
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক শক্তি বাড়ানোর উদ্যোগের মধ্যেই ইরানের সঙ্গে আলোচনার জন্যও যোগাযোগ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে ইরান বলছে, দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ হলেও তাকে কোনোভাবেই আলোচনা বলা যাবে না।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের সঙ্গে তার সরাসরি বার্তা আদানপ্রদান হচ্ছে। তবে এ যোগাযোগকে আলোচনা বলার সুযোগ নেই।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলার আগে ওমানের মধ্যস্থতায় দুই দফা বৈঠক করে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র। ওই বৈঠকগুলোতেও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে নেতৃত্ব দেন উইটকফ।
নতুন যোগাযোগের কথা স্বীকার করে আরাগচি বলেন, উইটকফের কাছ থেকে আগের মতোই সরাসরি বার্তা পাই। কিন্তু এটাকে কোনো আলোচনার প্রক্রিয়া বলা যাবে না।
তেহরান থেকে আল জাজিরার প্রতিবেদক আলি হাসেম জানিয়েছেন, আরাগচির বক্তব্যের বেশির ভাগই আগের অবস্থানের পুনরাবৃত্তি। তবে নতুন দিক হলো যুক্তরাষ্ট্রের দূতের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের বিষয়টি প্রকাশ্যে স্বীকার করা।
আলি হাসেম বলেন, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নতুন তথ্য হলো— তিনি সরাসরি উইটকফের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন এবং কিছু নিরাপত্তা-সংক্রান্ত আলোচনা চলছে।
তবে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ভেতরে বা বাইরে ইরান কোনো পক্ষের সঙ্গে আলোচনায় বসেছে— এমন দাবি সঠিক নয়। সব ধরনের বার্তা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমেই আদানপ্রদান হয়। পাশাপাশি নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর মধ্যেও যোগাযোগ থাকে।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় যাওয়ার বিষয়ে তেহরান এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি বলে জানান আব্বাস আরাগচি। তিনি বলেন, এ বিষয়ে তাদের স্পষ্ট আপত্তি ও সংশয় রয়েছে।
১৫ দফা প্রস্তাবের জবাব এখনই নয়
এদিকে চলমান যুদ্ধের মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন ১৫ দফা শান্তি প্রস্তাব দিয়েছে। তবে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, যুক্তরাষ্ট্র যে ১৫ দফা প্রস্তাব পাঠিয়েছে, তাতে এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া দেয়নি তেহরান।
আরাগচি বলেন, আমরা এখনো ওই প্রস্তাবের কোনো জবাব দিইনি। আমাদের পক্ষ থেকেও কোনো শর্ত বা প্রস্তাব দেওয়া হয়নি।
এর আগে কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছিল, ট্রাম্প প্রশাসনের প্রস্তাবের লক্ষ্য ছিল চলমান যুদ্ধের অবসান ঘটানো। এতে ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র না অর্জনের প্রতিশ্রুতি দেওয়া ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি সীমিত করার মতো বিষয় অন্তর্ভুক্ত ছিল।
যুদ্ধবিরতি নয়, পূর্ণাঙ্গ হামলা বন্ধ চায় তেহরান
নতুন করে কূটনৈতিক যোগাযোগ হলেও ইরানের অবস্থানে বড় কোনো পরিবর্তন আসেনি। আরাগচি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, ইরান কেবল একটি শর্তেই রাজি— অঞ্চল জুড়ে সব ধরনের হামলা সম্পূর্ণ বন্ধ করতে হবে।
ইরান বলছে, আংশিক যুদ্ধবিরতি বা সাময়িক থামানো কোনো গ্রহণযোগ্য সমাধান নয়।

মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক শক্তি বাড়ানোর উদ্যোগের মধ্যেই ইরানের সঙ্গে আলোচনার জন্যও যোগাযোগ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে ইরান বলছে, দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ হলেও তাকে কোনোভাবেই আলোচনা বলা যাবে না।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের সঙ্গে তার সরাসরি বার্তা আদানপ্রদান হচ্ছে। তবে এ যোগাযোগকে আলোচনা বলার সুযোগ নেই।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলার আগে ওমানের মধ্যস্থতায় দুই দফা বৈঠক করে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র। ওই বৈঠকগুলোতেও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে নেতৃত্ব দেন উইটকফ।
নতুন যোগাযোগের কথা স্বীকার করে আরাগচি বলেন, উইটকফের কাছ থেকে আগের মতোই সরাসরি বার্তা পাই। কিন্তু এটাকে কোনো আলোচনার প্রক্রিয়া বলা যাবে না।
তেহরান থেকে আল জাজিরার প্রতিবেদক আলি হাসেম জানিয়েছেন, আরাগচির বক্তব্যের বেশির ভাগই আগের অবস্থানের পুনরাবৃত্তি। তবে নতুন দিক হলো যুক্তরাষ্ট্রের দূতের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের বিষয়টি প্রকাশ্যে স্বীকার করা।
আলি হাসেম বলেন, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নতুন তথ্য হলো— তিনি সরাসরি উইটকফের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন এবং কিছু নিরাপত্তা-সংক্রান্ত আলোচনা চলছে।
তবে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ভেতরে বা বাইরে ইরান কোনো পক্ষের সঙ্গে আলোচনায় বসেছে— এমন দাবি সঠিক নয়। সব ধরনের বার্তা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমেই আদানপ্রদান হয়। পাশাপাশি নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর মধ্যেও যোগাযোগ থাকে।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় যাওয়ার বিষয়ে তেহরান এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি বলে জানান আব্বাস আরাগচি। তিনি বলেন, এ বিষয়ে তাদের স্পষ্ট আপত্তি ও সংশয় রয়েছে।
১৫ দফা প্রস্তাবের জবাব এখনই নয়
এদিকে চলমান যুদ্ধের মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন ১৫ দফা শান্তি প্রস্তাব দিয়েছে। তবে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, যুক্তরাষ্ট্র যে ১৫ দফা প্রস্তাব পাঠিয়েছে, তাতে এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া দেয়নি তেহরান।
আরাগচি বলেন, আমরা এখনো ওই প্রস্তাবের কোনো জবাব দিইনি। আমাদের পক্ষ থেকেও কোনো শর্ত বা প্রস্তাব দেওয়া হয়নি।
এর আগে কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছিল, ট্রাম্প প্রশাসনের প্রস্তাবের লক্ষ্য ছিল চলমান যুদ্ধের অবসান ঘটানো। এতে ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র না অর্জনের প্রতিশ্রুতি দেওয়া ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি সীমিত করার মতো বিষয় অন্তর্ভুক্ত ছিল।
যুদ্ধবিরতি নয়, পূর্ণাঙ্গ হামলা বন্ধ চায় তেহরান
নতুন করে কূটনৈতিক যোগাযোগ হলেও ইরানের অবস্থানে বড় কোনো পরিবর্তন আসেনি। আরাগচি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, ইরান কেবল একটি শর্তেই রাজি— অঞ্চল জুড়ে সব ধরনের হামলা সম্পূর্ণ বন্ধ করতে হবে।
ইরান বলছে, আংশিক যুদ্ধবিরতি বা সাময়িক থামানো কোনো গ্রহণযোগ্য সমাধান নয়।

১৩ এপ্রিল সন্ধ্যা ৭টা থেকে শুধুমাত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টিকারযুক্ত যানবাহন ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে পারবে। পহেলা বৈশাখে ক্যাম্পাসে কোনো যানবাহন চলাচল করতে পারবে না। এ সময় মোটরসাইকেল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বসবাসকারীরা যাতায়াতের জন্য শুধুমাত্র নীলক্ষেত ও পলাশী গেট ব্যবহার করতে পার
১১ ঘণ্টা আগে
তিনি সংবিধানের ৭২ ও ৭৩ অনুচ্ছেদের উল্লেখ করে বলেন, রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর লিখিত পরামর্শ অনুযায়ী জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান ও ভাষণ প্রদান করেছেন, যা সংবিধানসম্মত। কিন্তু সংবিধান সংস্কার পরিষদের ক্ষেত্রে এমন কোনো সুস্পষ্ট সাংবিধানিক কাঠামো বর্তমানে বিদ্যমান নেই বলে তিনি মত দেন।
১৩ ঘণ্টা আগে
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার সংবিধান সংরক্ষণের জন্য ১৪৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী শপথ নিয়েছেন। কিন্তু তিনি কোন আইন বলে ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’-এর সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার ফরম জাতীয় সংসদ সচিবালয়ে পাঠালেন? এই ফরম দাখিল করার কোনো এখতিয়ার তার নেই। তিনি এটি করে শপথ ভঙ্গ ও সংবিধান লঙ্ঘন করেছেন।
১৪ ঘণ্টা আগে
জবাবে আফরোজা খানম বলেন, ঢাকার প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তন করে অতীতের মতো জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর করার কোনো সিদ্ধান্ত এখনো গৃহীত হয়নি। সরকার নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী বিভিন্ন জনবান্ধব কর্মসূচি বাস্তবায়নে মনোনিবেশ করেছে।
১৪ ঘণ্টা আগে