে এবং প্রত্যেক নাগরিকের জন্য আইনের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।

সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি দমনে দেশ জুড়ে বিশেষ অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে অবৈধ ও লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার, মাদক চোরাচালান, সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
৩ ঘণ্টা আগে
তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে কাজ করা উলদ শেখ আহমেদ জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালন করেছেন। মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার বেশ কিছু জটিল রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা সংকট মোকাবিলায়ও তার অভিজ্ঞতা রয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
সতর্কবার্তায় বলা হয়, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গ এবং উত্তর ওড়িশা উপকূলীয় এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এটি পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে। এর প্রভাবে সমুদ্রবন্দরগুলো, উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
৬ ঘণ্টা আগে
মানবাধিকার, আন্তর্জাতিক আইন, শরণার্থী সুরক্ষা, আইনের শাসন ও টেকসই উন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে আইরিন খানের কয়েক দশকের আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা রয়েছে। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।
৭ ঘণ্টা আগে