
বিশেষ প্রতিনিধি, রাজনীতি ডটকম

গাজীপুরে সিলিন্ডারের আগুনে মৃতের সংখ্যা একে একে বেড়ে দাঁড়ালো ১১জনে। গত রোববার মধ্যরাত থেকে সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত মোট ৫ জনের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১১জন মারা গেছে বলে সাংবাদিকদের জানান ঢাকার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন তরিকুল ইসলাম।
নতুন করে মৃতরা হলেন, জহিরুল ইসলাম (৪০), আবু মোতালেব (৪৫), মোহাম্মদ সোলায়মান (৯), গোলাম রাব্বি (১৩) ও মো. তৌহিদ (৭) ।
তরিকুল জানান, গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে আহত ১৮ জন এখনও বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন। আহতদের মধ্যে আরো অন্তত তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আর দগ্ধ তিনজনকে চিকিৎসার পর ইতোমধ্যে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
১৩ মার্চ বুধবার সন্ধ্যায় ইফতারের আগে আগে গ্যাস সিলিন্ডার থেকে ওই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে কালিয়াকৈর উপজেলার মৌচাক তেলিরচালা এলাকায়।
টপস্টার কারখানার পাশে শফিকুল ইসলাম নামের এক ব্যবসায়ী জমি ভাড়া নিয়ে কলোনি তৈরি করে গার্মেন্ট শ্রমিকদের ভাড়া দিয়েছিলেন।
ওই বাড়িতে থাকা সিলিন্ডারের গ্যাস শেষ হয়ে গেলে পাশের একটি দোকান থেকে শফিকুল নিজেই একটি গ্যাস সিলিন্ডার কিনে আনেন। সেই সিলিন্ডার লাগানোর সময় চাবি খুলে গিয়ে পাশের চুলা থেকে আগুন ধরে যায়। তখন ওই ব্যক্তি গ্যাস সিলিন্ডারটি ছুড়ে মারেন। এ সময় আশপাশের উৎসুক নারী, পুরুষ ও শিশুদের শরীরে আগুন লেগে যায়।
রোববার রাতে হাসপাতালে মারা যাওয়া গোলাম রাব্বীর বাবা শাহ আলম বলেন, বড় ছেলের মৃত্যু আমার জীবনের দুঃখ আরো বাড়িয়ে দিলো।
“আমার ছেলে ঢাকায় এসেছিল বেড়াতে। দুর্ঘটনার একদিন পরই বাড়ি ফিরে যাবার কথা ছিল,” বলেন গাজীপুরের একটি আইসক্রিম ফ্যাক্টরির এই শ্রমিক।
তিনি বলেন, সাড়ে চার বছর আগে কিডনি রোগে আক্রান্ত হয়ে স্ত্রী মারা যান। ছেলে রাব্বী ও চার বছরের মেয়েকে নিয়ে ছিল শাহ আলমের সংসার। সন্তানদের ঘিরেই ছিল তার দুনিয়া।
“পৃথিবীতে এখন আপন বলতে আমার কেবল মেয়েটাই আছে। কোনও ভাবেই ছেলেটাকে রাখতে পারলাম না,” বলেন তিনি।
এদিকে গত ১৩ মার্চে কালিয়াকৈরে আগুনের ঘটনায় সোমবার পর্যন্ত কোনও মামলা হয়নি।
কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ এফ এম নাসিম জানান, কেউ মামলা করেনি। আমরা তদন্ত প্রতিবেদনের জন্য অপেক্ষা করছি। সেটার আলোকে যদি কিছু করণীয় থাকে আমরা অবশ্যই সেটা করবো।”
ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে কেউ মামলা করতে আসলে পুলিশ প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিবেও বলে জানান ওসি।
আগুনের এই ঘটনায় গত ১৪ মার্চ গাজীপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হুমায়ুন কবিরকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে জেলা প্রশাসন।
অপর দুই সদস্য হলেন; কালিয়াকৈর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউছার আহাম্মেদ ও গাজীপুর ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরিফিন।
আব্দুল্লাহ আল আরিফিন সোমবার বলেন, “প্রাথমিক তদন্ত শেষ করেছি। আমরা বেশ কিছু অনিয়ম চিহ্নিত করেছি। কাল বা পরশু প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে। ”
উল্লেখ্য, গাজীপুরের এই অগ্নিদুর্ঘটনায় আহত ৩৬ জনের মধ্যে ৩২ জন ঢাকার হাসপাতালটিতে ভর্তি হন।
দগ্ধ রোগীদের দেখতে গিয়ে গত বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সামন্ত লাল সেন সাংবাদিকদের বলেন, রোগীদের প্রায় সবার অবস্থা সংকটাপন্ন।
তিনি আরও বলেন, “ভর্তি রোগীদের মধ্যে ৫০ শতাংশের বেশি বার্ন ১৬ জনের, ৯০ শতাংশ বা তার চেয়ে বেশি দগ্ধ হওয়া রোগী ১০ জন।”

গাজীপুরে সিলিন্ডারের আগুনে মৃতের সংখ্যা একে একে বেড়ে দাঁড়ালো ১১জনে। গত রোববার মধ্যরাত থেকে সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত মোট ৫ জনের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১১জন মারা গেছে বলে সাংবাদিকদের জানান ঢাকার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন তরিকুল ইসলাম।
নতুন করে মৃতরা হলেন, জহিরুল ইসলাম (৪০), আবু মোতালেব (৪৫), মোহাম্মদ সোলায়মান (৯), গোলাম রাব্বি (১৩) ও মো. তৌহিদ (৭) ।
তরিকুল জানান, গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে আহত ১৮ জন এখনও বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন। আহতদের মধ্যে আরো অন্তত তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আর দগ্ধ তিনজনকে চিকিৎসার পর ইতোমধ্যে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
১৩ মার্চ বুধবার সন্ধ্যায় ইফতারের আগে আগে গ্যাস সিলিন্ডার থেকে ওই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে কালিয়াকৈর উপজেলার মৌচাক তেলিরচালা এলাকায়।
টপস্টার কারখানার পাশে শফিকুল ইসলাম নামের এক ব্যবসায়ী জমি ভাড়া নিয়ে কলোনি তৈরি করে গার্মেন্ট শ্রমিকদের ভাড়া দিয়েছিলেন।
ওই বাড়িতে থাকা সিলিন্ডারের গ্যাস শেষ হয়ে গেলে পাশের একটি দোকান থেকে শফিকুল নিজেই একটি গ্যাস সিলিন্ডার কিনে আনেন। সেই সিলিন্ডার লাগানোর সময় চাবি খুলে গিয়ে পাশের চুলা থেকে আগুন ধরে যায়। তখন ওই ব্যক্তি গ্যাস সিলিন্ডারটি ছুড়ে মারেন। এ সময় আশপাশের উৎসুক নারী, পুরুষ ও শিশুদের শরীরে আগুন লেগে যায়।
রোববার রাতে হাসপাতালে মারা যাওয়া গোলাম রাব্বীর বাবা শাহ আলম বলেন, বড় ছেলের মৃত্যু আমার জীবনের দুঃখ আরো বাড়িয়ে দিলো।
“আমার ছেলে ঢাকায় এসেছিল বেড়াতে। দুর্ঘটনার একদিন পরই বাড়ি ফিরে যাবার কথা ছিল,” বলেন গাজীপুরের একটি আইসক্রিম ফ্যাক্টরির এই শ্রমিক।
তিনি বলেন, সাড়ে চার বছর আগে কিডনি রোগে আক্রান্ত হয়ে স্ত্রী মারা যান। ছেলে রাব্বী ও চার বছরের মেয়েকে নিয়ে ছিল শাহ আলমের সংসার। সন্তানদের ঘিরেই ছিল তার দুনিয়া।
“পৃথিবীতে এখন আপন বলতে আমার কেবল মেয়েটাই আছে। কোনও ভাবেই ছেলেটাকে রাখতে পারলাম না,” বলেন তিনি।
এদিকে গত ১৩ মার্চে কালিয়াকৈরে আগুনের ঘটনায় সোমবার পর্যন্ত কোনও মামলা হয়নি।
কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ এফ এম নাসিম জানান, কেউ মামলা করেনি। আমরা তদন্ত প্রতিবেদনের জন্য অপেক্ষা করছি। সেটার আলোকে যদি কিছু করণীয় থাকে আমরা অবশ্যই সেটা করবো।”
ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে কেউ মামলা করতে আসলে পুলিশ প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিবেও বলে জানান ওসি।
আগুনের এই ঘটনায় গত ১৪ মার্চ গাজীপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হুমায়ুন কবিরকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে জেলা প্রশাসন।
অপর দুই সদস্য হলেন; কালিয়াকৈর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউছার আহাম্মেদ ও গাজীপুর ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরিফিন।
আব্দুল্লাহ আল আরিফিন সোমবার বলেন, “প্রাথমিক তদন্ত শেষ করেছি। আমরা বেশ কিছু অনিয়ম চিহ্নিত করেছি। কাল বা পরশু প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে। ”
উল্লেখ্য, গাজীপুরের এই অগ্নিদুর্ঘটনায় আহত ৩৬ জনের মধ্যে ৩২ জন ঢাকার হাসপাতালটিতে ভর্তি হন।
দগ্ধ রোগীদের দেখতে গিয়ে গত বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সামন্ত লাল সেন সাংবাদিকদের বলেন, রোগীদের প্রায় সবার অবস্থা সংকটাপন্ন।
তিনি আরও বলেন, “ভর্তি রোগীদের মধ্যে ৫০ শতাংশের বেশি বার্ন ১৬ জনের, ৯০ শতাংশ বা তার চেয়ে বেশি দগ্ধ হওয়া রোগী ১০ জন।”

পদত্যাগের আলটিমেটাম দিয়ে রাহাত বলে, ‘আজ রাত ১০টার মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে। তা না হলে আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় রাজধানীর সায়েন্স ল্যাব মোড় থেকে লংমার্চ টু সচিবালয় কর্মসূচি পালন করব।’
৮ ঘণ্টা আগে
সচিবালয় অভিমুখে ‘লংমার্চ’ নিয়ে আসা আন্দোলনরত এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা শিক্ষা ভবনের সামনে পুলিশের বাধার মুখে পড়েছিলেন। সেখানে প্রায় দেড় ঘণ্টা অবস্থান করে তারা থেকে সরে গেছেন। পরে সচিবালয় থেকে শিক্ষা ভবন পর্যন্ত উভয়মুখী সড়ক খুলে দেওয়া হয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
মন্ত্রী জানান, মোট ১ হাজার ৩৩৪টি দুর্ঘটনার মধ্যে পূর্বাঞ্চলে ঘটেছে ১ হাজার ৫১টি, আর পশ্চিমাঞ্চলে ২৮৩টি। তাঁর ভাষ্য, রেললাইনের ত্রুটির পাশাপাশি চাকার শার্প ফ্লেঞ্জ, গেজের অসামঞ্জস্য এবং প্রাকৃতিক কারণে লাইন বেঁকে যাওয়া বা দেবে যাওয়ার মতো কারণেও ট্রেন লাইনচ্যুত হতে পারে।
১০ ঘণ্টা আগে
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী নুরেমবার্গ ট্রাইব্যুনালের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, নাৎসি বাহিনী ও গেস্টাপোর মতো রাষ্ট্রীয় শক্তি ব্যবহার করে গণহত্যার অভিযোগ থেকে আওয়ামী লীগও দায়মুক্তি পেতে পারে না।
১১ ঘণ্টা আগে