
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

স্বাধীন দেশে ঔপনিবেশিক আমলের শাসনব্যবস্থা ও রাষ্ট্রীয় কাঠামো বজায় থাকার কারণে ফ্যাসিবাদ ফিরে আসে ভিন্ন ভিন্ন চেহারায়। এই ব্যবস্থা ও কাঠামো পরিবর্তনের লক্ষ্যে জনগণের যে আকাঙ্ক্ষা তা বাস্তবায়নের মাধ্যমে সামনে এগিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যেই জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। নবগঠিত সংসদ যদি সে আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন না করে তাহলে জনগণ এই সংসদকেও প্রত্যাখ্যান করবে।
শনিবার (৪ এপ্রিল) যুব বাঙালির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক কমিটির পক্ষ থেকে দেয়া এক বিবৃতিতে এ সব কথা বলা হয়। বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন কেন্দ্রীয় সংগঠক অপু, তানসেন, অয়ন আমান, রায়হান তানভীর, ইউসুফ সরকার রুজেল, বাঁধন ফাহাদ, ওয়ালিদ হাসান ভুবন, সৈয়দ স্বাধীন, মোহাম্মদ আলী পারভেজ, কাজী কাওছার, সিয়াম, হৃদয়, রেদওয়ান, অভি খান, সাগর খালাসী, মশিউর রহমান দীপু, মাহফুজুর রহমান রাহাত, শিমুল মজুমদার, শেখ সাদমান প্রমুখ।
বিবৃতিতে আরো বলা, একাত্তরে আমাদের পূর্বপুরুষদের সশস্ত্র সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ভৌগলিক স্বাধীনতা অর্জিত হলেও ঔপনিবেশিক রাষ্ট্রীয় কাঠামো ও শাসনব্যবস্থার বদল করেনি শাসকগোষ্ঠী। তারই ধারাবাহিকতায় স্বাধীন দেশ উপযোগী রাষ্ট্রীয় কাঠামো ও শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলার সংগ্রাম চলমান রয়েছে। ৭২-৭৫ এর নিষ্ঠুর একদলীয় শাসন বিরোধী আন্দোলন, সামরিক স্বৈরশাসন বিরোধী আন্দোলন ও সর্বশেষ বিদেশি তাবেদার দলীয় স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে স্বাধীন দেশ উপযোগী রাষ্ট্রীয় কাঠামো ও শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলার ঐতিহাসিক সুযোগ সৃষ্টি হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে রাজনীতিভ্রান্ত সমন্বয়ক গোষ্ঠী গতানুগতিক রাজনীতিতে গা ভাসিয়ে দেয়, বিশ্বাসঘাতকতাময় সেই পরিস্থিতিতে জনগণের শেষ ভরসাস্থল হয়ে উঠে জুলাই জাতীয় সনদ। যদিও এই সনদ জনগণের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করে না, তবুও পরিবর্তনের লক্ষে এটিকে প্রাথমিক পদক্ষেপ ধরে নিয়ে জনগণ গণরায় দিয়েছে। এই গণরায়কে উপেক্ষা করা ক্ষমতা ও সুবিধা ভাগাভাগির এই সংসদের জন্য আত্মঘাতী হবে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, পরাধীন আমলের স্বৈরতান্ত্রিক ও শোষণমূলক রাষ্ট্রীয় কাঠামো ও শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে জনগণের অভিপ্রায়কে পাশ কাটিয়ে দলীয় স্বার্থে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নকে সমাজশক্তিসমূহ প্রতারণা হিসেবে দেখছে। বাংলাদেশের বিদ্যমান ঔপনিবেশিক রাষ্ট্রীয় কাঠামো ও শাসনব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের সূচনা জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের মধ্য দিয়েই হতে পারে। এই প্রক্রিয়ায় শ্রম-কর্ম-পেশার জনগণের প্রতিনিধিত্ব রাষ্ট্রকে আরো শক্তিশালী হিসেবে গড়ে তোলার পথকে প্রশস্ত ও সুগম করবে। রাষ্ট্র পরিচালনায় জনগণও নিজেদের অংশীদার মনে করবে।
অন্যথায় শ্রম-কর্ম-পেশার জনগণ সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলে বিদ্যমান রাষ্ট্রীয় কাঠামো ও শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠতে পারে, যা কিনা রাষ্ট্রীয় সুবিধাভোগী সরকার কিংবা বিরোধীদল কারো জন্যেই সুখকর হবে না।

স্বাধীন দেশে ঔপনিবেশিক আমলের শাসনব্যবস্থা ও রাষ্ট্রীয় কাঠামো বজায় থাকার কারণে ফ্যাসিবাদ ফিরে আসে ভিন্ন ভিন্ন চেহারায়। এই ব্যবস্থা ও কাঠামো পরিবর্তনের লক্ষ্যে জনগণের যে আকাঙ্ক্ষা তা বাস্তবায়নের মাধ্যমে সামনে এগিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যেই জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। নবগঠিত সংসদ যদি সে আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন না করে তাহলে জনগণ এই সংসদকেও প্রত্যাখ্যান করবে।
শনিবার (৪ এপ্রিল) যুব বাঙালির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক কমিটির পক্ষ থেকে দেয়া এক বিবৃতিতে এ সব কথা বলা হয়। বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন কেন্দ্রীয় সংগঠক অপু, তানসেন, অয়ন আমান, রায়হান তানভীর, ইউসুফ সরকার রুজেল, বাঁধন ফাহাদ, ওয়ালিদ হাসান ভুবন, সৈয়দ স্বাধীন, মোহাম্মদ আলী পারভেজ, কাজী কাওছার, সিয়াম, হৃদয়, রেদওয়ান, অভি খান, সাগর খালাসী, মশিউর রহমান দীপু, মাহফুজুর রহমান রাহাত, শিমুল মজুমদার, শেখ সাদমান প্রমুখ।
বিবৃতিতে আরো বলা, একাত্তরে আমাদের পূর্বপুরুষদের সশস্ত্র সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ভৌগলিক স্বাধীনতা অর্জিত হলেও ঔপনিবেশিক রাষ্ট্রীয় কাঠামো ও শাসনব্যবস্থার বদল করেনি শাসকগোষ্ঠী। তারই ধারাবাহিকতায় স্বাধীন দেশ উপযোগী রাষ্ট্রীয় কাঠামো ও শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলার সংগ্রাম চলমান রয়েছে। ৭২-৭৫ এর নিষ্ঠুর একদলীয় শাসন বিরোধী আন্দোলন, সামরিক স্বৈরশাসন বিরোধী আন্দোলন ও সর্বশেষ বিদেশি তাবেদার দলীয় স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে স্বাধীন দেশ উপযোগী রাষ্ট্রীয় কাঠামো ও শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলার ঐতিহাসিক সুযোগ সৃষ্টি হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে রাজনীতিভ্রান্ত সমন্বয়ক গোষ্ঠী গতানুগতিক রাজনীতিতে গা ভাসিয়ে দেয়, বিশ্বাসঘাতকতাময় সেই পরিস্থিতিতে জনগণের শেষ ভরসাস্থল হয়ে উঠে জুলাই জাতীয় সনদ। যদিও এই সনদ জনগণের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করে না, তবুও পরিবর্তনের লক্ষে এটিকে প্রাথমিক পদক্ষেপ ধরে নিয়ে জনগণ গণরায় দিয়েছে। এই গণরায়কে উপেক্ষা করা ক্ষমতা ও সুবিধা ভাগাভাগির এই সংসদের জন্য আত্মঘাতী হবে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, পরাধীন আমলের স্বৈরতান্ত্রিক ও শোষণমূলক রাষ্ট্রীয় কাঠামো ও শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে জনগণের অভিপ্রায়কে পাশ কাটিয়ে দলীয় স্বার্থে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নকে সমাজশক্তিসমূহ প্রতারণা হিসেবে দেখছে। বাংলাদেশের বিদ্যমান ঔপনিবেশিক রাষ্ট্রীয় কাঠামো ও শাসনব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের সূচনা জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের মধ্য দিয়েই হতে পারে। এই প্রক্রিয়ায় শ্রম-কর্ম-পেশার জনগণের প্রতিনিধিত্ব রাষ্ট্রকে আরো শক্তিশালী হিসেবে গড়ে তোলার পথকে প্রশস্ত ও সুগম করবে। রাষ্ট্র পরিচালনায় জনগণও নিজেদের অংশীদার মনে করবে।
অন্যথায় শ্রম-কর্ম-পেশার জনগণ সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলে বিদ্যমান রাষ্ট্রীয় কাঠামো ও শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠতে পারে, যা কিনা রাষ্ট্রীয় সুবিধাভোগী সরকার কিংবা বিরোধীদল কারো জন্যেই সুখকর হবে না।

চীনের দালিয়ানে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের সামার দাভোস সম্মেলনে অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের মর্যাদা, বিনিয়োগ সম্ভাবনা এবং জলবায়ু কর্মপরিকল্পনা বিশ্বনেতাদের সামনে তুলে ধরছেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ
৫ ঘণ্টা আগে
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশিত ভিডিওটি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক মালয়েশিয়া সফরকে কেন্দ্র করে নির্মিত। ভিডিওতে দুই দেশের সরকারপ্রধানের বৈঠক, আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনা এবং সফরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত তুলে ধরা হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার (২৩ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।
৬ ঘণ্টা আগে
আন্তর্জাতিক চক্ষুরোগসেবা প্রদানকারী সংস্থা অরবিস ইন্টারন্যাশনাল এবং অস্ট্রেলিয়াভিত্তিক ‘সোস্যাল হেল্প এন্ডেভার ফর বাংলাদেশ (সেবা)’-এর সহযোগী সংগঠন ‘অল্টারনেটিভ অ্যাপ্রোচ’-এর ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত সেবা স্বাস্থ্যকেন্দ্রের যৌথ উদ্যোগে এ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে